গোলামে মাদানী আক্বা -blog


...


 


সম্মানিত ছফর মাস উনাকে অশুভ বা কুলক্ষণে মনে করা কুফরী


আইয়ামে জাহিলিয়াত বা অন্ধকার যুগে সম্মানিত ছফর মাস উনাকে অশুভ বা কুলক্ষণে মনে করা হতো। অদ্যাবধি কিছু মানুষের মাঝে এই বদধারণার প্রচলন আছে। অথচ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তাদের এই ভ্রান্ত ধারণা, আক্বীদা বিশ্বাসের মূলোৎপাটন



ছোঁয়াচে রোগ এবং চিকিৎসা বিজ্ঞানের অজ্ঞতা ও কিছু প্রশ্ন-৬


যার ইনফ্লুয়েঞ্জা, টিবি, বসন্ত, খোস-পাচড়া হয়েছে সে যদি পরিচিতদের মধ্যে আক্রান্ত হয়, তাহলে হয়তো তার কাছের লোকজন উক্ত ব্যক্তি হতে দূরে থাকলো কিংবা জিনিস ধরলো না। কিন্তু যে অপরিচিত তার তো জানার কথা না কে রোগাক্রান্ত? কার ছোঁয়াচে রোগ হয়েছে? উক্ত



ছোঁয়াচে রোগ এবং চিকিৎসা বিজ্ঞানের অজ্ঞতা ও কিছু প্রশ্ন-৫


আজ বাংলাদেশের পোল্ট্রি শিল্প ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। আর মালউন নিয়ন্ত্রিত ভারত এদেশের পোল্ট্রি শিল্প দখলের পথে। মূলত, বার্ড ফ্লু বা ইনফ্লুয়েঞ্জাকে ছোঁয়াচে বলে প্রচার করে এদেশের মানুষের সরলতার সুযোগ নিয়ে আমিষের অন্যতম উপাদান গোশত সরবরাহে ব্যাঘাত ঘটায়। অথচ এদেশের পোল্ট্রি শিল্পে তেমন



১৩ বছরের শিশু মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি পেলে ১৮ বছরের কমবয়সের কিশোর কেন বিবাহের স্বীক্বীতি পাবে না?


মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞা ও বয়স নির্ধারণ করে গত ৮ নভেম্বর (২০১৬ঈসায়ী ) প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে নতুনভাবে অন্তর্ভূক্তির ক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধার বয়স ২৬-০৩-১৯৭১ তারিখে ন্যূনতম ১৩ বছর হতে হবে। ১৯৭১ সালে ১৩ বছর বয়সী শিশুরা যারা



ছোঁয়াচে রোগ এবং চিকিৎসা বিজ্ঞানের অজ্ঞতা ও কিছু প্রশ্ন-৪


কথিত চিকিৎসা বিদ্যায় যে রোগ বাতাসের মাধ্যমে ছড়ানোর কথা বলা হয় বা ছোঁয়াচে বলা হয় সে রোগটি সম্পর্কে আমরা সকলে অবগত; তাহলো- ইনফ্লুয়েঞ্জা। এই ইনফ্লুয়েঞ্জার অনেকগুলো সাবটাইপ আছে। যার মধ্যে আমরা ঐ৫ঘ১ সম্পর্কে অবগত; যা বার্ড ফ্লু নামে সমধিক পরিচিত। যার



সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করা কুল কায়িনাতের সর্বশ্রেষ্ঠ ইবাদত (৬)


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, يَااَيُّهَا النَّاسُ قَدْ جَاءَتْكُمْ مَوْعِظَةٌ مّـِنْ رَّبّـِكُمْ وَشِفَاء لّـِمَا فِى الصُّدُوْرِ وَهُدًى وَّرَحْمَةٌ لّـِلْمُؤْمِنِيْنَ. قُلْ بِفَضْلِ اللهِ وَبِرَحْمَتِهٖ فَبِذٰلِكَ فَلْيَفْرَحُوْا هُوَ خَيْرٌ مّـِمَّا يَـجْمَعُوْنَ. অর্থ: “হে মানুষেরা! হে সমস্ত জিন-ইনসান, কায়িনাতবাসী!



