সাময়িক অসুবিধার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দু:খিত। ব্লগের উন্নয়নের কাজ চলছে। অতিশীঘ্রই আমরা নতুনভাবে ব্লগকে উপস্থাপন করবো। ইনশাআল্লাহ।

সকাল>বিকাল -blog


...


সকাল>বিকাল
 


মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মহাসম্মানিত শান মুবারকসমূহ অত্যন্ত সূক্ষ্ম থেকেও সূক্ষ্মতর


আরবী ক্বাওয়ায়িদ বা ব্যাকরণ অনুযায়ীاَهْلُ بَيْتٍ (আহলু বাইত) মুরাক্কাবে ইদ্বাফী হয়েছে। অর্থাৎ اَهْلُ (আহাল) শব্দ মুবারকখানা হচ্ছেন মুদ্বাফ আর بَيْتٍ (বাইত) শব্দ মুবারকখানা হচ্ছেন মুদ্বাফ ইলাইহ। اَهْلُ (আহাল) শব্দ মুবারক উনার অর্থ মুবারক হচ্ছেন অধিবাসী, পরিবার-পরিজন, লোকজন, বাসিন্দা, সদস্য, আত্মীয়-স্বজন ইত্যাদি।



মুসলিম বিজ্ঞানী-মনীষীদের স্মরণ করে অনেকেই আফসোস করে। কিন্তু মুসলিম মনীষীদের যাঁরা তৈরি করেছিলেন, সেই হক্কানী পীর-মুর্শিদগণ উনাদের নিকট যাওয়া


বর্তমানে গোটা বিশ্বের মুসলিম উম্মাহ এক চরম হতাশার মধ্যে দিনাতিপাত করছে। যারা ইতিহাস সচেতন, তারা অতীতের মুসলিম বিজ্ঞানী-কবি সাহিত্যিকদের ইতিহাস স্মরণ করে আফসোস করে। তারা আফসোস করে এই ভেবে যে, আগে আমাদের সবই ছিল, কিন্তু এখন আমাদের কিছুই নেই। কিন্তু কেন



আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মুহব্বত মুবারক মুসলমানদের জন্য ফরযে আইন


মহান আল্লাহ পাক তিনি হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সম্পর্কে ইরশাদ মুবারক করেন- قُل لَّا اَسْأَلُكُمْ عَلَيْهِ اَجْرً‌ا اِلَّا الْمَوَدَّةَ فِي الْقُرْ‌بٰى অর্থ: “হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি (উম্মতদেরকে) বলুন, আমি তোমাদের নিকট কোন বিনিময় চাই



আসাদুল্লাহিল গালিব সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার আত্মত্যাগের বিরল দৃষ্টান্ত


ইমামুল আউয়াল সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি পবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের অন্যতম। কুরাঈশ বংশের হাশেমী শাখায় তিনি বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। পিতৃকুল ও মাতৃকুল উভয় দিক থেকে তিনি কুরাঈশ বংশোদ্ভূত। সবচেয়ে বিশুদ্ধ ও গ্রহণযোগ্য



এক নজরে সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি ‘আলাল ‘আলামীন, উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আছ ছালিছাহ্ ‘আশার আলাইহাস সালাম উনার সম্মানিত পরিচিতি মুবারক


উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আছ ছালিছাহ্ ‘আশার আলাইহাস সালাম তিনি হচ্ছেন হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের মধ্যে বিশেষ ব্যক্তিত্বা মুবারক। সুবহানাল্লাহ! তিনি শুধু যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি নন এবং নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি



কুরবানী পশুর হাড়-শিং-এর ২০ কোটির বাজার ১শ কোটিতে নেয়া সম্ভব


কুরবানীর পশুর একটি হাড়ও ফেলনা নয়। হাড়, শিং, দাঁত ও খুর রফতানী ও এগুলোর দ্বারা তৈরি পণ্য বাজারজাত করে বর্তমানের ২০ কোটি টাকার বাণিজ্য ১শ কোটিতে নিয়ে যাওয়া সম্ভব। হাড় ও শিং থেকে সামান্য পরিমাণে চিরুনী, বোতাম, হস্তশিল্প তৈরি করা হলেও



