গোলামে মাদানী আক্বা -blog


...


 


কুল-কায়িনাতের সর্বশ্রেষ্ঠ ঈদ পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনাকে মানুষ ভুলে গেলো কী করে?


আমরা ছোটবেলায় দেখেছি অনেক উৎসাহ-উদ্দীপনার সাথে মুসলমানগণ উনাদের শ্রেষ্ঠ ঈদ, পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অর্থাৎ পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালিত হতো। স্কুল, কলেজে পবিত্র মীলাদ মাহফিলের জন্য বার্ষিক হাদিয়া নেয়া হতো এবং অনেক উৎসবমুখর পরিবেশে দিনটি পালন



পবিত্র ছফর শরীফ মাস সব সরকার প্রধানদের ইতিহাস থেকে নছীহত গ্রহণের মাস


পবিত্র ছফর শরীফ মাসটি শুরু হয়েছে। সরকার প্রধানগণ এ সম্মানিত মাস থেকে কতটুকু শিক্ষা গ্রহণ করার প্রস্তুতি নিয়েছেন- তা বুঝা যাচ্ছে না। বিধায় কিছু লিখতে বাধ্য হলাম। বাদশাহ আকবরের পরিচয় জানেন না এমন কোনো সরকার আছেন কিনা তা আমার জানা নেই।



মুজাদ্দিদে যামান হযরত ইমাম সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ পবিত্র ছফর শরীফ


  ‘আবু দাঊদ শরীফ’ ও ‘মিশকাত শরীফ’ উনাদের মধ্যে বর্ণিত আছে। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ তায়ালা তিনি আমার উম্মতের জন্য প্রতি হিজরী শতকের



পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম: সবচাইতে মহান, বড় ও সম্মানিত এই দিনের জন্য আপনি কি প্রস্তুত?


সেই ছোটবেলা থেকেই একটি বাক্য প্রায়ই পড়তে হতো- ‘সময় এবং স্রোত কারো জন্য অপেক্ষা করে না।’ তাইতো বিশ্বের সকল মানুষের মতো আমি, আপনি আমরা সকলেই অনেক ব্যস্ত। আমাদের নিজেদের জীবনকে শাইন করার জন্য, নিজের পরিবারের জন্য, সন্তানের জন্যই মূলত আমাদের এত



পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন না করলে জবাবদিহি করতে হবে


মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ উপলক্ষে খুশি প্রকাশ ও যথাসাধ্য খিদমত করার মাধ্যমেই নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করতে হবে। আর যদি কেউ পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীব ছল্লাল্লাহু



সাংবিধানিকভাবে সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালনে সবচেয়ে বেশি দায়িত্ব কার?


সংবিধানই প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন। এর পরিপন্থী যেকোনো বিধানের অধীন। তাহলে দেখা যাচ্ছে, বাংলাদেশ সরকার একটি সাংবিধানিক সরকার। তাই তার সংবিধান মেনে চলা দরকার। এর অন্যথা কোনোভাবেই সরকার করতে পারে না। আর এই সংবিধানের ২(ক) ধারায় বর্ণিত আছে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্র দ্বীন



সম্মানিত ছফর মাস উনাকে অশুভ বা কুলক্ষণে মনে করা কুফরী


আইয়ামে জাহিলিয়াত বা অন্ধকার যুগে সম্মানিত ছফর মাস উনাকে অশুভ বা কুলক্ষণে মনে করা হতো। অদ্যাবধি কিছু মানুষের মাঝে এই বদধারণার প্রচলন আছে। অথচ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তাদের এই ভ্রান্ত ধারণা, আক্বীদা বিশ্বাসের মূলোৎপাটন



ছোঁয়াচে রোগ এবং চিকিৎসা বিজ্ঞানের অজ্ঞতা ও কিছু প্রশ্ন-৬


যার ইনফ্লুয়েঞ্জা, টিবি, বসন্ত, খোস-পাচড়া হয়েছে সে যদি পরিচিতদের মধ্যে আক্রান্ত হয়, তাহলে হয়তো তার কাছের লোকজন উক্ত ব্যক্তি হতে দূরে থাকলো কিংবা জিনিস ধরলো না। কিন্তু যে অপরিচিত তার তো জানার কথা না কে রোগাক্রান্ত? কার ছোঁয়াচে রোগ হয়েছে? উক্ত



ছোঁয়াচে রোগ এবং চিকিৎসা বিজ্ঞানের অজ্ঞতা ও কিছু প্রশ্ন-৫


আজ বাংলাদেশের পোল্ট্রি শিল্প ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। আর মালউন নিয়ন্ত্রিত ভারত এদেশের পোল্ট্রি শিল্প দখলের পথে। মূলত, বার্ড ফ্লু বা ইনফ্লুয়েঞ্জাকে ছোঁয়াচে বলে প্রচার করে এদেশের মানুষের সরলতার সুযোগ নিয়ে আমিষের অন্যতম উপাদান গোশত সরবরাহে ব্যাঘাত ঘটায়। অথচ এদেশের পোল্ট্রি শিল্পে তেমন



১৩ বছরের শিশু মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি পেলে ১৮ বছরের কমবয়সের কিশোর কেন বিবাহের স্বীক্বীতি পাবে না?


মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞা ও বয়স নির্ধারণ করে গত ৮ নভেম্বর (২০১৬ঈসায়ী ) প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে নতুনভাবে অন্তর্ভূক্তির ক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধার বয়স ২৬-০৩-১৯৭১ তারিখে ন্যূনতম ১৩ বছর হতে হবে। ১৯৭১ সালে ১৩ বছর বয়সী শিশুরা যারা



ছোঁয়াচে রোগ এবং চিকিৎসা বিজ্ঞানের অজ্ঞতা ও কিছু প্রশ্ন-৪


কথিত চিকিৎসা বিদ্যায় যে রোগ বাতাসের মাধ্যমে ছড়ানোর কথা বলা হয় বা ছোঁয়াচে বলা হয় সে রোগটি সম্পর্কে আমরা সকলে অবগত; তাহলো- ইনফ্লুয়েঞ্জা। এই ইনফ্লুয়েঞ্জার অনেকগুলো সাবটাইপ আছে। যার মধ্যে আমরা ঐ৫ঘ১ সম্পর্কে অবগত; যা বার্ড ফ্লু নামে সমধিক পরিচিত। যার



সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করা কুল কায়িনাতের সর্বশ্রেষ্ঠ ইবাদত (৬)


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, يَااَيُّهَا النَّاسُ قَدْ جَاءَتْكُمْ مَوْعِظَةٌ مّـِنْ رَّبّـِكُمْ وَشِفَاء لّـِمَا فِى الصُّدُوْرِ وَهُدًى وَّرَحْمَةٌ لّـِلْمُؤْمِنِيْنَ. قُلْ بِفَضْلِ اللهِ وَبِرَحْمَتِهٖ فَبِذٰلِكَ فَلْيَفْرَحُوْا هُوَ خَيْرٌ مّـِمَّا يَـجْمَعُوْنَ. অর্থ: “হে মানুষেরা! হে সমস্ত জিন-ইনসান, কায়িনাতবাসী!