মানছূর -blog


...


 


প্রতিটি দেশের সরকার প্রধানসহ সকলের জন্য ফরয হচ্ছে, আগত পবিত্র ছফর শরীফ মাস উনার বিশেষ বিশেষ দিন ও রাত


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘(হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) মহান আল্লাহ পাক উনার বিশেষ বিশেষ দিনগুলো ঈমানদার বান্দা-বান্দী উনাদেরকে স্মরণ করিয়ে দিন। নিশ্চয়ই এতে ধৈর্যশীল, শোকরগোযার বান্দা-বান্দীদের জন্যে নিদর্শনাবলী রয়েছে।’ সুবহানাল্লাহ! তাই প্রতিটি দেশের সরকার প্রধানসহ



সম্মানিত শায়েখ আলাইহিস সালাম উনার ছোহবত মুবারক উনার গুরুত্ব


খালিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, হে মুমিনরা ‘তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় কর এবং যারা নেক্কার পরহেযগার আল্লাহ ওয়ালা উনাদের সঙ্গী হয়ে যাও, তথা ছোহবত মুবারক ইখতিয়ার কর। (পবিত্র সুরা তওবা শরীফ, পবিত্র আয়াত শরীফ



পবিত্র আশূরা শরীফের বিশেষ আমলসমূহ এবং ফযীলত মুবারক


পবিত্র মুহররমুল হারাম শরীফ মাস উনার উল্লেখযোগ্য ও শ্রেষ্ঠতম দিন হচ্ছে ১০ই মুহররমুল হারাম শরীফ পবিত্র আশূরা শরীফের দিন। এই মুবারক দিনটি বিশ্বব্যাপী এক আলোচিত দিন। কেননা সৃষ্টির সূচনা হয় এ দিনে এবং সৃষ্টির সমাপ্তিও ঘটবে এই দিনে। বিশেষ বিশেষ সৃষ্টি



সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আ’শির মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার গুণাবলী এবং কামালত-কারামত মুবারক


একদিন আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আ’শির মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সামারার একগ্রামে গেলেন। জনৈক বেদুঈন এসে উনাকে খুঁজতে থাকে। লোকেরা উনাকে বলল যে, তিনি অমুক গ্রামে গেছেন। বেদুঈন সেখানে গিয়ে উনার সাথে দেখা করলে তিনি



সুমহান পবিত্র ১৫ই যিলহজ্জ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আশির মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, আমার হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারা যমীনবাসী অর্থাৎ সারা কায়িনাতের জন্য নিরাপত্তা স্বরূপ।’ সুবহানাল্লাহ! আজ সুমহান পবিত্র ১৫ই যিলহজ্জ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আশির মিন



সুন্নতী খাবার কালোজিরা


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে সুন্নতী খাবার কালোজিরার ব্যবহারের অনেক উপকারীতা বর্ণিত পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে সুন্নতী খাবার কালোজিরার তেল ব্যবহারের অনেক উপকারীতা বর্ণিত রয়েছে। “হযরত আবূ হুরায়রাহ্‌ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর



আজ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২১শে শাওওয়াল শরীফ। যা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিশ্ব বাল্যবিবাহ দিবস হিসেবে মশহূর। সুবহানাল্লাহ!


আজ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২১শে শাওওয়াল শরীফ। যা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিশ্ব বাল্যবিবাহ দিবস হিসেবে মশহূর। সুবহানাল্লাহ! এই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র দিবসে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতুন নিসা, উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছা সাইয়্যিদাতুনা হযরত



পবিত্র সুন্নতী পোশাক বনাম আরবীয় পোশাক


অনেকক্ষেত্রে ওহাবী-সালাফীসহ বিভিন্ন বাতিল আক্বীদার অন্তর্ভুক্তরা দাবি করে থাকে- “সুন্নতী পোশাক হচ্ছে আরবীয় পোশাক। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যে পোশাক পরেছেন, সেই একই পোশাক তো আবু জেহেল-আবু লাহাবও পরেছে।” নাউযুবিল্লাহ! মূলত, বাতিল আক্বীদাভুক্তদের এ ধরনের



২৩শে রমাদ্বান শরীফ- সুবহানাল্লাহ! মালিকাতুদ দুনিয়া ওয়াল আখিরাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আল আ’শিরাহ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিছালী


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা অন্য কোনো নারীদের মত নন।’ সুবহানাল্লাহ! আজ সুমহান বরকতময় মহাপবিত্র ২৩শে রমাদ্বান শরীফ- সুবহানাল্লাহ! মালিকাতুদ দুনিয়া ওয়াল আখিরাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আল আ’শিরাহ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র



সরকারের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- পবিত্র রমাদ্বান শরীফ ও পবিত্র তারাবীহ নামায উনাদের সম্মানার্থে লকডাউন তুলে নিয়ে পবিত্র মসজিদগুলো খুলে


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাসে রোযাকে ফরয করেছেন। আর আমি পবিত্র তারাবীহ নামাযকে সুন্নতে মুয়াক্কাদাহ করেছি।’ সুবহানাল্লাহ! পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস উনার একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ



পবিত্র আযান মানুষকে সময় সচেতন করে, কর্মঘন্টা রক্ষা করে


বর্তমানে কিছু পরিবেশবাদী নাস্তিক বের হয়েছে, যারা বলে থাকে আযানে শব্দ দূষণ হয়। নাউযুবিল্লাহ! আমি তাদেকে চ্যালেঞ্জ করে বলবো! আযানে কখনো শব্দ দূষণ হয় না, বরং আযান আমাদের লাখ লাখ কর্মঘণ্টা ও শব্দ দূষণ মুক্ত করতে সহায়তা করে। পবিত্র দ্বীন ইসলাম



যাকাত কে আদায় করবেন?


যিনি মালিকে নিছাব তিনি যাকাত আদায় করবেন। সম্মানিত শরীয়ত উনার পরিভাষায় হাওয়ায়িজে আছলিয়াহ বা মৌলিক চাহিদা মিটানোর পর অতিরিক্ত ২০ মিছকাল অর্থাৎ সাড়ে ৭ তোলা স্বর্ণ অথবা ২০০ দিরহাম অর্থাৎ সাড়ে ৫২ তোলা রৌপ্য অথবা এ সমপরিমাণ অর্থ-সম্পদ যদি কারো অধীনে