সকাল>বিকাল -blog


...


 


সুমহান বরকতময় মহাসম্মানিত মহাপবিত্র ৭ শরীফ। যা সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, আখাছছুল খাছ আহলু বাইত শরীফ ও আওলাদে রসূল ছল্লাল্লাহু


সাইয়্যিদুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিয়্যীন, রহমাতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই আমার হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম ও আলাইহিন্নাস সালাম উনারা আসমান ও যমীনবাসীদের জন্য নিরাপত্তা দানকারী।” সুবহানাল্লাহ! সুমহান বরকতময় মহাসম্মানিত



পবিত্র কুরআন শরীফ এবং পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের আলোকে অকাট্য দলীল-আদিল্লাহর ভিত্তিতে ‘ছোঁয়াচে রোগে বিশ্বাসীদের’ ভ্রান্ত যুক্তির দাঁতভাঙ্গা জবাব


ক্বিল্লতে ইলম ও ক্বিল্লতে ফাহাম তথা কম জ্ঞান ও কম বুঝের কারণে কিছু সংখ্যক উলামায়ে সূ’ একখানা আছার এবং দুইখানা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ দিয়ে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যে বলেছেন, ‘ছোঁয়াচে বলতে কোনো



পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ‘লাইলাতুম মুবারাকাহ’ দ্বারা ‘লাইলাতু নিছফি মিন শা’বান’ বা শবে বরাত উনাকেই বুঝানো হয়েছে


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই আমি বরকতময় রজনীতে (পবিত্র শবে বরাত শরীফ-এ) পবিত্র কুরআন শরীফ নাযিল করেছি অর্থাৎ নাযিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি আর আমি ভয় প্রদর্শনকারী। উক্ত রাত্রিতে আমার পক্ষ থেকে সমস্ত প্রজ্ঞাময় কাজগুলো ফায়ছালা করা হয়। আর



পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মাধ্যমে পবিত্র যাকাত সম্পর্কিত আলোচনা


পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে পবিত্র যাকাত অর্থে যে সমস্ত শব্দ মুবারক এসেছে তার ব্যবহার প্রসঙ্গ : পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে মোট ৩২ স্থানে পবিত্র যাকাত উনার কথা এসেছে, তন্মধ্যে ২৬ স্থানে সরাসরি পবিত্র নামায উনার সাথে সাথেই, ২ স্থানে



‘ধর্মনিরপেক্ষ’ কথাটি জন্মলাভ করেছিল ব্রিটিশ আমলের হিন্দুত্ববাদীদের দ্বারা!


এদেশের গতানুগতিক কমিউনিস্টরা যদিও নিজেদেরকে ধর্মনিরপেক্ষ দাবি করে, কিন্তু তবুও তাদেরকে দেখা যায় মূর্তিপূজায় অংশগ্রহণ করতে, রাখীবন্ধনসহ বিভিন্ন বিজাতীয় আচারপ্রথা পালন করতে। বিপরীতে তাদের সমস্ত এলার্জি কেবল পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনাকে কেন্দ্র করে। নাউযুবিল্লাহ! কারণ উপমহাদেশের বাংলা ও বিহার অঞ্চলে কমিউনিস্ট



দায়েমী যিকির-আযকারের ফাযায়িল-ফযীলত!


দায়েমী যিকির-আযকারের ফাযায়িল-ফযীলত! মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- فَاذْكُرُوا اللَّـهَ قِيَامًا وَقُعُودًا وَعَلَىٰ جُنُوبِكُمْ অর্থ: তোমরা দাঁড়ানো, বসা, শোয়া সর্ববস্থায় মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির করো। (পবিত্র সূরা নিসা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১০৩) এখন আমরা দাঁড়িয়ে, বসে শুয়ে



সর্বপ্রকার নেক কাজে তিনিই ছিলেন অগ্রগামী!


সর্বপ্রকার নেক কাজে তিনিই ছিলেন অগ্রগামী! আমীরুল মু’মিনীন হযরত ফারূকে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, একবার নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আমাদেরকে মহান আল্লাহ পাক উনার রাস্তায় দান-ছদকা করার জন্য নির্দেশ করলেন। সে সময় আমার পর্যাপ্ত



হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারা সকল সচ্ছলতার মালিক- একটি আকলী দলিল


একদিন হযরত রাবেয়া বসরী রহমতুল্লাহি আলাইহা উনার কাছে দু’জন দরবেশ এলেন। মেহমানদারী করারও প্রয়োজন কিন্তু ঘরে ছিল মাত্র ২টা রুটি। তিনি দু’জন দরবেশকে তা পরিবেশনও করলেন। উনারা যখন খাদ্য গ্রহণ করতে যাবেন, তখন একজন সুওয়ালকারী বা ভিক্ষুক এলো। তিনি দরবেশ উনাদের



কে প্রকৃত বুদ্ধিমান…?


কে কত বেশি টাকা কামাই করতে পারলো, কত বড় বাড়ি বানাতে পারলো, বিতর্কে জয়ী হতে পারলো- এদেরকেই আমরা বেশি বুদ্ধিমান, জ্ঞানী বলে মনে করি। কিন্তু আসলে কে প্রকৃত বুদ্ধিমান- এ বিষয়ে যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক



প্রকৃত মু’মিন উনাদের বৈশিষ্ট কী?


আমরা প্রত্যেকেই মুসলমান। একজন মুসলমানের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের আদেশ -নিষেধ মুবারক মানা। উনাদের আদেশ-নিষেধ মুবারক মানা প্রত্যেক বান্দা-বান্দীর জন্য ফরয ও ওয়াজিব। মহান আল্লাহ



যারা নিজেদের মু’মিন দাবি করেন তাদের করণীয়…


যে বা যাঁরা নিজেদেরকে মু’মিন বলে দাবি করে থাকে, নিজেদেরকে মু’মিন বলে পরিচয় দিয়ে থাকে, তাদের করণীয় কাজ হচ্ছে খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনাকে এবং উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদেরকে সন্তুষ্ট করা।



খেলাধূলা বর্জন করবেন কেন?


১. পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার দৃষ্টিতে সকল প্রকার খেলা হারাম। ২. হারাম কাজে খুশি প্রকাশ করা কুফরী। অথচ খেলাধূলা প্রতিযোগিতায় তা করা হয়। ৩. খেলাধুলাকে সমর্থন করা হারাম ও কুফরী। ৪. খেলা পুরোপুরিভাবে দ্বীন ইসলামী তাহযীব-তামাদ্দুন বিরোধী। ৫. খেলাধূলা মহান আল্লাহ