Ilmun_nafeh -blog


...


 


“””সাইয়্যিদাতুনা আন নুরুর ঊলা হযরত যাইনাব আলাইহাস সালাম উনার পরিচিতি মুবারক,,,,,


  উনার সম্মানিত মুহব্বত মুবারকই হচ্ছেন ঈমান। নিম্নে এক নজরে উনার সম্মানিত পরিচিতি মুবারক তুলে ধরা হলো, সম্মানিত নাম মুবারক: সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাইনাব আলাইহাস সালাম। সুবহানাল্লাহ!   সম্মানিত লক্বব মুবারক: খইরু বানাতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, বিদ্ব‘আতুম মির রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু



“””যারা আহলুবাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সাথে সম্পর্ক তাওয়াল্লুক,মুহব্বত, অনুসরন, অনুকরন করতে পারে নি তারাই পথভ্রষ্ট””””


  বিশিষ্ট ছাহাবী হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন। পবিত্র বিদায় হজ্জের দিন নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার কাসওয়া নামক উঠের উপর আরোহী অবস্থায় মুবারক খুতবাহ দিচ্ছিলেন। সেই সময় তিনি বললেন, يا ايها



“””সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম তিনি হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের পর সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব”‘”‘


    নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন,   “এমন কোনো ব্যক্তির উপর সূর্য উদিত হয়নি, অস্তও যায়নি যে ব্যক্তি সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম উনার থেকে শ্রেষ্ঠ



যারাসাইয়্যিদুলআইয়াদেরবিরোধীতাকরেতারাইনব্যসৃষ্টিবিদআত


    সেই শুরু থেকেই পবিত্র মক্কাশরীফ ও মদীনা শরীফে বেশ যাক-জমকের সাথে ঈদেমীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহুআল্লাহু আলাইহিওয়াসাল্লাম পালন হতো (http://bit.ly/2g24bax)।এমনকি মক্কাশরীফ, মদীনা শরীফের ইমামগণ পর্যন্ত ফতওয়া দিতেন কেউ যদি ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ’রবিরোধীতা সেমুসলমান থাকতে পারবেনা। (http://bit.ly/2g2k8h7, http://bit.ly/2h9OH9F) ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহের প্রথম



ঈদে বিলাদতে সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম


ঈদ মুবারক,ঈদ মুবারক,ঈদ মুবারক মুবারক হো,   ঈদে বিলাদতে সাইয়্যিদাতুনা আন নুরুর রাবিয়া হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম।



”’ উলামায়ে সু এরাই হচ্ছে আল্লাহপাক উনার কাছে সর্বাপেক্ষা নিকৃস্ট””’


  উলামায়ে ‘সূ’ বা ধর্মব্যবসায়ীদের পরিচিতি ও পরিনতি সম্পর্কে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, “একদা আখিরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু



“”’ খলিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি কুদরতীভাবে সাইয়্যিদাতুনা আন নূরুর রাবিয়া’হ হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার সম্মানিত


  এই সম্পর্কে বিশ্বখ্যাত তাফসীরগ্রন্থ ‘তাফসীরে রূহুল বয়ান শরীফ ও তাফসীরে হাক্কী শরীফ’ উনাদের মধ্যে বর্ণিত রয়েছে,   اَنَّ سَيِّدَتَنَا حَضْرَتْ فَاطِمَةَ الزَّهْرَاء عَلَيْهَا السَّلَامُ لَـمَّا نَزَلَ عَلَيْهَا مَلَكُ الْـمَوْتِ لَـمْ تَرْضَ بِقَبْضِهٖ فَقَبَضَ اللهُ رُوْحَهَا   অর্থ: “সাইয়্যিদাতুনা আন নূরুর



হিন্দুরা মুসলমানদের উৎসবে বোনাস নেয়না,মুসলমানরা হিন্দুর উৎসবে বোনাস নেবে কেন ?


  বাংলাদেশ মুসলমানরা ধর্মীয় উৎসবে বোনাস পায়দুটি।একটি রোজার ঈদে, অন্যটি কোরবানীর ঈদে।অপরদিকে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানরা রোজার ঈদ বা কোরবানীর ঈদ উপলক্ষে কোন বোনাস পায়না।পায় দূর্গাপূজা, বৌদ্ধপূর্নিমা কিংবা ক্রিসমাস উপলক্ষে।তবে বোনাসের অর্থে সমতার আনার এক্ষেত্রে দূর্গাপূজা, বৌদ্ধপূর্নিমা কিংবা ক্রিসমাসে মুসলমানদের ভাতার দ্বিগুন



সম্মানিত উম্মুল হাদিস শরীফ কোনটি?


    সকলেরই জানা রয়েছে যে, উম্মুল কুরআন শরীফ হচ্ছেন ‘সম্মানিত সূরা ফাতিহা শরীফ’। কিন্তু সম্মানিত উম্মুল হাদীছ শরীফ কোনটি? এই সম্পর্কে ইমামুল মুহাদ্দিসীন মিনাল আউওয়ালীনা ইলাল আখিরীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মুজাদ্দিদে আ’যম মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা



“”””নুরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনি ক্বিয়ামতের দিন খাছভাবে চার শ্রেনীর লোকের জন্য সুপারিশ করবেন””’


    ইমামুল আউওয়াল মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ, আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন, আসাদুল্লাহিল গালিব, সাইয়্যিদুনা হযরত আলী কাররামাল্লাহু ওয়াজাহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি বর্ণনা করেন,   قال رسول الله صلى الله عليه وسلم اربعة انا لهم شفيع يوم القيامة المكرم الذريتى والقاضى



সম্মানিত মক্কা শরীফ বিজয়ের দিন সমস্ত মূর্তি, ভাস্কর্য, ছবি নিশ্চিহ্ন করে ফেলা হয়


  عن حضرت جابر رضى الله تعالى عنه ان النبى صلي الله عليه وسلم امر حضرت عمر بن الخطاب عليه السلام زمن الفتح وهو بالبطحاء ان ياتى الكعبة فيمحو كل صورة فيها فلم يدخلها النبى صلي الله عليه وسلم حتى محيت



মনের পর্দাই ভয়ঙ্কর পর্দা


    পর্দায় আচ্ছাদিত একজন নারীকে একজন পুরুষ দেখতে পায় না, আর দৃস্টি সংযতকারী পুরুষ কোন নারীকে দেখে না। আর এই না দেখার কারণে বিপরীত জেন্ডারে কোন আকর্ষণ তৈরি হয় না । কেবল এর কারণেই কি পর্দার গুরুত্ব? না তা নয়।