জুলফিকার -blog


...


 


আজ সুমহান বরকতময় সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আসইয়াদ শরীফ, সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ, মহাসম্মানিত মহাপবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস উনার


সাইয়্যিদুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিয়্যীন, রহমাতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই আমার হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম ও আলাইহিন্নাস সালাম উনারা আসমান ও যমীনবাসীদের জন্য নিরাপত্তা দানকারী।” সুবহানাল্লাহ! আজ সুমহান বরকতময়



তিস্তায় পানি নেই, সীমান্তে শান্তি নেই; বাঙালিকে নেশাগ্রস্ত করে লটেপুটে খাচ্ছে ভারত


কোথাও বড় ধরনের চুরি, লুটপাট বা ডাকাতি তখনই হয় যখন সেখানকার অধিবাসীরা ঘুমিয়ে থাকে অথবা খেলায় বা কোনো নেশায় বেহুঁশ হয়ে থাকে। এমন অবস্থায় শুধু চুরি ডাকাতি নয়, ব্যাপক খুন-খারাবি কিংবা গণহত্যাও সংঘটিত করা সহজ। ভারত ঠিক এই কাজটিই বাংলাদেশে করে



পবিত্র সাইয়্যিদুল আইয়াদ শরীফ পালনকারীগণের হাশর-নশর হবে হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের সাথে


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার বিশিষ্ট ওলী হযরত ইমাম মারূফ কারখী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যিনি মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ তথা



অশান্তি কেন এই দুনিয়ায়?


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ظَهَرَ الْفَسَادُ فِي الْبَرِّ وَالْبَحْرِ بِمَا كَسَبَتْ أَيْدِي النَّاسِ অর্থ: “পানিতে ও স্থলে যত অশান্তি ও বিশৃঙ্খলা ঘটে তা মানুষের হাতের অর্জিত ফলাফল।” (পবিত্র সূরা রুম শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ-৪১) সম্মানিত দ্বীন ইসলাম হচ্ছেন



যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি স্বয়ং উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া


বিশ্বসমাদৃত “আননি’মাতুল কুবরা আলাল আলাম” কিতাবে বর্ণিত রয়েছে, সাইয়্যিদাতুল উম্মাহাত, মালিকাতুল জান্নাহ, হাবীবাতুল্লাহ, সাইয়্যিদাতুন নিসা হযরত উম্মু রসূলিনা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশকালে আমি দেখতে পেলাম,



পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে একটি বিশেষ দিন ‘পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ’


‘পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ’ বলতে পবিত্র ছফর শরীফ মাস উনার শেষ বুধবার উনাকে বলা হয়। পবিত্র ছফর শরীফ মাস ব্যতীত আর কোনো মাস উনার শেষ আরবিয়া বা বুধবারকে ‘পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ’ বলা হয় না। যেমন ‘আশূরা’ শব্দটি আরবী



ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র শাহাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস সুমহান ২৮শে


পবিত্র ছফর শরীফ মাসটিও সম্মানিত ও পবিত্র একটি মাস। এটি মহান আল্লাহ তায়ালা উনার নির্ধারিত পছন্দীয় মাস। এ মাস অনেক নিয়ামত, বরকত, রহমতে পূর্ণ। কারণ এ মাস হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সাথে সম্পর্কযুক্ত। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক



নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনিই হচ্ছেন পবিত্র ঈমান; তাই উনার পবিত্র শানে বিন্দুতম চু-চেরা


পবিত্র ঈমান উনার মূলই হচ্ছেন- সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি। উনার প্রতি পরিপূর্ণ পবিত্র ঈমান না আনা পর্যন্ত, পরিপূর্ণ হুসনে যন বা সুধারণা পোষণ না করা পর্যন্ত, উনাকে সবচেয়ে মুহব্বত



সাইয়্যিদাতুন নিসায়িল আলামীন উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের মহাসম্মানিত পবিত্রতা মুবারক


মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের পবিত্রতা মুবারক সম্পর্কে স্বয়ং যিনি খ¦ালিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, اِنَّـمَا يُرِيْدُ اللهُ لِيُذْهِبَ عَنْكُمُ الرِّجْسَ اَهْلَ الْبَيْتِ وَيُـطَـهِّـرَكُمْ تَطْهِيْرًا. অর্থ: “হে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত



মুসলমানদেরকে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার উপর আরো বেশি দৃঢ়ভাবে অটল থাকতে হবে


পৃথিবীর তাবৎ বিধর্মী-বিজাতিদেরকে কখনোই দেখা যায় না- তাদের মনগড়া বাতিল ধর্মের নিয়মনীতির সাথে সাথে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার নিয়মনীতি গ্রহণ করতে। তারা সর্বাবস্থায় মুসলমানদের খিলাফ আমল করতে পারলেই নিজেদেরকে বিরাট কিছু মনে করে থাকে। অথচ বিপরীত দিকে দেখা যায়, সম্মানিত দ্বীন



আন নূর, আন নাযীর, নি’মাতুল্লাহ, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বংশগত পবিত্রতা মুবারক


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, وتقلبك فى الساجدين অর্থ: “(হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আপনার স্থানান্তরিত হওয়ার বিষয়টিও ছিল সিজদাকারীগণ উনাদের মাধ্যমে।” (পবিত্র সূরা শুয়ারা শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ২১৯) আলোচ্য পবিত্র আয়াত শরীফ উনার তাফসীরে



নিশ্চয়ই সাইয়্যিদুনা হযরত ফারুকে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি সম্মানিত জান্নাতবাসী উনাদের বাতী তথা আলোকবর্তীকা


মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, قال حضرت علي عليه السلام سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول حضرت عمر بن الخطاب عليه السلام سراج أهل الجنة فبلغه ذلك فقال أنت سمعت هذا من رسول الله قال