সুলতান -blog


আমার প্রথম শত্রু ইহুদী এরপর হিন্দু এরপর খ্রিস্টান এরপর তাবত অমুসলিমরা


 


পবিত্র রজবুল আছম্ম শরীফ মাস উনার বিশেষ আইয়্যামুল্লাহ শরীফসমূহ উপলক্ষে আয়োজিত মাহফিলে খাছভাবে দুয়া কবুলের জন্যে পবিত্র সুন্নতী মসজিদে


দাওয়াতের অংশ হিসেবে সকলকেই সম্মানিত রাজারবাগ দরবার শরীফে আসার জন্য দাওয়াত দেয়া হচ্ছে, খালিছ ওলীআল্লাহ হওয়া, খাছভাবে দুয়া কবুল ও নাযাত পাওয়ার জন্য। যেহেতু মহান আল্লাহ পাক তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন, وَمَا عَلَيْنَا إِلَّا الْبَلَاغُ الْمُبِينُ অর্থাৎ সুস্পষ্টভাবে দাওয়াত পৌছে



এদের আসল পরিচয় কি আপনার জানা আছে?


এদের আসল পরিচয় কি আপনার জানা আছে? ১) বঙ্কিমচন্দ্র: আমাদের দেশের পাঠ্যবইগুলোতে তার রচনা থাকবেই। সাথে থাকবে ‘সাহিত্য সম্রাট’সহ আরো নানারকম প্রশংসার ফুলঝুড়ি। অথচ পাঠক! এই বঙ্কিমই হলো সেই ব্যক্তি, যে কিনা তার রচনায় লিখেছে- “..বল হরে মুরারে! হরে মুরারে! উঠ!



সুমহান পবিত্র ও বরকতময় ৯ই জুমাদাল উলা শরীফ- সাইয়্যিদুনা হযরত হাদিউল উমাম আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আমার হযরত আওলাদ আলাইহিমুস সালাম উনারা হলেন তোমাদের জন্য হযরত নূহ আলাইহিস সালাম উনার নৌকার মতো। যে তাতে আরোহণ করবে, সে নাজাত পাবে। সুবহানাল্লাহ! আর যে তা হতে



মহাসম্মানিত ‘উম্মুল হাদীছ শরীফ’ কোনটি?


সকলেরই জানা রয়েছে যে, উম্মুল কুরআন শরীফ হচ্ছেন ‘সম্মানিত সূরা ফাতিহা শরীফ’। কিন্তু সম্মানিত উম্মুল হাদীছ শরীফ কোনটি? এই সম্মার্কে ইমামুল মুহাদ্দিসীন মিনাল আউওয়ালীনা ইলাল আখিরীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মুজাদ্দিদে আ’যম মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ



সম্মানিত শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে- দ্বীন ইসলাম উনার সংশ্লিষ্ট দিবস মুবারক পালন


যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি দিবস পালন সম্পর্কে পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন- وَذَكِّرْهُمْ بِأَيَّامِ اللهِ إِنَّ فِيْ ذٰلِكَ لَاٰيَاتٍ لِّكُلِّ صَبَّارٍ شَكُوْرٍ অর্থ: (সম্মানিত রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমার!) আপনি উম্মতদেরকে মহান আল্লাহ



হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান মুবারকে কটূক্তি -নাউযুবিল্লাহ


হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান মুবারকে কটূক্তি: বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশের সাথে সংঘর্ষ -নিহত ৪, আহত শতাধিক ভোলায় মহান আল্লাহ পাক তিনি ও উনার রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান মুবারকে এক হিন্দু



ইংরেজরা মুসলমানদের শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংস করেছে


ইংরেজদের প্রণীত শিক্ষানীতি সমাজে বিভক্তি ও শ্রেণীবৈষম্য সৃষ্টি করেছে বলে মন্তব্য করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। গতকাল ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) ইসলামাবাদে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের একটি পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে দেয়া বক্তৃতায় তিনি বলেন, নবীজী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সবচেয়ে বেশি শিক্ষার ব্যাপারে গুরুত্ব



