লেখক -blog


اَلسَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللهِ وَبَرَكَاتُهُ


 


বিকেন্দীকরণের পথে না গিয়ে কথিত উন্নয়ন প্রকল্পের ভারে বিপর্যয়ের মুখে রাজধানী ঢাকা


অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড-, বাজারের চাহিদা ও বিশ্বায়নের প্রভাবে রাজধানীমুখী মানুষের চাপ প্রতি বছরই বাড়ছে। রাজধানীতে বাস করছে দুই কোটির বেশি মানুষ। মাত্র ৬০০ বর্গকিলোমিটার এলাকায় তারা বাস করছে। এ বিপুলসংখ্যক মানুষের চলাচলে কোনো অঞ্চলেই সঠিক পরিকল্পনায় ফুটপাত হয়নি। পর্যাপ্ত সড়কও নেই। অপর্যাপ্ত



সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আসইয়াদ, সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম পবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ। সুবহানাল্লাহ! যা আসতে আর মাত্র ৬৫ দিন বাকি


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘(হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আপনি বলুন, মহান আল্লাহ পাক উনার ফদ্বল ও রহমত মুবারক অর্থাৎ আমাকে পাওয়ার কারণে তোমাদের উচিত ঈদ বা খুশি প্রকাশ করা।’ সুবহানাল্লাহ! আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ



সুমহান বেমেছাল বরকতময় ১৬ই যিলক্বদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতুন


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “হে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম! নিশ্চয়ই আপনারা অন্য কোনো মহিলাদের মতো নন।” সুবহানাল্লাহ! আজ সুমহান বেমেছাল বরকতময় ১৬ই যিলক্বদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতুন



পহেলা বৈশাখ দ্বীনে ইলাহীর একটি অংশ!


মুসলমানগণ কি “পবিত্র দ্বীন ইসলাম” চায়, নাকি “দ্বীনে ইলাহী” চায়? মোগল সম্রাট বাদশাহ আকবর উলামায়ে ‘সূ’দের ধোঁকায় ‘পবিত্র দ্বীন ইসলাম’ বাদ দিয়ে কুফরী ধর্ম ‘দ্বীনে ইলাহী’ প্রবর্তন করে। সে ইসলামবিদ্বেষী হওয়ার কারণে হিজরী সন থেকে মুসলমানগণেরকে সরিয়ে দেয়ার জন্য খাজনা আদায়ের



মুত্তাক্বী যারা হতে চায় তাদের জন্য কিছু নছীহত মুবারক


আফদ্বালুল আউলিয়া, মুজাদ্দিদে মিল্লাত ওয়াদ্ দ্বীন, ইমামে রব্বানী, গউছে ছামদানী হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার এক মুরীদকে নছীহত করতঃ চিঠি লিখলেন। সেই চিঠি মুবারকে অনেক নছীহত মুবারক করে শেষে লিখেছেন, জেনে রাখ, অনেক আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা



বৈষম্য ও সাম্প্রদয়িকতার ইতিহাসভিত্তিক দুর্গাপূজা কতটুকু সার্বজনীন?


পৃথিবীর যে কোনো জাতি কিংবা ধর্মীয় সম্প্রদায়ের পালিত দিবসের মূলে থাকে ধর্ম, ভাষা কিংবা দেশের প্রতি তাদের দায়বদ্ধতার বিষয়টি। কিন্তু দুঃখজনকভাবে কেবলমাত্র মুসলিমদের ক্ষেত্রেই আমরা দেখতে পাই, ইতিহাস জ্ঞান এবং বিধর্মীদের প্ররোচনায় সঠিক ধর্মীয় এবং পারিবারিক শিক্ষার দৈন্যতার দরুন নিজ জাতির



ছিক্বাহ রাবী হওয়ার মানদণ্ড দ্বারাই প্রমাণিত হয় নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা মাসুম


