Ilmun_nafeh -blog


...


 


পবিত্র আজান উনাকে কটাক্ষা করে বক্তব্য : সন্ত্রাসবাদী সনু নিগমকে দেশ থেকে বের করে দেয়ার দাবি


  ভারতের বিতর্কিত গায়ক সনু নিগমের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। মুম্বাইতে তার বাসভবনের আশেপাশে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে। সম্প্রতি পবিত্র আজান এবং পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনাকে নিয়ে কটূক্তি করায় ভারত ও বাংলাদেশে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছে সনু নিগম।  



সমস্ত মুসলমান উনাদের দায়িত্য কর্তব্য হচ্ছে নুরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি সর্বোচ্চ


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আমি কি আপনার সিনা মুবারক চাক ও প্রসারিত করিনি? অর্থাৎ আমি আপনার সিনা মুবারক চাক ও প্রসারিত করেছি।”শরহে ছুদূর মহান আল্লাহ পাক উনার তরফ থেকে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম উনার



‘”””‘মহান আল্লাহ পাক উনার সঙ্গে আমার এমন নিগূঢ় নৈকট্য, যেখানে কোনো নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম, কোনো ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম অথবা


    ছাহিবুল ওহী, ছাহিবুল কাওছার, ছাহিবুল ওয়াসীলাহ, মাশুকে মাওলা, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন: “মহান আল্লাহ পাক উনার সঙ্গে আমার এমন নিগূঢ় নৈকট্য, যেখানে কোনো নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম, কোনো ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম অথবা অন্য



“”””””””‘সুমহান ২৭ শে রজবুল হারাম শরীফ”””””””””


    মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,   ‘মহান আল্লাহ পাক যিনি উনার বান্দা (হাবীব) ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে কোনো এক রাতের সামান্য সময়ে (প্রথমে) পবিত্র বাইতুল্লাহ শরীফ থেকে বাইতুল মুকাদ্দাস শরীফ পর্যন্ত, যার আশপাশ বরকতময়; অতঃপর উনার



“””চিকিৎসা বিজ্ঞানের দোহাই দিয়ে খাছ সুন্নত অল্প বয়সে বিবাহের বিরুদ্ধাচরন করা অপপ্রচার মাত্র।”””””””


  মুসলিম সমাজে অশ্লীলতা ,বেহায়াপনা,নোংরামী , অনৈতিকতা ছড়িয়ে দেওয়াই যার মুল লক্ষ্য। চিকিৎসা বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে অল্প বয়সে বিবাহ ক্ষতিকর নয় ,বরং উপকারী।   অল্প বয়সে বিবাহ ব্যাপারে পৃথিবীর সকল ধর্মের মানুষ এখন যেন দায়ভার ইসলামের উপর চাপিয়ে দেবার প্রতিযোগিতায় নেমেছে। আর



সম্মানিত মিরাজ শরীফ উনার রোযার ফযীলত


মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত রজব মাস উনার ২৭ তারিখ দিনটি হচ্ছে পবিত্র মি’রাজ শরীফ উনার দিন। উক্ত ২৭ তারিখ সম্মানিত রাতটির ফযীলত যেমন বেমেছাল তেমনি সম্মানিত দিনটির ফযীলতও বেমেছাল। তাই রাতে যেরূপ দোয়া-মুনাজাত, তওবা-ইস্তিগফার, ইবাদত-বন্দেগী, ছলাত-সালাম, মীলাদ শরীফ ও ক্বিয়াম



পাঁচ রাতে নিশ্চিতভাবে দোয়া কবুল হয়ে থাকে


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,   “পাঁচ রাতে নিশ্চিতভাবে দোয়া কবুল হয়ে থাকে ১. পবিত্র শাহরুল্লাহিল হারাম রজবুল আছাম্ম মাস উনার পহেলা রাতে, ২. পবিত্র লাইলাতুল বরাতে, ৩. পবিত্র লাইলাতুল ক্বদরে, ৪ ও



আপনি কি কথিত সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা করতে গিয়ে মহান আল্লাহ পাক উনার বিরুদ্ধে অবস্থান নিবেন?


      মহান আল্লাহ পাক প্রত্যেক মুসলিম নর-নারীর জন্য ইলম অর্জন করা ফরয তথা বাধ্যতামূলক করে দিয়েছেন। আর সমস্ত ইলমের প্রধান উৎস হচ্ছেন পবিত্র কুরআন শরীফ এবং পবিত্র হাদীছ শরীফ। যেখানে বিন্দু পরিমাণ কোনো ভুল নেই এবং অসত্য-অবাস্তব কিংবা অবান্তর



প্রত্যেক রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও তাদের কর্মীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি…


  আপনারা,প্রত্যেক রাজনৈতিক দল দলীয় বিভিন্ন দিবসকে কেন্দ্র করে প্রোগ্রাম করে থাকেন, যেমন:- কেউ ১৭ই মার্চ পালন করেন, – কেউ ১৫ই আগস্ট পালন করেন,- কেউ ১৮ই অক্টোবর পালন করেন,- কেউ ১৯শে জানুয়ারি পালনে করেন,- কেউবা ২০শে নভেম্বর পালন করেন। তবে আপনারা প্রত্যেক



যে দশ কারনে পহেলা বৈশাখি পালন ইসলামে নিষিদ্ধ !


  ‌(১) “এসো হে বৈশাখ” বলা নিষেধ ৷ কারন এর দ্বারা মাখলুকের নিকট কল্যাণ কামনা করা হয়৷ অথচ কল্যানের মালিক একমাত্র মহান আল্লাহ্ তায়ালা । ২) বড় বড় র‍্যালি বের করা যাকে মঙ্গল শুভ যাত্রা বলা হয় , এটা নিরেট হিন্দুদের



“””সাইয়্যিদাতুনা আন নুরুর ঊলা হযরত যাইনাব আলাইহাস সালাম উনার পরিচিতি মুবারক,,,,,


  উনার সম্মানিত মুহব্বত মুবারকই হচ্ছেন ঈমান। নিম্নে এক নজরে উনার সম্মানিত পরিচিতি মুবারক তুলে ধরা হলো, সম্মানিত নাম মুবারক: সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাইনাব আলাইহাস সালাম। সুবহানাল্লাহ!   সম্মানিত লক্বব মুবারক: খইরু বানাতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, বিদ্ব‘আতুম মির রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু



“””যারা আহলুবাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সাথে সম্পর্ক তাওয়াল্লুক,মুহব্বত, অনুসরন, অনুকরন করতে পারে নি তারাই পথভ্রষ্ট””””


  বিশিষ্ট ছাহাবী হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন। পবিত্র বিদায় হজ্জের দিন নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার কাসওয়া নামক উঠের উপর আরোহী অবস্থায় মুবারক খুতবাহ দিচ্ছিলেন। সেই সময় তিনি বললেন, يا ايها