হাসনাত -blog


...


 


সুন্নত মুবারক উনার বিরোধিতাকারীরাই পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার বিরোধিতাকারী এবং তারা পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনারও বিরোধিতাকারী


  হযরত ইমাম মালিক রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার মুয়াত্তা শরীফ উনার মধ্যে বর্ণনা করেন, মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আমি তোমাদের জন্য দুটি পবিত্র নিয়ামত মুবারক রেখে যাচ্ছি, এই



রফীক্বাহ, রুকাইয়্যা, হাবীবাতুল্লাহ, নূরিয়্যাহ, ফখরিয়্যাহ হযরত শাহযাদীয়ে ছানী আলাইহাস সালাম তিনি সৃষ্টিগতভাবেই মহান আল্লাহ পাক উনার মনোনীতা হাবীবা


যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “মহান আল্লাহ পাক তিনি (উনার খাছ ওলী হিসেবে) যাঁকে ইচ্ছা উনাকেই মনোনীত করেন।” (পবিত্র সূরা শূরা শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ১৩) খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি যখন



বাল্যবিবাহ উনার বিরুদ্ধে বলা কাট্টা কুফরী।


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মধ্যেই রয়েছে তোমাদের জন্য উত্তম আদর্শ মুবারক। অর্থাৎ তিনিই তোমাদের জন্য একমাত্র অনুসরণীয় ও অনুকরণীয়।” সুবহানাল্লাহ! মহাপবিত্র কুরআন শরীফ ও মহাপবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের



বাংলাদেশে পূজা উপলক্ষে হিন্দুদের দ্বিগুণ বোনাস ॥ এ যেন মোদীর ভারতকেও হার মানিয়েছে


  প্রতিবছর মুসলমানদের ধর্মীয় উৎসব ঈদুল-ফিতর এবং ঈদুল-আদ্বহা উপলক্ষে মূল বেতনের সমপরিমাণ দুটি বোনাস দেয়া হলেও হিন্দুদের পূজায় দেয়া হয় দ্বিগুণ বোনাস। যেখানে কট্টর হিন্দুত্ববাদী মোদী ক্ষমতায় থাকার পরেও ভারতে পূজার জন্য দ্বিগুণ বোনাস দেয়া হয় না, সেখানে কি করে ৯৮



আসাদুল্লাহিল গালিব সাইয়্যিদুনা হযরত আলী কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি ছিলেন বেমেছাল মর্যাদা ও ফযীলত উনার অধিকারী


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “উনারা (হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম) মহান আল্লাহ পাক উনার প্রতি সন্তুষ্ট মহান আল্লাহ পাক তিনিও উনাদের প্রতি সন্তুষ্ট।” উপরোক্ত পবিত্র আয়াতে কারীমা উনার হুবহু মিছদাক্ব হচ্ছেন আসাদুল্লাহিল



সরকারের জন্য ফরয হচ্ছে- অতিসত্বর বর্তমান কুফরী শিক্ষানীতি ও সিলেবাস বাতিল ঘোষণা করে সামনের বছর থেকে অর্থাৎ ২০১৬ সাল


যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইউস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, ক্বইয়ূমুয যামান, জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বউইয়্যূল আউওয়াল, সুলত্বানুন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, জামিউল আলক্বাব, আওলাদে রসূল, মাওলানা সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, ৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত



সুমহান ১৯শে শাওওয়াল শরীফ- ওলীআল্লাহগণ উনাদের মুবারক স্মরণে থাকার পথ যেদিন উন্মোচিত হয়েছে


হযরত যায়িদ ইবনে হারিছা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার জীবনী মুবারক আমরা অনেকেই জানি। ছোটবেলা ইয়েমেন থেকে উনার সম্মানিত মা উনার সঙ্গে মামার বাড়ি যাবার পথে একটি ডাকাত দল আক্রমণের শিকার হন এবং উনাকে ওকাজ মেলায় বিক্রি করে দেয়া হয়। তখন হযরত



হিন্দুরা গরুর গোশত না খেলেও মলমূত্র খায় আর চামড়া দিয়ে পাদুকা বানিয়ে পরে। কি আত্ম প্রবঞ্চনা।


উগ্রপন্থী সন্ত্রাসী নেতারা সে দেশে গরু নিয়ে নানা বিভ্রান্তি ছাড়াচ্ছে। গরু জবাই করতে বাধা প্রদান করছে। হিন্দুদের ধারণা গরু ওদের মাতা তথা দেবতা। সুতরাং গরুর গোশত ভক্ষণ করা যাবে না। ইদানীং তাদের কয়েকটি রাজ্যে গরু জবাই নিষেধ করে আইন পাস করেছে।



শিক্ষাব্যবস্থার পরিবর্তন করা ছাড়া কোনো উপায় নেই ॥ রবীন্দ্রের মতো কট্টর হিন্দুদের লেখা পড়ানোর কুফল ফলতে শুরু করেছে


শ্রেণী কবিতা/গল্প/প্রবন্ধ লেখক ১ম শ্রেণী ছুটি রবীন্দ্র ২য় শ্রেণী আমাদের ছোট নদী রবীন্দ্র ৩য় শ্রেণী তালগাছ রবীন্দ্র ৪র্থ শ্রেণী বীরপুরুষ রবীন্দ্র ৫ম শ্রেণী দুই তীরে রবীন্দ্র ৭ম শ্রেণী বালাই, বাংলাদেশের হৃদয় রবীন্দ্র ৮ম শ্রেণী দুই বিঘা জমি রবীন্দ্র ৯ম-১০ম শ্রেণী সুভা,



অবাক হলাম!!! হিন্দুদের দোল পূজা নাকি বাঙ্গালীদের কালচার! ডেইলি স্টারের প্রতিবেদন।


‘Dol Utshab’, the festival of colours, has been an integral part of Bengali culture for centuries. On the full moon night of the Bengali month Chaitra, people of all ages celebrate this festival, commemorating the love of Shri Krishna and Radha.



বর্তমান সরকারের কার্যকলাপ এবং একটি প্রচলিত কথা


বাংলায় আমরা একটা কথা প্রায়ই বলে থাকি। “উপর দিয়ে ফিটফাট ভিতর দিয়ে সদরঘাট”। আশা করি এ বাক্যটির অর্থ কাউকে ব্যখ্যা করে বুঝাতে হবে না। আজ কয়েকদিন ধরে ঢাকা শহরের রাস্তায় চলতে গেলে এ কথাটি আমার প্রায় মনে পরে। উত্তরা থেকে মহাখালী



সূর্যসেন-প্রীতিলতাকে শ্রদ্ধা করলে, বজরং-শিবসেনা-দুর্গাবাহিনীকে কেন নয়?


গেরুয়া সন্ত্রাসী বলতে বোঝায় ভারতের উগ্র হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসীদেরকে, যেহেতু তাদের পতাকার রং গেরুয়া। হিন্দুধর্মে গেরুয়া রং সম্মানিত হওয়ায় এসব গেরুয়া সন্ত্রাসীরা মাথায় গেরুয়া ফেটি বাঁধে, তাদের ‘সন্ন্যাসী’ তথা সন্ত্রাসী নেতারা গেরুয়া রঙের পোশাক পরে। এই ধারা চলে আসছে বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধ