জুলফিকার -blog


...


জুলফিকার
 


গান-বাজনা করা ও শ্রবণ করা কবীরা গুনাহ


সম্মানিত শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে- গান-বাজনা করা ও শ্রবণ করা কবীরা গুনাহ। গান-বাজনার আসরে বসা ফাসিক্বী এবং গান-বাজনার স্বাদ গ্রহণ করা কুফরী। পবিত্র কুরআন শরীফ উনার একাধিক পবিত্র আয়াত শরীফ উনাদের দ্বারা এবং পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের দ্বারা গান-বাজনা করা ও শ্রবণ



ওহাবীরা যে ইহুদী-খ্রিস্টানদের মানসসন্তান, তা তারা প্রমাণ করেছে জিসিম মুবারক চুরির মাধ্যমে


সম্প্রতি উগ্রপন্থী ওহাবীরা সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কের কাছে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিশিষ্ট ছাহাবী ও আমিরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার অন্যতম সেনাপতি শহীদ হযরত হুজর ইবনে



আসাদুল্লাহিল গালিব সাইয়্যিদুনা হযরত আলী কাররামাল্লাহ ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি বেমেছাল মর্যাদা ও ফযীলত উনার অধিকারী


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “উনারা (হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম) মহান আল্লাহ পাক উনার প্রতি সন্তুষ্ট মহান আল্লাহ পাক তিনিও উনাদের প্রতি সন্তুষ্ট।” সুবহানাল্লাহ! উপরোক্ত পবিত্র আয়াতে কারীমা উনার হুবহু মিছদাক্ব হচ্ছেন আসাদুল্লাহিল



উপমহাদেশের মুসলমান! হযরত খাজা হাবীবুল্লাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার স্মরণে নবায়ন করো নিজ ঈমান


মহা ফযীলতপূর্ণ একটি মাস হলো বর্তমান পবিত্র শাহরুল্লাহিল হারাম রজবুল আছাম্ম। এ মাসের সম্মানিত প্রথম রাত্রিটি দোয়া কবুলের খাছ রাত্রি বলে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত হয়েছে। এছাড়া এ মাসের সম্মানিত পহেলা জুমুয়া উনার রাত্রি হলো পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার



“হাযা হাবীবুল্লাহ মাতা ফী হুব্বিল্লাহ”


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “সাবধান! নিশ্চয়ই যাঁরা মহান আল্লাহ পাক উনার ওলী উনাদের কোনো ভয় নেই এবং চিন্তা পেরেশানীও নেই।” সুবহানাল্লাহ! (পবিত্র সূরা ইউনুস শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৬২) অর্থাৎ যাঁরা মহান আল্লাহ



আজ সুমহান ঐতিহাসিক বরকতময় পবিত্র ২২শে জুমাদাল ঊখরা শরীফ


আজ সুমহান ঐতিহাসিক বরকতময় পবিত্র ২২শে জুমাদাল ঊখরা শরীফ- আফদ্বালুন নাস বা’দাল আম্বিয়া, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র বরকতময় বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করার বরকতময় দিন। খলীফায়ে ছানী, ফারূক্বে আ’যম, আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত উমর ইবনুল খত্তাব



মুসলমানদের ঈমানী দায়িত্ব


বাংলাদেশের রাষ্ট্রধর্ম ইসলামকে বাদ দিয়ে যারা এদেশকে ধর্মনিরপেক্ষ হিসেবে ঘোষনা দিতে চায় তারা ভারতের দালাল, তাদের থেকে সাবধান সতর্ক থাকা এবং এদেরকে প্রতিহত করা মুসলমানদের ঈমানী দায়িত্ব



প্রসঙ্গ: ইসলাম বিদ্বেষ; হিজাব পরোক্ষ সন্ত্রাসবাদ – মার্কিন সামরিক বাহিনী


মার্কিন সামরিক বাহিনীর প্রকাশ করা নীতিনির্ধারণী পত্রে বলা হয়েছে, মুসলমান নারীরা যে হিজাব পরিধান করেন, তা পরোক্ষ সন্ত্রাসবাদে মদদ জোগায়। ২০১১ সালে এয়ারফোর্স রিসার্চ ল্যাবরেটরি এই নীতিনির্ধারণী পত্রটি প্রকাশ করেছিল। ‘চরম সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধ: বৈজ্ঞানিক উপায় ও নীতি’ শীর্ষক পত্রটি গত গ্রীষ্মে



মুতাযেলা ফিরক্বার সমর্থক সন্ত্রাসবাদী দল হিযবুত তাহরীর থেকে সাবধান


হিযবুত তাহরীর (আরবী ভাষায়:حِزْبُ التَحْرِير) (বাংলা ভাষায়: মুক্তির দল) একটি ধর্মব্যবসায়ী রাজনৈতিক দল; যা পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। বাংলাদেশে ২০০১ সাল হতে আনুষ্ঠানিকভাবে এ দলটি তাদের কার্যক্রম শুরু করে। এটি একটি বাতিল ও গুমরাহ ফিরক্বা। এই ভ্রান্তবাদী দলের



‘মুনাফিকদের চিনে নিন’


আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যেখানে প্রাণীর ছবি থাকে সেখানে রহমত উনার ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা প্রবেশ করেন না।” অথচ অনেক এলাকার মসজিদ উনার প্রবেশদ্বারেই রয়েছে অশ্লীল ছবি সম্বলিত বিলবোর্ড। প্রতিদিন



কথিত ‘বাঙালি সংস্কৃতি’র উৎস সন্ধানে


পলাশীর যুদ্ধের পর বাংলাদেশকে দখল করে নিল নৌদস্যু ব্রিটিশরা, তারা খুঁজতে লাগলো কিভাবে এই দেশ থেকে সম্পত্তি চুষে নেয়া যায়। ওয়ারেন হেস্টিংস হিসাব করে দেখলো যে, বাংলার চারভাগের একভাগ ভূ-সম্পত্তি মুসলিম ছূফী-দরবেশ ও আলিম-উলামাগণ উনাদের অধীনে রয়েছে। উনারা এসব সম্পত্তি আয়



কায়িনাতের বুকে মহান আল্লাহ পাক উনার এক অনন্য বেমেছাল মহাসম্মানিত বরকতপূর্ণ ফযীলতপূর্ণ দিবস হচ্ছেন ২২শে জুমাদাল ঊলা শরীফ


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, وَذَكِّرْهُمْ بِاَيَّامِ اللهِ اِنَّ فِىْ ذٰلِكَ لَاٰيَاتٍ لِكُلِّ صَبَّارٍ شَكُورٍ. অর্থ: “আর (হে আমার হাবীব, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আপনি তাদেরকে (সমস্ত জিন-ইনসান,