হাদি উল -blog


I am a student....................


 


সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, ছহিবাতুল জান্নাহ, ছহিবাতুল হুসনা, ছহিবাতুন নিয়ামাহ, সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুল ঊলা আলাইহাস সালাম উনার বেমেছাল, মর্যাদা-মর্তবা


হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম সালাম উনাদেরকে মহান আল্লাহ পাক কায়িনাতবাসীর জন্য আমানতস্বরূপ করেছেন। উনারা একদিকে মাখলুকাতের নিরাপত্তাদানকারী। অপরদিকে মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সন্তুষ্টি মুবারক লাভের মাধ্যম।



কালোজিরার উপকারিতা সম্পর্কে : কালোজিরা খাওয়া সম্মানিত সুন্নত মুবারক


কালোজিরার পরিচিতি: বাংলা নাম- কালোজিরা, ফার্সী নাম- শোনিজ, আরবী নাম- হাব্বাতুস সাওদা, ইংরেজী নাম- Black cumin, বৈজ্ঞানিক নাম- Nigella sativa কালোজিরার অন্যতম কার্যকরী উপাদানসমূহ হল: ThymoPuinoline, DithymoPuinone, Nigellone etc. কালোজিরা সম্পর্কে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার



আন্তর্জাতিক পবিত্র সুন্নত মুবারক প্রচার কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন মহাসম্মানিত পবিত্র সুন্নত মুবারকসমূহ কালামুল্লাহ শরীফ উনার অনুরূপ বরং


মহাসম্মানিত হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে পবিত্র কালামুল্ল্হা শরীফ হাদিয়া মুবারক করার সাথে সাথে অনূরূপ তথা মহাপবিত্র সুন্নত মুবারকও হাদিয়া মুবারক করা হয়েছে বরং মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক কালামুল্লাহ শরীফ থেকেও বেশী গুরুত্বপূর্ণ বলা হয়েছে। সুবহানাল্লাহ!



অভিমত: করোনা মুসলমানদের জন্য কোনো সমস্যা নয়; বরং কাফিরদের উপর নিপতিত এক মহা গযব


করোনা হলো ইসলামবিদ্বেষী ও মুসলিমবিদ্বেষী চীন থেকে শুরু করে বিশ্বের সকল কাফিরগোষ্ঠীর উপর নাযিল হওয়া অত্যন্ত কঠিন এক গযব। এই গযবে পড়ে হাঁকডাক দেয়া বিশ্বের সকল কুফরী শক্তিগুলো আজ কুপোকাত। তারা আজ নিজেদের অস্তিত্ব সংকটে ভুগছে। মূলত মুজাদ্দিদে আযম রাজারবাগ শরীফ



অতিরিক্ত জনসংখ্যা কোনো সমস্যা নয়, বরং মহান আল্লাহ পাক উনার নিয়ামত


বর্তমান বাংলাদেশে ২৫ কোটিরও বেশি লোকের বসবাস। অন্যান্য দেশের তুলনায় এদেশের জন্মহার বেশি তাই জনসংখ্যাও বেশি। যা মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ হতে এদেশের জন্য অশেষ রহমতস্বরূপ। কিন্তু ইহুদী-খ্রিস্টানদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত এই জনসমাজে এই নিয়ামতকে বাংলাদেশের প্রধান সমস্যা হিসেবে এদেশের জনসাধারণের



আমাদের এদেশের পণ্যে “ভেজিটেরিয়ান” লোগো ব্যবহার নিষিদ্ধ করতে হবে


বাংলাদেশে ৯৮ ভাগ মুসলমান অধুষ্যিত দেশ। তাই এখানে ইসলামী নিয়ম-নীতি প্রাধান্য পাবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু বাস্তবতা সম্পূর্ণ ভিন্ন। মনে হয় না কোনো মুসলমান দেশটি শাসন করছে। এখানে বিধর্মীদের তর্য-তরীক্বা, আচার-আচরণ, সংস্কৃতি ইত্যাদি প্রাধান্য বিস্তার করে আছে। তারই একটি বহিঃপ্রকাশ হচ্ছে বাংলাদেশী



মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের আলোকে ছোঁয়াচে রোগ বা সংক্রামক রোগ বলতে


মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে ছোঁয়াচে বা সংক্রামক বলতে কোনো রোগই নেই। কোনো রোগের কোনো ক্ষমতা নেই যে, মহান আল্লাহ পাক উনার ইচ্ছা ব্যতীত কারো উপর আক্রমণ করে। আল্লাহ পাক তিনি সমস্ত জিন-ইনসান ও প্রাণী সৃষ্টি করেছেন এবং তাদের হায়াত-মাওত,



খ্রিস্টান পাদ্রী মেকলের বক্তব্য: মুসলমানদের শিক্ষাব্যবস্থাকে ধবংস করার মাধ্যমেই তাদেরকে গোলামের জাতিতে পরিণত করা সম্ভব (নাউযুবিল্লাহ!)


বলা হয়ে থাকে, ‘শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড-’। কথাটি কাফির-মুশরিকরা যতোটা বুঝতে পারে, মুসলমানরা তার কিয়দংশও বুঝতে পারে না। যে কারণে ব্রিটিশরা ভারতবর্ষের মুসলমানদের মেরুদ-স্বরূপ যে ইসলামী শিক্ষাব্যবস্থা, তাকে ধ্বংস করে দিয়েছিল। এর ফলেই ব্রিটিশরা ১৯০ বছর তাদের শাসন জারি রাখতে পেরেছিল এবং



খলীফাতু রসূলিল্লাহ সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম উনাকে হাক্বীক্বীভাবে অনুসরণ করলেই যমীনের মধ্যে ইনছাফ প্রতিষ্ঠা হবে!


খলীফাতু রসূলিল্লাহ সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম উনাকে হাক্বীক্বীভাবে অনুসরণ করলেই যমীনের মধ্যে ইনছাফ প্রতিষ্ঠা হবে! সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সলাম তিনি অল্প বয়স থেকেই ব্যবসা-বাণিজ্য করতেন, তিনি শৈশবকাল থেকেই খুব শরীফ ভদ্র ছিলেন, পরোপকারই যেন উনার একমাত্র কাজ,



খেয়াল-খুশিমত যাচ্ছেতাই করে বেড়ানো মুসলমানদের কাজ নয়!


খেয়াল-খুশিমত যাচ্ছেতাই করে বেড়ানো মুসলমানদের কাজ নয়! পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মাঝে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- “দুনিয়া হচ্ছে মুসলমানদের জন্য কারাগার, আর কাফিরদের জন্য হচ্ছে বালাখানা।” অর্থাৎ কাফির-মুশরিক ইহুদী নাছারা মূর্তিপূজারী, বৌদ্ধ, নাস্তিকরা যা ইচ্ছা তাই করতে পারে, তাদের যা মনে হয়,



সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার প্রচার-প্রসারে পবিত্র বাইতুল মাল উনার গুরুত্ব ও তাৎপর্য


ভূমিকা: মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন- يَا أَيُّهَا النَّاسُ قَدْ جَاءَتْكُم مَّوْعِظَةٌ مِّن رَّبِّكُمْ وَشِفَاءٌ لِّمَا فِي الصُّدُوْرِ وَهُدًى وَّرَحْـمَةٌ لِّلْمُؤْمِنِيْنَ. قُلْ بِفَضْلِ اللهِ وَبِرَحْـمَتِهِ فَبِذٰلِكَ فَلْيَفْرَحُوْا هُوَ خَيْرٌ مِّـمَّا يَجْمَعُوْنَ. অর্থ : “নিশ্চয়ই



আশ্চর্য বিষয়! কুরআন শরীফ পড়তে জানে না নতুন প্রজন্ম


আজ থেকে বছর ১০-১১ বছর আগে রাজধানী ঢাকা বিষয়টি নিয়ে ১ম অভিজ্ঞতা হয়। আমারই এক আত্মীয়ের বন্ধুর এক ছেলে ৯ম শ্রেণীতে পড়ে, অথচ সে কুরআন শরীফ তথা আরবী পড়তে জানে না। শুনে খুবই আশ্চর্য হয়েছিলাম। কিন্তু এখন দিন যত যাচ্ছে কুরআন