Golami_vikharee -blog


...


 


বিস্ময়কর বরকতময় ফল: ত্বীন ও জয়তুন


বিস্ময়কর বরকতময় ফল: ত্বীন ও জয়তুন ==================== পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, অর্থ: শপথ! ডুমুর ও জয়তুনের। (পবিত্র সূরা ত্বীন শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১) মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ‘ত্বীন’ নামে একটি পবিত্র



সুমহান ঐতিহাসিক পবিত্র ৬ই রজবুল হারাম শরীফ


সুলত্বানুল হিন্দ, হযরত খাজা গরীবে নেওয়াজ, হাবীবুল্লাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! এই মহাসম্মানিত দিবস উপলক্ষে সকলের দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- উনার পবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক আলোচনা করার লক্ষ্যে মাহফিল করা এবং পবিত্র মীলাদ শরীফ, পবিত্র



শয়তানের ওয়াসওয়াসার কারণে কোন গুনাহর কাজ সংগঠিত হলে উপায় কি?


শয়তান নিজে বিভ্রান্ত এবং সে মানুষকেও বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে। এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা হিজর শরীফ উনার ৩৯ ও ৪০ নং আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন- قَالَ رَبِّ بِمَا اَغْوَيْتَنِىْ لَاُزَيِّنَنَّ لَهُمْ فِىْ الْاَرْضِ وَلَاُغْوِيَنَّهُمْ



গর্জে উঠো মুসলমান ,স্বাধীন করো হিন্দুস্তান


মুসলিম হিসাবে মুশরিক জালিম ভারতকে সাইজ করতে হলে– সকলে ভারতীয় সিরিয়াল দেখা আজ থেকেই চিরতরে বন্ধ করে দিন, চিকিৎসা সেবা ও আনন্দ ভ্রমনে ভারত বর্জন করুন, সকল ভারতীয় হিন্দু পন্যও ব্যবহারও একেবারেই ছেড়ে দিন। ভারতের সাথে ক্রিকেটসহ সব ধরনের খেলাধূলা চিরতরে



নাফরমানদের জন্য জাহান্নামের ভয়াবহ শাস্তি অপেক্ষা করছে


বর্ণিত রয়েছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে যখন সম্মানিত মি’রাজ শরীফ উনার রাতে ভ্রমন করানো হলো তখন উনার সফরসঙ্গী হিসেবে ছিলেন হযরত জিবরীল আলাইহিস সালাম। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি জাহান্নামের



‘হক্ব কথা বলা’- এটা ঈমান উনার অন্যতম আলামত


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মাঝে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- যে ব্যক্তি হক্ব কথা বলা থেকে বিরত থাকে অর্থাৎ নিশ্চুপ থাকে সে হলো বোবা শয়তান।’ নাউযুবিল্লাহ! অতএব, একজন মুসলমান যে নিজেকে ঈমানদার মু’মিন দাবি করে সে কি করে বোবা শয়তান হতে পারে। কস্মিনকালেও



আমাদের কি করনীয় ছিল ? আমরা কি করেছি?


  রাত ১১টায় সরকারের চাঁদ দেখার ঘোষণায় জনমনে যে সংশয় দেখা দিয়েছে আমাদের উচিত ছিল সে সংশয় দূর করা এবং শত শত মানুষ বিভিন্ন জেলায় যে চাঁদ দেখেছে তা তুলে ধরে জনগনের সংশয় দূর করা।শত শত লোকের চাঁদ দেখার প্রেক্ষিতে রুইয়াতে



পবিত্র শাওওয়াল মাসের বিশেষ মর্যাদা


আরবী দশম মাসটির নাম ‘শাওওয়াল’। মাহে রমাদ্বান শরীফ উনার পরবর্তী মাস এটি। এ মাসের পহেলা তারিখ দিনটি হচ্ছে ঈদুল ফিতরের দিন। এ দিনে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উম্মতগণ মাহে রমাদ্বান শরীফ উনার পুরা এক মাস



পবিত্র রমাদ্বান মাস হবে সুন্নতি খাদ্য দিয়ে, এটাই হোক আমাদের শপথ


প্রতিদিন আমরা অনেক ধরণের খাবার খাই। কিন্তু আমরা কি কখনও চিন্তা করেছি, আমাদের প্রাণপ্রিয় নবীজি (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যেই খাদ্যসমূহ খেয়েছেন, সেগুলো আমরা খাচ্ছি কি না ? আসুন পবিত্র রমাদ্বান মাস উপলক্ষে সবাই শপথ করি, আমাদের প্রাণপ্রিয় নবীজি (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া



অমুসলিমদের জন্য সরকারের বরাদ্দকৃত টাকাগুলো কি মুসলমানদের নয়?


প্রতি বছর সরকার অমুসলিম বিধর্মীদের পূজা-পার্বণে কোটি কোটি টাকা ও টনে টনে চাল বরাদ্দ দিয়ে থাকে। প্রশাসনকেও কড়াভাবে নির্দেশ দিয়ে দেয়- দেশের আনাচে কানাচের ছোট বড় কোনো একটি মন্ডপও যেন এই বরাদ্দকৃত অর্থ ও চাল থেকে বঞ্চিত না হয়। বাংলাদেশের জনসংখ্যার



বৈশাখে ঈমান গেলো!! 


  খুশি করে যারা বলে বৈশাখ এলো! এভাবে কত জনের ঈমান গেলো। কথিত বাংলা সনের প্রথম দিন-মাস বাংলা প-িতদের খেতে দেয় ঘাস, অ-মঙ্গলীদের কৃষ্টি চালায় বাংলা বলে হুজুগে মাতে মূর্খরা রমনায় দলে দলে। হাজার বছরের আজগুবি ইতিহাস!! ঐতিহাসিক সব ডোবার পাতিহাঁস,



দুনিয়াবী স্বার্থে নয় বরং মহামূল্যবান ঈমান হেফাযতের জন্য মুসলমানদের স্থানান্তরিত হওয়া উচিত


প্রসিদ্ধ তারিখ ও সীরাত গ্রন্থসমূহে উল্লেখ রয়েছে, “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র মক্কা শরীফ অবস্থান মুবারক করার সময় কতিপয় যুবক তারা সম্মানিত দ্বীন ইসলাম গ্রহণ করে। কিন্তু নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া