green flower -blog


...


 


যদি আক্বীদার মধ্যে কোন ত্রুটি থাকে, তবে তা অবশ্যই পরিত্যাজ্য


বান্দার ইবাদত-বন্দেগী বা নেক আমল কবুলযোগ্য হওয়ার জন্যে প্রধানতম শর্ত হচ্ছে- আক্বীদা শুদ্ধ থাকা অর্থাৎ আহ্লে সুন্নত ওয়াল জামায়াতের আক্বীদার ন্যায় আক্বীদা পোষণ করা। কারণ বিশুদ্ধ আক্বীদা আমল কবুল হওয়ার পূর্ব শর্ত। তাই মহান আল্লাহ্ পাক, পবিত্র কালামে পাকে এরশাদ করেন,



রহমতুল্লিল আলামীন


মহান আল্লাহ পাক সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন্ নাবিয়্যীন, হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পরিচয় দিতে গিয়ে ইরশাদ মুবারক করেন , وما ارسلنك الا رحمة للعلمين. “হে আমার হাবীব! আমি আপনাকে রহমতুল্লিল আলামীন বা সকল সৃষ্টির জন্য রহমতরূপে প্রেরণ



আল্লাহ্ পাক-এর সন্তুষ্টি


মহান আল্লাহ্ পাক বলেন, ورضوان من الله اكبر. অর্থঃ- “আল্লাহ্ পাক-এর সন্তুষ্টিই হচ্ছে সবচেয়ে বড়।” (সূরা তওবা/৭২) তিনি আরো বলেন, والله ورسوله احق ان يرضوه ان كانوا مؤمنين. অর্থঃ- “যদি তারা মু’মিন হয়ে থাকে তাহলে তাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য হলো, আল্লাহ্



পর্দা করা ফরয


সুওয়াল : যে ইমাম বা খতীব ছাহেবের স্ত্রী-পরিজন পর্দা করেনা, তার পিছনে কি নামায পড়া জায়িয হবে? জাওয়াব : পর্দা করা ফরয। পর্দার খিলাফ করা কবীরা গুণাহ। যদি কোন ইমাম বা খতীব ছাহেব উনার স্ত্রী-পরিজনের পর্দা না করে, তাহলে সে দাইয়ুসের



আহলে বাইত


সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন্নাবিয়্যীন, রহমতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাস্সাম, হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরো বলেন, “তারকারাজী আসমানের নিরাপত্তা দানকারী আর আমার বংশধর বা আওলাদগণ যমীনের নিরাপত্তা দানকারী। সুতরাং যখন আমার আহলে বাইত বা আওলাদগণ (দুনিয়া থেকে) চলে যাবেন তখন



দরূদ শরীফ পাঠ করার বরকত


ছহেবে ওয়ামা আরসালনাকা ইল্লা রহমাতাল্লিল আলামীন, খাজিনাতুর রহমত, ছহিবুল বারাকাত, ছহেবে তাতমাইন্নুল ক্বুলূব হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর প্রতি দরূদ শরীফ পাঠ করার বরকত —————————————————————————— من صلى على صلوة واحدة صلى الله عليه عشرا. অর্থঃ- “যে ব্যক্তি আমার প্রতি এক



মক্কা শরীফ বাসীর মীলাদ :


“আমাদের মাশায়েখদের ইমাম শায়খ শামসুদ্দিন মুহম্মদ সাখাবী রহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন, পবিত্র মক্কা শরীফে মীলাদ শরীফ অনুষ্ঠানে যারা কয়েক বছর উপস্থিত ছিলেন, আমি তাদের মধ্যে অন্যতম একজন। আমরা মীলাদ শরীফ অনুষ্ঠানের বরকত অনুভব করছিলাম যা নিদৃষ্ট কয়েক ব্যক্তির প্রতি ইঙ্গিত করা হয়।



একমাত্র মনোনীত দ্বীন হলো ইসলাম


মহান আল্লাহ্ পাক কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ করেন, ان الدين عند الله السلام. অর্থঃ-“নিশ্চয়ই আল্লাহ্ পাকের নিকট একমাত্র মনোনীত দ্বীন হলো ইসলাম।” (সুরা আলে ইমরান/১৯)   আর এ প্রসঙ্গেই মহান আল্লাহ্ পাক অন্য আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ করেছেন, ومن



ওহী ব্যতীত


কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ হয়েছে, وما ينطق عن الهوى ان هو الاوحى يوحى. অর্থঃ- “তিনি (হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ওহী ব্যতীত নিজের থেকে মনগড়া কোন কথা বলেন না।” (সুরা নজম/৩,৪)



রহমতুল্লিল আলামীন


মহান আল্লাহ পাক সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন্ নাবিয়্যীন, হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পরিচয় দিতে গিয়ে ইরশাদ মুবারক করেন , وما ارسلنك الا رحمة للعلمين. “হে আমার হাবীব! আমি আপনাকে রহমতুল্লিল আলামীন বা সকল সৃষ্টির জন্য রহমতরূপে প্রেরণ



বাহ্যিক পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা


সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন্নাবিয়্যীন, হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শরীর মুবারকের পরিচর্যা ও বাহ্যিক পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতার উপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন। শরীর মুবারকের পরিচর্যার ক্ষেত্রে গুরুত্ব প্রদানঃ রসূলুল্লাহ্ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজ শরীর মুবারক-এর অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সর্বদা পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে সদা



শিশুদের সাথে ব্যবহার


হযরত আনাছ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বলেন, “নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ্ হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন শিশুদের নিকট দিয়ে হেঁটে যেতেন তখন শিশুদের সালাম দিতেন।” (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত) হযরত আয়েশা ছিদ্দীকা আলাইহাস সালাম বলেন, “কোন এক সময় এক বেদুঈন হুজুর পাক