হিমাচল -blog


...


 


পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে যারা টাকা-পয়সা খরচ করবে; তাদের কোনো ইবাদতই কবুল হবে না


সমাজে একটি বদপ্রথা বা বদরছম চালু আছে। আর তাহলো- ‘পহেলা বৈশাখ, পহেলা জানুয়ারি ভালো খেলে বা ভালো পরলে সারা বছর ভালো খাওয়া ও পরা যায়। নাউযুবিল্লাহ!’ মূলত এ প্রথাটি সম্পূর্ণরূপেই পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের খিলাফ। অর্থাৎ কুফরী



সুস্থ্য থাকতে হলে চাই খাদ্য সচেতনতা: কোমল পানীয় থেকে দূরে থাকুন, রোগ-ব্যাধি থেকে সুস্থ থাকুন


আমাদের দেশে যেকোন পার্টিতে, অনুষ্ঠানে কিংবা অতিথি আপ্যায়নে কোল্ড ড্রিংক্স, সফট ড্রিংক্স কিংবা এনার্জি ড্রিংক্স পরিবেশন করাটা হালের ফ্যাশন হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমনকি ঘরের অতি আদরের সন্তানদেরও অনেকে অতি উৎসাহে এসব ড্রিংক্স পান করায়। কিন্তু এসব পানীয়ের মধ্যে যে কি পরিমাণ এ্যালকোহল



সুমহান বেমেছাল ফযীলতপূর্ণ বরকতময় ২১শে জুমাদাল উখরা শরীফ। সুবহানাল্লাহ! বিনতু মিন বানাতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল ঊলা,


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুল উলা আলাইহাস সালাম তিনি আমার অন্যতম সর্বশ্রেষ্ঠা বানাত অর্থাৎ মেয়ে।” সুবহানাল্লাহ! আজ সুমহান বেমেছাল ফযীলতপূর্ণ বরকতময় ২১শে জুমাদাল উখরা শরীফ।



আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ভাষা শহীদ মুসলমানদের জন্য মুসলমানদের করণীয়


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘আমি প্রত্যেক হযরত নবী ও হযরত রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে ক্বওমের ভাষা দিয়ে প্রেরণ করেছি।’ প্রত্যেক হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে নিজ নিজ মাতৃভাষায় প্রেরণ করা হয়েছে। তাই মাতৃভাষাকে মুহব্বত করা পবিত্র সুন্নত মুবারক



তাযকিয়া ও সম্মান পেতে চাইলে সকলকে শুকরিয়া আদায় করতে হবে


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন: يَعْرِفُونَ نِعْمَتَ اللَّـهِ ثُمَّ يُنكِرُونَهَا وَأَكْثَرُهُمُ الْكَافِرُونَ অর্থ: “তারা মহান আল্লাহ পাক উনার নিয়ামত চেনে, তারপরও তা অস্বীকার করে, আর তাদের অধিকাংশই কাফির।” (পবিত্র সূরা নাহল শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৮৩) তাযকিয়া ও সম্মান



হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের সংখ্যা নিয়ে ইখতিলাফ বা মতবিরোধের সঠিক ফায়সালা 


সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার অনেক বিষয়ে ও অনেক মাসয়ালার ক্ষেত্রে ইখতিলাফ রয়েছে। এর বহুবিধ কারণও রয়েছে। একটি অন্যতম কারণ হচ্ছেন বর্ণনাকারী। যার কাছে যেভাবে বর্ণনা পৌঁছেছে তিনি সেভাবে বর্ণনা করেছেন। উনাদের মধ্যে কেউ কেউ কম তাহক্বীক্ব করেছেন আবার কেউ কেউ একটু



সংখ্যালঘু হিন্দুদের কথিত ‘দেশত্যাগ’ নিয়ে বিভ্রান্তি 


বাংলাদেশ থেকে হিন্দুরা নাকি দেশত্যাগ করে ভারতে চলে যাচ্ছে? আসলে মূল ব্যপারটির গভীরে কি রহস্য লুকায়িত, সেটা নিয়ে ভেবেছেন কি কখনো? তাহলে আসল ব্যাপারটি কি হতে পারে দেখা যাক- ১) পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ১৯৬১ সালে ইন্ডিয়ায় হিন্দু জনসংখ্যা ছিল মোট জনসংখ্যার



সুদের ভয়াবহতা সম্পর্কে জানুন, সতর্ক থাকুন 


সুদ একটি হারাম এবং চরম ঘৃণিত কাজ। যা পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ এবং পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের দ্বারা প্রমাণিত। খলিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آَمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ وَذَرُوا مَا بَقِيَ مِنَ الرِّبَا إِنْ كُنْتُمْ



পবিত্রতম আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের পবিত্রতম মুহব্বত হাছিলের জন্য প্রত্যেক মুসলমান সন্তানদেরকে আদব শিক্ষা দেয়া ফরয


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো বর্ণিত হয়েছেন, عن حضرة علي كرم الله وجهه عليه السلام قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم أدِّبُوا أوْلادَكُمْ على ثلاثِ خِصالٍ حُبَّ نَبِيِّكُمْ وَحُبَّ أهْلِ بَيْتِهِ وقِراءَةِ القُراٰنِ الكريـم . অর্থ: হযরত কাররামাল্লাহু



একজন মুসলমান উনার কেমন হওয়া উচিত?


যিনি মহান আল্লাহ পাক উনার উপর পরিপূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস স্থাপন করেছেন, আখিরী নবী, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উপর ঈমান এনেছেন, উনাকে সম্মানিত নবী ও রসূল হিসেবে এবং একমাত্র আদর্শ হিসেবে মেনে নিয়েছেন, সর্বোপরি আহলে



একমাত্র খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির বা স্মরণের মাধ্যমেই অন্তর ইতমিনান তথা প্রশান্তি লাভ করে


ধন-দৌলত, টাকা-পয়সা, গাড়ী-বাড়ী, স্ত্রী-সন্তান সবই আছে এমন ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসা করা হলে সে বলে ভাই শান্তি নাই, মনটা ভালো না। সত্যিই ধন-দৌলত, টাকা-পয়সা থাকলেই শান্তি আসে না, গাড়ী-বাড়ী, স্ত্রী ও সন্তানেরাও শান্তি দিতে পারে না। কারণ তারা শান্তির মালিক না। শান্তি-প্রশান্তির ইত্যাদির



সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস


কুল-মাখলুক্বাতের নবী ও রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্রতম, সম্মানিত, নূরানী আহাল-ইয়াল, পরিবার-পরিজন উনারাই হচ্ছেন ‘আহলু বাইত’ উনাদের অন্তর্ভুক্ত। হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের প্রথম সারির অন্তর্ভুক্ত