গোলামে মাদানী আক্বা -blog


...


 


অশুভ বা কুলক্ষণ বলে কিছু নেই: অশুভ বা কুলক্ষণ যদি থাকতো তাহলে ঘর-বাড়ি, ঘোড়া এবং নারীদের মধ্যে থাকতো


মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কোনো কিছুতেই অশুভ বা কুলক্ষণে ধারণা করতে নিষেধ করেছেন। কোনো কিছুর মধ্যে অশুভ বা কুলক্ষণে নেই। তবে ভালো লক্ষণ আছে। সেটা ধারণা করা, বিশ্বাস করা যায়।



জান্নাতের নিয়ামত কি নতুন প্রজন্মের মুসলমানরা জানে?


বিশিষ্ট ছাহাবী হযরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু তিনি একদিন নুরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট আরজি করলেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ, ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম- আমাদেরকে জান্নাতের বিবরণ দান করুন। তখন নুরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক



‘মৃত্যু’র কথা কি আপনার স্মরণে আছে…?


  ব্যস্ততা, ব্যস্ততা আর ব্যস্ততা। পরিবার, সন্তানাদি, বন্ধু-বান্ধবদের নিয়েই কেটে যাচ্ছে প্রতিটি দিন। কখনো আনন্দ, কখনো দুঃখ নিয়ে আর চিন্তা-টেনশনতো আছেই। এসবের কারনে চলমান জীবনের এই চাকা যে কোনো একসময় বন্ধ হবে এবং বন্ধ হবার পর কি হবে -এই ভাবনা চিন্তা,



সরকারের জন্য ফরয হচ্ছে- হারাম খেলা-ধুলায় টাকা অপচয় না করে তা দিয়ে অভাবগ্রস্ত গরিব দুঃখী ও বিধবাদের অভাব মোচন,


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- প্রত্যেক খেলাই হারাম। পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের নির্দেশ মুবারক অনুযায়ী সর্বপ্রকার খেলাধুলা হারাম ও নাজায়িয। তা ক্রিকেট হোক বা টি-টুয়েন্টি ক্রিকেট হোক অথবা ফুটবলই



মহাপবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার গুরুত্ব


হযরত উম্মুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম এবং হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের এত শান-মান, মর্যাদা, ফযীলত মুবারক কেন? কারণ উনারা নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আহাল-ইয়াল উনাদের অন্তর্ভুক্ত। সুবহানাল্লাহ! হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম



আপনি যখন নিজেকে মুসলমান বলে দাবি করবেন, তখন আপনাকে কিছু বিষয় ভাবতেই হবে


হ্যাঁ, এটা বলার অপেক্ষা রাখে না, যখন আপনি নিজেকে একজন মুসলমান বলে দাবি করবেন তখন আপনাকে প্রথমেই ভাবতে হবে- আপনি কেন সৃষ্টি হলেন? আপনাকে কেন সৃষ্টি করা হলো? আপনার নিজের প্রতি কি দায়িত্ব? আপনার স্বজাতির প্রতি আপনার কি দায়িত্ব? আপনাকে আরো



দুনিয়ার সমস্ত ফিতনা-ফাসাদের মূল হলো- বেপর্দা নারীরা-২


  পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত হয়েছে, হযরত আবু সাঈদ খুদরী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, দুনিয়া হলো সুস্বাদু এবং সবুজ শ্যামলিয়া। আর মহান আল্লাহ



শয়তান মানুষের প্রকাশ্য শত্রু


  মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ان الشيطان لكم عد وفاتذوه عدوا অর্থ: “শয়তান তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু কাজেই শয়তানকে শত্রু হিসেবে গ্রহণ করো।” পবিত্র সুরা ফাতির শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ-৬) আর পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে উল্লেখ আছে, “মানুষ



হক্কানী-রব্বানী ওলীআল্লাহ উনার আলামত


গাউছুল আ’যম সাইয়্যিদুনা হযরত বড়পীর আব্দুল ক্বাদির জ্বিলানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার দরবারে একবার বাগদাদের খলীফা ইউসুফ বিন মনছুর তার এক মন্ত্রীর দ্বারা কিছু স্বর্ণমুদ্রা হাদিয়া করলে হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বললেন, তোমার স্বর্ণমুদ্রা হারাম। আমি এটা গ্রহণ করবো না।



কাট্টা কাফির ইয়াযীদ মালউনের অপরাধের জন্য বিশিষ্ট ছাহাবী, আমীরুল মু’মিনীন হযরত মুআবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকে দোষারোপ করা বা


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি দোয়া মুবারক করেন, ‘আয় আল্লাহ পাক! (আমার সম্মানিত ছাহাবী) হযরত মুআবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকে হাদী ও হিদায়েতপ্রাপ্ত করুন এবং উনার দ্বারা লোকদের হিদায়েত দান করুন।’ সুবহানাল্লাহ! আমীরুল মু’মিনীন হযরত মুআবিয়া



দেশের শিক্ষাব্যবস্থার পরিবর্তন অত্যন্ত জরুরী! আপনি কি জানেন- পাঠ্যবইগুলোর কারণেই আপনার সন্তান ইসলামবিমুখ হচ্ছে


বর্তমানে আমাদের দেশের পাঠ্যবইগুলোর বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য হলো- -বইগুলোতে হিন্দু কবি-সাহিত্যিকদের লেখা কবিতা, গল্প, রচনাকে গুরুত্বসহকারে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে -তাছাড়া অহিন্দু যেসব লেখক রয়েছে তারাও কেউ নাস্তিক, কেউ নাট্যকার-অভিনেতা, কেউ ছবি-মূর্তির শিল্পী। অর্থাৎ যারা ইসলামবিমুখ তাদের লেখাকেই সিলেবাসে গুরুত্ব সহকারে অন্তর্ভুক্ত



হিজরী ও শামসী ক্যালেন্ডারই মুসলমানদের অনুসরণ করা উচিত


http://attaqweemush-shamsi.net/ যিনি খলিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি চন্দ্র ও সূর্যের ঘূর্ণন বা আবর্তনের সাথে রাত-দিনের বা তারিখের পরিবর্তনের বিষয়টি নির্ধারণ করে দিয়েছেন। যার কারণে চন্দ্রের হিসাব অনুযায়ী-প্রবর্তন করা হয়েছে হিজরী সন ও ক্যালেন্ডার। আর সূর্যের হিসাব অনুযায়ী প্রবর্তন করা