মুহম্মদ জয়নাল আবেদীন -blog


...


 


সম্মানিত শরীয়ত অনুযায়ী চাঁদ খালি চোখে দেখে মাস শুরু করতে হবে


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার অনুসরণ না করে অর্থাৎ খালি চোখে চাঁদ দেখার চেষ্টা না করে সউদী ওহাবী ইহুদী সরকার এ পর্যন্ত ৪টি মনগড়া পদ্ধতি অবলম্বন করেছে- ১) প্রথম মনগড়া পদ্ধতি (১৯৫০-১৯৭২ ঈসায়ী): সূর্যাস্তের সময় চাঁদ দিগন্তরেখার ৯ডিগ্রী উপরে অবস্থান করলে মাস



নারীদের উপর যুলম নির্যাতন বন্ধ হবে ॥ তারা স্বাধীনভাবে চলতে পারবে; যদি তারা হাক্বীক্বী পর্দা করে


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “মহিলারা পর্দার সাথে থাকবে। যখন তারা বেপর্দা হয়ে ঘর থেকে বের হয় তখন শয়তান



ওয়াক্তে ওয়াক্তে সূরা ফাতিহা শরীফ উনার মাধ্যমে কাফির-মুশরিকদের থেকে দূরে থাকতে বলা হচ্ছে


পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ এমন একটি সূরা শরীফ, যেই সূরা শরীফ পাঠ ছাড়া কোনো নামায হয় না। বিশেষ করে মুসলমানেরা দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামায পড়ে থাকে। এ পাঁচ ওয়াক্ত নামায তথা ফরয-ওয়াজিব ও সুন্নত নামাযে মোট ৩২বার সূরা ফাতিহা পাঠ করতে



বিজাতীয় শব্দ ব্যবহারে সতর্কতা অবলম্বন করা মুসলমানদের জন্য জরুরী


বিধর্মী বিজাতীরা বহুরূপে বহুকায়দায় বহু ছুরতে সহজ সরল দ্বীনদার মুসলমান উনাদেরকে গুমরাহ করে ঈমান আমলহারা করে দিতে সদা অপতৎপর থাকে। এর মধ্যে তারা তাদের পূজনীয় শব্দগুলো সম্মানিত মুসলমানদের মধ্যে জারী করার মাধ্যমেও তাদের অনুগামী করতে চায়। নাউযুবিল্লাহ! বলার অপেক্ষা রাখেনা কালক্রমে,



নদী দূষণ রোধে পূজার প্রতিমা বিসর্জনে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আইন জারি করা জরুরী, যা করা হয়েছে খোদ ভারতে


বাংলাদেশের বিভিন্ন নদীতে প্রতিবছর প্রায় ৩০ হাজার ম-পের প্রতিমা নদীতে বিসর্জন দেয়া হয়। এখানে ৩০ হাজার পূজাম-পে ৩০ হাজার মূর্তির কথা ভাবলে কিন্তু ভুল হবে। কারণ একটি পূজাম-পে কম হলেও ৫টি করে মূর্তি থাকে। প্রতি বছরই এসব মূর্তির সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে।



পবিত্র মীলাদ শরীফ ক্বিয়াম শরীফ সমাজ থেকে উঠিয়ে দেয়ার কারণেই মানুষ রহমত বরকত থেকে বঞ্চিত হচ্ছে


মুসলিম সমাজে পবিত্র মীলাদ শরীফ ক্বিরাম শরীফ উপলক্ষে সমবেত হওয়া, দুরূদ শরীফ এবং সালাম শরীফ উনাদের মাহফিল করা সেই সালফে সালেহীন রহমাতুল্লাহি আলাইহিম উনাদেরও আগে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের যামানা হতেই চলে আসছে। সুবহানাল্লাহ! সেই ধারাবাহিকতায় আমাদের দেশের



ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইত রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি


একদিন মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এমন অবস্থায় বাইরে তাশরীফ আনলেন যে, উনার এক কাঁধ মুবারক উনার উপর সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি



নেক সঙ্গ মানুষকে আল্লাহওয়ালা করে দেয়


মহান আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামীন তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “হে ঈমানদারগণ তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করো, আর সত্যবাদী বা আল্লাহওয়ালা উনাদের ছোহ্বত ইখতিয়ার কর।” (পবিত্র সূরা তাওবা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ-১১৯) কারণ ছোহ্বত বা সঙ্গ বিষয়ে বলা হয়- الصحبة



বাল্য বিবাহের বিরোধিতা করা মানেই সুন্নত মুবারক অস্বীকার করা


কাফির মুশরিকরা মুসলমানদের ঈমান আমল নষ্ট করার জন্য নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হূযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের শান-মান , মর্যাদা মুবারক নিয়ে বিভিন্নভাবে ছবি, নাটক, সিনেমার মাধ্যমে ব্যঙ্গ-চিত্র প্রদর্শন করছে। (নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ!)



হযরত আত্বওয়ালু ইয়াদান আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ‘আযীমুশ শান নিসবতে ‘আযীম শরীফ


সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে উম্মুল মু’মিনীন আস সাবি‘য়াহ্ সাইয়্যিদাতুনা হযরত আত্বওয়ালু ইয়াদান আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ‘আযীমুশ শান নিসবতে ‘আযীম শরীফ প্রথম শাদী মুবারক উম্মুল মু’মিনীন আস সাবি‘য়াহ্



বাল্যবিবাহ এবং হক্ব-নাহক্ব পার্থক্য


সম্মানিত কুরআন শরীফ উনার মধ্যে খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমাদের জন্য নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মধ্যে রয়েছেন উত্তম আদর্শ মুবারক”। সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর



সাইয়্যিদাতুল উমাম, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদাতুনা হযরত শাহ নাওয়াসী আর রবি’য়াহ আলাইহাস সালাম উনার মর্যাদা-মর্তবা, বুযুর্গী-সম্মান মুবারক


সাইয়্যিদাতুল উমাম হযরত শাহ নাওয়াসী আর রবি’য়াহ আলাইহাস সালাম উনার শান-মান, মর্যাদা-মর্তবা, বুযুর্গী-সম্মান মুবারক বেমেছাল। উনার কোনো মেছাল বা তুলনা নেই। উনার মেছাল শুধুমাত্র তিনি নিজেই। সুবহানাল্লাহ! তিনি বহু কারণে বা বিভিন্ন দিক থেকে বেমেছাল শান-মান, মর্যাদা-মর্তবা উনার অধিকারিণী। সাইয়্যিদাতুল উমাম