আমার প্রিয় নোয়াখালী- -blog


...


 


খোদায়ী গযবে পর্যুদস্ত বিশ্বের সকল কাফির-মুশরিকদের দেশ


বিশ্বের সকল কাফির-মুশরিক তথা ইহুদী-নাছারা-মজুসী-মুশরিক, যবন, ম্লেচ্ছ, অস্পৃশ্য সম্প্রদায় সবাই একজোট হয়ে পৃথিবীর আনাচে-কানাচে, অলিতে-গলিতে মুসলমানদের উপর জঙ্গি হামলা চালিয়ে নির্মমভাবে অবর্ণনীয় যুলুম নির্যাতন করছে, তাঁদেরকে নির্বিচারে শহীদ করছে, মুসলমানদের দেশে সৈন্য পাঠিয়ে অবৈধভাবে মুসলমানদের সম্পদ লুণ্ঠন করছে, মুসলিম মহিলাদের সম্ভ্রমহরণ



ছবি তোলা আর খোদা দাবি করা একই কথা


মহান খালিক্ব, মালিক, রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ছবি, তোলা এবং মূর্তি বানানোর জন্য শক্তভাবে নিষেধ করেছেন। ছবি তোলা মানে শিরক করা। খালিক্ব, মালিক, রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ক্বিয়ামতের দিন ছবি উত্তোলনকারী, মূর্তি শিল্পীকে তাদের বানানো ছবি বা মূর্তির মধ্যে



নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিশেষ বিশেষ খাবার মুবারক উনাদের বর্ণনা


লবণ: হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, “খাদ্যের মধ্যে লবণ সবগুলির সর্দার। ইহা হজমে সহায়ক এবং স্বাস্থ্যের জন্য বড়ই উপকারী। খাওয়ার শুরুতে ও শেষে লবণ খাওয়া খাছ সুন্নতের অন্তর্ভুক্ত।” (ইবনে মাজাহ্, যাদুল মা‘আদ)। পানীয়: নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ



নূরী হাদিয়া আম্মাজী


ইয়া আম্মাজী! নূরে মুকাররম, শাহী খিদমতে ছলাতু ছালাম। তুলনায় আম্মাজী ছিদ্দীক্বা হুমায়রা কুবরা শানে বেমেছাল সেরা ॥ আম্মাজী শানে পড়লে মীলাদ ইস্তিকামাতী নূরে ভরে হৃদ। মুরীদান মোরা পড়ছি সদা কায়িনাত সম্রাজ্ঞী নূরী সাইয়্যিদা ॥ শানদারী লক্বব- ইয়া হাবীবা! আহলে বাইতে শাহী



নিজে ভোগ না করে এবং পরকালের জন্য না জমিয়ে ভবিষ্যৎ বংশধরদের ঝগড়ার ইন্দন তৈরি করে কী লাভ হবে?


দুনিয়া অর্জনে নয়, বর্জনেই সাফল্য। এ আবার কেমন কথা। দুনিয়ার জীবনে কাড়ি কাড়ি টাকা অর্জন করে দুনিয়ার জীবন ভোগ করবে- এটাই তো সাফল্য? আর দুনিয়াকে বর্জন করে মানুষ কী পাবে? দুঃখ, দুর্দশা-অভাব আর অনাটন এইতো। ধরা যাক জনৈক ব্যক্তি অনেক পরিশ্রম



ইয়াতিমের নামে আত্মসাৎ!


  ইয়াতিমের নামে সংগৃহীত বা বরাদ্দকৃত টাকা অনেকেই খায়। এ সারিতে রয়েছে, সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে প্রত্যন্ত গ্রামগঞ্জের প্রভাবশালীরা বা প্রতারকরা। ইয়াতিমখানার উন্নয়ন ও ইয়াতিমদের ব্যায়ভারের কথা বলে হাটে, মাঠে, ঘাটে, বাজারে, মসজিদে, মাদরাসায় টাকা উঠানো হচ্ছে। পবিত্র ইসলামিক দৃষ্টিভঙ্গিতে ধর্মপ্রাণরা



বাংলাদেশের মানুষের প্রধান খাদ্য ভাত।


সব প্রশংসা মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ ও সালাম। সাইয়্যিদুনা হযরত আলী কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহু আলাইহিস সালাম তিনি ইরশাদ করেন, ‘আক্বল হলো রিযিকের



মানবাধিকার লঙ্ঘনকারী পশ্চিমারা মুসলিম বিশ্বে মানবাধিকারের ত্রাণকর্তা সেজে বসে।


যা মূলত ধোঁকাবাজি, প্রতারণা, শঠতা ও ছলনা ছাড়া কিছুই নয়। বরং মানবাধিকারের বুলি কপচানোর নামে মুসলিম দেশ দখলের চরম দুরভিসন্ধি ও পরম ষড়যন্ত্র পশ্চিমা দেশগুলো ও জাতিসংঘ সবসময় মানবাধিকারের কথা বলে বেড়ায়। মুসলিম দেশগুলোকে কথিত মানবাধিকারের নামে চাপে রাখে। কিন্তু নিজেরা



বেপর্দা হয়ে ও হারাম ছবি তুলে হজ্জ করা শুদ্ধ নয়


হজ্জ শর্তসাপেক্ষে ফরয। আর বেপর্দা হওয়া ও প্রাণীর ছবি তোলা বিনা শর্তেই হারাম। অতএব, হারাম কাজ করে হজ্জ করা শুদ্ধ হবে না। আর হজ্জে গিয়ে অশ্লীল-অশালীন ও হারাম কাজ করাও নিষেধ। অতএব, হজ্জে যাওয়ার পূর্ব থেকেই যখন বেপর্দা ও হারাম ছবির



কুরআন শরীফ ও হাদীছ শরীফ-এর দৃষ্টিতে হযরত উম্মুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের ফাযায়িল-ফযীলত


খালিক্ব, মালিক, রব মহান আল্লাহ পাক উনার কায়িনাতে যত মাখলূকাত তিনি সৃষ্টি করেছেন, তন্মধ্যে খালিক্ব, মালিক, রব মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব আকরামুল খলায়িক্ব, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকেই তিনি শ্রেষ্ঠত্ব ও সর্বাধিক



ছবিবিহীন হজ্জ নিশ্চিত করার জন্য সউদী সরকারের উপর চাপ অব্যাহত রাখতে হবে


ছবি ও পর্দার আদেশ লঙ্ঘন করে যারা হজ্জ করবে তাদের সে হজ্জ কখনো খালিক্ব, মালিক, রব মহান আল্লাহ পাক উনার দরবারে কবুল হবে না। শরীয়তের ফায়ছালা হলো- একটা আদেশ অমান্য করে আরেকটা মান্য করা সম্পূর্ণরপে নিষিদ্ধ। এ মর্মে খালিক্ব, মালিক, রব



১৯শে শাওয়াল শরীফ: একটি জান্নাতী বাগানের সূচনালগ্নের দিবস


১৯শে শাওয়াল শরীফ ১৪০৮ হিজরী। আনুষ্ঠানিকভাবে সূচনা হয়ে গেলো এক জান্নাতী বাগানের। সেই বাগান আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠা করলেন পঞ্চদশ হিজরী শতকের মহান মুজাদ্দিদ, যামানার খাছ লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, খলীফাতুল্লাহ, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, গাউছুল আ’যম, হাকিমুল হাদীছ, জাব্বারিউল আউয়াল,