মানছূর -blog


...


 


সুন্নতী খাবার কালোজিরা


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে সুন্নতী খাবার কালোজিরার ব্যবহারের অনেক উপকারীতা বর্ণিত পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে সুন্নতী খাবার কালোজিরার তেল ব্যবহারের অনেক উপকারীতা বর্ণিত রয়েছে। “হযরত আবূ হুরায়রাহ্‌ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর



আজ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২১শে শাওওয়াল শরীফ। যা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিশ্ব বাল্যবিবাহ দিবস হিসেবে মশহূর। সুবহানাল্লাহ!


আজ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২১শে শাওওয়াল শরীফ। যা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিশ্ব বাল্যবিবাহ দিবস হিসেবে মশহূর। সুবহানাল্লাহ! এই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র দিবসে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতুন নিসা, উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছা সাইয়্যিদাতুনা হযরত



পবিত্র সুন্নতী পোশাক বনাম আরবীয় পোশাক


অনেকক্ষেত্রে ওহাবী-সালাফীসহ বিভিন্ন বাতিল আক্বীদার অন্তর্ভুক্তরা দাবি করে থাকে- “সুন্নতী পোশাক হচ্ছে আরবীয় পোশাক। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যে পোশাক পরেছেন, সেই একই পোশাক তো আবু জেহেল-আবু লাহাবও পরেছে।” নাউযুবিল্লাহ! মূলত, বাতিল আক্বীদাভুক্তদের এ ধরনের



২৩শে রমাদ্বান শরীফ- সুবহানাল্লাহ! মালিকাতুদ দুনিয়া ওয়াল আখিরাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আল আ’শিরাহ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিছালী


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা অন্য কোনো নারীদের মত নন।’ সুবহানাল্লাহ! আজ সুমহান বরকতময় মহাপবিত্র ২৩শে রমাদ্বান শরীফ- সুবহানাল্লাহ! মালিকাতুদ দুনিয়া ওয়াল আখিরাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আল আ’শিরাহ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র



সরকারের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- পবিত্র রমাদ্বান শরীফ ও পবিত্র তারাবীহ নামায উনাদের সম্মানার্থে লকডাউন তুলে নিয়ে পবিত্র মসজিদগুলো খুলে


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাসে রোযাকে ফরয করেছেন। আর আমি পবিত্র তারাবীহ নামাযকে সুন্নতে মুয়াক্কাদাহ করেছি।’ সুবহানাল্লাহ! পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস উনার একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ



পবিত্র আযান মানুষকে সময় সচেতন করে, কর্মঘন্টা রক্ষা করে


বর্তমানে কিছু পরিবেশবাদী নাস্তিক বের হয়েছে, যারা বলে থাকে আযানে শব্দ দূষণ হয়। নাউযুবিল্লাহ! আমি তাদেকে চ্যালেঞ্জ করে বলবো! আযানে কখনো শব্দ দূষণ হয় না, বরং আযান আমাদের লাখ লাখ কর্মঘণ্টা ও শব্দ দূষণ মুক্ত করতে সহায়তা করে। পবিত্র দ্বীন ইসলাম



যাকাত কে আদায় করবেন?


যিনি মালিকে নিছাব তিনি যাকাত আদায় করবেন। সম্মানিত শরীয়ত উনার পরিভাষায় হাওয়ায়িজে আছলিয়াহ বা মৌলিক চাহিদা মিটানোর পর অতিরিক্ত ২০ মিছকাল অর্থাৎ সাড়ে ৭ তোলা স্বর্ণ অথবা ২০০ দিরহাম অর্থাৎ সাড়ে ৫২ তোলা রৌপ্য অথবা এ সমপরিমাণ অর্থ-সম্পদ যদি কারো অধীনে



সরকারের কথিত লকডাউনে- যে সকল দিনমজুর-গরিবরা না খেয়ে আছে, জালিমরা কি মজলুমদের বদদোয়াকে ভয় করে না?


সরকার কার কথা শুনে এ ধরণের সিদ্ধান্ত নিলো? সরকারী আমলা-কামলারাতো নানা পথে অঢেল টাকা-পয়সা কামিয়েছে, তাদেরতো চিন্তা থাকার কথা নয়। কিন্তু যে সকল দিনমজুর, দরিদ্র মানুষ যারা দিন আনে দিন খায়, তাদের ব্যপারে কি পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে? তাদেরকে যে সরকার ঘরের



পবিত্র রজবের পহেলা রাত, লভি যবে রহমত ও নাযাত


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে এরশাদ মুবারক হয়েছে, ‘নিশ্চয়ই পাঁচ রাতে খাছভাবে দোয়া কবুল হয়ে থাকে- পবিত্র রজব মাসের প্রথম রাতে, পবিত্র লাইলাতুল বরাত ও পবিত্র লাইলাতুল কদর উনাদের রাতে এবং পবিত্র ঈদুল ফিতর ও পবিত্র ঈদুল আদ্বহার রাতে। সুবহানাল্লাহ। বরকতময়



সুমহান বেমেছাল বরকতময় ২৩শে জুমাদাল উখরা শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদাতুন নিসা, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আস সাবি’য়াহ আত্বওয়ালু ইয়াদান আলাইহাস


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘আমার শাফায়াত ওই সকল উম্মত উনাদের জন্য, যাঁরা আমার সম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মুহব্বত করে থাকেন। আর উনারাই হচ্ছেন আমার খাছ উম্মত তথা অনুসারী।’



সবর বা ধৈর্যের তিনটি ক্ষেত্র রয়েছে


হাক্বীক্বী মুমিনদের অন্যতম গুণ হল, উনারা প্রচ- ধৈর্যশীল। প্রকৃতপক্ষে দৃঢ় সংকল্প আর মানসিকভাবে শক্তিশালী লোকেরাই কেবল এ বৈশিষ্ট্যের অধিকারী হন। সবর বা ধৈর্যের তিনটি ক্ষেত্রে রয়েছে। যথা- ১. সমস্ত ইবাদত বন্দেগীতে ধৈর্যধারণ। ২. সমস্ত পাপাচার থেকে বাঁচার ক্ষেত্রে ধৈর্যধারণ। ৩. জীবনের



পার্বত্য এলাকায় সুবিধাভোগী উপজাতিরা, অবহেলিত বাঙালিরা


প্রাচীনকাল থেকে বাংলাদেশ রূপের ভা-ার। আর এই রূপের কেন্দ্রবিন্দু হচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম। এখানে আঁকাবাঁকা পথ দিয়ে যেখানেই যাবেন দেখবেন শুধু সবুজ আর সবুজ। পাহাড়ের উপর দাঁড়িয়ে নিচের পানিধারার দিকে তাকাতেই চোখ জুড়িয়ে যাবে। পাহাড় বেয়ে স্বচ্ছ পানির ঝর্ণাধারার এতো সৌন্দর্য আর