হাসনাত -blog


...


 


আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদাতুনা হযরত দাদী হুযূর ক্বিবলা আলাইহাস সালাম তিনি ছিলেন মহান আল্লাহ পাক উনার খাছ মাহবুবা


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি যুগে যুগে অসংখ্য অগণিত ওলীআল্লাহ (পুরুষ বা নারী) উনাদেরকে মানুষের হিদায়েত দানের জন্য পেরণ করেছেন, করছেন এবং ক্বিয়ামত অবধি প্রেরণ করবেন। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন তিনি হাবীবাতুল্লাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত দাদী



সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সকলের অন্তরের অন্তস্থলের খবরও রাখেন


الْحَمْدُ لِلّـهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ অর্থ: সমস্ত প্রশংসা রব্বুল আলামীন তথা সারা আলমের রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য। (পবিত্র সুরা ফাতিহা শরীফ, পবিত্র আয়াত শরীফ-১) অর্থাৎ, মহান আল্লাহ পাক তিনি নিজেই নিজেকে রব্বুল আলামীন হিসেবে ঘোষণা মুবারক করেছেন। আবার মহান আল্লাহ



‘লা’নত’ থেকে বাঁচতে হলে গান-বাজনা, ছবি-মূর্তি মিটিয়ে দিতে হবে


সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “গান বাজনা মানুষের অন্তরে মুনাফেকী পয়দা করে, যেমন পানি শস্যকে উৎপন্ন করে।” আরো ইরশাদ মুবারক করেছেন, “আমি গান-বাজনা, ছবি মূর্তি ধ্বংস করার জন্য



ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে ফায়সালা: বৈশাখী পুজা ও অ-মঙ্গল যাত্রা পালন করলে কাট্টা মুশরিক হিসেবেই মৃত্যুবরন করতে হবে


নববর্ষ পালনের নামে পহেলা বৈশাখ উৎসব হোক কিংবা বৈশাখী পুজা হোক অথবা অমঙ্গলযাত্রা হোক যেটাই করা হোক না কেনো সেটা কাট্টা শিরক বলে গন্য হবে। যেহেতু বৈশাখী পুজার মাধ্যমে মূর্তিপূজারী মুশরিকদের বিভিন্ন কল্পিত দেব-দেবীর পূজা করা হয়, আর্চনা করা হয় এবং



হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারাই উম্মুল কায়িনাত


সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন, রহমাতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হচ্ছেন আবুল কায়িনাত আর তিনি যে সকল পূত-পবিত্রা সম্মানিতা মহিলা উনাদের সাথে নিসবতে আযীম মুবারক স্থাপন করেন উনারাই হচ্ছেন উম্মুল কায়িনাত। সুবহানাল্লাহ! স্মরণীয় যে, সমস্ত



নাস্তিক্যবাদী পাঠ্যসূচীর কারণেই সামাজিক অবক্ষয় ও অস্থিরতা 


যেকোনো শিক্ষা ব্যবস্থার প্রধান ও সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ অংশ বা ভিত্তি হলো প্রাথমিক শিক্ষা। প্রাথমিক শিক্ষাকে সঠিকভাবে রূপায়ন করা গেলে সার্বিকভাবে শিক্ষার মান উন্নয়ন সম্ভব হবে। কেননা, এ স্তরের প্রধান অংশ হলো শিশু, যার কচি হৃদয় ও মস্তিষ্ক থাকে সমস্ত পঙ্কিলতামুক্ত। যার



বিদয়াত-শিরকের ফতুয়া কই? ৫ই মে’র ‘শহীদ দিবস’ আর বেগানা মহিলার ‘শুকরিয়া মাহফিল’


ধর্মব্যবসায়ীরা সারাজীবন বলে এসেছে, আল্লাহ ছাড়া আর কারও শুকরিয়া করা শিরক, বেদয়াত। কিন্তু মহান আল্লাহপাক উনার কুদরত- এখন সেই ধর্মব্যবসায়ীরাই জনগণের সামনে খোলা ময়দানে ফাসেক-ফুজ্জার, দুনিয়াদার ও বেগানা মহিলাদের ‘শুকরিয়া’ আদায় করছে। নাউযুবিল্লাহ! ধর্মব্যবসায়ীদের একটি বড় অংশ হলো কওমী, দেওবন্দী, খারেজীরা।



বিদয়াতীরা পবিত্র মসজিদ উনাকে নাট্যশালা বানাতে চায়, নাউযুবিল্লাহ!


বিগত বেশ কয়েক বছর যাবৎ দেশে বিদেশের বিভিন্ন মসজিদে পবিত্র নামায উনার কাতারে কাতারে বিভিন্ন স্টাইলের চেয়ার টেবিল বসিয়ে নামায পড়া শুরু করেছে কতিপয় দুনিয়াদার মুসল্লী নামধারী, যাদের আর্থিক মদদে ধর্মব্যবসায়ী বিদয়াতীরা লালিত পালিত হয়। জানা গেছে, এই বিদয়াতী অপকর্ম সর্বপ্রথম



প্রশাসনের মধ্যে ইসলামবিদ্বেষীদের অনুপ্রবেশ সরকারের জন্য বুমেরাং হবে


সম্প্রতি কিছু ইসলামবিদ্বেষীদের নড়াচড়া লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিদেশী এজেন্ট গণমাধ্যম আর কিছু গ্রন্থ প্রকাশনা সংস্থার উপর ভর করে এসব অবাঞ্চিত মহল এদেশে নাস্তিক্যবাদ, সমকামিতা, নারী স্বাধীনতা আর প্রগতিশীলতার নামে বেপরোয়াভাবে ইসলামবিদ্বেষমূলক কর্মযজ্ঞ চালিয়ে যাচ্ছে। এরা মুসলমান সমাজে বাস করে, মুসলমানদেরটা খেয়ে-পরে



হালাল ও হারাম উভয়ের গুরুত্ব: গইরুল্লাহর মুহতাজ হওয়া হারাম


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি হচ্ছেন এক ও অদ্বিতীয়। তিনি সব বিষয়ে ক্ষমতাবান। সবকিছুই উনার করায়ত্তে। তিনি কারো মুহতাজ নন। বরং কুল-কায়িনাতের সবাই হচ্ছে উনার মুহতাজ। তাই সকল মাখলূক্বাতের জন্য বিশেষ করে জিন-ইনসানের জন্য ফরয-ওয়াজিব হচ্ছে- খালিক্ব মালিক রব



সকলেই ইসরায়েলী ও ভারতীয় পণ্য বর্জন করুন


ইজরায়েলের বিরুদ্ধে সারাবিশ্ব জুড়ে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। আমাদের দেশেও নানা স্তর থেকে সবাই এক হয়ে প্রতিবাদ করেছে। মানববন্ধন হয়েছে। এই প্রতিবাদের সাথে চলছে ইজরায়েলি পণ্য বর্জন এবং এই পণ্য বর্জনের লিস্টটাও নেহাত ছোট নয়। লিস্ট: 1. Coca cola + Pepsi 2.



আন নূরুর রবি‘য়াহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার কর্তৃক সম্মানিত উহুদ যুদ্ধ মুবারক-এ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক


তৃতীয় হিজরী সনে সম্মানিত উহুদ জিহাদ মুবারক সংঘটিত হয়। এই সম্মানিত জিহাদ মুবারক-এ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার একখানা সম্মানিত দান্দান মুবারক শহীদ হন। ‘মুসনাদে আহমদ শরীফ’ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে, عَنْ أَنَسٍ أَنَّ رَسُولَ اللهِ