গোলামে মাদানী আক্বা -blog


...


 


বাংলাদেশের দেওবন্দী কওমী আলিম নামধারীদের গোমর কি অবশেষে ফাঁস হতে যাচ্ছে?


কওমী মাদরাসার সনদের স্বীকৃতি নিয়ে, বোর্ড গঠন নিয়ে নানা প্রকার টালবাহানা, চালবাজি, গ্রুপিং পাল্টা গ্রুপিংয়ের মধ্যেই ফাঁস হয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশের দেওবন্দী ঘরনার কওমী আলিম নামধারীদের গোমর। হাটহাজারী মাদরাসার মুফতে শফী তো বিবৃতি দিয়ে বলে দিয়েছে- যারা সরকারের সাথে আঁতাত করছে তারা



মহান আল্লাহ পাক উনার অনুগ্রহ (৪)


বয়স যাদের ৪৫-৫০ বা তার বেশি তারা তাদের ছোটবেলার কথা মনে করে দেখুন- ঘরে ঘরে মুন্সী মৌলভী ইমাম খতীব হুযূর ডেকে পবিত্র মীলাদ শরীফ মাহফিলের আয়োজন করা হতো। পিতা-মাতা, দাদা-দাদীদের স্মরণে; নতুন ধান, নতুন ফসল ঘরে তোলার সময়, চারা রোপনের সময়,



মহান আল্লাহ পাক উনার অনুগ্রহ (৩)


দুইজন লোক গাড়িতে বসে আলোচনা করছেন। বহুবিধ আলোচনা- অর্থনীতি, রাজনীতি কোনোটাই বাদ যায়নি। ট্রাফিক জ্যামে বসে চলছে এসব মতবিনিময়মূলক আলোচনা। কানে আসছিল তাদের কথাগুলো। কখনো শুনছিলাম, কখনো এড়িয়ে যাচ্ছিলাম। হঠাৎই একজনের কথা এসে তীব্রভাবে আমার কানে বিঁধলো। তিনি বলছেন, সেই ২০০৪



২৮শে ছফর শরীফ- হযরত ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘আমার সম্মানিত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মুহব্বত করো আমার সন্তুষ্টি মুবারক লাভের জন্য।’সুমহান বরকতময় ঐতিহাসিক ২৮শে পবিত্র ছফর শরীফ- হযরত ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি



মহান আল্লাহ পাক উনার অনুগ্রহ (২)


পুড়ছে নেভাদা। আমেরিকার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় এই স্টেটটাতে এ পর্যন্ত ৩৪০০ একর পুড়েছে। ২২টি বাড়ি পুড়ে ছাই হয়েছে। গত ১৪ অক্টোবর-২০১৬ ঈসায়ী জুমুয়াবার থেকে জ্বলছে। ৯০০ কর্মী অক্লান্ত পরিশ্রম করে গত ১৮ অক্টোবর-২০১৬ ঈসায়ী মঙ্গলবার পর্যন্ত আগুনের ৫৫ ভাগ নিয়ন্ত্রণে এনেছে বলে দাবি



সন্ত্রাসী ইহুদীদের অবৈধ রাষ্ট্র ইসরাইলের নিকৃষ্ট দালাল সউদী ওহাবী বাদশাহদের গোঁমর ফাঁস!


বহুদিন যাবৎ মুসলিম অধ্যুষিত ফিলিস্তিনে ধারাবাহিক গণহত্যা চালাচ্ছে সন্ত্রাসী ইহুদীদের অবৈধ রাষ্ট্র ইসরাইল। সর্বশেষ ২০১৪ সালের নভেম্বর মাস থেকে তারা আরো একধাপ এগিয়ে মুসলিম নিধন অভিযানে নামে। নৃশংস এই গণহত্যা সবার চোখের সামনে ঘটলেও, এর বিরুদ্ধে বলার মত যেন কেউ নেই!



