মেঘমালা -blog


...


 


সত্যিকারের মুসলমান কখনোই দ্বীন ইসলাম সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কটূক্তি বা সমালোচনা সহ্য করবে না, করতে পারে না


যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার কালাম পবিত্র কুরআন শরীফ সূরা বাক্বারা শরীফ ১৩নং পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করে জানিয়ে দিয়েছেন যে, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা যেরূপ ঈমান এনেছেন তদ্রƒপ অন্যান্য সকলকে



কুরবানী বিরোধীরা সাবধান! কুরবানীর বিরোধিতা করতে গিয়ে গৌড় গোবিন্দের করুণ পরিণতি


সনটি ছিলো ১৩৪৪ খৃ.। তৎকালীন বাংলাদেশের সিলেটে গৌড় গোবিন্দের এলাকার এক মহল্লায় ১৩টি মুসলিম পরিবার বাস করতেন। তারই একজন ছিলেন শেখ বুরহান উদ্দিন। তিনি যবন যালিম গোবিন্দের কারণে গোপনে ইবাদত-বন্দেগী করতেন। কারণ সেখানে প্রকাশ্যে মুসলমানদের জন্য ইবাদত-বন্দেগী করা নিষিদ্ধ ছিলো। কেউই



করোনায় আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি কান চিলে নিয়ে যাওয়ার ঘটনার মতই


এদেশের মানুষ হুজুগে মেতে উঠতে অভ্যস্ত। এজন্য হুজুগে বাঙাল বা হুজুগে বাঙ্গালী কথাটি বেশ পরিচিত। ঘটনা হচ্ছে, কোন এক ব্যক্তির পাশ দিয়ে চিল তার শিকারীকে ছোঁ মেরে উড়ে যাচ্ছিল আর উক্ত ব্যক্তির পাশে থাকা আরেক ব্যক্তি তাকে উদ্দেশ্য করে বলেছিলো যে,



সাইয়্যিদাতুন নিসা, ফক্বীহাতুন নিসা, রাহনুমায়ে দ্বীন, হাদীয়ে যামান, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার মহামূল্যবান নছীহত মুবারক


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা ফজর উনার ৩নং আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, وَالشَّفْعِ وَالْوَتْرِ অর্থ মুবারক: “কসম জোড় ও বিজোড়ের।” উপরোক্ত আয়াত শরীফ উনার মধ্যে وَالشَّفْعِ وَالْوَتْرِ অর্থাৎ জোড় ও বিজোড় বলতে কি বুঝানো হয়েছে সে সর্ম্পকে



ভারতের মতো বাংলাদেশের প্রশাসনও কি মুসলিমশূন্য হতে চলেছে?


সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের প্রতিটি বিভাগে, প্রতিটি পদে বিধর্মী, অমুসলিম, উপজাতিদের গণহারে নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। এদের সংখ্যাধিক্য দেখলে এটাই স্পষ্ট যে, পরিকল্পিতভাবেই এধরণের বৈষম্যমূলক নিয়োগ চলছে। আমাদের এই দেশে ৯৮ ভাগ মুসলমান। সে হিসেবে দেশের প্রশাসনসহ প্রতিটি বিভাগে চাকরি-বাকরিতে মুসলমানদের প্রাধান্য থাকবে



নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পক্ষ থেকে পবিত্র কুরবানী করা প্রত্যেক উম্মতের জন্য


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে, عن حضرت حنش رحمة الله عليه قال رآيت عليا يضحى بكبشين فقلت له ما هذا قفال ان رسول الله صلى الله عليه وسلم اوصانى ان اضحى عنه فانا اضحى عنه অর্থ:- “বিশিষ্ট তাবিয়ী হযরত



১০ ব্যক্তি শয়তানের বন্ধু


তাফসীরে রূহুল বয়ানে উল্লেখ রয়েছে, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে, সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন, রহমাতুল্লিল আলামীন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি একবার ইবলীশকে দেখে জিজ্ঞাসা করলেন যে, আমার উম্মতের মধ্যে তোমার বন্ধু কে কে



পবিত্র কুরবানী উনার আহকাম ও মাসয়ালা


اُضْحِيَّةٌ – এর পরিচয়ঃ اُضْحِيَّةٌ শব্দটি চার ভাবে পড়া যায়, এর প্রথম অক্ষর পেশ অথবা যের যোগে। যেমন- اُضْحِيَّةٌ ও اِضْحِيَّةٌ – এর বহুবচন হলো اضاحى তৃতীয়ত ضحية তখন এর বহুবচন হবে ضحايا এর শাব্দিক অর্থ হলো- পশু কুরবানী করা। কেননা



আজ সুমহান বরকতময় মহাপবিত্র ২০শে শাওওয়াল শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আল খমিসাহ আলাইহাস সালাম


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা অন্য কোনো নারীদের মত নন।’ সুবহানাল্লাহ! আজ সুমহান বরকতময় মহাপবিত্র ২০শে শাওওয়াল শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আল খমিসাহ আলাইহাস সালাম উনার মহাপবিত্র বিলাদতী



হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সম্পর্কে বর্ণিত পবিত্র হাদীছ শরীফ


দ্বিতীয় সহস্রাব্দের মুজাদ্দিদ হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার মুবারক তাশরীফ আনয়নের ভবিষ্যদ্বাণী স্বয়ং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মাঝে ব্যক্ত করেছেন। তিনি পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-



একদিকে রুজু থেকে মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সন্তুষ্টি মুবারক হাছিলের উদ্দেশ্যে


মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : ” مَنْ جَاءَهُ الْمَوْتُ وَهُوَ يَطْلُبُ الْعِلْمَ لِيُحْيِيَ بِهِ الإِسْلامَ فَبَيْنَهُ وَبَيْنَ الأَنْبِيَاءِ دَرَجَةٌ وَاحِدَةٌ فِي الْجَنَّةِ অর্থ: নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি



জারাদ তথা টিড্ডি বা পঙ্গপাল খাওয়া নিয়ে বিভ্রান্তি নিরসন


মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে, عَنْ حَضْرَتْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ رَضِىَ اللهُ تَـعَالى عَنْهُ اَنَّ رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ اُحِلَّتْ لَنَا مَيْـتَـتَانِ الْـحُوْتُ وَالْـجَرَادُ‏. অর্থ: “হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার