গোলামে মাদানী আক্বা -blog


...


 


খেলাধুলা হলো ধোঁকা দিয়ে জনগণের মন মানসিকতা ঘুরিয়ে দেয়ার একটি মাধ্যম।


  সরকার শত শত একর জায়গা নিয়ে হাজার কোটি টাকা খরচ করে খেলার স্টেডিয়াম তৈরি করছে, খেলাধুলার আয়োজন করছে। এখন এতে সরকারের কোনো লাভই যদি না হয়, তাহলে সরকার হাজার কোটি টাকা কেনইবা খরচ করবে। হ্যাঁ, সরকার যখনই জন অসন্তোষ বা



বাংলাদেশ কি মুসলিম প্রধান দেশ নয়?


বাংলাদেশ ৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত দেশ। আর সরকার হচ্ছে মুসলমান। যদি তাই হয়, তাহলে সম্প্রতি ফ্রান্সে শার্লি হেবডো পত্রিকাসহ আরো অনেক। পত্র-পত্রিকায়, বইপুস্তুকে এছাড়া আরো নানাভাবে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক শান উনার খিলাফ চুঁচেরাও



ক্বিবলা নির্ধারণের অধিকতর নির্ভুল পদ্ধতি


  ক্বিবলা নির্ধারণের মসজিদ ওরিয়েন্টিং কম্পাস অসমীচীন। সুর্যের গতিবিধি ও অবস্থান ভিত্তিক নিম্নের পদ্ধতি অণুসরণ অধিক নির্ভরশীল। শত শত বছর পর্যবেক্ষণ করে মুসলমান কতৃক অনেক কিতাবাদিতে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে যে, বছরে দু’বার সূর্য পবিত্র কা’বা শরীফ উনার উপরে অবস্থান করে। এটি



যেসব পত্র-পত্রিকাগুলো পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার মুখালিফ সেগুলো বর্জন করুন


অপ্রয়োজনীয় ও অপ্রাসঙ্গিক কথাগুলো বেশি বেশি লেখালেখি করে থাকে এক শ্রেণীর পত্র-পত্রিকা। ইহুদী-নাছারা সর্বাবস্থায় এইসব পত্র-পত্রিকা মিডিয়ার মাধ্যমে চায় কি করে মুসলমানদের ক্ষতি করা যায়। বর্তমান কালের মুসলমানদের ঈমানী জযবা, ঈমানী কুওয়াত এতই কমে গেছে, যার ফলশ্রুতিতে মুসলমানরা এসবের দিকেই রুজু



মানুষ আশরাফুল মাখলুকাত হলো কেন? স্বর্ণ এত মূল্যবান কেন?


হযরত উম্মুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম এবং হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের এত শান-মান, মর্যাদা, ফযীলত মুবারক কেন? কারণ উনারা নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আহাল-ইয়াল উনাদের অন্তর্ভুক্ত। সুবহানাল্লাহ! হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম



হিজাবের নামে লোকপ্রদর্শনীর তামাশা বন্ধ করতে হবে


পর্দা করা সম্মানিত ইসলামী শরীয়তে নারী-পুরুষ সকলের জন্য ফরয। তবে কোনোা প্রয়োজনে অর্থাৎ জরুরতে যখন নারী বা মহিলারা রাস্তায় বের হবে, বাহিরে গমন করবে, যাতায়াত করবে তখন তাকে সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত মুতাবিক গোটা শরীর আবৃত করে বোরকা পরেই বাহিরে বের হতে



বাংলাদেশের দেওবন্দী কওমী আলিম নামধারীদের গোমর কি অবশেষে ফাঁস হতে যাচ্ছে?


কওমী মাদরাসার সনদের স্বীকৃতি নিয়ে, বোর্ড গঠন নিয়ে নানা প্রকার টালবাহানা, চালবাজি, গ্রুপিং পাল্টা গ্রুপিংয়ের মধ্যেই ফাঁস হয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশের দেওবন্দী ঘরনার কওমী আলিম নামধারীদের গোমর। হাটহাজারী মাদরাসার মুফতে শফী তো বিবৃতি দিয়ে বলে দিয়েছে- যারা সরকারের সাথে আঁতাত করছে তারা



মহান আল্লাহ পাক উনার অনুগ্রহ (৪)


বয়স যাদের ৪৫-৫০ বা তার বেশি তারা তাদের ছোটবেলার কথা মনে করে দেখুন- ঘরে ঘরে মুন্সী মৌলভী ইমাম খতীব হুযূর ডেকে পবিত্র মীলাদ শরীফ মাহফিলের আয়োজন করা হতো। পিতা-মাতা, দাদা-দাদীদের স্মরণে; নতুন ধান, নতুন ফসল ঘরে তোলার সময়, চারা রোপনের সময়,



মহান আল্লাহ পাক উনার অনুগ্রহ (৩)


দুইজন লোক গাড়িতে বসে আলোচনা করছেন। বহুবিধ আলোচনা- অর্থনীতি, রাজনীতি কোনোটাই বাদ যায়নি। ট্রাফিক জ্যামে বসে চলছে এসব মতবিনিময়মূলক আলোচনা। কানে আসছিল তাদের কথাগুলো। কখনো শুনছিলাম, কখনো এড়িয়ে যাচ্ছিলাম। হঠাৎই একজনের কথা এসে তীব্রভাবে আমার কানে বিঁধলো। তিনি বলছেন, সেই ২০০৪



২৮শে ছফর শরীফ- হযরত ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘আমার সম্মানিত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মুহব্বত করো আমার সন্তুষ্টি মুবারক লাভের জন্য।’সুমহান বরকতময় ঐতিহাসিক ২৮শে পবিত্র ছফর শরীফ- হযরত ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি



মহান আল্লাহ পাক উনার অনুগ্রহ (২)


পুড়ছে নেভাদা। আমেরিকার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় এই স্টেটটাতে এ পর্যন্ত ৩৪০০ একর পুড়েছে। ২২টি বাড়ি পুড়ে ছাই হয়েছে। গত ১৪ অক্টোবর-২০১৬ ঈসায়ী জুমুয়াবার থেকে জ্বলছে। ৯০০ কর্মী অক্লান্ত পরিশ্রম করে গত ১৮ অক্টোবর-২০১৬ ঈসায়ী মঙ্গলবার পর্যন্ত আগুনের ৫৫ ভাগ নিয়ন্ত্রণে এনেছে বলে দাবি



সন্ত্রাসী ইহুদীদের অবৈধ রাষ্ট্র ইসরাইলের নিকৃষ্ট দালাল সউদী ওহাবী বাদশাহদের গোঁমর ফাঁস!


বহুদিন যাবৎ মুসলিম অধ্যুষিত ফিলিস্তিনে ধারাবাহিক গণহত্যা চালাচ্ছে সন্ত্রাসী ইহুদীদের অবৈধ রাষ্ট্র ইসরাইল। সর্বশেষ ২০১৪ সালের নভেম্বর মাস থেকে তারা আরো একধাপ এগিয়ে মুসলিম নিধন অভিযানে নামে। নৃশংস এই গণহত্যা সবার চোখের সামনে ঘটলেও, এর বিরুদ্ধে বলার মত যেন কেউ নেই!