কোনো সরকারই এ যাবৎ ‘চিকেনস নেক’-এর গুরুত্ব বুঝেনি। বাংলাদেশের উপর ভারতের প্রাধান্যের পরিবর্তে বাংলাদেশই ভারতের উপর প্রাধান্যের প্রভাব বিস্তারের


বাংলাদেশের দুই নদীপথে খননকাজ করার ব্যাপারে ভারতের সঙ্গে চুক্তি হয়েছে। দুটি নদীপথের ৪৭০ কিলোমিটার খনন করা হবে। এতে ব্যয় হবে ৩০৫ কোটি রুপি। যার ২৪৪ কোটি রুপিই ঋণ হিসেবে দেবে ভারত। চলতি ২০১৭ সালেই দরপত্র আহ্বান করা হবে। সেখানে বাংলাদেশের পাশাপাশি



মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ‘ফালইয়াফরহূ শরীফ’ সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উপলক্ষে বাদশাহ হযরত মালিক মুযাফ্ফার রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার খরচ মুবারক


বিশ্বখ্যাত ইমাম ও মুজতাহিদ, মুহাদ্দিছ, মুফাসসির, ফখরুল আউলিয়া ওয়াল মাশায়িখ, শাইখুল ইসলাম হযরত ইমাম আল্লামা আবুল ফারাজ নূরুদ্দীন আলী ইবনে ইবরাহীম ইবনে আহমদ ইবনে ‘আলী ইবনে ‘উমর হালাবী মিছরী ক্বাহিরী শাফিয়ী রহমতুল্লাহি আলাইহি, যিনি হযরত আলী নূরুদ্দীন ইবনে বুরহানুদ্দীন হালাবী রহমতুল্লাহি



ট্যানারির বর্জ্য থেকে শিল্প গড়ে তোলার পরামর্শ


কসাইখানার ‘বর্জ্য-চামড়া দিয়ে যেমন ট্যানারি শিল্প গড়ে উঠেছে তেমনি ট্যানারি শিল্পের বর্জ্য দিয়েও লাভজনক শিল্প গড়ে তোলা সম্ভব। এমন দাবির প্রেক্ষিতে সরকারকে পাইলট প্রকল্প হাতে নিয়ে এ ধরনের উদ্যোগ যাচাই বাছাই করার পরামর্শ দিচ্ছেন পরিবেশ ও অর্থনীতিবিদরা। আর বর্জ্য ব্যবস্থাপনার এমন



নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পক্ষ থেকে আযীমুশ শান সম্মানিত সম্মানিত নিসবতে আযীম শরীফ-এ


মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ‘আযীমুশ শান নিসবতে ‘আযীম শরীফ-এ হাদিয়া মুবারক: বিভিন্ন কিতাবের বর্ণনা অনুযায়ী নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পক্ষ থেকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ‘আযীমুশ শান নিসবতে ‘আযীম শরীফ-এ উম্মু আবীহা, আন নূরুর রবি‘য়াহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত



অশ্লীলতা ও বিকৃতরুচিতে ভরপুর মূর্তিপূজকদের গোটা সমাজজীবন


“সেকালে বাঙালীদের (মূর্তিপূজকদের) মধ্যে ‘শাশুড়ে’ এবং ‘বৌও’ বলিয়া দুটি গালি শোনা যাইত, উহার প্রথমটির অর্থ শাশুড়িরত, ও দ্বিতীয়টির অর্থ পুত্রবধূরত। শ্বশুর-পুত্রবধূর ব্যাপার সম্ভবত খুব কমই দেখা যাইত, কিন্তু শাশুড়ি-জামাই ঘটিত ব্যাপার বিরল ছিল না।” (সূত্র: বাঙালি জীবনে রমণী, নীরদ সি চৌধুরী,