গোলামে মাদানী আক্বা -blog


...


 


পবিত্র নকশবন্দিয়ায়ে মুজাদ্দিদিয়া তরীক্বা এবং প্রাসঙ্গিক পর্যালোচনা


বর্তমান সময়ে ইলমে তাসাউফের তরীক্বাসমূহে চারখানা তরীক্বা অত্যধিক প্রসিদ্ধি লাভ করেছে। অন্য কথায়, মুজাদ্দিদে আ’যম, হাবীবে আ’যম সাইয়্যিদুনা মামদূহ হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার মুবারক উসীলায় এবং উনার পবিত্র সিলসিলার দরুণ চারখানা তরীক্বাই কেবল বর্তমান সময়ে হক্বের উপর দায়িম-কায়িম রয়েছে।



মুজাদ্দিদে আলফে ছানী নূরে নূরানী


আলফে ছানী, আলফে ছানী, আলফে ছানী ॥মুজাদ্দিদে আলফে ছানী, নূরে নূরানী ॥   হাজার চৌত্রিশ হিজরীর ছফর মাসেতে, বিছাল শরীফ উনার দীদারে ইলাহীতে ॥ সেদিন ছিল ছফর মাসের শেষ বুধবার, আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ রসূলে আলা উনার ॥ বিদায় নিলেন নায়েবে



ইমামে রব্বানী, মাহবুবে সুবহানী, কুতুবুল আলম সাইয়্যিদুনা হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পবিত্র শান মুবারক নিয়ে উলামায়ে


কুখ্যাত উলামায়ে ‘সূ’ আবূল ফযল, ফৈজী, মুল্লা মুবারক গং তারা ইমামে রব্বানী, মাহবুবে সুবহানী, কুতুবুল আলম সাইয়্যিদুনা হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার একটি বক্তব্যের সঠিক ব্যাখ্যা না বুঝার কারণে উনার প্রতি মিথ্যা তোহমত দিয়েছিল যে, “হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী



কথিত ক্রিসমাস থেকে পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ নয়, বরং পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ থেকেই খ্রিস্টানরা কথিত ক্রিসমাস থিউরী গ্রহণ


কিছু মূর্খ দাবি করে থাকে, খ্রিস্টানদের ক্রিসমাস থেকে মুসলমানরা পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করতে শিখেছে। নাউযুবিল্লাহ! মূলত এ শ্রেণীর লোকগুলি গ-মূর্খ কাফিরদের কাজের দ্বারা হীনম্মন্য হয়ে পড়েছে। ইতিহাসই বলে দেয়, সেই শুরু থেকেই মুসলমানগণ উনাদের মধ্যে পবিত্র ১২ই রবীউল আউওয়াল



একটা ফাসিক-ফুজ্জার মৃত্যুবরণ করার পর তার সম্মানার্থে যদি দাঁড়িয়ে নীরবতা পালন করা হয়, তাহলে যিনি সৃষ্টির মূল উনার সম্মানার্থে


কিছুদিন পূর্বে একজন রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী মৃত্যুবরণ করে। মৃত্যুর পর তাকে স্মরণ করে বড় একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে তার সম্মানার্থে সবাই দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করে। অথচ সে কিন্তু তখন তাদের সামনে ছিলো না। আর সারাটা জীবন



অন্তর ইছলাহ ব্যতীত হাক্বীক্বী সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন সম্ভব নয়


গাইরুল্লাহ, নফছানিয়ত নেক কাজ থেকে ফিরিয়ে রাখে। প্রত্যেক মুসলমানের দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে অন্তর ইছলাহ করে, তাযকিয়ায়ে নফছ ক্বলব হাছিল করা। অন্তরের ইছলাহ ব্যতীত হাক্বীক্বী রেযামন্দি, সন্তুষ্টি পাওয়া সম্ভব নয়। যা কিছু করবে রসম-রেওয়াজ হবে। বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত আছে,



অশুভ বা কুলক্ষণ বিশ্বাস করা কুফরী


ফক্বীহুল উম্মত হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার থেকে বর্ণনা করেন। মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,



‘পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ’ পালন করা- হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের খাছ সুন্নত উনার অন্তর্ভুক্ত।


মহান আল্লাহ পাক উনার মা’রিফাত-মুহব্বতে দগ্ধীভূত ব্যক্তি তথা মুসলমানগণ উনারা যে দিনটিকে মা’রিফাত-মুহব্বত লাভের উসীলা সাব্যস্ত করে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের অনুসরণে যুগ যুগ ধরে পালন করে আসছেন সেই মুবারক দিনটি ‘পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ’ হিসেবে মশহুর।



পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ উনার বরকতময় ইতিহাস


সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, রহমতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ১১ হিজরী সনের পবিত্র মুহররম শরীফ মাসে তৃতীয় সপ্তাহে মারীদ্বী শান মুবারক প্রকাশ করেন। এরপর ছিহহাতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। অতঃপর পবিত্র ছফর



‘নাসী’ করা তথা মাস ও তারিখকে আগে-পিছে করা কুফরী


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই নাসী (তথা মাস, দিন বা সময়কে আগে-পিছে) করা কুফরী বৃদ্ধি করে।” অর্থাৎ এক কুফরী আরো শত কুফরীকে, এক হারাম আরো শত হারামকে ডেকে আনে। তেমনি পবিত্র ছফর শরীফ মাস উনার ব্যাপারে আক্বীদা অশুদ্ধির



সম্মানিত শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে ছোঁয়াচে রোগ বলতে কিছু নেই


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আমি তোমাদেরকে পরীক্ষা করবো কিছু বিষয় দ্বারা। সেগুলো হচ্ছে: ভয়-ভীতি, ক্ষুধা দ্বারা এবং মাল, জীবন ও খাদ্যশস্যের ক্ষতি দ্বারা। তবে ধৈর্যশীলদের জন্য সুসংবাদ রয়েছে।” অত্র পবিত্র আয়াত শরীফ উনার তাফসীরে বলা হয়েছে যে, রোগ



সুমহান সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ সম্পর্কে জাতীয় পতাকা বিধিমালা- ১৯৭২ কি বলে?


জাতীয় পতাকা বিধিমালা, ১৯৭২-এর একটি অংশে বর্ণিত, নিম্নলিখিত দিবস এবং উপলক্ষসমূহে বাংলাদেশের সমস্ত সরকারি, বেসরকারি ভবন এবং বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশের কূটনৈতিক মিশনসমূহের প্রাঙ্গণে এবং কনস্যুলার কেন্দ্রসমূহে নিম্নবর্ণিতভাবে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করতে হবে: ক) মহানবীর বিলাদত শরীফ দিবস (ঈদ-ই-মীলাদে হাবীবী) খ) ২৬