হিমাচল -blog


...


 


উম্মু আবীহা, আন নূরুর রবি‘য়াহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত লক্বব মুবারক


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, وَلِلّٰهِ الْاَسْـمَاءُ الْـحُسْنٰـى فَادْعُوْهُ بِـهَا অর্থ: “মহান আল্লাহ পাক উনার অনেক সুন্দর সুন্দর সম্মানিত নাম মুবারক তথা সম্মানিত লক্বব মুবারক রয়েছেন, তোমরা উনাকে সেই সম্মানিত নাম মুবারক তথা সম্মানিত লক্বব মুবারক দ্বারা আহ্বান মুবারক



উপজাতি সন্ত্রাসীদের যুলুম-নির্যাতন খবরে আসে না। কিন্তু বাঙালিদের সামান্য কিছুতেই হৈচৈ কেন?


বাঙালী কর্তৃক উপজাতীয় নারী নির্যাতনের বিষয়ে উপজাতী সন্ত্রাসীদের প্রচার- প্রপাগাণ্ডা, প্রতিবাদ মিছিল, বিক্ষোভ সমাবেশের আড়ালে, পাহাড়ে দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে উপজাতি কর্তৃক বাঙ্গালী নারী সম্ভ্রমহানির ঘটনা। ১. ২০১২ সালের ১৩জুন মাটিরাঙ্গা উপজেলার পলাশপুর জোন সদরের কাছাকাছি দক্ষিণ কুমিল্লা টিলা এলাকায়



ক্বায়িদুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার তাবে’ সারা কায়িনাত। উনার মুবারক কর্তৃত্ব সারা


سَبَّحَ لِلّـهِ مَا فِى السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ অর্থ: “আসমান ও যমীনের মাঝে যা কিছু আছে, সবই মহান আল্লাহ পাক উনার তাসবীহ মুবারক পাঠ করে।” (পবিত্র সুরা হাদীদ শরীফ, পবিত্র আয়াত শরীফ ১) অন্য পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- إِنَّ



আযাব-গযব


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- وانيبوا الى ربكم واسلموا له من قبل ان ياتيكم العذاب ثم لا تنصرون. অর্থ: তোমাদের কাছে আযাব-গযব আসার এবং সাহায্য ও সহায়হীন হওয়ার পূর্বেই তোমরা তোমাদের মহান পালনকর্তা মহান আল্লাহ পাক উনার প্রতি ধাবিত



মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সম্মানিত সিলসিলা মুবারক বর্তমান সময় পর্যন্ত যেভাবে এসেছেন এবং


এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মধ্যে তিনটি স্তর মুবারক রয়েছেন। উনাদের মধ্যে প্রথম স্তর মুবারক-এ হচ্ছেন নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত হযরত আব্বা আলাইহিস সালাম তিনি



হিন্দুরা দেশকে ‘মা’ বলে ডাকে, এর অর্থ কি? একদা হিন্দুরা ভারতবর্ষকে ‘মা’ ডেকে তার সম্ভ্রমহানি করার সমূহ ব্যবস্থা করেছিল


একাত্তরের চরমপত্র অনুষ্ঠানের পাঠক ও প্রখ্যাত সাংবাদিক এমআর আখতার মুকুল তার রচিত ‘কোলকাতা কেন্দ্রিক বুদ্ধিজীবী’ গ্রন্থে তার ছাত্রজীবনের হিন্দু সহপাঠীদের নিয়ে কিছু স্মৃতি তুলে ধরেছেন। হিন্দুদের বঙ্গভঙ্গ বদকারী সন্ত্রাসী আন্দোলনের পক্ষ ছিল না মুসলমান, বরং ছিল বঙ্গভঙ্গের পক্ষে। ফলশ্রুতিতে এই হিন্দুরা



ঢাকা শহরসহ সারাদেশে পশুরহাট বৃদ্ধি করে মুসলমানদের পবিত্র কুরবানীর পশুর সহজলভ্যতা নিশ্চিত করুন।


