জান্নাতি বাগান -blog


...


 


খাবারে লুকিয়ে থাকা হারাম উপাদান


রেনেট বা রেনিন (Rennet or Rennin): সদ্য হত্যাকরা প্রানীর পেট থেকে রেনেট এনজাইম সংগ্রহ করা হয় যা পনির বানানোর কাজে ব্যবহার করা হয়। তবে পাশ্চ্যাতে রেনেট সংগ্রহ করা হয় শুকোরের পেট থেকে। এটি হারাম । এ কারণে বিদেশী (মুসলিম দেশ ছাড়া)



পর্যাপ্ত সংখ্যক পবিত্র কুরবানী পশুর হাট মুসলমানদের দ্বীনি অধিকার


বাংলাদেশের সংবিধানের ৪১(১)(ক) ধারায় বলা হয়েছে, ‘প্রত্যেক নাগরিকের যেকোনো ধর্ম অবলম্বন, পালন বা প্রচারের অধিকার রয়েছে।’ ১২(ঘ) ধারায় বলা হয়েছে- “কোনো বিশেষ ধর্ম পালনকারী ব্যক্তির প্রতি বৈষম্য বা তাহার উপর নিপীড়ন বিলোপ করা হইবে।” উপরে বর্ণিত সংবিধানের ধারাসমূহ দ্বারা এটা স্পষ্ট,



বাংলাদেশের সব বই-পুস্তক থেকে বিধর্মীদের জীবনী সরিয়ে ফেলা হোক


৯৮% মুসলমান অধ্যুষ্যিত দেশ বাংলাদেশ। এদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় মুসলমান উনাদের আদর্শ ঐতিহ্য প্রাধান্য পাবে- কোনো কাফির, বেদ্বীনের জীবনী প্রশংসা সম্বলিত কোনো আলোচনা থাকতে পারে না। কাফিরদের নিয়ন্ত্রিত দেশে মুসলমান অর্ধেকের বেশি থাকলেও সে দেশের বই-পুস্তকে, শিক্ষা ব্যবস্থায় মুসলমানদের কোনো মূল্যায়নই করা



মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মুহব্বত মুবারকই পবিত্র ঈমান


মহান আল্লাহ পাক তিনি হযরত আহলু বাইত শরীফ উনাদের সম্পর্কে ইরশাদ মুবারক করেন- قُل لَّا اَسْأَلُكُمْ عَلَيْهِ اَجْرً‌ا اِلَّا الْمَوَدَّةَ فِي الْقُرْ‌بٰى অর্থ: “হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি (উম্মতদেরকে) বলুন, আমি তোমাদের নিকট কোন বিনিময় চাই না, অর্থাৎ



ক্বিয়ামত পর্যন্ত কোটি কোটি কাফির, মুনাফিক্ব ও উলামায়ে সূ’দেরকে নিশ্চিহ্ন করে দেয়া হবে, ধ্বংস করে দেয়া হবে, তাদের


একজন নবী-রসূল আলাইহিস সালাম উনাকে শহীদ করলে, কাফফারা বাবদ সত্তর হাজার লোককে ধ্বংস করে দেয়া হয়। আর ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত শাহাদাত মুবারক উনার সাথে যারা জড়িত, তাদের কমপক্ষে এক লক্ষ চল্লিশ হাজার



উন্নয়নের নামে মন্দির ভাঙ্গবেন না, তবে মসজিদ ভাঙ্গবেন! এটা কোন ধরণের জুলুম?


ইদানিং কথিত সৌন্দর্য বর্ধন ও উন্নয়নের নামে ঢাকার চারপাশে নদীকেন্দ্রীক ৭৭টি মহাসম্মানিত মসজিদসহ সারা দেশে বহু মসজিদ-মাদরাসা ভেঙ্গে দেয়ার জন্য চেষ্টা চালিয়ে আসছে সরকারের মধ্যে ঘাপটি মেরে থাকা একটি কুচক্রী মহল। তবে এমন পরিস্থিতিতে সরকার সম্পূর্ণ নিরব তো বটেই; খোদ নৌসচিব



হাশরের ময়দানে ৫টি সুওয়ালের জাওয়াব না দেয়া পর্যন্ত কেউই তার ক্বদম নড়াতে পারবে না


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে, সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন, ইমামুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরুম মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, হযরত আদম আলাইহিস সালাম উনার কোনো সন্তান অর্থাৎ কোনো মানুষ হাশরের



কূল-কায়িনাত মাঝে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সবকিছু থেকে বেশি মুহব্বত করার বিরল দৃষ্টান্ত


খলিক, মালিক, রব মহান আল্লাহ পাক তিনি সম্মানিত কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা আমার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার গোলামী তথা সম্মানিত খিদমত মুবারক উনার আনজাম দাও, সম্মানিত তা’যীম-তাকরীম মুবারক করো এবং



সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহুরিল আযম রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস উনাকে সরকারীভাবে পৃষ্ঠপোষকতা- এটা এদেশবাসীর অধিকার


সমস্ত কায়িনাতের সম্মানিত নবী ও রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হলেন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি। উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করা শুধুমাত্র বিশ্ব মুসলিমের নিকটই সর্বশ্রেষ্ঠ ও সবচেয়ে বড় ঈদ হিসেবে বিবেচিত নয়,



যাদেরকে অনুসরন করা সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ


না, কোনো মুসলমানের জন্য কাফির-মুশরিক বা বিধর্মীদের অনুসরণ করা যাবে না। এটা কোনো মানুষেরর বানানো কথা নয়। বরং এই ইরশাদ মুবারক হচ্ছেন মহান রব্বুল আলামীন উনার। সুবহানাল্লাহ! তিনি নিজেই কাফির-মুশরিকদের অনুসরণ করতে নিষেধ করেছেন। যেমন এ সম্পর্কে পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার



সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছানিয়া আলাইহাস সালাম উনার ফাযায়িল ফযীলত মুবারক


পরিচিতি মুবারক: সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছানিয়া আলাইহাস সালাম তিনি ছিলেন নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার জাওযাতুম মুকাররমাহ হিসেবে দ্বিতীয়া। উনার নাম মুবারক হযরত সাওদা বিনতু যাময়া আলাইহাস সালাম। সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, উম্মুল



অসাম্প্রদায়িকদের শেষ পরিণতি ডোডো পাখির মতোই


বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের মুখে একটি কথা প্রায়ই শোনা যায়, “কারো সাথে বৈরিতা নয়, সবার সাথে বন্ধুত্ব”। যদিও আমরা বোধশক্তি হওয়ার পর থেকেই প্রতিযোগিতামূলক একটি পৃথিবীতে বড় হই এবং দিন দিন এই প্রতিযোগিতার মাত্রা বাড়ছেই। এই দুনিয়াতে কোনো প্রাণীই শত্রু ব্যতীত