গোলামে মাদানী আক্বা -blog


...


 


সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করা কুল কায়িনাতের সর্বশ্রেষ্ঠ ইবাদত (১)


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, يَااَيُّهَا النَّاسُ قَدْ جَاءَتْكُمْ مَوْعِظَةٌ مّـِنْ رَّبّـِكُمْ وَشِفَاء لّـِمَا فِى الصُّدُوْرِ وَهُدًى وَّرَحْمَةٌ لّـِلْمُؤْمِنِيْنَ. قُلْ بِفَضْلِ اللهِ وَبِرَحْمَتِهٖ فَبِذٰلِكَ فَلْيَفْرَحُوْا هُوَ خَيْرٌ مّـِمَّا يَـجْمَعُوْنَ. অর্থ: “হে মানুষেরা! হে সমস্ত জিন-ইনসান, কায়িনাতবাসী!



হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদেরকে এবং হযরত আবনাউ রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও হযরত বানাতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু


মুজাদ্দিদে আ’যম মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিছ ছলাতু ওয়াস সালাম তিনি শুধু মুজাদ্দিদই নন; বরং তিনি হচ্ছেন পূর্বের এবং পরের সমস্ত মুজাদ্দিদগণ উনাদের সাইয়্যিদ। সুবহানাল্লাহ! উনার বেমেছাল তাজদীদ মুবারকসমূহই উনার সেই শ্রেষ্ঠত্ব মুবারক উনার পরিচায়ক। যেখানে



ইসলামবিদ্বেষী ও বিদ্রোহীদের ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করা সকল ঈমানদার মুসলমানের জন্য ফরয-ওয়াজিব।


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের এবং দ্বীনি যাবতীয় বিষয়ের উপর যার অন্তরের বিশ্বাসসহ মৌখিক স্বীকৃতি থাকে, তাকে ঈমানদার বলা যায়। পবিত্র ঈমানে মুফাসসাল উনার মধ্যে বর্ণিত হয়েছে, ‘আমি



প্রশংসার রীতির একাল-সেকাল


সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম (পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার দ্বিতীয় খলীফা) আলাইহিস সালাম তিনি যখন কোথাও সৈন্য বাহিনী পাঠাতেন, তখন উপদেশ দিতেন- “যদি কোনো এলাকার বা সম্প্রদায়ের আচার- অনুষ্ঠান ইসলামের সাথে, শরীয়তের সাথে বিরোধপূর্ণ না হয়, তবে সে ব্যাপারে যেন শিথিলতা প্রদর্শন



পৃথিবীর ইতিহাসে এই প্রথম পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ, সাইয়্যিদু ঈদে আ’যম, সাইয়্যিদু ঈদে আকবর পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীব ছল্লাল্লাহু


একমাত্র খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা দায়িমীভাবে পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করেন। এ সম্পর্কে পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, إِنَّ اللَّهَ وَمَلَائِكَتَهُ يُصَلُّونَ عَلَى النَّبِيِّ অর্থ: “নিশ্চয় খালিক্ব মালিক



আশ্চর্য বিষয়! কুরআন শরীফ পড়তে জানে না নতুন প্রজন্ম


আজ থেকে বছর ৭-৮ আগে রাজধানী ঢাকা বিষয়টি নিয়ে ১ম অভিজ্ঞতা হয়। আমারই এক আত্মীয়ের বন্ধুর এক ছেলে ৯ম শ্রেণীতে পড়ে, অথচ সে কুরআন শরীফ তথা আরবী পড়তে জানে না। শুনে খুবই আশ্চর্য হয়েছিলাম। কিন্তু এখন দিন যত যাচ্ছে কুরআন শরীফ



অশুভ বা কুলক্ষণ বলে কিছু নেই: অশুভ বা কুলক্ষণ যদি থাকতো তাহলে ঘর-বাড়ি, ঘোড়া এবং নারীদের মধ্যে থাকতো


মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কোনো কিছুতেই অশুভ বা কুলক্ষণে ধারণা করতে নিষেধ করেছেন। কোনো কিছুর মধ্যে অশুভ বা কুলক্ষণে নেই। তবে ভালো লক্ষণ আছে। সেটা ধারণা করা, বিশ্বাস করা যায়।



জান্নাতের নিয়ামত কি নতুন প্রজন্মের মুসলমানরা জানে?


বিশিষ্ট ছাহাবী হযরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু তিনি একদিন নুরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট আরজি করলেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ, ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম- আমাদেরকে জান্নাতের বিবরণ দান করুন। তখন নুরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক



‘মৃত্যু’র কথা কি আপনার স্মরণে আছে…?


  ব্যস্ততা, ব্যস্ততা আর ব্যস্ততা। পরিবার, সন্তানাদি, বন্ধু-বান্ধবদের নিয়েই কেটে যাচ্ছে প্রতিটি দিন। কখনো আনন্দ, কখনো দুঃখ নিয়ে আর চিন্তা-টেনশনতো আছেই। এসবের কারনে চলমান জীবনের এই চাকা যে কোনো একসময় বন্ধ হবে এবং বন্ধ হবার পর কি হবে -এই ভাবনা চিন্তা,



সরকারের জন্য ফরয হচ্ছে- হারাম খেলা-ধুলায় টাকা অপচয় না করে তা দিয়ে অভাবগ্রস্ত গরিব দুঃখী ও বিধবাদের অভাব মোচন,


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- প্রত্যেক খেলাই হারাম। পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের নির্দেশ মুবারক অনুযায়ী সর্বপ্রকার খেলাধুলা হারাম ও নাজায়িয। তা ক্রিকেট হোক বা টি-টুয়েন্টি ক্রিকেট হোক অথবা ফুটবলই



মহাপবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার গুরুত্ব


হযরত উম্মুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম এবং হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের এত শান-মান, মর্যাদা, ফযীলত মুবারক কেন? কারণ উনারা নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আহাল-ইয়াল উনাদের অন্তর্ভুক্ত। সুবহানাল্লাহ! হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম



আপনি যখন নিজেকে মুসলমান বলে দাবি করবেন, তখন আপনাকে কিছু বিষয় ভাবতেই হবে


হ্যাঁ, এটা বলার অপেক্ষা রাখে না, যখন আপনি নিজেকে একজন মুসলমান বলে দাবি করবেন তখন আপনাকে প্রথমেই ভাবতে হবে- আপনি কেন সৃষ্টি হলেন? আপনাকে কেন সৃষ্টি করা হলো? আপনার নিজের প্রতি কি দায়িত্ব? আপনার স্বজাতির প্রতি আপনার কি দায়িত্ব? আপনাকে আরো