“সর্বোচ্চ নেক আমল হচ্ছেন পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করা”


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই যাঁরা ঈমান এনেছেন এবং আমলে ছলেহ অর্থাৎ নেক আমল করেছেন উনাদের জন্য সম্মানিত জান্নাতুল ফিরদাউস উনার মধ্যে মেহমানদারীর ব্যবস্থা রয়েছে।” (পবিত্র সূরা কাহফ শরীফ :



৯৮ ভাগ মুসলমানের পাঠ্যপুস্ত ইসলামী শিক্ষার বিপরীতে নাস্তিক্যবাদের শিক্ষায় পরিপূর্ণ!


বাংলাদেশ বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মুসলিম দেশ। কারণ এদেশের মোট জনগোষ্ঠীর ৯৮ ভাগ মুসলমান। এছাড়া আমাদের রাষ্ট্রধর্মও ইসলাম। আমাদের সংবিধানে ধর্ম হিসেবে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনাকে এবং সম্প্রদায় হিসেবে মুসলিম সম্প্রদায়কে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে। যেহেতু বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক দেশ এবং গণতন্ত্রে অধিকাংশ জনগোষ্ঠীর



পবিত্র দ্বীন ইসলাম নিয়ে কটূক্তির জবাব দেয়া ঈমানের দাবি


‘ইসলাম’ শান্তির দ্বীন। সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার অনুসরণে মুসলমান-ঈমানদারগণ শান্তিতে থাকেন ও শান্তিতে থাকতে চাইবেন এটাই স্বাভাবিক। পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার অন্যতম উছুল হলো- ফিতনা-ফাসাদ হলো- খুন বা হত্যার চেয়েও বেশি ঘৃণিত ও ভয়ঙ্কর। মুসলমান-ঈমানদারদের এই শান্তিপ্রিয়তা ও শান্তভাবকে অমুসলিম-বিধর্মীরা সুযোগ



এই শিক্ষানীতি মুসলমানদের হতে পারে না!!


  পাঠ্যবইগুলোতে পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী অর্থাৎ ঈদে মীলাদে হাবীবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্পর্কে আলোচনা নেই কেন? আমাদের এই দেশের বইগুলোতে খিস্টানদের ক্রিসমাস ডে’র কথা আছে, হিন্দু-মুশরিকদের পহেলা বৈশাখের কথা আছে, পূজার কথা আছে, বৌদ্ধদের পালিত দিবসের আলোচনা আছে।



মহান আল্লাহ পাক উনার গণনায় ছফর শরীফ মাস পবিত্র


  মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট আসমান-যমীনের সৃষ্টির শুরু থেকে গণনা হিসেবে মাসের সংখ্যা ১২টি। তন্মধ্যে ৪টি হচ্ছে হারাম বা পবিত্র মাস। এটা সুপ্রতিষ্ঠিত বিধান। সুতরাং তোমরা এ মাসগুলোতে নিজেদের প্রতি



কে সন্ত্রাসী? মুসলমান নাকি কাফিররা??


আজকাল নাস্তিকরা খুব ভাব ধরে, দাবি করে- তারা খুব নিরীহ, কখনোই কারো কোনো ক্ষতি করেনি। মুসলমানরা নাকি খারাপ, মুসলমানরা নাকি সন্ত্রাসী। নাউযুবিল্লাহ! অথচ ইতিহাস কিন্তু বলে ভিন্ন কথা। ইতিহাস বলে, নাস্তিকরা যখনই কোনো দেশের ক্ষমতায় গেছে, কিংবা আক্রমণের সুযোগ পেয়েছে, তারা