ইলমের বাগানের ফুল -blog


...


 


তোমরা তোমাদের সন্তানদেরকে তিনটি বিষয়ে যথাযথ শিক্ষা প্রদান করো-


“সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, তোমরা তোমাদের সন্তানদেরকে তিনটি বিষয়ে যথাযথ শিক্ষা প্রদান করো- ১. তোমাদের যিনি নবী, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর



كل مصور فى النار


প্রাণীর ছবি তোলা আকা রাখা সম্পর্কে আলোচনা- فَاجْتَنِبُوا الرِّجْسَ مِنَ الْأَوْثَانِ وَاجْتَنِبُوا قَوْلَ الزُّور “ তোমরা ছবি বা মূর্তির অপবিত্রতা থেকে বেঁচে থাক এবং মিথ্যা কথা থেকে বেঁচে থাক।” (সুরা হজ্জ্বঃ৩০) ছবি বা মূর্তি এধরণের যা আছে সেটা হাতে আঁকা হতে



মানুষের অনেক গুলো বদ স্বভাব আছে, যা থেকে অবশ্যই প্রত্যেক্টা মানুষকে বেঁচে থাকতে হবে


মানুষের অনেক গুলো বদ স্বভাব আছে, যা থেকে অবশ্যই প্রত্যেক্টা মানুষকে বেঁচে থাকতে হবে এবং এই বদ-স্বভাব গুলো যার মধ্যে থাকবে সেই হবে সবচেয়ে নিকৃষ্ট। যেটা হাদীস শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, হযরত আসমা ইবনে উমাইস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে



রজব মাস উনার পহেলা রাতটি দোয়া কবুলের খাস রাত।


রজব মাস উনার পহেলা রাতটি দোয়া কবুলের খাস রাত। যে ব্যক্তি এই মাসে রোযা রাখবে মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে তার জন্য ৩টি বিষয় আবশ্যক হয়ে যায়। যথাঃ ১। তার পিছনের সব গুনাহ মাফ করে দেয়া হয়। ২। ভবিষ্যতের জন্য



“নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি মানুষের প্রতি অত্যন্ত স্নেহশীল এবং অতীব দয়াময়।”


“নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি মানুষের প্রতি অত্যন্ত স্নেহশীল এবং অতীব দয়াময়।” নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি একজন মহিলা কয়েদিকে দেখলেন, সে তার হারানো শিশুকে পাগলের ন্যায় খুঁজে ফিরছে। যখন সে শিশুকে পেল না তখন সে



“নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক উনার রহমত মুহসিনীন আওলিয়ায়ে কিরাম উনাদের নিকটে রয়েছে।”


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- “মহান আল্লাহ পাক উনার রহমত ব্যতীত কোন বান্দা সম্মানিত জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবেনা। ” (বায়হাক্বী শরীফ, মিশকাত শরীফ) অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক উনার রহমত মুবারক ব্যতীত কোন বান্দা-বান্দীর



“বান্দার উচিত সে যেন তার নিজের জন্য নিজ থেকে পাথেয় সংগ্রহ করে।”


“অবশ্যই মুমীন বান্দা দু’টি ভয়ের মধ্যে থাকবে। একটি হচ্ছে, তার অতীতে কি করেছে সে বিষয়ে বান্দা জানে না যে মহান আল্লাহ পাক তিনি এর কি ফায়সালা করেছেন। অপরটি হচ্ছে, ভবিষ্যতে কি হবে এবং মহান আল্লাহ পাক তিনি কি ফায়সালা করবেন সে



নামায ক্বাযা আদায় করার শাস্তি।


সম্মানিত শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে প্রত্যেক মুসলমানের জন্য ফরয হচ্ছে- পাঁচ ওয়াক্ত নামায যথাযথভাবে আদায় করা। আর যে ব্যক্তি এক ওয়াক্ত নামায ক্বাযা আদায় করবে অর্থাৎ সময়মত পড়লো না- পরে ক্বাযা করে নিলো- তবুও তাকে আশি হোক্ববা অর্থাৎ দুই কোটি আটাশি লক্ষ



নূরেমুজাসসাম, হাবীবুল্লাহহুযূরপাকছল্লাল্লাহুআলাইহিওয়াসাল্লামউনারসম্মানার্থে“ফাল ইয়াফরাহু” বা খুশি করা কি ইবাদত?


নূরেমুজাসসাম, হাবীবুল্লাহহুযূরপাকছল্লাল্লাহুআলাইহিওয়াসাল্লামউনারসম্মানার্থে“ফাল ইয়াফরাহু” বা খুশি করা কি ইবাদত? উত্তর।: হ্যাঁ। নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানার্থে ‘ফালইয়াফরাহু’ বা খুশি করা মহান আল্লাহ পাক উনার আদেশ মুবারক। আর আল্লাহ পাক উনার আদেশ মুবারক পালন করা ইবাদত।



ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করলে নিশ্চিত জান্নাতী হওয়ার দলীল…………


  ঈদে আযম, ঈদে আকবর, সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ পবিত্র ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমন এক মহান আমল, এমন এক ঈদ, যদি কোন মানুষ এই ঈদ পালন করে অবশ্যই সে প্রতিদান পাবেই পাবে !! মানুষের সমগ্র জীবনের অনেক আমল থাকে, সে আমল



সমগ্র পৃথিবীতে পবিত্র ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জাতীয় ভাবে পালন হতো তার প্রমাণ


  সমগ্র বিশ্বে এক নামে স্বীকৃত একজন মুহাদ্দিস হচ্ছেন হযরত মোল্লা আলী ক্বারী রহমাতুল্লাহি আলাইহি। আজ থেকে পাঁচশত বছর পূর্বে উনার জন্ম। তিনি ইলমে হাদীসের জ্ঞান অর্জন করতে মক্কা শরীফ শরীফ মদীনা শরীফ সব স্থানে ভ্রমন করেন। সকল মাদ্রাসায় পঠিত এবং



কুল-কায়িনাতের সর্বশ্রেষ্ঠ ঈদ ঈদে আ’যম, ঈদে আকবর পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তথা মহাপবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র হাদীছে কুদসী শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, ‘হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমি যদি আপনাকে সৃষ্টি না করতাম; তবে আসমান-যমীন, লওহ-কলম কোনো কিছুই সৃষ্টি করতাম না।’ সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদুল আসইয়াদ, সাইয়্যিদুশ শুহূর, শাহরুল আ’যম