ইহসান -blog


...


ইহসান
 


ধর্মব্যবসায়ী কারা? কি তাদের পরিচয়?


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “আমার উম্মতের মধ্যে যারা উলামায়ে ‘সূ’ বা ধর্মব্যবসায়ী তারাই সৃষ্টির নিকৃষ্টেরও নিকৃষ্ট।” এ সম্পর্কিত পবিত্র ইলম অর্জন করা সকলের জন্যই ফরয। ধর্মব্যবসায়ীদেরকে না চিনার কারণেই সাধারণ মুসলমানরা তাদের ধোঁকায় পড়ে সম্মানিত ঈমান-আমল বিনষ্ট



বাঁচতে চাইলে খালিছ ইস্তিগফার-তওবা করুন


গণতন্ত্রের কারণে সরকারের নীতি নির্ধারণকারী, উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা-কর্মচারী থেকে শুরু করে নিম্ন শ্রেণীর কর্মকর্তা-কর্মচারী পর্যন্ত প্রায় সকলেই প্রতিযোগিতামূলকভাবে চুরি ডাকাতি, ছিনতাই, রাহজানী, খুনখারাবি ইত্যাদি অপরাধ অপকর্মে লিপ্ত। নাউযুবিল্লাহ! অপরাধ নিয়ন্ত্রণকারী সংগঠন, প্রশাসন ইত্যাদি কোন কাজই আসছে না। যাকে যে দায়িত্ব দেয়া হচ্ছে



যাকাত না দেওয়ার কঠিন পরিণতি সম্পর্কে জানা আছে কি?


  মুসলমান উনাদের জন্য সম্মানিত যাকাত একটি ফরয ইবাদত। প্রত্যেক ছাহিবে নিসাব উনার জন্য বছরে একবার যাকাত দেয়া ফরয। যার উপর যাকাত ফরয তাকে যাকাত দিতেই হবে। এর থেকে ফিরে থাকার কোন উপায় নেই। এখন কেউ যদি যাকাত ফরয হওয়ার পরও



কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু আনহুম উনাদের ফযীলত


হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু আনহুম উনাদের ফজিলত সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক কালামুল্লাহ শরীফে অনেক আয়াত শরীফ বর্ননা করেছেন। কতিপয় আয়াত শরীফ উল্লেখ করা হলো- اولءك الذين امتحن الله قلوبهم. لهم مغفرة و اجر عظيم অর্থ: আল্লাহ পাক উনাদের অন্তর সমূহ তাক্বওয়ার



হাফাদাতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তথা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত আসবাত্ব


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত হযরত আওলাদ আলাইহিমুস সালাম উনারা মোট ৮ জন। উনাদের মধ্যে হযরত আবনা’ (ছেলে) আলাইহিমুস সালাম উনারা ৪ জন এবং হযরত বানাত (মেয়ে) আলাইহিন্নাস সালাম উনারা ৪ জন। হযরত আবনা’ আলাইহিমুস



অশুভ বা কুলক্ষণ বিশ্বাস করা কুফরী


ফক্বীহুল উম্মত হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার থেকে বর্ণনা করেন। মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,



এই “কেন” এর জবাব কি?


কেন একজন ইহুদী, খ্রিস্টান কিংবা বিধর্মী দাড়ি রাখলে সে তার ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করছে বলা হয়। অথচ একজন মুসলমান একই কাজ করলে সে একজন চরমপন্থী এবং উগ্রপন্থী কিংবা মধ্যযুগীয় মনমানসিকতা সম্পন্ন লোক বলে সম্বোধন করা হয়! কেন একজন নান তার



খোলা চিঠি!


মাননীয় প্রধানমন্ত্রী! আসসালামু আলাইকুম, খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন- “তোমরা তোমাদের গৃহে অবস্থান করো, জাহেলী যুগের নারীদের ন্যায় সৌন্দর্য প্রদর্শন করে বের হয়ো না।” এই সম্মানিত পবিত্র আয়াত শরীফ উনার হুকুম



মিয়ানমারে ‘মুসলিমবিহীন’ নির্বাচন


  সেনাশাসিত মিয়ানমারে ২৫ বছরের মধ্যে প্রথম গণতান্ত্রিক নির্বাচনে সুকৌশলে মুসলিমদের বাদ দেওয়া হচ্ছে। রোহিঙ্গা মুসলিমকে ভোটার না করার পাশাপাশি বড় দলগুলোতে কোনো মুসলিম প্রার্থী রাখা হচ্ছে না। দেশটির নোবেলজয়ী কথিত গণতন্ত্রপন্থি নেত্রী অং সান সূচির দলের এক সূত্র বলছে, সূচির



পবিত্র আশূরা শরীফ উনার দিনের বেদনাদায়ক ঘটনা ও শিক্ষা


হিজরী বছরের শুরু পবিত্র মুহররমুল হারাম শরীফ মাস উনার মাধ্যমে। যার ১০ তারিখকে পবিত্র আশূরা শরীফ উনার দিন বলা হয়। এই মহাপবিত্র আশূরা শরীফ উনার দিনে দুনিয়ার মহিমাময় অনেক ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। তবে একটি মাত্র ঘটনা বেদনাদায়ক ও হৃদয়বিদারক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন,



১৯৭২ সালের পাঁচ কোটিপতির সংখ্যা এখন ৫৪ হাজারে দাঁড়িয়েছে। ধনী-গরিবের বৈষম্য চরম হয়েছে। যা ১৯৭২-এর অর্থনীতির চেয়েও ভয়াবহ অবস্থা


গত ৬ই অক্টোবর-২০১৫ ঈসায়ী তারিখে একনেক চেয়ারপার্সন তথা সরকারপ্রধান বলেছে, “আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো আগে বলতো- বাংলাদেশে প্রবৃদ্ধি হবে ৪ থেকে ৫ শতাংশ। তারা এখন সেই অবস্থান থেকে সরে এসে বলছে ৬ থেকে সাড়ে ৬ শতাংশ হবে। তবে আমি আশাবাদী- বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির হার



প্রতিবছর বাংলাদেশে ১২শ’ কোটি পিস ইট উৎপাদন হয়।


প্রতিবছর বাংলাদেশে ১২শ’ কোটি পিস ইট উৎপাদন হয়। ইটখোলা যে পরিমাণ ফসলি মাটি ধ্বংস করছে, তা বন্ধ হলে বছরে অন্তত ৫০ লাখ টন খাদ্যশস্য উৎপাদন বাড়তো। শুধুমাত্র সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা ও প্রচারণার অভাবে পরিবেশবান্ধব কংক্রিট ইটের ব্যবহার হচ্ছে না। ১৯৮৯ সালের ইট