Golami_vikharee -blog


...


 


সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, উম্মু আবীহা, বিনতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছালিছাহ আলাইহাস সালাম উনার সম্মানিত


আফদ্বলুন নিসা ওয়ান নাস বা’দা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, উম্মু আবীহা, বিনতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু কুলছূম আলাইহাস সালাম উনার সবচেয়ে বড় পরিচয় মুবারক হচ্ছে, তিনি হচ্ছেন নূরে মুজাসসাম



ব্যক্তির জন্যই রাষ্ট্র; কিন্তু রাষ্ট্রের জন্য ব্যক্তি নয়। আর দ্বীনদার বা ধর্মপ্রাণ ব্যক্তির জন্য দ্বীন বা ধর্মটাই সবচেয়ে বড়।


  পবিত্র ‘ইসলাম’ শব্দের অর্থ হচ্ছে শান্তি। পবিত্র ‘ইসলাম’ই পেরেছে এবং পারে যমীনে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে। পবিত্র ইসলাম উনার বাইরে কোথাও শান্তি পাওয়া যায়নি এবং যাবেও না। কাজেই শরয়ী পর্দা পালনই শান্তি স্থাপন করতে পারবে। শরয়ী পর্দার অভাবেই আজ সবদিকেই শুধু



পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করতে করতে হিন্দুস্থানের বিশিষ্ট ওলী হযরত কুতুবুদ্দীন বখতিয়ার কাক্বী রহমতুল্লাহি


চীশতিয়া খান্দানের বিশিষ্ট বুযুর্গ হযরত খাজা গরীবে নেওয়াজ ম্ঈুনুদ্দীন হাসান চীশতি রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার প্রধান খলীফা হলেন হযরত কুতুবুদ্দীন বখতিয়ার কাক্বী রহমতুল্লাহি আলাইহি। তিনি ‘দলীলুল আরেফীন’ নামক বিখ্যাত কিতাবের লিখক। উনার পবিত্র বিছাল শরীফ গ্রহণের ঘটনাটি অনেক মশহুর। ঘটনাটি “কুতুবে ছে’র”



ইলমে ফারায়িদ্ব শিক্ষা করা ফরয


মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- تعلموا الفرائض وعلموها الناس فانه نصف العلم وهو ينسى وهو اول شىء ينزع من امتى . অর্থ:- “তোমরা ফারায়িদ্ব শিক্ষা গ্রহণ করো এবং



ব্যক্তির জন্যই রাষ্ট্র; কিন্তু রাষ্ট্রের জন্য ব্যক্তি নয়। আর দ্বীনদার বা ধর্মপ্রাণ ব্যক্তির জন্য দ্বীন বা ধর্মটাই সবচেয়ে বড়।


  পবিত্র ‘ইসলাম’ শব্দের অর্থ হচ্ছে শান্তি। পবিত্র ‘ইসলাম’ই পেরেছে এবং পারে যমীনে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে। পবিত্র ইসলাম উনার বাইরে কোথাও শান্তি পাওয়া যায়নি এবং যাবেও না। কাজেই শরয়ী পর্দা পালনই শান্তি স্থাপন করতে পারবে। শরয়ী পর্দার অভাবেই আজ সবদিকেই শুধু



সাইয়্যিদাতুনা হযরত নিবরাসাতুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার আদর্শ ব্যতীত বর্তমান নারীজাতির মুক্তির পথ নেই!


  বর্তমান এই আখিরী যামানায় যখন নারীজাতি পবিত্র দ্বীন ইসলাম থেকে বহু দূরে সরে গিয়ে জাহিলিয়াতের যুগের ন্যায় বেপর্দা, বেহায়াপনা এবং বেলেল্লাপনায় লিপ্ত হয়েছে ঠিক সেই যামানায় পবিত্র ১৯শে রবীউছ ছানী শরীফ উনার দিন দুনিয়ার তামাম দিশেহারা নারীজাতিকে মুক্তিদানের উদ্দেশ্যে জাহান



মু’মিন-মুসলমান হতে হলে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের অনুসরণেই হতে হবে এতদ্ব্যতীত মু’মিন মুসলমান হওয়ার জন্য বিকল্প


  মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার কালাম পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করে জানিয়েছেন যে, কেউ মু’মিন-মুসলমান হতে হলে তাকে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের ন্যায় ঈমান আনার জন্য এবং উনাদেরকে উত্তমভাবে অনুসরণ করতে বলেছেন। এখন যদি



মুবারক হো! মুবারক হো!! মুবারক হো!!! ঈদে বিলাদতে সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, গুলে মুবীনা, নূরে মদীনা


  হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা সব সময়ই নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম; যদিও দুনিয়াবী দৃষ্টিতে উনারা অল্প বয়স মুবারকে হন না কেন। তদ্রƒপ হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারাও সর্বাবস্থায় হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম; যদিও উনারা অল্প বয়স মুবারকে হন। মহান



সুমহান বরকতময় ঐতিহাসিক ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীমী মুহব্বত সকলেরই জীবনজুড়ে হয়ে থাক পবিত্রতম স্মৃতি


  মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার প্রিয়তম রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা সুমহান, বরকতময় এবং ঐতিহাসিক ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম শরীফ (সোমবার) উনাকে এতোই পছন্দ ও মুহব্বত করেছেন যে, এদিনে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক



সম্মানিত কুরআন শরীফ উনার বর্ণনার আলোকে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের ফযীলত মুবারক


  ‘পবিত্র সূরা ফাত্হ শরীফ’ উনার ২৯ নং পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথী অর্থাৎ হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা কাফিরদের প্রতি কঠোর। নিজেদের পরস্পরের মধ্যে



ছবির ফিৎনা থেকে বাঁচতে চাই


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মাঝে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- প্রত্যেক ছবি তুলনেওয়ালা তুলানেওয়ালা জাহান্নামী। নাউযুবিল্লাহ! অথচ ৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত এই দেশ ছবি ছাড়া যেন চলেই না। এই দেশের আনাচে-কানাচে থেকে শুরু করে প্রত্যেকটি কাজ-কর্মে রয়েছে হারাম ছবির প্রচলন। যার কারণে ছবির



সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করা কুল-কায়িনাতের সর্বশ্রেষ্ঠ ইবাদত 


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, يَااَيُّهَا النَّاسُ قَدْ جَاءَتْكُمْ مَوْعِظَةٌ مّـِنْ رَّبّـِكُمْ وَشِفَاء لّـِمَا فِى الصُّدُوْرِ وَهُدًى وَّرَحْمَةٌ لّـِلْمُؤْمِنِيْنَ. قُلْ بِفَضْلِ اللهِ وَبِرَحْمَتِهٖ فَبِذٰلِكَ فَلْيَفْرَحُوْا هُوَ خَيْرٌ مّـِمَّا يَـجْمَعُوْنَ. অর্থ: “হে মানুষেরা! হে সমস্ত জিন-ইনসান, কায়িনাতবাসী!