মুহম্মদ জয়নাল আবেদীন -blog


...


মুহম্মদ জয়নাল আবেদীন
 


পবিত্র মীলাদ শরীফ ক্বিয়াম শরীফ সমাজ থেকে উঠিয়ে দেয়ার কারণেই মানুষ রহমত বরকত থেকে বঞ্চিত হচ্ছে


মুসলিম সমাজে পবিত্র মীলাদ শরীফ ক্বিরাম শরীফ উপলক্ষে সমবেত হওয়া, দুরূদ শরীফ এবং সালাম শরীফ উনাদের মাহফিল করা সেই সালফে সালেহীন রহমাতুল্লাহি আলাইহিম উনাদেরও আগে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের যামানা হতেই চলে আসছে। সুবহানাল্লাহ! সেই ধারাবাহিকতায় আমাদের দেশের



ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইত রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি


একদিন মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এমন অবস্থায় বাইরে তাশরীফ আনলেন যে, উনার এক কাঁধ মুবারক উনার উপর সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি



নেক সঙ্গ মানুষকে আল্লাহওয়ালা করে দেয়


মহান আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামীন তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “হে ঈমানদারগণ তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করো, আর সত্যবাদী বা আল্লাহওয়ালা উনাদের ছোহ্বত ইখতিয়ার কর।” (পবিত্র সূরা তাওবা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ-১১৯) কারণ ছোহ্বত বা সঙ্গ বিষয়ে বলা হয়- الصحبة



বাল্য বিবাহের বিরোধিতা করা মানেই সুন্নত মুবারক অস্বীকার করা


কাফির মুশরিকরা মুসলমানদের ঈমান আমল নষ্ট করার জন্য নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হূযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের শান-মান , মর্যাদা মুবারক নিয়ে বিভিন্নভাবে ছবি, নাটক, সিনেমার মাধ্যমে ব্যঙ্গ-চিত্র প্রদর্শন করছে। (নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ!)



হযরত আত্বওয়ালু ইয়াদান আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ‘আযীমুশ শান নিসবতে ‘আযীম শরীফ


সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে উম্মুল মু’মিনীন আস সাবি‘য়াহ্ সাইয়্যিদাতুনা হযরত আত্বওয়ালু ইয়াদান আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ‘আযীমুশ শান নিসবতে ‘আযীম শরীফ প্রথম শাদী মুবারক উম্মুল মু’মিনীন আস সাবি‘য়াহ্



বাল্যবিবাহ এবং হক্ব-নাহক্ব পার্থক্য


সম্মানিত কুরআন শরীফ উনার মধ্যে খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমাদের জন্য নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মধ্যে রয়েছেন উত্তম আদর্শ মুবারক”। সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর



সাইয়্যিদাতুল উমাম, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদাতুনা হযরত শাহ নাওয়াসী আর রবি’য়াহ আলাইহাস সালাম উনার মর্যাদা-মর্তবা, বুযুর্গী-সম্মান মুবারক


সাইয়্যিদাতুল উমাম হযরত শাহ নাওয়াসী আর রবি’য়াহ আলাইহাস সালাম উনার শান-মান, মর্যাদা-মর্তবা, বুযুর্গী-সম্মান মুবারক বেমেছাল। উনার কোনো মেছাল বা তুলনা নেই। উনার মেছাল শুধুমাত্র তিনি নিজেই। সুবহানাল্লাহ! তিনি বহু কারণে বা বিভিন্ন দিক থেকে বেমেছাল শান-মান, মর্যাদা-মর্তবা উনার অধিকারিণী। সাইয়্যিদাতুল উমাম



কায়িনাতের বুকে এক অভূতপূর্ব এবং বেমেছাল সম্মানিত তাজদীদ মুবারক: সাইয়্যিদুনা হযরত আবুল আছ আলাইহিস সালাম তিনি হচ্ছেন ‘সাইয়্যিদুনা হযরত


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সম্মানিত ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, وَاِنِّـىْ زَوَّجْتُهُ ابْنَتَـىْ فَذٰلِكَ سَمَّاهُ اللهُ عِنْدَ الْـمَلَائِكَةِ ذَا النُّوْرِ وَسَـمَّاهُ فِى الْـجِنَانِ ذَا النُّوْرَيْنِ فَمَنْ شَتَمَ عُثْمَانَ عَلَيْهِ السَّلَامُ فَقَدْ



আল হাদিউ, আলুল্লাহি, আকরামুল উম্মাতি, ছালিছুল ক্বওমী, খলীফায়ে ছালিছ, আমীরুল মু’মিনীন হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার সুমহান শান-মান


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “ইজ্জত ও সম্মান হচ্ছে কেবলমাত্র মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন উনার জন্য এবং উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার জন্য আর যারা ঈমানদার



সাইয়্যিদুনা হযরত সাইয়্যিদুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি নাজাতের তরী, মুক্তির দিশারী


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- “হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আপনি জানিয়ে দিন, আমি তোমাদের নিকট কোনো বিনিময় চাই না। আর চাওয়াটাও স্বাভাবিক নয়। তোমাদের পক্ষে দেয়াও কস্মিনকালে সম্ভব নয়। আর দেয়ার চিন্তা করাটাও



যে বা যারা সম্মানিত শরীয়ত উনার খিলাফ কাজ করে, তারা অনুসরণের অযোগ্য।


আমরা প্রত্যেকেই কাউকে না কাউকে অনুসরণ করে থাকি। তবে বাজার দরে সবাইকে অনুসরণ করা সম্মানিত দ্বীন ইসলাম, সম্মানিত শরীয়ত উনার সম্পূর্ণ খিলাফ ও গুনাহের কাজও বটে। কেননা মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার সম্মানিত কালাম পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মাঝে ইরশাদ মুবারক



শরীয়তের দৃষ্টিতে গান-বাজনা সম্পূর্ণ হারাম


ইসলামী শরীয়তের দৃষ্টিতে গান-বাজনা করা হারাম ও কবীরা গুণাহের অন্তর্ভূক্ত। তা যে কোন গানই হোক না কেন। যেমন- নবী তত্ত্ব, মুর্শীদি, জারী, কাওয়ালী, পল্লীগীতি, ভাওয়ালী, ভক্তিমূলক ইত্যাদি যে কোন প্রকার গানেই হোক না কেন। তবে বাজনা বা বাদ্য-যন্ত্র ব্যতীত হামদ, না’ত,