রক্তের হক্ব আদায় করার জন্য জেগে উঠো


হযরত আব্দুল্লাহ বিন যুবায়ের রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি খ্রিস্টান শাসন কর্তৃক বন্দী হলেন। মুসলমান সৈন্য উনাদেরকে গরম তেলের ডেকচিতে ফেলে শহীদ করা হচ্ছে। উনাকে শর্ত দেয়া হল- যদি বশ্যতা স্বীকার করেন তাহলে শাসকের রাজার মেয়েকে বিয়ে দেয়া হবে- অর্ধেক রাজত্ব দেয়া



মহান আল্লাহ পাক উনার অনুগ্রহ (১)


  সারা বিশ্বের কাফির-বেদ্বীনগুলা একজোট হয়ে নিরীহ নিরস্ত্র সরলপ্রাণ মুসলমানদের প্রতি যুলুম করে যাচ্ছে। এমন কোনো দেশ নেই যেখানে মুসলমানরা শান্তিতে আছে। কাফির-বেদ্বীনগুলোয় মুসলমানদেরকে তাদের দেশ-ঘরবাড়ি থেকে উচ্ছেদ করে দেশান্তরিত করছে। কাফির-বেদ্বীনরা দেশান্তরিত মুসলমানদেরকে মানবেতর জীবনযাপনে বাধ্য করছে। ধনসম্পদের মালিকানা হরণ



পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করা কুল-কায়িনাতের সর্বশ্রেষ্ঠ ইবাদত (৩)


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, يَااَيُّهَا النَّاسُ قَدْ جَاءَتْكُمْ مَوْعِظَةٌ مّـِنْ رَّبّـِكُمْ وَشِفَاء لّـِمَا فِى الصُّدُوْرِ وَهُدًى وَّرَحْمَةٌ لّـِلْمُؤْمِنِيْنَ. قُلْ بِفَضْلِ اللهِ وَبِرَحْمَتِهٖ فَبِذٰلِكَ فَلْيَفْرَحُوْا هُوَ خَيْرٌ مّـِمَّا يَـجْمَعُوْنَ. অর্থ: “হে মানুষেরা! হে সমস্ত জিন-ইনসান, কায়িনাতবাসী!



ছোঁয়াচে রোগ এবং চিকিৎসা বিজ্ঞানের অজ্ঞতা ও কিছু প্রশ্ন-২


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন, আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “কোনো রোগই সংক্রামক নয়। পেঁচার মধ্যে কুলক্ষণের কিছুই নেই



ছোঁয়াচে রোগ এবং চিকিৎসা বিজ্ঞানের অজ্ঞতা ও কিছু প্রশ্ন-১


যিনি খালিক্ব যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “কাফির-মুশরিকরা হিংসাবশতঃ চায় কীভাবে মুসলমানের পবিত্র ঈমান আনার পর আবার কাফির বানানো যায়।” কাফির-মুশরিকদের ষড়যন্ত্রের আরেকটি সূক্ষ্ম ষড়যন্ত্র হলো ছোঁয়াচে রোগ বলে



সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করা কুল-কায়িনাতের সর্বশ্রেষ্ঠ ইবাদত (২)


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, يَااَيُّهَا النَّاسُ قَدْ جَاءَتْكُمْ مَوْعِظَةٌ مّـِنْ رَّبّـِكُمْ وَشِفَاء لّـِمَا فِى الصُّدُوْرِ وَهُدًى وَّرَحْمَةٌ لّـِلْمُؤْمِنِيْنَ. قُلْ بِفَضْلِ اللهِ وَبِرَحْمَتِهٖ فَبِذٰلِكَ فَلْيَفْرَحُوْا هُوَ خَيْرٌ مّـِمَّا يَـجْمَعُوْنَ. অর্থ: “হে মানুষেরা! হে সমস্ত জিন-ইনসান, কায়িনাতবাসী!