গোলামে মাদানী আক্বা -blog


...


 


এই শিক্ষানীতি মুসলমানদের হতে পারে না!!


  পাঠ্যবইগুলোতে পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী অর্থাৎ ঈদে মীলাদে হাবীবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্পর্কে আলোচনা নেই কেন? আমাদের এই দেশের বইগুলোতে খিস্টানদের ক্রিসমাস ডে’র কথা আছে, হিন্দু-মুশরিকদের পহেলা বৈশাখের কথা আছে, পূজার কথা আছে, বৌদ্ধদের পালিত দিবসের আলোচনা আছে।



মহান আল্লাহ পাক উনার গণনায় ছফর শরীফ মাস পবিত্র


  মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট আসমান-যমীনের সৃষ্টির শুরু থেকে গণনা হিসেবে মাসের সংখ্যা ১২টি। তন্মধ্যে ৪টি হচ্ছে হারাম বা পবিত্র মাস। এটা সুপ্রতিষ্ঠিত বিধান। সুতরাং তোমরা এ মাসগুলোতে নিজেদের প্রতি



কে সন্ত্রাসী? মুসলমান নাকি কাফিররা??


আজকাল নাস্তিকরা খুব ভাব ধরে, দাবি করে- তারা খুব নিরীহ, কখনোই কারো কোনো ক্ষতি করেনি। মুসলমানরা নাকি খারাপ, মুসলমানরা নাকি সন্ত্রাসী। নাউযুবিল্লাহ! অথচ ইতিহাস কিন্তু বলে ভিন্ন কথা। ইতিহাস বলে, নাস্তিকরা যখনই কোনো দেশের ক্ষমতায় গেছে, কিংবা আক্রমণের সুযোগ পেয়েছে, তারা



ছোঁয়াচে রোগ বলতে কিছু নেই


দুনিয়া হচ্ছে পরীক্ষার স্থল, মহান আল্লাহ পাক তিনি জিন ও ইনসানকে দুনিয়াতে পাঠিয়ে বিভিন্নভাবে পরীক্ষা করে থাকেন। তন্মধ্যে মানুষকে রোগ-শোক দিয়েও মহান আল্লাহ পাক তিনি পরীক্ষা করে থাকেন। কিন্তু এ ক্ষেত্রে দেখা যায়, কোনো রোগ যদি একজনের হয়ে থাকে এবং তার



সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ না’ত-ই রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পাঠ দ্বারা সমস্ত অনুষ্ঠান শুরু করতে হবে


বাংলাদেশ মুসলমানের দেশ। এদেশের শতকরা ৯৮ ভাগ মানুষ মুসলমান। আর মুসলমানের দ্বীন হচ্ছে পবিত্র ‘ইসলাম’। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আমাকে প্রেরণ করা হয়েছে মূর্তি



পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালিত হয় সারা বিশ্বে, পালন করে না শুধু বিভ্রান্ত ওহাবী, সালাফি, লা’মাযহাবী গং


আখিরী নবী নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রকৃত উম্মত যারা, উনারা প্রিয় নবীজী উনার প্রতি মুহব্বত প্রকাশে কোনো বাধা মানেন না, কোনো দেশ পরোয়া করেন না। হোক কাফির রাষ্ট্র, হোক ওয়াহাবীপন্থী রাষ্ট্র, নাস্তিক্যবাদী চীন-রাশিয়াই হোক না



আসন্ন পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার সম্মানার্থে- নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তাসহ সার্বিক সাহায্য সহযোগিতা করা সরকারের জন্য ফরয


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- “আমার আগমন মূর্তি ও বাজনা ধ্বংস করার জন্য।” অন্য পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- “গান-বাজনা মনের মধ্যে নেফাকী পয়দা করে।” সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার মধ্যে গান-বাজনা হারাম ও নিষিদ্ধ ঘোষণা



তিনিই মুজাদ্দিদে আ’যম! সাইয়্যিদুল আইয়াদ শরীফ উনার ফিকিরেই উপলব্ধি!


জ্ঞানসম্পন্ন ব্যক্তিদেরকে এটা বুঝিয়ে দেয়ার প্রয়োজন নেই যে, কোনো একটি শব্দের অর্থ ব্যক্তি বিশেষে ভিন্নতা বাঞ্ছনীয়। যেমন বাঘ শক্তিশালী, অমুক ব্যক্তি শক্তিশালী আবার মহান আল্লাহ পাক তিনি শক্তিশালী। মুজাদ্দিদ শব্দটির বহুল প্রচলিত অর্থ হচ্ছে সংস্কারক। সংস্কারক বলতে সাধারন মানুষ উপলব্ধি করে



কুল-কায়িনাতের সর্বশ্রেষ্ঠ ঈদ পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উপলক্ষে গরিব ও ছিন্নমূল মানুষদেরকে খাদ্য ও বস্ত্র বিতরণের ব্যবস্থা করা হোক


পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অর্থাৎ পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ সমস্ত ঈদের সেরা ঈদ। এই দিনে স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি দুনিয়ার যমীনে তাশরীফ মুবারক আনেন। তাই



ছোঁয়াচে রোগ এবং চিকিৎসা বিজ্ঞানের অজ্ঞতা ও কিছু প্রশ্ন-৩


চিকিৎসা বিজ্ঞানে ছোঁয়াচে রোগ সম্পর্কে যা বলা হয়েছে, তা বিভ্রান্তিকর ও মনগড়া। চিকিৎসা বিজ্ঞানে ছোঁয়াচে রোগের যে সমস্ত রোগ রয়েছে তার ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ অনেক। আমি বুঝার জন্য যৎসামান্য কিছু আলোচনা করার এবং তাদের ভ্রান্ত মতবাদের যুক্তি খ-ন করার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ।



সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করা কুল কায়িনাতের সর্বশ্রেষ্ঠ ইবাদত (৫)


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, يَااَيُّهَا النَّاسُ قَدْ جَاءَتْكُمْ مَوْعِظَةٌ مّـِنْ رَّبّـِكُمْ وَشِفَاء لّـِمَا فِى الصُّدُوْرِ وَهُدًى وَّرَحْمَةٌ لّـِلْمُؤْمِنِيْنَ. قُلْ بِفَضْلِ اللهِ وَبِرَحْمَتِهٖ فَبِذٰلِكَ فَلْيَفْرَحُوْا هُوَ خَيْرٌ مّـِمَّا يَـجْمَعُوْنَ. অর্থ: “হে মানুষেরা! হে সমস্ত জিন-ইনসান, কায়িনাতবাসী!



পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করা কুল-কায়িনাতের সর্বশ্রেষ্ঠ ইবাদত (৪)


  খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, يَااَيُّهَا النَّاسُ قَدْ جَاءَتْكُمْ مَوْعِظَةٌ مّـِنْ رَّبّـِكُمْ وَشِفَاء لّـِمَا فِى الصُّدُوْرِ وَهُدًى وَّرَحْمَةٌ لّـِلْمُؤْمِنِيْنَ. قُلْ بِفَضْلِ اللهِ وَبِرَحْمَتِهٖ فَبِذٰلِكَ فَلْيَفْرَحُوْا هُوَ خَيْرٌ مّـِمَّا يَـجْمَعُوْنَ. অর্থ: “হে মানুষেরা! হে সমস্ত জিন-ইনসান,