Golami_vikharee -blog


...


 


সম্মানিত শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে ছোঁয়াচে রোগ বলতে কিছু নেই


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আমি তোমাদেরকে পরীক্ষা করবো কিছু বিষয় দ্বারা। সেগুলো হচ্ছে: ভয়-ভীতি, ক্ষুধা দ্বারা এবং মাল, জীবন ও খাদ্যশস্যের ক্ষতি দ্বারা। তবে ধৈর্যশীলদের জন্য সুসংবাদ রয়েছে।” অত্র পবিত্র আয়াত শরীফ উনার তাফসীরে বলা হয়েছে যে, রোগ



একই ফাঁদে বাংলার মুসলমান


বিশ্বখ্যাত পর্যটক ইবনে বতুতা এই বাংলার প্রাচুর্যতা দেখে বলেছিলেন- ‘জান্নাতের দরজা’। এই ‘জান্নাতের দরজা’কে করায়ত্ত করার জন্য কাফিরদের ছিলো ব্যাপক খায়েশ। কিন্তু এদেশের মুসলমানদের ঈমানী জোশ আর জযবার কাছে তারা পরাস্ত হয়েছে। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। এক সময় মুসলমানরা মহান আল্লাহ



ওলীআল্লাহ উনাদের ছোহবতে যাওয়া ব্যতীত কারো পক্ষে প্রকৃত মু’মিন-মুসলমান হওয়া সম্ভব নয়!!!


মহান আল্লাহ পাক উনার হুকুম মুবারকগুলো বান্দাদেরকে বাস্তবে প্রতিপালনের জন্য মহান আল্লাহ পাক তিনি হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে পাঠিয়েছেন এবং সর্বশেষ নবী ও রসূল হিসেবে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে পাঠিয়েছেন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর



ছোঁয়াচে রোগ এবং চিকিৎসা বিজ্ঞানের অজ্ঞতা


যিনি খালিক্ব যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “কাফির-মুশরিকরা হিংসাবশত চায় কীভাবে মুসলমানের পবিত্র ঈমান আনার পর আবার কাফির বানানো যায়।” কাফির-মুশরিকদের ষড়যন্ত্রের আরেকটি সূক্ষ্ম ষড়যন্ত্র হলো ছোঁয়াচে রোগ বলে



পবিত্র রজবুল হারাম শরীফ মাস ৭টি দোযখ থেকে মুক্তির মাস, পবিত্র জান্নাত হাছিল করার মাস


হিজরী সনের ৭ম মাস হলো ‘রজবুল আছাম্ম শরীফ’ অর্থাৎ বধির মাস। এ মাস বান্দাদের গুনাহের সাক্ষী হয় না বলেই এ মাসকে রজবুল আছাম্ম বলা হয়। অত্র মাহে রজব শরীফ উনার পহেলা তারিখের রাতে বান্দার যে কোনো দুয়া মহান আল্লাহ পাক তিনি



নিষিদ্ধ হলো পবিত্র কাবা শরীফে সেলফি ও ছবি তোলা


সউদি আরবে মক্কা নগরীর কাবা শরীফে সেলফি তোলা নিষিদ্ধ করেছে সউদি হারামাইন কর্তৃপক্ষ। সাথে মদিনার মসজিদে নববিতেও সেলফি তোলা নিষিদ্ধ করেছে কর্তৃপক্ষ। এ দুটি পবিত্র স্থানে কেউ সেলফি তুললেই দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তারা তার মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করবে। কাবা শরীফ ও মসজিদে



করোনা ভাইরাস থেকে বাচতে চান ?


বেশি করে নূরে মুজাসমাম হাবীবুল্লাহ হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ছানা সিফত করুন এবং মিলাদ শরীফ পাঠ করুন। তাহলেই করোনা ভাইরাস থেকে মুক্তি পাবেন। কারণ- নূরে মুজাসমাম হাবীবুল্লাহ হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ছানা সিফত কারলে এবং



বাংলাদেশের সরকারী আমলাদের কি পরকালের কথা মনে পড়ে না?


কিছুদিন আগে একজন মন্ত্রী মৃত্যুবরণ করেছে। সে মৃত্যুর আগে প্রকাশ্যে ধূমপান ও সভায় ঘুমানোর কারনে সাংবাদিকদের কাছে বেশ আলোচিত ছিলো। কিন্তু তার চেয়ে বেশি সমালোচিত ছিলো ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের কাছে। তবে সেটা ভালো মানুষ হিসেবে নয়। কারণ সে প্রকাশ্যেই মেয়েদের পর্দা করার



সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুস সাদিস আলাইহিস সালাম উনার একটি মুবারক স্বপ্ন


আওলাদে রসূল সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুস সাদিস আলাইহিস সালাম তিনি বলেন- ১৪৮ হিজরী সনের পবিত্র ১১ই রজবুল হারাম শরীফ পবিত্র জুমুয়াহ শরীফ উনার রাত্রে আমি যথারীতি পবিত্র কুরআন শরীফ তিলাওয়াত ও যিকির আযকার করে ঘুমিয়ে পড়ি। ঘুমের মধ্যে স্বপ্নে দেখতে পাই, আমি



মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট একমাত্র মনোনীত, পরিপূর্ণ, সন্তুষ্টিপ্রাপ্ত, অপরিবর্তনীয় সম্মানিত দ্বীন হচ্ছেন পবিত্র ইসলাম। সুবহানাল্লাহ!


পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা ঈমানদারদের বিবাহের বয়স নির্দিষ্ট করে দেননি। অর্থাৎ সম্মানিত শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে- বিবাহের নির্দিষ্ট কোনো বয়স নেই। অতএব, কেউ



মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ মাদ্রাসা ও এয়াতিম খানা লিল্লাবোডিং যাকাত ,ফিতরা ও কুরবানীর চামড়া প্রদানের শ্রেষ্ঠ স্থান


আপনি কি পবিত্র যাকাত, ফিতরা ও উশর দেন? যদি দেন তাহলে আপনার পবিত্র যাকাত, ফিতরা ও উশর আমাদের এখানে (মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ মাদ্রাসা ও এয়াতিম খানা লিল্লাবোডিং) এ দিতে পারেন। কারণ এই মাদ্রাসাই হচ্ছে একমাত্র হক্ব মাদ্রাসা। এর বৈশিষ্ট হচ্ছে নিম্নরুপ:



বদকার লোক মারা যাওয়ার সময় কি অবস্থা হয় তার একটি বাস্তব উদাহরণ


এক লোক মারা যাওয়ার সময় খুবই ছটফট করছিল, চোখ বড় বড় করে এদিক-সেদিক তাকাচ্ছিল, হাত-পা ছুটাছুটি করছিল।  উদাহরণছটফট করতে করতে শেষ পর্যন্ত চকির উপর থেকে নিচে পড়ে মারা যায়। এর মূল কারণ হলো-সে যেহেতু বদকার ছিলো তাই তার রুহ কবজ করার জন্য