green flower -blog


...


 


মে দিবস পালন করা অজ্ঞতা ও মূর্খতারই নামান্তর


১লা মে তথাকথিত শ্রমিক দিবস, হিসেবে পালন করছে কাফিরদের সাথে অনেক মুসলমানরা। কিন্তু কেউ কী একবার ভেবে দেখেছে, এ দিবস কোথা থেকে এসেছে? কে এর প্রবক্তা? না জেনে, না শুনে অন্ধের মতো পালন করে যাচ্ছে ইহুদী-খ্রিস্টানদের প্রবর্তিত দিবসগুলো। কথিত শ্রমিক দিবস



হাক্বীক্বী গোলাম কিরূপ হবেন ??


  এক বুজুর্গ ব্যক্তি তিনি বাজার থেকে একজন গোলাম খরিদ করে এনেছিলেন। কিছুক্ষণ পর উনার খানকা শরীফে তা’লীম তালক্বীন হচ্ছে। এর মধ্যে তিনি ঐ গোলামকে জিজ্ঞাসা করলেন- “হে ব্যক্তি তুমি কি খাবে? কি পড়বে? কি কাজ করবে? কোথায় থাকবে?” চারটি প্রশ্ন



রিযিকের মালিক আল্লাহ পাক


আল্লাহ্ পাক নিষেধ করে দিয়েছেন সরাসরি কুরআন শরীফে একাধিক আয়াতে যে, ولا تقتلوا اولادكم خشية املاق نحن نرزقهم واياكم. “তোমরা সন্তানকে খাওয়া-পরার অভাবে হত্যা করনা। আমি তোমাদেরকে যেমন খাওয়া পরা দিয়ে থাকি ঠিক তাদেরকেও তদ্রুপ দিব।” (সূরা বণী ইসরাঈল/৩১) প্রত্যেক সন্তান



হারাম পন্থায় ইসলাম কায়েমের চেষ্টা


হারাম উপায়ে ইসলাম প্রচারের কথা কুরআন-সুন্নাহ্র কোথাও নেই। ইসলাম প্রচার করতে হলে আল্লাহ্ পাক-এর বিধান অনুযায়ী করতে হবে। যেমন আল্লাহ্ পাক কুরআনুল করীমে ইরশাদ করেন, وان احكم بينهم بما انزل الله ولا تتبع اهواءهم. অর্থঃ- “তারা আপনার নিকট কোন মোকদ্দমা নিয়ে



হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে নিজেদের মতো বাশার বলা কাট্টা কুফরী


কালামুল্লাহ শরীফে ইরশাদ হয়েছে, আল্লাহ পাক রোয আযলে অর্থাৎ সৃষ্টির শুরুতে সমস্ত নবী-রসূল আলাইহিমুস্ সালামগণের কাছ থেকে ওয়াদা নিলেন এই শর্তে যে, “আমি আপনাদেরকে কিতাব ও হিকমত দান করবো অতঃপর আমার যিনি হাবীব যিনি সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু



হারাম খাদ্যের তাছির বা প্রভাব


“যাদের জীবিকা হারাম পন্থায় উপার্জিত নয় তারপরেও নাজায়িয ও হারাম কাজে লিপ্ত হওয়ার কারণ হচ্ছে, স্বীয় কর্তব্য কাজে ফাঁকি দেয়া। অর্থাৎ যারা যে পেশায় নিয়োজিত তারা তাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব বা কাজ যথাযথভাবে সম্পাদন না করেও পুরোপুরি পারিশ্রমিক বা বেতন ভোগ



সুওয়াল :


সুওয়াল : তাহাজ্জুদ নামায জামায়াতে পড়া জায়িয কিনা? জাওয়াব : না, তাহাজ্জুদ নামায জামায়াতে পড়া জায়িয নেই। তারাবীহ, কুসূফ (সূর্যগ্রহণ) ও ইস্তিসকা (বৃষ্টি চাওয়ার উদ্দেশ্যে নামায) এই তিনপ্রকার নফল (সুন্নত) নামায ব্যতীত অন্য কোন নফল বা সুন্নত নামায জামায়াতে আদায় করা



“সুন্নতকে ইহানত করা কুফরী।”


সুন্নতকে অস্বীকার করা এবং সেটাকে বিদয়াত বলে অভিহিত করা শক্ত কুফরী আর যে কুফরী করে সে কাফির হয়ে যায়। যেমন, হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ মুবারক হয়েছে, মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক



সুন্নতেই উম্মত, সুন্নতেই জান্নাত


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন, وان تطيعوه تهتدوا. অর্থ: এবং তোমরা উনার (রসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আনুগত্য করলেই হিদায়েত বা সৎপথ পাবে। (সূরা নূর/৫৪) সুন্নতেই উম্মত, সুন্নতেই জান্নাত, সুন্নতের অনুসরণই সর্বশ্রেষ্ঠ নিয়ামত। কারণ এই নিয়ামতের সাথেই হিদায়েত বিজড়িত



সুন্নতকে অস্বীকার করা যাবে না


সুন্নতের অনুসরণ ছাড়া কোন বান্দার জন্য আল্লাহ পাক ও উনার রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সন্তুষ্টি পাওয়া সম্ভব নয়। যেমন, কুরআন শরীফের “সূরা আলে ইমরান”-এর ৩১নং আয়াত শরীফে ইরশাদ হয়েছে, قل ان كنتم تحبون الله فاتبعونى يحببكم الله ويغفر لكم



পিতার দায়িত্ব হচ্ছে, সন্তানের হক্বটা যথাযথ আদায় করে দেয়া।


একটা বিষয় আমরা ফিকির করলে দেখতে পাই তা হলো, পিতা যদি সন্তানকে নামায শিক্ষা না দেয়, কুরআন শরীফ শিক্ষা না দেয় তাহলে সে সন্তান তো নামায পড়বেনা। যে নামায পড়বেনা সে তো নিজের জন্য দোয়াও করবেনা। যে নামায পড়েনা, নিজের জন্য



‘উলামায়ে ছু’ থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করতে হবে ।


কিতাবে একটি ঘটনা উল্লেখ করা হয় যে, এক লোকের শরীরে একটি বাগী বা ফোঁড়া হয়, সে চিকিৎসার জন্যে গ্রাম্য এক ডাক্তারের নিকট যায়। ডাক্তার চিকিৎসা হেতু লোহা গরম করে উক্ত বাগী বা ফোঁড়াতে দাগা দিয়ে দেয়। রোগী চিকিৎসা নিয়ে বাড়ীতে চলে