সাময়িক অসুবিধার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দু:খিত। ব্লগের উন্নয়নের কাজ চলছে। অতিশীঘ্রই আমরা নতুনভাবে ব্লগকে উপস্থাপন করবো। ইনশাআল্লাহ।

লেখক -blog


اَلسَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللهِ وَبَرَكَاتُهُ


লেখক
 


বৈষম্য ও সাম্প্রদয়িকতার ইতিহাসভিত্তিক দুর্গাপূজা কতটুকু সার্বজনীন?


পৃথিবীর যে কোনো জাতি কিংবা ধর্মীয় সম্প্রদায়ের পালিত দিবসের মূলে থাকে ধর্ম, ভাষা কিংবা দেশের প্রতি তাদের দায়বদ্ধতার বিষয়টি। কিন্তু দুঃখজনকভাবে কেবলমাত্র মুসলিমদের ক্ষেত্রেই আমরা দেখতে পাই, ইতিহাস জ্ঞান এবং বিধর্মীদের প্ররোচনায় সঠিক ধর্মীয় এবং পারিবারিক শিক্ষার দৈন্যতার দরুন নিজ জাতির



ছিক্বাহ রাবী হওয়ার মানদণ্ড দ্বারাই প্রমাণিত হয় নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা মাসুম


হাদীছ বিশরাদগণ ছিক্বাহ রাবী হওয়ার জন্য যে মানদ- নির্ধারণ করেছেন, তার মধ্যে মূল বিষয় হচ্ছে ১. আদালত ২. জবত। আদালতের মধ্যে চারটি শর্ত রয়েছে। তার মধ্যে প্রধান হলো ২টি। যথা ক. তাক্বওয়া খ. মুরুওয়াত। ক. তাক্বওয়া হচ্ছে- কুফরী, শিরক, বিদয়াত ও



কোরবানীর উপর ট্যাক্স কেন ?মুসলমানদের ধর্মীয় অনুষ্ঠানে সরকার কি এতটুকু ভর্তুকী দিতে পারে না ??


মুসলমানদের অন্যতম ধর্মীয় অনুষ্ঠান ঈদুল আজহা। এই ঈদে মুসলমানরা পশু কোরবানী করে। এই পশু ক্রয় করা হয় হাট থেকে। এই হাটগুলোর বেশিরভাগ হয় অস্থায়ী হাট। এই অস্থায়ী হাটের স্থানগুলোতে সরকার ইজারা দেয়। এই ইজারার জন্য সরকার দরপত্র আহবান করে। এর মাধ্যমে



স্বয়ং যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি নিজেই সরাসরি আন নূরুর রবি‘য়াহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম


আন নূরুর রবি‘য়াহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত বরকতময় বিছালী শান মুবারক প্রকাশের সময় যখন নিকটবর্তী হলেন, তখন মালাকুল মাউত হযরত আজরাইল আলাইহিস সালাম তিনি সিজদায় পড়ে গেলেন। তিনি সিজদায় পড়ে কান্নাকাটি করে মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট আরজী



মুসলমান উনাদের জন্য একমাত্র অনুসরণীয় সৌর বর্ষপঞ্জি হচ্ছে ‘আত তাক্বউইমুশ শামসী’, গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার নয়


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “মহান আল্লাহ পাক যিনি বানিয়েছেন সূর্যকে উজ্জ্বল আলোকময় করে আর চাঁদকে স্নিগ্ধ আলো বিতরণকারীরূপে। অতঃপর নির্ধারণ করেছেন এর জন্য মঞ্জিলসমূহ যাতে তোমরা চিনতে পারো বছরগুলোর সংখ্যা



ওলীয়ে মাদারযাদ, কুতুবুল আলম, বাবুল ইলম, আওলাদে রসূল সাইয়্যিদুনা হযরত হাদিউল উমাম আলাইহিস সালাম উনার অতুলনীয় শান-মান, ইয্যত-ঐতিহ্য, বুযূর্গী-সম্মান


