গোলামে মাদানী আক্বা -blog


...


 


ছোঁয়াচে রোগ এবং চিকিৎসা বিজ্ঞানের অজ্ঞতা ও কিছু প্রশ্ন-৩


চিকিৎসা বিজ্ঞানে ছোঁয়াচে রোগ সম্পর্কে যা বলা হয়েছে, তা বিভ্রান্তিকর ও মনগড়া। চিকিৎসা বিজ্ঞানে ছোঁয়াচে রোগের যে সমস্ত রোগ রয়েছে তার ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ অনেক। আমি বুঝার জন্য যৎসামান্য কিছু আলোচনা করার এবং তাদের ভ্রান্ত মতবাদের যুক্তি খ-ন করার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ।



সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করা কুল কায়িনাতের সর্বশ্রেষ্ঠ ইবাদত (৫)


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, يَااَيُّهَا النَّاسُ قَدْ جَاءَتْكُمْ مَوْعِظَةٌ مّـِنْ رَّبّـِكُمْ وَشِفَاء لّـِمَا فِى الصُّدُوْرِ وَهُدًى وَّرَحْمَةٌ لّـِلْمُؤْمِنِيْنَ. قُلْ بِفَضْلِ اللهِ وَبِرَحْمَتِهٖ فَبِذٰلِكَ فَلْيَفْرَحُوْا هُوَ خَيْرٌ مّـِمَّا يَـجْمَعُوْنَ. অর্থ: “হে মানুষেরা! হে সমস্ত জিন-ইনসান, কায়িনাতবাসী!



পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করা কুল-কায়িনাতের সর্বশ্রেষ্ঠ ইবাদত (৪)


  খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, يَااَيُّهَا النَّاسُ قَدْ جَاءَتْكُمْ مَوْعِظَةٌ مّـِنْ رَّبّـِكُمْ وَشِفَاء لّـِمَا فِى الصُّدُوْرِ وَهُدًى وَّرَحْمَةٌ لّـِلْمُؤْمِنِيْنَ. قُلْ بِفَضْلِ اللهِ وَبِرَحْمَتِهٖ فَبِذٰلِكَ فَلْيَفْرَحُوْا هُوَ خَيْرٌ مّـِمَّا يَـجْمَعُوْنَ. অর্থ: “হে মানুষেরা! হে সমস্ত জিন-ইনসান,



সবচেয়ে অবাক বিষয় হচ্ছে- সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে পেয়ে


বাংলাদেশে দেখা গেছে- কাফির, মুশরিকদের নিয়ে নানা ধরনের অনুষ্ঠান করতে, এর মধ্যে বছরব্যাপী অনুষ্ঠানও হয়েছে। শুধু নির্দিষ্ট কাফির, মুশরিক, ইহুদী, নাছারা, হিন্দু, বৌদ্ধ নয়, বিভিন্ন কবি, সাহিত্যিক, সাংবাদিক তাদের নিয়েও বিভিন্ন অনুষ্ঠান হয়ে থাকে। লক্ষ্য করা গেছে, জীবিত অনেক লেখক, সাংবাদিক,



সুমহান সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালনই সর্বশ্রেষ্ঠ আমল


يايها الناس قد جاءتكم موعظة من ربكم وشفاء لـما فى الصدور وهدى ورحمة للمؤمنين. قل بفضل الله وبرحمته فبذالك فليفرحوا هو خير مـما يجمعون. তরজমা: হে মানুষেরা! তোমাদের রব তায়ালা উনার তরফ থেকে তোমাদের নিকট এসেছেন নছীহতকারী, অন্তরের আরোগ্য দানকারী, হিদায়েত



