জান্নাতী হাওয়া -blog


...


জান্নাতী হাওয়া
 


প্রসঙ্গ: বাল্যবিবাহ সুন্নত “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হূযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র ওহী মুবারক ব্যতীত নিজ থেকে


সম্মানিত পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের মধ্যে বর্ণিত রয়েছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হূযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছা হযরত ছিদ্দীকা আলাইহাস সালাম উনার যখন নিসবাতুল আযীম শরীফ (সম্মানিত শাদী মুবারক) সম্পন্ন হয় তখন উনার বয়স মুবারক



ইহুদী বশংবদ সউদী ওহাবী সরকারের ধূর্ততায় কোটি কোটি হাজী ছাহেবের পবিত্র হজ্জ নষ্ট হয়েছে এবং হচ্ছে


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “মুসলমানগণের সবচেয়ে বড় শত্রু হচ্ছে ইহুদী অতঃপর মুশরিক।” তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন, আহলে কিতাব তথা সমস্ত কাফির-মুশরিকরা চায়, ঈমান আনার পর কী করে মুসলমানদের কাফির



উম্মু আবীহা, আফদ্বলু বানাতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, খইরু বানাতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন


সম্মানিত ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, اِنَّ ذِكْرَ الصَّالـحِيْنَ تَنْزِلُ الرَّحْمَةُ. অর্থ: “নিশ্চয়ই ওলীআল্লাহগণ উনাদের আলোচনা মুবারক করলে সম্মানিত রহমত মুবারক নাযিল হয়।” সুবহানাল্লাহ্!(ইহইয়ায়ে ‘উলূমিদ্দীন, ফাদ্বাইলে আশারাহ লিযামাখশারী, কাশফুল খফা) এখন চিন্তা-ফিকিরের বিষয় যে, যদি ওলীআল্লাহ উনাদের



বর্তমান কঠিন পরিস্থিতি থেকে মুসলমানদের পরিত্রাণের একমাত্র উপায়- পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ থেকে শিক্ষা গ্রহণ করা


পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার প্রথম সূরা মুবারক উনার নাম হচ্ছেন পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ। এই পবিত্র সূরা উনাকে বলা হয় ‘উম্মুল কুরআন’। নাযিল হওয়ার ধারাবাহিকতায় এ পবিত্র সূরা শরীফ পঞ্চম হলেও পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার প্রথমে অবস্থান হয় এই পবিত্র সূরা’



মানুষের গোশত খাওয়া ইহুদী-খ্রিস্টানদের জাতিগত বৈশিষ্ট্য, যার উদাহরণ পাওয়া যায় ক্রুসেডের সময়ে খ্রিস্টান বাহিনী কর্তৃক মুসলমানদের গোশত ভক্ষণের ঘটনায়


সম্প্রতি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে যে, আমেরিকায় ৭৫টি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের হটডগের উপর জরিপ চালিয়ে সেগুলোর মধ্যে মানুষের ডিএনএ পাওয়া গিয়েছে। অর্থাৎ ঐসব হটডগে মানুষের গোশত মেশানো হয়েছে। ইহুদী-খ্রিস্টানদের মানুষের গোশত খাওয়ার এই অভ্যাস নতুন নয়, বরং বহু পুরাতন। উগ্র খ্রিস্টান ক্রুসেডাররা



সরকারের মনে হয় মুসলমানদের কোনো প্রয়োজন নাই!


  ১ লিটার পানির পাত্রে ২-৩শ’ মিলিলিটার তেল ঢাললে, পানির উপর তেল ভাসে কিন্তু তেলের উপর পানি ভাসে না। দেশের সরকার ও তাদের প্রিয়ভাজন হিন্দুরা, মুসলমানদের সহানুভূতির উপর টিকে আছে। বাংলাদেশের ৯৮ ভাগ মুসলমানকে বাদ দিয়ে ১.৫ ভাগ হিন্দু সরকারের এতো



১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফই হচ্ছেন- কুল-কায়িনাতের জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ ঈদ উনার দিন। যা আসতে আর মাত্র ৮০ দিন বাকি।


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘(হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আপনি বলুন, মহান আল্লাহ পাক উনার ফযল ও রহমত মুবারক অর্থাৎ আমাকে পাওয়ার কারণে তোমাদের উচিত ঈদ বা খুশি প্রকাশ করা।’ সুবহানাল্লাহ! অর্থাৎ যেদিন আখিরী রসূল, নূরে



ইসলামিক ফাউন্ডেশন হতে অবিলম্বে সউদী ইহুদী ওহাবীদের দালাল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বহিষ্কার করতে হবে


ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ, সরকারি একটি ইসলাম প্রচার প্রসার মাধ্যম। বহুদিন যাবৎ এখানে জামাতী মওদুদী ও দেওবন্দীদের অনুচর গং গায়ের মধ্যে সরকারি মওলূভীর লেবেল লাগিয়ে ধর্মব্যবসা করে যাচ্ছে। সুন্নী ভাবধারার বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর এদের অনেকেই তাদের জাত খোলস সম্পূর্ণ পাল্টে নেয়।



মুক্তবুদ্ধি চর্চার নামে নীরবে নাস্তিক্যবাদের বাজারজাত করে যাচ্ছে কথিত ‘বিজ্ঞানমনষ্ক’ লেখক গোষ্ঠী; তাদের পালে হাওয়া দিচ্ছে ইহুদীর দালাল মিডিয়াগুলো


আমাদের এই সোনার দেশটিতে ৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠী মুসলমান। এছাড়াও বারো আউলিয়া ও ৩১৩ জন ওলীআল্লাহ উনাদের পুণ্যভূমি হিসেবেও বিশ্বজুড়ে প্রসিদ্ধ। সাম্রাজ্যবাদী ইংরেজ বেনিয়ারা প্রায় দুইশ’ বছর শাসন করেও এই রহমতপুষ্ট ভূখ-টি গলধকরণ করতে ব্যর্থ হয়েছে। তবে ব্রিটিশরা বাংলার ভূখ- ছেড়ে চলে