মুহম্মদ জয়নাল আবেদীন -blog


...


মুহম্মদ জয়নাল আবেদীন
 


সাইয়্যিদাতুল উমাম, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদাতুনা হযরত শাহ নাওয়াসী আর রবি’য়াহ আলাইহাস সালাম উনার মর্যাদা-মর্তবা, বুযুর্গী-সম্মান মুবারক


সাইয়্যিদাতুল উমাম হযরত শাহ নাওয়াসী আর রবি’য়াহ আলাইহাস সালাম উনার শান-মান, মর্যাদা-মর্তবা, বুযুর্গী-সম্মান মুবারক বেমেছাল। উনার কোনো মেছাল বা তুলনা নেই। উনার মেছাল শুধুমাত্র তিনি নিজেই। সুবহানাল্লাহ! তিনি বহু কারণে বা বিভিন্ন দিক থেকে বেমেছাল শান-মান, মর্যাদা-মর্তবা উনার অধিকারিণী। সাইয়্যিদাতুল উমাম



কায়িনাতের বুকে এক অভূতপূর্ব এবং বেমেছাল সম্মানিত তাজদীদ মুবারক: সাইয়্যিদুনা হযরত আবুল আছ আলাইহিস সালাম তিনি হচ্ছেন ‘সাইয়্যিদুনা হযরত


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সম্মানিত ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, وَاِنِّـىْ زَوَّجْتُهُ ابْنَتَـىْ فَذٰلِكَ سَمَّاهُ اللهُ عِنْدَ الْـمَلَائِكَةِ ذَا النُّوْرِ وَسَـمَّاهُ فِى الْـجِنَانِ ذَا النُّوْرَيْنِ فَمَنْ شَتَمَ عُثْمَانَ عَلَيْهِ السَّلَامُ فَقَدْ



আল হাদিউ, আলুল্লাহি, আকরামুল উম্মাতি, ছালিছুল ক্বওমী, খলীফায়ে ছালিছ, আমীরুল মু’মিনীন হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার সুমহান শান-মান


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “ইজ্জত ও সম্মান হচ্ছে কেবলমাত্র মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন উনার জন্য এবং উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার জন্য আর যারা ঈমানদার



সাইয়্যিদুনা হযরত সাইয়্যিদুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি নাজাতের তরী, মুক্তির দিশারী


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- “হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আপনি জানিয়ে দিন, আমি তোমাদের নিকট কোনো বিনিময় চাই না। আর চাওয়াটাও স্বাভাবিক নয়। তোমাদের পক্ষে দেয়াও কস্মিনকালে সম্ভব নয়। আর দেয়ার চিন্তা করাটাও



যে বা যারা সম্মানিত শরীয়ত উনার খিলাফ কাজ করে, তারা অনুসরণের অযোগ্য।


আমরা প্রত্যেকেই কাউকে না কাউকে অনুসরণ করে থাকি। তবে বাজার দরে সবাইকে অনুসরণ করা সম্মানিত দ্বীন ইসলাম, সম্মানিত শরীয়ত উনার সম্পূর্ণ খিলাফ ও গুনাহের কাজও বটে। কেননা মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার সম্মানিত কালাম পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মাঝে ইরশাদ মুবারক



শরীয়তের দৃষ্টিতে গান-বাজনা সম্পূর্ণ হারাম


ইসলামী শরীয়তের দৃষ্টিতে গান-বাজনা করা হারাম ও কবীরা গুণাহের অন্তর্ভূক্ত। তা যে কোন গানই হোক না কেন। যেমন- নবী তত্ত্ব, মুর্শীদি, জারী, কাওয়ালী, পল্লীগীতি, ভাওয়ালী, ভক্তিমূলক ইত্যাদি যে কোন প্রকার গানেই হোক না কেন। তবে বাজনা বা বাদ্য-যন্ত্র ব্যতীত হামদ, না’ত,



