মানছূর -blog


...


 


সুমহান বেমেছাল বরকতময় ২৩শে জুমাদাল উখরা শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদাতুন নিসা, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আস সাবি’য়াহ আত্বওয়ালু ইয়াদান আলাইহাস


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘আমার শাফায়াত ওই সকল উম্মত উনাদের জন্য, যাঁরা আমার সম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মুহব্বত করে থাকেন। আর উনারাই হচ্ছেন আমার খাছ উম্মত তথা অনুসারী।’



সবর বা ধৈর্যের তিনটি ক্ষেত্র রয়েছে


হাক্বীক্বী মুমিনদের অন্যতম গুণ হল, উনারা প্রচ- ধৈর্যশীল। প্রকৃতপক্ষে দৃঢ় সংকল্প আর মানসিকভাবে শক্তিশালী লোকেরাই কেবল এ বৈশিষ্ট্যের অধিকারী হন। সবর বা ধৈর্যের তিনটি ক্ষেত্রে রয়েছে। যথা- ১. সমস্ত ইবাদত বন্দেগীতে ধৈর্যধারণ। ২. সমস্ত পাপাচার থেকে বাঁচার ক্ষেত্রে ধৈর্যধারণ। ৩. জীবনের



পার্বত্য এলাকায় সুবিধাভোগী উপজাতিরা, অবহেলিত বাঙালিরা


প্রাচীনকাল থেকে বাংলাদেশ রূপের ভা-ার। আর এই রূপের কেন্দ্রবিন্দু হচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম। এখানে আঁকাবাঁকা পথ দিয়ে যেখানেই যাবেন দেখবেন শুধু সবুজ আর সবুজ। পাহাড়ের উপর দাঁড়িয়ে নিচের পানিধারার দিকে তাকাতেই চোখ জুড়িয়ে যাবে। পাহাড় বেয়ে স্বচ্ছ পানির ঝর্ণাধারার এতো সৌন্দর্য আর



আপনি জীবনের প্রতি ক্ষেত্রে সম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার অনুসরণ করতে চাচ্ছেন কিন্তু পারছেন না, সামাধানের একমাত্র স্থান “আন্তর্জাতিক পবিত্র


একজন বান্দার জন্য সর্বশ্রেষ্ট আমল হচ্ছে সম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার ইত্তেবা বা অনুসরণ করা। তাই আপনি জীবনের প্রতি ক্ষেত্রে সম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার আমল করতে চাচ্ছেন কিন্তু সবকিছু আপনার হাতের নাগালে না পাওয়ার কারণে এবং অনেক বিষয় দূর্লভ হওয়ার কারণে আপনি



কুল কায়িনাতের সকল মুসলমানদের উচিত- রাজারবাগ দরবার শরীফ উনার মাঝে অবস্থিত “আন্তর্জাতিক পবিত্র সুন্নত মুবারক প্রচার কেন্দ্রে” এসে মহাসম্মানিত


যিনি খালিক্ব যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সুন্নত মুবারক পালনের গুরুত্ব ও তাৎপর্য সম্পর্কে উনার মহাপবিত্র ও মহাসম্মানিত কালাম পাক উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন- قُلْ إِنْ كُنْتُمْ تُحِبُّوْنَ اللهَ فَاتَّبِعُوْنِيْ يُحْبِبْكُمُ اللهَ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوْبَكُمْ وَاللهُ



দেশে এখন ইসলামবিরোধিতা প্রকাশ্যেই হচ্ছে!! এর জন্য দায়ী কে?


আজ থেকে কয়েক বছর আগেও যেটা এদেশে কল্পনা করা হয়নি- আজ সেটাই হচ্ছে। কিছুুদিন আগে একটি জাতীয় পত্রিকার সম্পাদক প্রকাশ্যে আযানের বিরুদ্ধে কটূক্তি করেছে। এর আগেও একবার নাস্তিকদের কবি শামসুর সেও আযানকে কটাক্ষ করেছিলো। কিন্তু তখন তা নিয়ে দেশজুড়ে ব্যাপক প্রতিবাদ



আমাদের দেশে সরকার ও দায়িত্বশীলদের ‘চেতনা’ জাগ্রত হতে সময় লাগে ১১ বছর!


হাতিরঝিলের বিজিএমইএ ১৬ তলা ভবনটি অবশেষে ভেঙ্গে ফেলার পূর্ণাঙ্গ রায় হয়েছে। ভবনটি যখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৮ সালের ডিসেম্বরে নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তখন পানিধার সংরক্ষণ আইনটি ছিলোনা। এরপর ২০০০ সালে পানিধার সংরক্ষণ আইন হলেও ভবনের নির্মাণ কাজ চলতে থাকে



মহান আল্লাহ পাক তিনি নিজেই সর্বপ্রথম পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করেন। সুবহানাল্লাহ!


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি পবিত্র ছলাত শরীফ পাঠ করেন। ’ পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ নতুন



মাহে মুহররমুল হারাম শরীফ উনার বিশেষ বিশেষ আইয়্যামুল্লাহ শরীফসমূহ


১ মুহররমুল হারাম: আমিরুল মুমিনীন, খলীফায়ে ছালিছ, সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার খিলাফত মুবারক গ্রহণ দিবস। ২ মুহররমুল হারাম: সাইয়্যিদুনা যবিহুল্লাহ হযরত আবু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। ৫ মুহররমুল হারাম: ক)



পবিত্র আশুরা মিনাল মুহররমুল হারাম শরীফকে সম্মান করুন মাত্র কয়েকটি নেক আমলের মাধ্যমে


দুনিয়া হলো পরকালের শস্যক্ষেত্র। আমলের বীজ বপন এবং চাষাবাদের জায়গা। দুনিয়ায় যে যেমন আমলের বীজ বপন করবে, যেমন চারা রোপণ করবে, যেমন সময়-শ্রম দিয়ে আমলের চাষাবাদ করবে, পরকালে সে তেমনই ফল ও প্রতিদান লাভ করবে। তাই দুনিয়া থেকেই আখিরাতের পাথেয় সংগ্রহ



পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাসের প্রথম ১০ দিনের ফযীলত


যিলহজ্জ শরীফ মাসের প্রথম ১০ দিনের ফযীলত সম্পর্কে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো বর্ণিত রয়েছে- عَنِ حَضْرَتْ اِبْنِ عَبَّاسٍ رَضِىىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَا مِنْ اَيَّامٍ الْعَمَلُ الصَّالِحُ فِيهَا اَحَبُّ اِلَى اللهِ



পহেলা বৈশাখ পালন করা কেন হারাম ??


আমাদের রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হিজরতের পর মদীনা শরীফ গিয়ে ঐ এলাকাবাসীর দুটি উৎসব বন্ধ করেছিলেন। একটি হচ্ছে, বছরের প্রথম দিন উদযাপন বা নওরোজ; অন্যটির নাম ছিলো ‘মিহিরজান’। এ উৎসবের দুটির বিপরীতে চালু হয় মুসলমানদের দুই ঈদ। (তাফসিরসমূহ দেখতে