মহান আল্লাহ পাক উনার সবচেয়ে বড় সম্মানিত শি‘য়ার বা নিদর্শন মুবারক হচ্ছেন সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ


“শা‘য়ায়িরুল্লাহ” তথা মহান আল্লাহ পাক সম্মানিত শি‘য়ার বা নিদর্শন মুবারক উনাদের সম্মানিত পরিচিতি মুবারক: মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, لَا تُحِلُّوا شَعَائِرَ اللهِ অর্থ: “তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত শি‘য়ার তথা নির্দশন মুবারকসমূহ উনাদেরকে অবমাননা করো না অর্থাৎ



সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, উম্মুল মু’মিনীন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত আস সাবিয়াহ আত্বওয়ালু ইয়াদান আলাইহাস সালাম উনার সংক্ষিপ্ত সাওয়ানেহ মুবারক


পরিচিতি মুবারক: সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, উম্মুল মু’মিনীন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত আস সাবিয়াহ আত্বওয়ালু ইয়াদান আলাইহাস সালাম উনার সম্মানিত ও পবিত্র নাম মুবারক হযরত যয়নব আলাইহাস সালাম। কুরাইশ গোত্রের বনু আসাদ বংশে উনার বিলাদত শরীফ। উনার সম্মানিত পিতার নাম হযরত জাহাশ আলাইহিস সালাম,



উপজাতি সন্ত্রাসী কর্তৃক সেনাবাহিনী ও বাঙ্গালী হত্যার সংক্ষিপ্ত ইতিহাস


১৯৭৭ সাল থেকে শান্তিচুক্তির আগ মূহূর্ত পর্যন্ত এই তথ্য পরিসংখ্যান। পার্বত্য শান্তিচুক্তির ২০ বছর অতিবাহিত হওয়ার পরেও পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি ফিরে আসেনি। অশান্তি বিড়ম্বনায় আজও পার্বত্য বাসীকে তাড়িয়ে বেড়ায়। প্রশাসন থেকে শুরু করে বিভিন্ন পেশাজীবীর মানুষ পার্বত্য চট্টগ্রামের বিচ্ছিন্নতাবাদী সন্ত্রাসী কর্তৃক



তিনি যার প্রতি সন্তুষ্ট থাকবেন, মহান আল্লাহ পাক তিনিও তার প্রতি সন্তুষ্ট থাকবেন


সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, সাইয়্যিদাতুনা আন নূরুর রবিয়াহ হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম তিনি বিশ্বের সকল মহিলাদের সাইয়্যিদাহ। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার লখতে জিগার ও অত্যন্ত ¯েœহময়ী কন্যা। তিনি উম্মুল মু’মিনীন আল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা



কোন মু’মিন-মুসলমানকে কষ্ট দেয়া উচিত না।


পবিত্র হাদিস শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “কোন মু’মিন-মুসলমানকে দুঃখ দিও না। কারণ, উনাদের সিনায় (বক্ষের) মধ্যে ৭০টি পর্দা রয়েছে এবং প্রতিটি পর্দার উপর একজন করে ফেরেস্তা অবস্থান করছেন। যে ব্যক্তি কোন মু’মিন-মুসলমানকে দুঃখ দেয় প্রথমতঃ সে যেন কোন ফেরেস্তাকে



কামিল শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা উনার নিকট বাইয়াত হওয়া ফরয


বলার অপেক্ষ রাখেনা যে, ইলমে ফিক্বাহ অর্থাৎ ওযূ, গোসল, ইস্তিঞ্জা, নামায-কালাম, মুয়ামালাত, মুয়াশারাত ইত্যাদি শিক্ষার জন্য ওস্তাদ গ্রহণ করা যেমন ফরয; সেটা মাদরাসায় গিয়েই হোক অথবা ব্যক্তিগতভাবে কোনো ওস্তাদের নিকট থেকেই হোক, তা শিক্ষা করা ফরয। তদ্রƒপ ইলমে তাছাওউফ অর্জনের জন্যও