গোলামে মাদানী আক্বা -blog


...


 


অশুভ বা কুলক্ষণ বিশ্বাস করা কুফরী


ফক্বীহুল উম্মত হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার থেকে বর্ণনা করেন। মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,



‘পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ’ পালন করা- হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের খাছ সুন্নত উনার অন্তর্ভুক্ত।


মহান আল্লাহ পাক উনার মা’রিফাত-মুহব্বতে দগ্ধীভূত ব্যক্তি তথা মুসলমানগণ উনারা যে দিনটিকে মা’রিফাত-মুহব্বত লাভের উসীলা সাব্যস্ত করে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের অনুসরণে যুগ যুগ ধরে পালন করে আসছেন সেই মুবারক দিনটি ‘পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ’ হিসেবে মশহুর।



পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ উনার বরকতময় ইতিহাস


সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, রহমতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ১১ হিজরী সনের পবিত্র মুহররম শরীফ মাসে তৃতীয় সপ্তাহে মারীদ্বী শান মুবারক প্রকাশ করেন। এরপর ছিহহাতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। অতঃপর পবিত্র ছফর



‘নাসী’ করা তথা মাস ও তারিখকে আগে-পিছে করা কুফরী


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই নাসী (তথা মাস, দিন বা সময়কে আগে-পিছে) করা কুফরী বৃদ্ধি করে।” অর্থাৎ এক কুফরী আরো শত কুফরীকে, এক হারাম আরো শত হারামকে ডেকে আনে। তেমনি পবিত্র ছফর শরীফ মাস উনার ব্যাপারে আক্বীদা অশুদ্ধির



সম্মানিত শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে ছোঁয়াচে রোগ বলতে কিছু নেই


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আমি তোমাদেরকে পরীক্ষা করবো কিছু বিষয় দ্বারা। সেগুলো হচ্ছে: ভয়-ভীতি, ক্ষুধা দ্বারা এবং মাল, জীবন ও খাদ্যশস্যের ক্ষতি দ্বারা। তবে ধৈর্যশীলদের জন্য সুসংবাদ রয়েছে।” অত্র পবিত্র আয়াত শরীফ উনার তাফসীরে বলা হয়েছে যে, রোগ



সুমহান সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ সম্পর্কে জাতীয় পতাকা বিধিমালা- ১৯৭২ কি বলে?


জাতীয় পতাকা বিধিমালা, ১৯৭২-এর একটি অংশে বর্ণিত, নিম্নলিখিত দিবস এবং উপলক্ষসমূহে বাংলাদেশের সমস্ত সরকারি, বেসরকারি ভবন এবং বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশের কূটনৈতিক মিশনসমূহের প্রাঙ্গণে এবং কনস্যুলার কেন্দ্রসমূহে নিম্নবর্ণিতভাবে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করতে হবে: ক) মহানবীর বিলাদত শরীফ দিবস (ঈদ-ই-মীলাদে হাবীবী) খ) ২৬



কুল-কায়িনাতের সর্বশ্রেষ্ঠ ঈদ পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনাকে মানুষ ভুলে গেলো কী করে?


আমরা ছোটবেলায় দেখেছি অনেক উৎসাহ-উদ্দীপনার সাথে মুসলমানগণ উনাদের শ্রেষ্ঠ ঈদ, পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অর্থাৎ পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালিত হতো। স্কুল, কলেজে পবিত্র মীলাদ মাহফিলের জন্য বার্ষিক হাদিয়া নেয়া হতো এবং অনেক উৎসবমুখর পরিবেশে দিনটি পালন



পবিত্র ছফর শরীফ মাস সব সরকার প্রধানদের ইতিহাস থেকে নছীহত গ্রহণের মাস


পবিত্র ছফর শরীফ মাসটি শুরু হয়েছে। সরকার প্রধানগণ এ সম্মানিত মাস থেকে কতটুকু শিক্ষা গ্রহণ করার প্রস্তুতি নিয়েছেন- তা বুঝা যাচ্ছে না। বিধায় কিছু লিখতে বাধ্য হলাম। বাদশাহ আকবরের পরিচয় জানেন না এমন কোনো সরকার আছেন কিনা তা আমার জানা নেই।



মুজাদ্দিদে যামান হযরত ইমাম সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ পবিত্র ছফর শরীফ


  ‘আবু দাঊদ শরীফ’ ও ‘মিশকাত শরীফ’ উনাদের মধ্যে বর্ণিত আছে। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ তায়ালা তিনি আমার উম্মতের জন্য প্রতি হিজরী শতকের



পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম: সবচাইতে মহান, বড় ও সম্মানিত এই দিনের জন্য আপনি কি প্রস্তুত?


সেই ছোটবেলা থেকেই একটি বাক্য প্রায়ই পড়তে হতো- ‘সময় এবং স্রোত কারো জন্য অপেক্ষা করে না।’ তাইতো বিশ্বের সকল মানুষের মতো আমি, আপনি আমরা সকলেই অনেক ব্যস্ত। আমাদের নিজেদের জীবনকে শাইন করার জন্য, নিজের পরিবারের জন্য, সন্তানের জন্যই মূলত আমাদের এত



পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন না করলে জবাবদিহি করতে হবে


মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ উপলক্ষে খুশি প্রকাশ ও যথাসাধ্য খিদমত করার মাধ্যমেই নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করতে হবে। আর যদি কেউ পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীব ছল্লাল্লাহু



সাংবিধানিকভাবে সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালনে সবচেয়ে বেশি দায়িত্ব কার?


সংবিধানই প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন। এর পরিপন্থী যেকোনো বিধানের অধীন। তাহলে দেখা যাচ্ছে, বাংলাদেশ সরকার একটি সাংবিধানিক সরকার। তাই তার সংবিধান মেনে চলা দরকার। এর অন্যথা কোনোভাবেই সরকার করতে পারে না। আর এই সংবিধানের ২(ক) ধারায় বর্ণিত আছে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্র দ্বীন