গোলামে মাদানী আক্বা -blog


...


 


পঞ্চদশ শতকের মহামান্য মুজাদ্দিদ, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা মামদূহ হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার বেমেছাল


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “সত্য এসেছে, মিথ্যা দূরীভূত হয়েছে। নিশ্চয়ই মিথ্যা দূরীভূত হওয়ার যোগ্য।” এ পবিত্র আয়াত শরীফ যুগে যুগে যেসব মহান ওলীআল্লাহ উনাদের পবিত্র জীবনী মুবারক উনার বাস্তবরূপে প্রতিফলিত



ইমামে রব্বানী, মাহবুবে সুবহানী, কুতুবুল আলম, সাইয়্যিদুনা হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার একটি কারামত


ইমামে রব্বানী, মাহবুবে সুবহানী, কুতুবুল আলম সাইয়্যিদুনা হযরত মুজাদ্দিদে আল্ফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার দরবারে একজন লোক দশ বছর পর্যন্ত ছিলেন। এই দশ বছরের মধ্যে উক্ত লোকটি সাইয়্যিদুনা হযরত মুজাদ্দিদে আল্ফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার থেকে অলৌকিক কিছু ঘটতে দেখেননি। একদিন



হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার কথা স্মরণ করে বর্তমান যামানার দুনিয়াদার ধর্মব্যবসায়ী উলামায়ে ‘সূ’দের খালিছ তওবা করে


দুনিয়াদার ধর্মব্যবসায়ী মালানা তথা উলামায়ে ‘সূ’দের অপতৎপরতায় মুসলিম মিল্লাতে কী ভয়ঙ্কর ফিতনা-ফাসাদ ছড়িয়ে পড়তে পারে এর এক ঐতিহাসিক নমুনা ইমামে রব্বানী হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার যামানা। বলার অপেক্ষা রাখে না যে, সেসময় মহাপ্রতাপশালী যালিম বাদশাহ আকবরের অবৈধ খায়েশকে



হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার বেমেছাল ফাযায়িল-ফযীলত, বুযুর্গী-সম্মান মুবারক


আফদ্বালুল আওলিয়া, ক্বাইয়্যুমে আউওয়াল, আবুল বারাকাত, বদরুদ্দীন শায়েখ আহমদ ফারুক্বী সিরহিন্দী তিনি হচ্ছেন একাদশত হিজরী শতকের মুজাদ্দিদ, মুজাদ্দিদে আলফে ছানী। সুবহানাল্লাহ! উনার শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান বর্ণনাতীত। স্বয়ং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার মুবারক শান-মান ফাযায়িল-ফযীলত,



আফযালুল আউলিয়া, ক্বাইয়্যুমে আউওয়াল, ইমামে রব্বানী হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ছিলেন মহান আল্লাহ পাক উনার খালিছ


মহান আল্লাহ পাক উনার ওলীগণ উনাদেরকে মুহব্বত ও অনুসরণ-অনুকরণ মুবারক করার কথা খোদ পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের মধ্যেই রয়েছে। এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘হে ঈমানদারগণ! তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার, সাইয়্যিদুল মুরসালীন,



সাইয়্যিদুনা হযরত মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার আজিমুশ শান নূরানী সিলসিলা মুবারক উনার মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী হাক্বীক্বী শানে জারি রয়েছে-


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার অসীম রহমত বরকত সাকীনা মুবারক উনার বদৌলতে আজো বিশ্বব্যাপী জারি রয়েছে ইমামে রব্বানী, কাইয়্যূমে আউওয়াল সাইয়্যিদুনা হযরত আহমদ ফারূক্বী সিরহিন্দী মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার মক্ববূল মাশহুর পবিত্র নকশবন্দিয়ায়ে মুজাদ্দিদিয়া তরীক্বা। সুবহানাল্লাহ! ইনশাআল্লাহ



পবিত্র নকশবন্দিয়ায়ে মুজাদ্দিদিয়া তরীক্বা এবং প্রাসঙ্গিক পর্যালোচনা


বর্তমান সময়ে ইলমে তাসাউফের তরীক্বাসমূহে চারখানা তরীক্বা অত্যধিক প্রসিদ্ধি লাভ করেছে। অন্য কথায়, মুজাদ্দিদে আ’যম, হাবীবে আ’যম সাইয়্যিদুনা মামদূহ হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার মুবারক উসীলায় এবং উনার পবিত্র সিলসিলার দরুণ চারখানা তরীক্বাই কেবল বর্তমান সময়ে হক্বের উপর দায়িম-কায়িম রয়েছে।



মুজাদ্দিদে আলফে ছানী নূরে নূরানী


আলফে ছানী, আলফে ছানী, আলফে ছানী ॥মুজাদ্দিদে আলফে ছানী, নূরে নূরানী ॥   হাজার চৌত্রিশ হিজরীর ছফর মাসেতে, বিছাল শরীফ উনার দীদারে ইলাহীতে ॥ সেদিন ছিল ছফর মাসের শেষ বুধবার, আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ রসূলে আলা উনার ॥ বিদায় নিলেন নায়েবে



ইমামে রব্বানী, মাহবুবে সুবহানী, কুতুবুল আলম সাইয়্যিদুনা হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পবিত্র শান মুবারক নিয়ে উলামায়ে


কুখ্যাত উলামায়ে ‘সূ’ আবূল ফযল, ফৈজী, মুল্লা মুবারক গং তারা ইমামে রব্বানী, মাহবুবে সুবহানী, কুতুবুল আলম সাইয়্যিদুনা হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার একটি বক্তব্যের সঠিক ব্যাখ্যা না বুঝার কারণে উনার প্রতি মিথ্যা তোহমত দিয়েছিল যে, “হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী



কথিত ক্রিসমাস থেকে পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ নয়, বরং পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ থেকেই খ্রিস্টানরা কথিত ক্রিসমাস থিউরী গ্রহণ


কিছু মূর্খ দাবি করে থাকে, খ্রিস্টানদের ক্রিসমাস থেকে মুসলমানরা পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করতে শিখেছে। নাউযুবিল্লাহ! মূলত এ শ্রেণীর লোকগুলি গ-মূর্খ কাফিরদের কাজের দ্বারা হীনম্মন্য হয়ে পড়েছে। ইতিহাসই বলে দেয়, সেই শুরু থেকেই মুসলমানগণ উনাদের মধ্যে পবিত্র ১২ই রবীউল আউওয়াল



একটা ফাসিক-ফুজ্জার মৃত্যুবরণ করার পর তার সম্মানার্থে যদি দাঁড়িয়ে নীরবতা পালন করা হয়, তাহলে যিনি সৃষ্টির মূল উনার সম্মানার্থে


কিছুদিন পূর্বে একজন রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী মৃত্যুবরণ করে। মৃত্যুর পর তাকে স্মরণ করে বড় একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে তার সম্মানার্থে সবাই দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করে। অথচ সে কিন্তু তখন তাদের সামনে ছিলো না। আর সারাটা জীবন



অন্তর ইছলাহ ব্যতীত হাক্বীক্বী সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন সম্ভব নয়


গাইরুল্লাহ, নফছানিয়ত নেক কাজ থেকে ফিরিয়ে রাখে। প্রত্যেক মুসলমানের দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে অন্তর ইছলাহ করে, তাযকিয়ায়ে নফছ ক্বলব হাছিল করা। অন্তরের ইছলাহ ব্যতীত হাক্বীক্বী রেযামন্দি, সন্তুষ্টি পাওয়া সম্ভব নয়। যা কিছু করবে রসম-রেওয়াজ হবে। বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত আছে,