গোলামে মাদানী আক্বা -blog


...


 


বিশ্বের সব মুসলমানকে প্রচলিত ছয় উছূল ভিত্তিক চিল্লাওয়ালা তাবলীগ জামাত হতে সাবধান ও দূরে থাকতে হবে


ঈমান অতি সূক্ষ্ম ও স্পর্শকাতর বিষয়। ঈমান মূলতঃ বিশুদ্ধ আক্বীদা ও আমলের উপর নির্ভরশীল। কাজেই বাতিল ৭২ ফিরকার সাথে উঠা-বসা ও সম্পর্ক রাখার কারণে অশুদ্ধ কুফরীমূলক আক্বীদায় বিশ্বাস করা ও আমলের দ্বারাও তাৎক্ষণিকভাবে ঈমান ও আমল নষ্ট হয়ে যায়। মহান আল্লাহ



সুমহান ১৭ রবীউল আউওয়াল শরীফ- শাফিউল উমাম হযরত শাহদামাদ আউওয়াল আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত আব্বাজান আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র


শাফিউল উমাম সাইয়্যিদুনা হযরত শাহদামাদে মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত আব্বাজান হযরত সাইয়্যিদ মুহম্মদ আলী আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করার সুমহান দিন ১৭ রবীউল আউওয়াল শরীফ। তিনি গত ১৪৩৪ হিজরী সনেরর ১৭ রবীউল আউওয়াল শরীফ মহান



বাদশাহ মুজাফরের পুর্ব থেকেই ঈদে মিলাদে হাবীবির প্রচলন ছিল ।


  ১. আজ থেকে প্রায় ৯০০ বছর পুর্বে ওমর বিন মুল্লা মুহম্মদ মউসুলি রহমতুল্লাহি আলাইহি ঈদে মিলাদে হাবীবি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দিবসকে নিয়মিতভাবে এবং আনুষ্ঠানিকভাবে জারী রাখার প্রচলন চালু করেন । উনার অনুসরনে ইসলামের অমর সিপাহসালার সুলতান সালাউদ্দিন আইয়ুবী রহমতুল্লাহি



ঈদে মীলাদুন্নবীর ইতিহাস


১. হযরত আল্লামা মোল্লা আলী কারী রহমতুল্লাহি আলাইহি বর্ননা করেন – “মদিনাবাসী ঈদে মিলাদুন্নবীতে খুবই আগ্রহ ,উৎসাহ ও আনন্দের সহিত এ দিবস উদযাপন করতেন “। মাওরিদ আর রাওয়ী ফি মাওলিদ আন নাবী – পৃ-২৯ ২. হযরত ইবনে যাওজী রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেন



JE SUIS TABLEEG গাট্রিওয়ালাদের চিল্লা নিয়ে হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি মিথ্যাচার। নাউযুবিল্লাহ


প্রচলিত তাবলীগ জামায়াতের লোকেরা বলে থাকে যে, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম “গারে হেরায়” চিল্লা দেয়ার উসীলাই পবিত্র কুরআন শরীফ ও নুবুওওয়ত প্রাপ্ত হয়েছেন | যেমন এ প্রসঙ্গে তাদের কিতাবে বিবৃত হয়েছে- “হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ৪০ দিন



‘সুমহান শান ও কারামতে’ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম


সাইয়্যিদুল আউলিয়া, গাউছুল আ’যম, হাবীবুল্লাহ, খলীফাতুল্লাহ, খলীফাতু রসূলিল্লাহ হযরত মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার লক্ষ কোটি রহমত, বরকত, সাকীনা, মাগফিরাত, দয়া-দান, ইহসান মুবারক যার কারণে আমরাসহ সারা কায়িনাত আমাদের দোজাহানের মমতাময়ী মাতা আদরণীয় মা সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, ইমামুছ ছিদ্দীক্বা, ক্বায়িম-মাক্বামে উম্মাহাতুল



শাহ আবদুল আজিজ মুহাদ্দিস দেহলভী রহমতুল্লাহি আলাইহির ঈদে মিলাদ পালন


নির্ভরযোগ্য আলেম মাওলানা হাফিজ মুহাম্মদ আব্দুল হক এলাহাবাদী মুহাজিরে মক্কী রহমতুল্লাহি আলাইহি তাঁর স্বরচিত বিখ্যাত কিতাব “আদ-দুরুল মুনাজ্জাম ফি হুকুমে আমলে মাওলাদিন নাবীয়্যিল আযম” গ্রন্থে শায়েখ আব্দুল আযীয দেহলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি (১১৫৭-১২৩৯ হিজরি) এর সঠিক মন্তব্যই তুলে ধরেছেন এভাবে “শায়েখ আব্দুল



হযরত আদম আলাইহিস সালাম উনার ঈদে মিলাদে হাবীবি পালন।


হযরত ওমর ইবনুল খাত্তাব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্নিত, عن عمر بن الخطاب رضي الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لما أذنب آدم صلى الله عليه وسلم الذنب الذي أذنه رفع رأسه إلى العرش فقال أسألك حق



হযরত ইবরাহীম খলিলুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার ঈদে মিলাদে হাবীবি পালন


হযরত ইব্রাহীম আলাইহিস সালাম  মহান আল্লাহ তা’আলা এর দরবারে ফারিয়াদ জানান, “ওহে আল্লাহ পাক তাঁদের মধ্যে তাঁদের হতে এমন একজন রাসূল প্রেরণ করুন, যিনি আপনার বাণীসমূহ তাঁদেরকে পাঠ করে শুনাবেন এবং কিতাব ও হিকমত শিক্ষা দিয়ে পবিত্র করবেন। নিশ্চয়ই আপনিও অতিশয়



“কোটি কন্ঠে মীলাদ শরীফ” আপনি আসছেন তো???


এক যোগে মীলাদ শরীফ হিজরী সনের রবিউল আউওয়াল মাসের ১২ তারিখ, যে পবিত্র দিনে পৃথিবীর বুকে আগমন করেন আমাদের প্রাণপ্রিয় নবীজি রসূলে পাক সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। এই দিনটিকে উপলক্ষ্য করে, আমাদের প্রাণপ্রিয় নবীজি রসূলে পাক সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি



হযরত ঈসা রুহুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার ঈদে মিলাদে হাবীবি পালন


যখন ঈসা আলাইহিস সালাম বনী ইসরাইলকে বললেন, আমি আল্লাহ এর রাসূল হিসেবে তোমাদের কাছে প্রেরিত হয়েছি। তার সঙ্গে আমার সাথে যে তাওরাত এসেছে তার প্রতি আমার সমর্থন রয়েছে এবং আমার পর যে রাসূল আসবেন তার নাম হবে আহমদ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া



পবিত্র কুরআন শরীফ থেকে পবিত্র মীলাদ শরীফ উনার প্রমাণ


পবিত্র কুরআন শরীফে মহান মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, قل بفضل الله وبرحمته فبذالك فليفرحوا هو خير مما يجمعون অর্থ: “হে আমার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি বলে দিন যে, তারা যে মহান