বাংলাদেশ পৃথিবীর দ্বিতীয় মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ। এদেশের শতকরা ৯৮ ভাগই মুসলমান হলেও এই জনগোষ্ঠী বিভিন্নভাবে স্বদেশী-বিদেশী মুশরিক, মজুসী, খ্রিস্টীয় চেলা-চামুন্ডাদের দ্বারা নিজ সমাজেই অবহেলিত, নির্যাতিত, নিপীড়িত। এই মুসলিম দেশে যখনই কোনো ইসলামী অনুষ্ঠান যেমন, পবিত্র ঈদুল ফিতর, পত্রি ঈদুল আযহা অর্থাৎ



পবিত্র কুরবানী নিয়ে ষড়যন্ত্র কঠোর হস্তে বন্ধ না করলে সরকারের সহযোগিতা প্রমাণিত হবে


পবিত্র কুরবানী মুসলমানদের ঈমানের সাথে অর্থাৎ মুসলমানিত্বের সাথে সম্পৃক্ত, যা গোটা দেশের জন্য শুধু বরকতের কারণই নয়; বরং অর্থনৈতিকভাবেও ব্যাপক সমৃদ্ধির কারণ। এই বরকতময় কুরবানীতে যেন মুসলমানগণ বাধাগ্রস্ত হয়, কুরবানীর সংখ্যা যেন ধীরে ধীরে কমে আসে, কুরবানীতে যেন বিশৃঙ্খল সৃষ্টি হয়



গরু মোটাতাজাকরণে সমস্যা গরুরও নয়, মানুষেরও নয়; সমস্যা গো-চনা ভক্ষণকারী মিডিয়া ও সাংবাদিকদের


পবিত্র কুরবানীর ঈদ ঘনিয়ে আসলেই ভারত নিয়ন্ত্রিত মিডিয়াগুলোর মাথা নষ্ট হয়ে যায়। কিভাবে তারা মুসলমানদের গরু কুরবানীতে বাধা সৃষ্টি করবে সেটাই তাদের মাস্টার এ্যাসাইনমেন্টের বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। গরুর খামারগুলোতে দিন রাত কাটানো শুরু করে গরুর দোষ-ত্রুটি বের করার জন্য। এসময় খামারীদের



মধ্য শাবান বা শবে বরাতে দিনে রোজা রাখার বিশুদ্ধ হাদীছ শরীফ।


عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ، – رضى الله عنهما – أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ لَهُ أَوْ لآخَرَ ‏”‏ أَصُمْتَ مِنْ سَرَرِ شَعْبَانَ ‏”‏ ‏.‏ قَالَ لاَ ‏.‏ قَالَ ‏”‏ فَإِذَا أَفْطَرْتَ فَصُمْ يَوْمَيْنِ অর্থ :হযরত ইমরান ইবনু হুসায়ন রদ্বিয়াল্লাহু



ছহীহ ও বিশুদ্ধ মতে, নূরে মুজাস্সাম হাবীবল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সিনা মুবারক চাক করা হয়েছিল


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আমি কি আপনার সিনা মুবারক চাক ও প্রসারিত করিনি? অর্থাৎ আমি আপনার সিনা মুবারক চাক ও প্রসারিত করেছি।” শরহে ছুদূর মহান আল্লাহ পাক উনার তরফ থেকে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম



বাংলাদেশ এর সংবিধানে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম লিখা থাকতে অসুবিধা কোথায় ?


কথিত সভ্য দেশেরা নাকি বাংলাদেশকে ধর্ম নিরপেক্ষ দেশ হিএসেবে দেখতে চায়। কিন্তু এই কথিত ধর্মনিরপেক্ষ , সভ্য দেশেই কি ধর্ম নিরপেক্ষতা আছে? খোদ আমেরিকায় কি ইহা আছে ? আপনি আমেরিকার ডলার নিয়ে দেখুন সেখানে লিখা- IN GOD WE TRUST’ । ইহা