green flower -blog


...


 


হারাম খাদ্যের তাছির বা প্রভাব


“যাদের জীবিকা হারাম পন্থায় উপার্জিত নয় তারপরেও নাজায়িয ও হারাম কাজে লিপ্ত হওয়ার কারণ হচ্ছে, স্বীয় কর্তব্য কাজে ফাঁকি দেয়া। অর্থাৎ যারা যে পেশায় নিয়োজিত তারা তাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব বা কাজ যথাযথভাবে সম্পাদন না করেও পুরোপুরি পারিশ্রমিক বা বেতন ভোগ



সুওয়াল :


সুওয়াল : তাহাজ্জুদ নামায জামায়াতে পড়া জায়িয কিনা? জাওয়াব : না, তাহাজ্জুদ নামায জামায়াতে পড়া জায়িয নেই। তারাবীহ, কুসূফ (সূর্যগ্রহণ) ও ইস্তিসকা (বৃষ্টি চাওয়ার উদ্দেশ্যে নামায) এই তিনপ্রকার নফল (সুন্নত) নামায ব্যতীত অন্য কোন নফল বা সুন্নত নামায জামায়াতে আদায় করা



“সুন্নতকে ইহানত করা কুফরী।”


সুন্নতকে অস্বীকার করা এবং সেটাকে বিদয়াত বলে অভিহিত করা শক্ত কুফরী আর যে কুফরী করে সে কাফির হয়ে যায়। যেমন, হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ মুবারক হয়েছে, মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক



সুন্নতেই উম্মত, সুন্নতেই জান্নাত


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন, وان تطيعوه تهتدوا. অর্থ: এবং তোমরা উনার (রসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আনুগত্য করলেই হিদায়েত বা সৎপথ পাবে। (সূরা নূর/৫৪) সুন্নতেই উম্মত, সুন্নতেই জান্নাত, সুন্নতের অনুসরণই সর্বশ্রেষ্ঠ নিয়ামত। কারণ এই নিয়ামতের সাথেই হিদায়েত বিজড়িত



সুন্নতকে অস্বীকার করা যাবে না


সুন্নতের অনুসরণ ছাড়া কোন বান্দার জন্য আল্লাহ পাক ও উনার রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সন্তুষ্টি পাওয়া সম্ভব নয়। যেমন, কুরআন শরীফের “সূরা আলে ইমরান”-এর ৩১নং আয়াত শরীফে ইরশাদ হয়েছে, قل ان كنتم تحبون الله فاتبعونى يحببكم الله ويغفر لكم



পিতার দায়িত্ব হচ্ছে, সন্তানের হক্বটা যথাযথ আদায় করে দেয়া।


একটা বিষয় আমরা ফিকির করলে দেখতে পাই তা হলো, পিতা যদি সন্তানকে নামায শিক্ষা না দেয়, কুরআন শরীফ শিক্ষা না দেয় তাহলে সে সন্তান তো নামায পড়বেনা। যে নামায পড়বেনা সে তো নিজের জন্য দোয়াও করবেনা। যে নামায পড়েনা, নিজের জন্য



‘উলামায়ে ছু’ থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করতে হবে ।


কিতাবে একটি ঘটনা উল্লেখ করা হয় যে, এক লোকের শরীরে একটি বাগী বা ফোঁড়া হয়, সে চিকিৎসার জন্যে গ্রাম্য এক ডাক্তারের নিকট যায়। ডাক্তার চিকিৎসা হেতু লোহা গরম করে উক্ত বাগী বা ফোঁড়াতে দাগা দিয়ে দেয়। রোগী চিকিৎসা নিয়ে বাড়ীতে চলে



যদি আক্বীদার মধ্যে কোন ত্রুটি থাকে, তবে তা অবশ্যই পরিত্যাজ্য


বান্দার ইবাদত-বন্দেগী বা নেক আমল কবুলযোগ্য হওয়ার জন্যে প্রধানতম শর্ত হচ্ছে- আক্বীদা শুদ্ধ থাকা অর্থাৎ আহ্লে সুন্নত ওয়াল জামায়াতের আক্বীদার ন্যায় আক্বীদা পোষণ করা। কারণ বিশুদ্ধ আক্বীদা আমল কবুল হওয়ার পূর্ব শর্ত। তাই মহান আল্লাহ্ পাক, পবিত্র কালামে পাকে এরশাদ করেন,



রহমতুল্লিল আলামীন


মহান আল্লাহ পাক সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন্ নাবিয়্যীন, হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পরিচয় দিতে গিয়ে ইরশাদ মুবারক করেন , وما ارسلنك الا رحمة للعلمين. “হে আমার হাবীব! আমি আপনাকে রহমতুল্লিল আলামীন বা সকল সৃষ্টির জন্য রহমতরূপে প্রেরণ



আল্লাহ্ পাক-এর সন্তুষ্টি


মহান আল্লাহ্ পাক বলেন, ورضوان من الله اكبر. অর্থঃ- “আল্লাহ্ পাক-এর সন্তুষ্টিই হচ্ছে সবচেয়ে বড়।” (সূরা তওবা/৭২) তিনি আরো বলেন, والله ورسوله احق ان يرضوه ان كانوا مؤمنين. অর্থঃ- “যদি তারা মু’মিন হয়ে থাকে তাহলে তাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য হলো, আল্লাহ্



পর্দা করা ফরয


সুওয়াল : যে ইমাম বা খতীব ছাহেবের স্ত্রী-পরিজন পর্দা করেনা, তার পিছনে কি নামায পড়া জায়িয হবে? জাওয়াব : পর্দা করা ফরয। পর্দার খিলাফ করা কবীরা গুণাহ। যদি কোন ইমাম বা খতীব ছাহেব উনার স্ত্রী-পরিজনের পর্দা না করে, তাহলে সে দাইয়ুসের



আহলে বাইত


সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন্নাবিয়্যীন, রহমতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাস্সাম, হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরো বলেন, “তারকারাজী আসমানের নিরাপত্তা দানকারী আর আমার বংশধর বা আওলাদগণ যমীনের নিরাপত্তা দানকারী। সুতরাং যখন আমার আহলে বাইত বা আওলাদগণ (দুনিয়া থেকে) চলে যাবেন তখন