গোলামে মাদানী আক্বা -blog


...


 


দেশের শিক্ষাব্যবস্থার পরিবর্তন অত্যন্ত জরুরী! আপনি কি জানেন- পাঠ্যবইগুলোর কারণেই আপনার সন্তান ইসলামবিমুখ হচ্ছে


বর্তমানে আমাদের দেশের পাঠ্যবইগুলোর বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য হলো- -বইগুলোতে হিন্দু কবি-সাহিত্যিকদের লেখা কবিতা, গল্প, রচনাকে গুরুত্বসহকারে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে -তাছাড়া অহিন্দু যেসব লেখক রয়েছে তারাও কেউ নাস্তিক, কেউ নাট্যকার-অভিনেতা, কেউ ছবি-মূর্তির শিল্পী। অর্থাৎ যারা ইসলামবিমুখ তাদের লেখাকেই সিলেবাসে গুরুত্ব সহকারে অন্তর্ভুক্ত



হিজরী ও শামসী ক্যালেন্ডারই মুসলমানদের অনুসরণ করা উচিত


http://attaqweemush-shamsi.net/ যিনি খলিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি চন্দ্র ও সূর্যের ঘূর্ণন বা আবর্তনের সাথে রাত-দিনের বা তারিখের পরিবর্তনের বিষয়টি নির্ধারণ করে দিয়েছেন। যার কারণে চন্দ্রের হিসাব অনুযায়ী-প্রবর্তন করা হয়েছে হিজরী সন ও ক্যালেন্ডার। আর সূর্যের হিসাব অনুযায়ী প্রবর্তন করা



মুসলমান উনাদের জন্য একমাত্র অনুসরণীয় সৌর বর্ষপঞ্জি হচ্ছে‘আত তাক্বউইমুশ শামসী’, গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার নয়


  খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “মহান আল্লাহ পাক যিনি বানিয়েছেন সূর্যকে উজ্জ্বল আলোকময় করে আর চাঁদকে স্নিগ্ধ আলো বিতরণকারীরূপে। অতঃপর নির্ধারণ করেছেন এর জন্য মঞ্জিলসমূহ যাতে তোমরা চিনতে পারো বছরগুলোর



গান-বাদ্যের ভয়াবহ লা’নত হতে দেশ-জাতিকে মুক্ত করার পদক্ষেপ নিতে হবে


নুরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মাঝে ইরশাদ মুবারক করেছেন- “আমার উম্মত নামধারী কতিপয় লোক শরাবের নাম পরিবর্তন করে পান করা শুরু করবে। তাদের মাথার উপরে গান-বাদ্য ও নারী নৃত্য চলতে থাকবে। মহান



মুসলমানরা ঈমান রক্ষার্থে বিধর্মীদের উৎসব পরিত্যাগ করুন


  পবিত্র কালাম পাক উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন- “যে কেউ সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার নিয়মনীতি তর্জ-তরীক্বা পরিত্যাগ করে অন্য কোনো ধর্ম-নিয়মনীতি অনুসরণ-অনুকরণ করে কিংবা সম্মান করে, তাহলে তা কখনোই তার থেকে কবুল করা হবে না। বরং



যারা বোমাবাজি করে অন্যায়ভাবে মানুষ হত্যা করে তাদেরকে জঙ্গি না বলে সন্ত্রাসী বলতে হবে


ভালোদের জন্য ভালো আর মন্দদের জন্য মন্দ শব্দের ব্যবহার করা পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনারই নির্দেশ। পবিত্র সূরা বাকারা শরীফ উনার ১০৪ নম্বর আয়াত শরীফ উনার মধ্যে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্বোধন করা নিয়ে ইরশাদ মুবারক



পবিত্র কারবালা উনার হৃদয় বিদারক ঘটনার স্মরণ ও দুঃখ অনুভব করা হবে মু’মিনের নাজাতের কারণ


পবিত্র আশূরা শরীফ মুসলমানগণ উনাদের জীবনে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ রহমত, বরকত, সাকীনা ও মাগফিরাত মুবারক উনার মাস। চন্দ্র মাসের প্রথম মাস পবিত্র মুহররমুল হারাম শরীফ এবং পবিত্র মাস উনাদের একটি। এ মাসের গুরুত্ব ও তাৎপর্য মুসলমানগণ আগে খুব একটা জানতো না। মানুষ



সম্মানিত শরীয় উনার ফায়ছালা মতে কুলাঙ্গার ইয়াযীদ লা’নাতুল্লাহি আলাইহি কাট্টা কাফির ও চিরজাহান্নামী


পাপিষ্ঠ ইয়াযীদ লা’নাতুল্লাহি আলাইহি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম অর্থাৎ পবিত্র বংশের অবমাননা করেছে। উনাদের নির্দয়ভাবে উৎপীড়ন করেছে। উনাদেরকে শহীদ করেছে। নাঊযুবিল্লাহ! এর চেয়ে বড় কুফরী আর কি হতে পারে?



ইয়াযীদ সম্পর্কে শরয়ী ফায়সালা


কোনো কোনো উলামায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের মতে, ইয়াযীদ চরম ফাসিক। তবে খাছ ফতওয়া মতে, ইয়াযীদ কাট্টা কাফির। কারণ তার নির্দেশেই সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও হযরত আহলে বাইত শরীফগণ উনাদেরকে শহীদ করা



ফোরাত নদীসহ সমস্ত কায়িনাতের যিনি মালিক, যিনি সৃষ্টির মূল অথচ উনার সেই মহাসম্মানিত আহলু বাইত শরীফ উনাদেরকে কুখ্যাত ইয়াযীদ


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- عن حضرة علي عليه السلام قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم أهل بيتي أمان لأمتي অর্থ: সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন- নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর



সাইয়্যিদুশ শুহাদা সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বেমেছাল শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান


একজন নবী-রসূল আলাইহিস সালাম উনাকে শহীদ করলে, কাফফারা বাবদ সত্তর হাজার লোককে ধ্বংস করে দেয়া হয়। আর ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত শাহাদাত মুবারক উনার সাথে যারা জড়িত, তাদের কমপক্ষে এক লক্ষ চল্লিশ হাজার



পবিত্র আশূরা শরীফ উনার সম্পর্কিত পবিত্র হাদীছ শরীফসমূহ


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াা সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার পর সবচেয়ে ফযীলতপূর্ণ রোযা হচ্ছে- পবিত্র মুহররমুল হারাম শরীফ তথা পবিত্র আশূরা শরীফ উনার রোযা। * নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া