মুহম্মদ জয়নাল আবেদীন -blog


...


 


একমাত্র মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ মাদরাসা ইয়াতীম খানা ও লিল্লাহ বোডিং যাকাত, উশর, ফিতরা ইত্যাদি যাবতীয় দান-ছদক্বা পাওয়ার প্রকৃত হক্বদার


আজকাল দেখা যায়, মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ মাদরাসা ব্যতীত অন্যান্য মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীরা একসাথে পড়াশুনা করে, তা’লীম শিক্ষা গ্রহণ করে থাকে। তাদের মধ্যে পর্দা পালনের কোন রকম ব্যবস্থা নেই। অর্থাৎ তারা পর্দা করে না। যেমন পুরুষ শিক্ষক বালেগা ছাত্রীদের সাথে পর্দা করে না



তারা ইসলামের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যেই বলে, কিন্তু মুসলমানরা প্রতিবাদ করতেও লজ্জা পায়!


ইন্টারনেট খুললে, দেশের পত্র-পত্রিকাগুলোর পাতা উল্টালে বেপর্দা, বেহায়া আর ইসলাম নিষিদ্ধ কাজগুলোরই প্রশংসা। অমুক নারী খেলোয়াড় এটা জিতেছে, অমুক নায়িকা এটা করেছে সেটা করেছে। যেন সে বিরাট কিছু। অথচ সে যে বিবস্ত্র প্রায় পোশাক পরে লাখো পুরুষদের সামনে শারীরিক কসরত করে



মনস্তাত্ত্বিক আক্রমণে মুসলমানদের নিকট তাদের জীবন ও সম্ভ্রমের মূল্য শেষ হয়ে যাচ্ছে!


মনস্তাত্ত্বিক আক্রমণে মুসলমানদের নিকট তাদের জীবন ও সম্ভ্রমের মূল্য শেষ হয়ে যাচ্ছে! সম্প্রতি এক মাহফিলে একজন বক্তা আলোচনা করছিলেন মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ বা সাইকোলজিকাল ওয়ারফেয়ার নিয়ে। তিনি বলছিলেন, কাফির-মুশরিকরা মুসলমানদের হত্যা করতে করতে এবং তাদের ধর্ম নিয়ে কটূক্তি করতে করতে তাদের মধ্যকার



খলীফায়ে ছালিছ, আমিরুল মুমিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার খিলাফতকালে বিজিত কয়েকটি এলাকার বর্ণনা


সময় কি আছে বর্তমান মুসলিম দেশের শাসকদের জন্য, তারা চিন্তা করবে কি তাদের অতীত ইতিহাস-ঐতিহ্য কেমন ছিল, তারা শিক্ষা নেবে কী কেমন বীরত্বপূর্ণ ছিল মুসলমানদের অতীত শৌর্য-বীরত্ব, কী ন্যায়নিষ্ঠ ছিলো মুসলিম জাতির পূর্বপুরুষ উনারা? আমরা যদি একবার চোখ বুলাই তাহলে দেখতে



সম্মানিত শরীয়ত অনুযায়ী চাঁদ খালি চোখে দেখে মাস শুরু করতে হবে


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার অনুসরণ না করে অর্থাৎ খালি চোখে চাঁদ দেখার চেষ্টা না করে সউদী ওহাবী ইহুদী সরকার এ পর্যন্ত ৪টি মনগড়া পদ্ধতি অবলম্বন করেছে- ১) প্রথম মনগড়া পদ্ধতি (১৯৫০-১৯৭২ ঈসায়ী): সূর্যাস্তের সময় চাঁদ দিগন্তরেখার ৯ডিগ্রী উপরে অবস্থান করলে মাস



নারীদের উপর যুলম নির্যাতন বন্ধ হবে ॥ তারা স্বাধীনভাবে চলতে পারবে; যদি তারা হাক্বীক্বী পর্দা করে


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “মহিলারা পর্দার সাথে থাকবে। যখন তারা বেপর্দা হয়ে ঘর থেকে বের হয় তখন শয়তান



ওয়াক্তে ওয়াক্তে সূরা ফাতিহা শরীফ উনার মাধ্যমে কাফির-মুশরিকদের থেকে দূরে থাকতে বলা হচ্ছে


পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ এমন একটি সূরা শরীফ, যেই সূরা শরীফ পাঠ ছাড়া কোনো নামায হয় না। বিশেষ করে মুসলমানেরা দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামায পড়ে থাকে। এ পাঁচ ওয়াক্ত নামায তথা ফরয-ওয়াজিব ও সুন্নত নামাযে মোট ৩২বার সূরা ফাতিহা পাঠ করতে



বিজাতীয় শব্দ ব্যবহারে সতর্কতা অবলম্বন করা মুসলমানদের জন্য জরুরী


বিধর্মী বিজাতীরা বহুরূপে বহুকায়দায় বহু ছুরতে সহজ সরল দ্বীনদার মুসলমান উনাদেরকে গুমরাহ করে ঈমান আমলহারা করে দিতে সদা অপতৎপর থাকে। এর মধ্যে তারা তাদের পূজনীয় শব্দগুলো সম্মানিত মুসলমানদের মধ্যে জারী করার মাধ্যমেও তাদের অনুগামী করতে চায়। নাউযুবিল্লাহ! বলার অপেক্ষা রাখেনা কালক্রমে,



নদী দূষণ রোধে পূজার প্রতিমা বিসর্জনে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আইন জারি করা জরুরী, যা করা হয়েছে খোদ ভারতে


বাংলাদেশের বিভিন্ন নদীতে প্রতিবছর প্রায় ৩০ হাজার ম-পের প্রতিমা নদীতে বিসর্জন দেয়া হয়। এখানে ৩০ হাজার পূজাম-পে ৩০ হাজার মূর্তির কথা ভাবলে কিন্তু ভুল হবে। কারণ একটি পূজাম-পে কম হলেও ৫টি করে মূর্তি থাকে। প্রতি বছরই এসব মূর্তির সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে।



পবিত্র মীলাদ শরীফ ক্বিয়াম শরীফ সমাজ থেকে উঠিয়ে দেয়ার কারণেই মানুষ রহমত বরকত থেকে বঞ্চিত হচ্ছে


মুসলিম সমাজে পবিত্র মীলাদ শরীফ ক্বিরাম শরীফ উপলক্ষে সমবেত হওয়া, দুরূদ শরীফ এবং সালাম শরীফ উনাদের মাহফিল করা সেই সালফে সালেহীন রহমাতুল্লাহি আলাইহিম উনাদেরও আগে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের যামানা হতেই চলে আসছে। সুবহানাল্লাহ! সেই ধারাবাহিকতায় আমাদের দেশের



ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইত রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি


একদিন মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এমন অবস্থায় বাইরে তাশরীফ আনলেন যে, উনার এক কাঁধ মুবারক উনার উপর সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি



নেক সঙ্গ মানুষকে আল্লাহওয়ালা করে দেয়


মহান আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামীন তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “হে ঈমানদারগণ তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করো, আর সত্যবাদী বা আল্লাহওয়ালা উনাদের ছোহ্বত ইখতিয়ার কর।” (পবিত্র সূরা তাওবা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ-১১৯) কারণ ছোহ্বত বা সঙ্গ বিষয়ে বলা হয়- الصحبة