গোলামে মাদানী আক্বা -blog


...


 


সর্বোচ্চ নিয়ামত মুবারক হলেন পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ


পবিত্র কুরআন শরীফ উনার পবিত্র আয়াত শরীফ ও সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার দ্বারা স্পষ্টভাবে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে পাওয়ার কারণে খুশি প্রকাশ করা প্রমাণিত। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,



সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার চিকিৎসা পদ্ধতি- ঝাড়-ফুঁক ও তাবিজ


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- وَنُنَزِّلُ مِنَ الْقُرْاٰنِ مَا هُوَ شِفَاءٌ وَّرَحْـمَةٌ لِّلْمُؤْمِنِيْنَ অর্থ: আমি পবিত্র কুরআন শরীফ নাযিল করেছি যার মধ্যে রয়েছে শিফা তথা রোগ মুক্তি। আর মু’মিনগণের জন্য রহমত। (পবিত্র সূরা বানী ইসরাঈল শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ



যে ব্যক্তি মসজিদ ভাঙ্গে বা উচ্ছেদ করে সে ব্যক্তি সবচেয়ে বড় যালিম


যিনি খালিক্ব, যিনি মালিক, যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- ওই ব্যক্তির চেয়ে বড় যালিম কে আছে যে পবিত্র মসজিদে মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির আযকার করতে বাধা প্রদান করে।” উল্লেখ্য যে, মসজিদ মহান আল্লাহ পাক উনার ঘর।



জিএম ফুড, গোল্ডেন রাইস এগুলো আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের অংশ


জিএম-ফুড বা জিনগত বিকৃত খাদ্যদ্রব্য সমূহের মধ্যে এক ভয়ংকর খাদ্যদ্রব্য হলো গোল্ডেন রাইস। যা প্রচলিত হলে ধ্বংস হয়ে যাবে সমগ্র মুসলিম বিশ্বের কৃষি ব্যাবস্থা। কাজেই নীল চাষের নব্য প্রেতাত্মা গোল্ডেন রাইসের বাজারজাতকরণের প্রচেষ্টা বন্ধ করুন। আবার বিটা ক্যারোটিন হাইড্রোফোবিক বলে শরীরে



হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম ও আওলাদে রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের মুহব্বত মুবারক করলে গুণাহ ঝরে যায়। সুবহানাল্লাহ!


ইমাম আব্দুর রহমান আদ দামিশক্বী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার আউলিয়া আল্লাহি বাইনাল মাফহূমিছ ছূফী নামক কিতাবে এবং ইমাম হুয়াইযী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার তাফসীরু নূরিছ ছাক্বালাইন নামক কিতাবে উল্লেখ করেন, مـُحَبَّةُ أَهْلِ الْبَيْتِ تَـمْحُو الذُّنُوْبَ অর্থ : পবিত্রতম আহলে বাইত শরীফ



পবিত্র ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিয়ে লিখিত কয়েকটি বিখ্যাত কিতাবের নাম


ইদানীং সাইয়্যিদে ঈদে আকবর ওয়া ঈদে আ’যম পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তথা পবিত্র সাইয়্যিদুল আইয়াদ শরীফ উনার নাম শুনলে কিছু লোক বিদয়াত বিদয়াত বলে চিৎকার করে, কিতাবে নেই, পূর্বের কোনো আউলিয়াগণ করেননি ইত্যাদি ইত্যাদি নানা মিথ্যা কথা



প্রকাশ্যেই হচ্ছে ইসলামবিদ্বেষী কাজ- প্রতিবাদ না করার পরিণতি কখনোই ভালো নয়


কিতাবে একটি ঘটনা বর্ণিত আছে। একবার এ ব্যক্তি কোনো একটি মজলিসে বসা ছিলো। তার উপস্থিতিতেই কিছু লোক সেখানে উম্মুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের নিয়ে কটূক্তিকর কিছু কথা বললো। লোকটি শুনেও না শুনার ভান করে থাকলো। অত:পর সে বাসায় ফিরে ঘুমিয়ে পড়ার



নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পরে কেউ নবী হলে, নবী হতেন আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কোনো পুরুষের পিতা নন, বরং তিনি মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে সর্বশেষ নবী ও রসূল।” (পবিত্র



সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল ‘আশির মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত আওলাদ আলাইহিমুস সালাম এবং মহাসম্মানিতা


কিতাবে বর্ণিত রয়েছে, أما أبو الحسن علي النقي فله من الأبناء ستة অর্থ: “ইমামুল ‘আশির মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আবুল হাসান সাইয়্যিদুনা হযরত আলী নক্বী আলাইহিস সলাম উনার মহাসম্মানিত আবনা’ (ছেলে) আলাইহিমুস সালাম উনারা ছিলেন মোট ৬



কুরবানীকে সংকুচিত করার অপচেষ্টা ও মুসলিম অস্তিত্বের বহিঃপ্রকাশ


দ্বিতীয় খলীফা হযরত উমর ফারুক রদ্বিআল্লাহু তায়ালা আনহু উনার দ্বীন ইসলাম গ্রহণ করার পর সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাটি কী? আমরা পাঠ্যপুস্তকে পড়ে এসেছি যে, তিনি দ্বীন ইসলাম গ্রহণের পূর্বে প্রকাশ্যে ইসলাম পালন কেউ করতে পারত না। অতি গোপনে, পরিচয় গোপন রেখে তখন



মালিকুল কায়িনাত সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুত তাসি’ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত বরকতময় পবিত্র নসবনামাহ


মহাসম্মানিত পিতা আলাইহিস সালাম উনার দিক থেকে سيدنا محمد التقى بن على الرضا بن موسى الكاظم بن جعفر الصادق بن محمد الباقر بن علي زين العابدين بن الحسينبن على عليهم السلام ১. ইমামুত তাসি’ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া



বছরের শুরুতে মঙ্গলের আশায় মঙ্গলশোভা যাত্রা : মঙ্গলটা পাচ্ছি কোথায় ?


এ বছর শুরুতেই মঙ্গলের আশায় দেশজুড়ে করা হয়েছিলো মঙ্গলশোভা যাত্রা। বাঘ-ভল্লুক-সূর্য আর পেচাঁর কাছে চাওয়া হয়েছিলো মঙ্গল। প্রতি বছর শুধু ঢাকার চারুকলায় একটি মাত্র মঙ্গলশোভা যাত্রা হতো। কিন্তু এ বছর সরকার প্রত্যেক জেলায়-জেলায় থানায়-থানায় মঙ্গলশোভা যাত্রা করার উদ্যোগ নেয় এবং জনগণের