মহান আল্লাহ পাক সুবহানাহূ ওয়া তায়ালা তিনি এবং উনার প্রিয়তম রসূল, মাশুকে মাওলা, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি অর্থাৎ উনারা উনাদের উদিষ্ট ব্যবস্থায় জগৎ-সংসার পরিচালনা এবং বিশ্ব পরিসরে মনোনীত দ্বীন-ইসলাম উনার হাক্বীক্বী আবাদের জন্য কালে কালে,



শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সংস্কৃতি চর্চার নামে হারাম কার্যক্রম হিতে বিপরীত হবে


শিক্ষার্থীদেরকে সন্ত্রাসবাদ বিমুখ করার লক্ষ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে (হারাম) সাংস্কৃতিক কার্যক্রম বাড়ানো হবে বলে ঘোষণা দিয়েছে সরকার। কিন্তু সরকারের এই সিদ্ধান্ত প্রকৃতপক্ষে বাস্তবসম্মত নয়, বরং বাস্তবতার নীরিখে হওয়া উচিত ছিলো বিপরীত। অর্থাৎ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ দেশের সর্বস্তরে সংস্কৃতির নামে হারাম কর্মকা- তুলে দিয়ে সঠিক



নূরে মুজসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে মহান আল্লাহ পাক উনার সমতুল্য হিসেবে সাব্যস্ত করার বেয়াদবীমূলক


নাস্তিকদের আপত্তি : কুরানে বার বার উল্লেখ আছে যে একজন মুসলিমকে অবশ্যই আল্লাহ এবং মুহম্মদ দুজনের আদেশই মান্য করে চলতে হবে (Quran 8:1, 8:20-21, 3:132, 33:31, 4:13, 4:80, 33:36, 4:14, 4:42, 58:20)! এতে কি আল্লাহ আর মুহম্মদকে সমতুল্য হিসেবে বোঝাচ্ছে না?



মানব সৃষ্টির উদ্দেশ্য নিয়ে নাস্তিকদের বিভ্রান্তিকর বক্তব্য ও তার দাঁতভাঙ্গা জবাব


প্রশ্ন : মানব সৃষ্টির উদ্দেশ্য কি? শূধু আল্লাহর উপাসনা করা (Quran 51:56) নাকি সেই সাথে মুহম্মদের সুন্নাহ অনুসরন করা (Quran 7:158)! উত্তর : মহান আল্লাহ পাক তিনি মানুষ সৃষ্টি করেছেন। অতঃপর মানব সৃষ্টির উদ্দেশ্যও জানিয়ে দিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক



সাহরী ও ইফতারে খেজুর খাওয়া সুন্নত


পবিত্র রমাদ্বান মাসে আমরা রোযা রেখে থাকি। রোযা রাখার বিধান পূর্ববর্তী উম্মতদেরও ছিল। কিন্তু তাদের সাথে আমাদের রোযার কিছু পার্থক্য রয়েছে। যেমন আমাদের রোযা আর ইয়াহূদী-নাছারাদের রোযার পার্থক্য হচ্ছে সাহরী গ্রহণ করা। তাই ইচ্ছাকৃতভাবে সাহরী ছেড়ে দেয়া যাবে না। সাহরী প্রসঙ্গে



ইনজেকশন নিলে রোজা নিশ্চিতভাবেই ভঙ্গ হবে


মহান আল্লাহ পাক ইরশাদ করেন- فَمَن شَهِدَ مِنكُمُ الشَّهْرَ فَلْيَصُمْهُ ۖوَمَن كَانَ مَرِيضًا أَوْ عَلَىٰ سَفَرٍ فَعِدَّةٌ مِّنْ أَيَّامٍ أُخَرَ ۗ يُرِيدُ اللَّـهُ بِكُمُ الْيُسْرَ وَلَا يُرِيدُ بِكُمُ الْعُسْرَ অর্থ : “তোমাদের মধ্যে যে লোক এ রমাদ্বান মাসটি পাবে, সে এ



তাহাজ্জুদ ও তারাবীহ নামাযের পার্থক্য