হাদীছ বিশরাদগণ ছিক্বাহ রাবী হওয়ার জন্য যে মানদ- নির্ধারণ করেছেন, তার মধ্যে মূল বিষয় হচ্ছে ১. আদালত ২. জবত। আদালতের মধ্যে চারটি শর্ত রয়েছে। তার মধ্যে প্রধান হলো ২টি। যথা ক. তাক্বওয়া খ. মুরুওয়াত। ক. তাক্বওয়া হচ্ছে- কুফরী, শিরক, বিদয়াত ও



কোরবানীর উপর ট্যাক্স কেন ?মুসলমানদের ধর্মীয় অনুষ্ঠানে সরকার কি এতটুকু ভর্তুকী দিতে পারে না ??


মুসলমানদের অন্যতম ধর্মীয় অনুষ্ঠান ঈদুল আজহা। এই ঈদে মুসলমানরা পশু কোরবানী করে। এই পশু ক্রয় করা হয় হাট থেকে। এই হাটগুলোর বেশিরভাগ হয় অস্থায়ী হাট। এই অস্থায়ী হাটের স্থানগুলোতে সরকার ইজারা দেয়। এই ইজারার জন্য সরকার দরপত্র আহবান করে। এর মাধ্যমে



স্বয়ং যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি নিজেই সরাসরি আন নূরুর রবি‘য়াহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম


আন নূরুর রবি‘য়াহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত বরকতময় বিছালী শান মুবারক প্রকাশের সময় যখন নিকটবর্তী হলেন, তখন মালাকুল মাউত হযরত আজরাইল আলাইহিস সালাম তিনি সিজদায় পড়ে গেলেন। তিনি সিজদায় পড়ে কান্নাকাটি করে মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট আরজী



মুসলমান উনাদের জন্য একমাত্র অনুসরণীয় সৌর বর্ষপঞ্জি হচ্ছে ‘আত তাক্বউইমুশ শামসী’, গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার নয়


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “মহান আল্লাহ পাক যিনি বানিয়েছেন সূর্যকে উজ্জ্বল আলোকময় করে আর চাঁদকে স্নিগ্ধ আলো বিতরণকারীরূপে। অতঃপর নির্ধারণ করেছেন এর জন্য মঞ্জিলসমূহ যাতে তোমরা চিনতে পারো বছরগুলোর সংখ্যা



ওলীয়ে মাদারযাদ, কুতুবুল আলম, বাবুল ইলম, আওলাদে রসূল সাইয়্যিদুনা হযরত হাদিউল উমাম আলাইহিস সালাম উনার অতুলনীয় শান-মান, ইয্যত-ঐতিহ্য, বুযূর্গী-সম্মান


মহান আল্লাহ পাক সুবহানাহূ ওয়া তায়ালা তিনি এবং উনার প্রিয়তম রসূল, মাশুকে মাওলা, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি অর্থাৎ উনারা উনাদের উদিষ্ট ব্যবস্থায় জগৎ-সংসার পরিচালনা এবং বিশ্ব পরিসরে মনোনীত দ্বীন-ইসলাম উনার হাক্বীক্বী আবাদের জন্য কালে কালে,



শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সংস্কৃতি চর্চার নামে হারাম কার্যক্রম হিতে বিপরীত হবে


শিক্ষার্থীদেরকে সন্ত্রাসবাদ বিমুখ করার লক্ষ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে (হারাম) সাংস্কৃতিক কার্যক্রম বাড়ানো হবে বলে ঘোষণা দিয়েছে সরকার। কিন্তু সরকারের এই সিদ্ধান্ত প্রকৃতপক্ষে বাস্তবসম্মত নয়, বরং বাস্তবতার নীরিখে হওয়া উচিত ছিলো বিপরীত। অর্থাৎ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ দেশের সর্বস্তরে সংস্কৃতির নামে হারাম কর্মকা- তুলে দিয়ে সঠিক