সুন্দর পৃথিবী বানাতে মানুষ অপারগ, সৃষ্টিগতভাবে সে অশান্ত


বুদ্ধিমত্তার বিচারে মানুষ পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ প্রাণী। পৃথিবীর প্রতি প্রান্তে আজ মারামারি, হানাহানি যুদ্ধবিগ্রহ ইত্যাদি। এককথায় অশান্ত এই পৃথিবী। কেন পৃথিবীর এই বুদ্ধিমান প্রাণীগুলো পারছে না শান্তিতে বসবাস করতে। যুদ্ধ যেন মানুষের পুরনো পেশায় পরিণত হয়েছে। পৃথিবীটাকে অশান্ত বানিয়ে কেউই কিন্তু লাভবান



খেলাধুলা হলো ধোঁকা দিয়ে জনগণের মন মানসিকতা ঘুরিয়ে দেয়ার একটি মাধ্যম।


  সরকার শত শত একর জায়গা নিয়ে হাজার কোটি টাকা খরচ করে খেলার স্টেডিয়াম তৈরি করছে, খেলাধুলার আয়োজন করছে। এখন এতে সরকারের কোনো লাভই যদি না হয়, তাহলে সরকার হাজার কোটি টাকা কেনইবা খরচ করবে। হ্যাঁ, সরকার যখনই জন অসন্তোষ বা



বাংলাদেশ কি মুসলিম প্রধান দেশ নয়?


বাংলাদেশ ৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত দেশ। আর সরকার হচ্ছে মুসলমান। যদি তাই হয়, তাহলে সম্প্রতি ফ্রান্সে শার্লি হেবডো পত্রিকাসহ আরো অনেক। পত্র-পত্রিকায়, বইপুস্তুকে এছাড়া আরো নানাভাবে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক শান উনার খিলাফ চুঁচেরাও



ক্বিবলা নির্ধারণের অধিকতর নির্ভুল পদ্ধতি


  ক্বিবলা নির্ধারণের মসজিদ ওরিয়েন্টিং কম্পাস অসমীচীন। সুর্যের গতিবিধি ও অবস্থান ভিত্তিক নিম্নের পদ্ধতি অণুসরণ অধিক নির্ভরশীল। শত শত বছর পর্যবেক্ষণ করে মুসলমান কতৃক অনেক কিতাবাদিতে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে যে, বছরে দু’বার সূর্য পবিত্র কা’বা শরীফ উনার উপরে অবস্থান করে। এটি



যেসব পত্র-পত্রিকাগুলো পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার মুখালিফ সেগুলো বর্জন করুন


অপ্রয়োজনীয় ও অপ্রাসঙ্গিক কথাগুলো বেশি বেশি লেখালেখি করে থাকে এক শ্রেণীর পত্র-পত্রিকা। ইহুদী-নাছারা সর্বাবস্থায় এইসব পত্র-পত্রিকা মিডিয়ার মাধ্যমে চায় কি করে মুসলমানদের ক্ষতি করা যায়। বর্তমান কালের মুসলমানদের ঈমানী জযবা, ঈমানী কুওয়াত এতই কমে গেছে, যার ফলশ্রুতিতে মুসলমানরা এসবের দিকেই রুজু



মানুষ আশরাফুল মাখলুকাত হলো কেন? স্বর্ণ এত মূল্যবান কেন?


হযরত উম্মুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম এবং হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের এত শান-মান, মর্যাদা, ফযীলত মুবারক কেন? কারণ উনারা নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আহাল-ইয়াল উনাদের অন্তর্ভুক্ত। সুবহানাল্লাহ! হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম



হিজাবের নামে লোকপ্রদর্শনীর তামাশা বন্ধ করতে হবে


পর্দা করা সম্মানিত ইসলামী শরীয়তে নারী-পুরুষ সকলের জন্য ফরয। তবে কোনোা প্রয়োজনে অর্থাৎ জরুরতে যখন নারী বা মহিলারা রাস্তায় বের হবে, বাহিরে গমন করবে, যাতায়াত করবে তখন তাকে সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত মুতাবিক গোটা শরীর আবৃত করে বোরকা পরেই বাহিরে বের হতে