মাদকাসক্ত অবস্থায় এবং প্রসাব দিয়ে অযু করলে যদি ফরয নামাজ না হয় তাহলে বেপর্দা হয়ে এবং হারাম ছবি তুলে


হজ্জ একটি ফরয ইবাদত। আর এ হজ্জ পালন করতে গেলে তার নিয়মকানুন পুরোপুরি মানতে হবে। পুরন করতে হবে পূর্বশর্ত। যেকোনও ইবাদত পালন করার আগে তার শর্ত পূরণ করতে হয়। শর্ত পূরা না হলে সে আমল কখনও কবুলযোগ্য হয়না। আরও উল্টো শাস্তি



 কুরবানী সম্পর্কিত জরুরি মাসয়ালাসমূহের সংকলন


 সুওয়াল:   কুরবানী  কার উপর ওয়াজিব? *জাওয়াব: * যিলহজ্জ মাসের দশ, এগার, বার অর্থাৎ দশ তারিখের সুবহে সাদিক হতে বার তারিখের সূর্যাস্তের পূর্ব পর্যন্ত সময়ের মধ্যে যদি কেউ মালিকে নিসাব হয় অর্থাৎ হাওয়ায়েজে আসলিয়াহ্ (নিত্যপ্রয়োজনীয় ধন-সম্পদ) বাদ দিয়ে সাড়ে সাত ভরি



দুনিয়া মানুষের জন্য পরীক্ষাগার


দুনিয়া মানুষের জন্য পরীক্ষাগার । কে কতটুকু মহান আল্লাহ পাক উনাকে মহব্বত করে কতটুকু উনার ফরমাবরদার তা পরীক্ষার জন্য তিনি মানুষকে দুনিয়ায় পাঠিয়েছেন । দুনিয়ার লেখা পড়ার জন্য মানুষ প্রস্তুতি গ্রহণ করে । তারপর হলে গিয়ে পরীক্ষা দেয় , তারপর রেজাল্ট



১৯শে শাওওয়াল শরীফ ওলীআল্লাহগণ উনাদের স্মরণে থাকার পথ যেদিন উন্মোচিত হয়েছে


হযরত যায়িদ ইবনে হারিছা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার জীবনী মুবারক আমরা অনেকেই জানি। ছোটবেলা ইয়েমেন থেকে উনার মার সঙ্গে মামার বাড়ি যাবার পথে একটি ডাকাত দল আক্রমণের শিকার হন এবং উনাকে ওকাজ মেলায় বিক্রি করে দেয়া হয়। তখন হযরত কুবরা আলাইহাস



পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার নামে যারা গণতান্ত্রিক আন্দোলন করে তাদের এ আন্দোলনের জন্য যাকাত, ফিতরা, উশর ইত্যাদি প্রদান করলে


জামাতে মওদুদী, খিলাফত আন্দোলন, ঐক্যজোট, শাসনতন্ত্র আন্দোলন, খিলাফত মজলিস, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম, ইসলামী মোর্চা, আঞ্জুমানে মুফিদুল ইসলাম ইত্যাদি ইসলামী নামধারী যেসব দল বা সংগঠন রয়েছে তারা পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার নামে গণতন্ত্র করা জায়িয ফতওয়া দেয় এবং এই গণতন্ত্রভিত্তিক আন্দোলনকে তারা



ইখলাছ অর্জন তথা বাইয়াত গ্রহণ করে মুবারক সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে ইবাদত-বন্দেগী করা ফরযে আইন


মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন তিনি, শয়তানকে অর্থাৎ অভিশপ্ত মালউন ইবলিসকে যখন বললেন যে তুমি আমার নবী ও রসূল হযরত আদম আলাইহিস সালাম উনাকে সিজদা করো তখন সে তা অমান্য করলো। নাউযুবিল্লাহ! অভিশপ্ত, লা’নতগ্রস্ত, চির জাহান্নামী, মালউন, ইবলিশ শয়তান সে, মহান