গোলামে মাদানী আক্বা -blog


...


 


পবিত্র আশূরা শরীফ হচ্ছেন- আক্বীদা বিশুদ্ধ করার ও আমলে ছলেহ বা নেক আমল করার বরকতময় রাত ও দিন।


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘পবিত্র আছর উনার কসম! নিশ্চয়ই সমস্ত মানুষ ক্ষতিগ্রস্তের মধ্যে রয়েছে। শুধুমাত্র তারা ব্যতীত যারা পবিত্র ঈমান এনেছে তথা আক্বীদা উনাকে বিশুদ্ধ করেছে এবং নেক আমল করেছে।’ আজ দিবাগত রাতটিই হচ্ছেন পবিত্র আশূরা শরীফ উনার



পবিত্র মুহররমুল হারাম তথা পবিত্র আশূরা শরীফ উনার শ্রেষ্ঠতম আমল হচ্ছে হযরত আহলু বাইত আলাইহিমুস সালাম উনাদের সম্পর্কে আলোচনা


পবিত্র মুহররমুল হারাম তথা পবিত্র আশূরা শরীফ উনার শ্রেষ্ঠতম আমল হচ্ছে- হযরত আহলু বাইত আলাইহিমুস সালাম বিশেষ করে সাইয়্যিদু শাবাবি আহলিল জান্নাহ, ইমামুছ ছালিছ সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম হুসাইন আলাইহিস সালাম উনার পূত-পবিত্রতম জীবন মুবারক উনার বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা-পর্যালোচনা করা।



সাইয়্যিদুশ শুহাদা সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত শাহাদাত মুবারক উনার


সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি



পবিত্র আশূরা মিনাল মুহররম শরীফ উনার বিশেষ কিছু আমল ও ফযীলত


পবিত্র মুহররমুল হারাম শরীফ মাস উনার উল্লেখযোগ্য ও শ্রেষ্ঠতম দিন হচ্ছে ১০ই মুহররমুল হারাম শরীফ পবিত্র আশূরা শরীফ উনার দিন। এই মুবারক দিনটি বিশ্বব্যাপী এক আলোচিত দিন। কেননা সৃষ্টির সূচনা হয় এ দিনে এবং সৃষ্টির সমাপ্তিও ঘটবে এই দিনে। বিশেষ বিশেষ



পবিত্র আশূরা শরীফ মুসলমানদেরকে প্রতিক্ষেত্রে ইহুদী-নাছারা তথা তামাম কাফির গং-এর অনুসরণ থেকে ফিরে থাকার আহবান জানায়


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদেরকে পবিত্র আশূরা শরীফ-এ রোযা রাখার আদেশ মুবারক করলেন। কিন্তু এক্ষেত্রে ইহুদীদের খিলাফ করতে বললেন। ইহুদী-নাছারারা পবিত্র আশূরা শরীফ দিন রোযা রাখে এজন্য এ রোযা



পবিত্র মুহররমুল হারাম শরীফ মাস উনার সাথে সংশ্লিষ্ট বিশুদ্ধ আক্বীদাসমূহ


১. সমস্ত হযরত নবী রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা মাছুম বা নিষ্পাপ। উনাদের কোনো প্রকার দোষ-ত্রুটি এমনকি কোনো অপছন্দনীয় কাজ ও নেই। উনারা হচ্ছেন পবিত্র ওহী মুবারক দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। (আকাইদে নসফী) ২. হযরত মুয়াবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি ছিলেন জলীলুল ক্বদর ছাহাবী,



ইয়াযীদকে খলীফা মনোনয়ন এবং কারবালার মর্মান্তিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে নববী কাননের সুরভিত গোলাপ, জলীলুল ক্বদর ছাহাবী, কাতিবে ওহী, ছাহিবে


সাইয়্যিদুশ শুহাদা, সাইয়্যিদু শাবাবি আহলিল জান্নাহ, ইমামুছ ছালিছ, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম হুসাইন আলাইহিস সালাম উনার মর্মান্তিক শাহাদাতকে কেন্দ্র করে কেউ কেউ নববী কাননের সুরভিত গোলাপ, কাতিবে ওহী, ছাহিবে সির, জলীলুল ক্বদর ছাহাবী হযরত মুয়াবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার সমালোচনা করে থাকে



হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা প্রত্যেকেই মহান আল্লাহ পাক উনার তরফ থেকে মনোনীত এবং পবিত্র ওহী মুবারক দ্বারা নিয়ন্ত্রিত।


উনাদের কোনো কাজই ওহী মুবারক উনার খিলাফ ছিলো না। যার কারণে উনারা ছিলেন যাবতীয় অন্যায় ও অপছন্দনীয় কাজ থেকে পবিত্র এবং মাছূম। এটাই হচ্ছে হক্ব ও জান্নাতী দল আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত উনাদের আক্বীদা। এর বিপরীত হচ্ছে ৭২টি বাতিল ও জাহান্নামী



হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা যেখানে সাধারণ অপছন্দনীয় কাজ থেকে মুক্ত সেখানে উনাদের প্রতি ভুল-ত্রুটি ও গুনাহখতার প্রশ্ন আসে


হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা ভুল কিংবা গুনাহ করা তো দূরের কথা, কোনো প্রকার অপছন্দনীয় কাজও উনারা করতেন না। বরং সর্বপ্রকার অপছন্দনীয় কাজ থেকেও বেঁচে থাকতেন বা পবিত্র থাকতেন। এ প্রসঙ্গে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার



হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের প্রতি কিরূপ আদব রক্ষা করতে হবে! এ বিষয়ে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম


হযরত আম্বিয়া আলাইহিমুস সালাম উনাদের প্রতি যথাযথ আদব রক্ষা করার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের বরকতময় জীবনী মুবারক উনার মধ্যে রয়েছে। যেমন এ প্রসঙ্গে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে এসেছে যে, একদা সাইয়্যিদুনা হযরত আব্বাস আলাইহিস সালাম



হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের প্রতি আদব রক্ষার একটি উজ্জ্বল উদাহরণ


হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের সাথে কতটুকু আদব রক্ষা করতে হবে, সে প্রসঙ্গে ইমামুত তরীক্বত ওয়াশ শরীয়ত হযরত ইমাম সাররী সাকতী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার ঘটনা কিতাবে উল্লেখ করা হয়। একবার তিনি স¦প্নে দেখেন মহান আল্লাহ পাক উনার নবী হযরত ইয়াকুব আলাইহিস



মহিমান্বিত ৮ মুহররমুল হারাম শরীফ। উম্মাহর উচিত- এ দিনের মা’রিফত অর্জন ও হক্ব আদায়ে নিবেদিত হওয়া।


মুসলমান এবং আহলে কিতাব দাবিদারদের মধ্যে তথা ইহুদী, খ্রিস্টানদের মধ্যে পার্থক্যের মূল বিষয়টি কি? বলাবাহুল্য, প্রধান ফারাককারী বিষয়টি হলো- তারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে মানে না। নাঊযুবিল্লাহ! এজন্য পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক