মেঘমালা -blog


...


 


‘আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ’ পবিত্র ছফর শরীফ মাস উনার ৩০ তারিখে পালিত না হয়ে এ মাস উনার শেষ আরবিয়া


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ১১ হিজরী সনের পবিত্র ছফর শরীফ মাস উনার শেষ আরবিয়া (বুধবার) সকাল বেলা মারীদ্বী শান মুবারক থেকে ছিহ্হাতী শান মুবারক প্রকাশ করেছিলেন। তাই উক্ত মুবারক দিন আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ হিসেবে



হযরত খুলাফায়ে রাশিদীন আলাইহিমুস সালাম উনাদের অনুসরণে সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ, সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘আমার সম্মানিত সুন্নত মুবারক এবং সুপথপ্রাপ্ত হযরত খুলাফায়ে রাশিদীন আলাইহিমুস সালাম উনাদের সম্মানিত সুন্নত মুবারক পালন করা তোমাদের সকলের জন্য ফরয।’ সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু



ছোঁয়াচে রোগে বিশ্বাস করা জাহেলী যুগের বৈশিষ্ট্য, যা সুস্পষ্ট শিরক


একটি দলীলভিত্তিক পর্যালোচনা: ছোঁয়াচে রোগে বিশ্বাস করা জাহেলী যুগের বৈশিষ্ট্য, যা সুস্পষ্ট শিরক এই শিরকী আক্বীদা থেকে তওবা করা প্রত্যেক মুসলমানের জন্য ফরজ বর্তমান সময়ে করোনা নামক গজবকে কেন্দ্র করে মুসলমান নামধারী কিছু মানুষ ছোঁয়াচে রোগের কথা সমাজে খুব প্রচার করছে।



প্রত্যেকের এটা মনে রাখতে হবে- মসজিদ প্রতিষ্ঠা করা ঈমানদারের বৈশিষ্ট্য; আর মসজিদ ভাঙ্গা কাফিরদের বৈশিষ্ট্য


মসজিদ যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত ঘর। মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট সর্বশ্রেষ্ঠ স্থান মসজিদ। মহান আল্লাহ পাক তিনি মসজিদ নির্মাণ ও আবাদ করার জন্য নির্দেশ মুবারক করেছেন। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- مَا كَانَ



নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনিই হচ্ছেন পবিত্র ঈমান; তাই উনার শান মুবারকে বিন্দুতম চু-চেরা


পবিত্র ঈমান উনার মূলই হচ্ছেন- সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি। উনার প্রতি পরিপূর্ণ পবিত্র ঈমান না আনা পর্যন্ত, পরিপূর্ণ হুসনে যন বা সুধারণা পোষণ না করা পর্যন্ত, উনাকে সবচেয়ে মুহব্বত



সরকারের জন্য ফরয হচ্ছে- আসন্ন পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফসহ মুসলমানদের প্রতিটি বিশেষ বিশেষ দিবস উপলক্ষ্যে অস্বচ্ছল মুসলমানদেরকে সর্বক্ষেত্রে সর্বোচ্চ


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘তোমরা নেক কাজে ও পরহেযগারীতে পরস্পর পরস্পরকে সাহায্য করো। বদ কাজে অর্থাৎ পাপে ও শত্রুতায় পরস্পর পরস্পরকে সাহায্য করো না।’ রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম ও ৯৮ ভাগ মুসলমানের দেশের সরকার কোনো বছরই মুসলমানদের বিশেষ ফযীলতপূর্ণ দিন



পবিত্র কালিমা শরীফ থেকে “মুহম্মদুর রসূলুল্লাহ” ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে বাদ দেয়ার চিন্তা করাও কুফরী


পবিত্র কালিমা শরীফ “লাইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহম্মদুর রসূলুল্লাহ” (ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উনাকে যারা অস্বীকার করছে তারা বাতিল ফিরক্বার অন্তর্ভুক্ত। তারা বলে থাকে যে, পবিত্র কালিমা শরীফ পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে নেই। নাঊযুবিল্লাহ! তারা বিভিন্ন স্থানে মসজিদ থেকে পবিত্র কালিমা শরীফ



মহাপবিত্র ও মহাসম্মানিত মুহররমুল হারাম শরীফ মাস উনার ১, ২, ৫, ৮, ১০, ১২, ১৬, ২৫, এবং ২৬ তারিখ


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘মহান আল্লাহ পাক উনার নিদর্শন সম্বলিত দিবসগুলিকে স্মরণ করিয়ে দিন সমস্ত কায়িনাতকে। নিশ্চয়ই এর মধ্যে ধৈর্যশীল ও শোকরগোজার বান্দা-বান্দী উনাদের জন্য ইবরত ও নছীহত রয়েছে।’ সুবহানাল্লাহ! মহাপবিত্র ও মহাসম্মানিত মুর্হরমুল হারাম শরীফ মাস উনার



সত্যিকারের মুসলমান কখনোই দ্বীন ইসলাম সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কটূক্তি বা সমালোচনা সহ্য করবে না, করতে পারে না


যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার কালাম পবিত্র কুরআন শরীফ সূরা বাক্বারা শরীফ ১৩নং পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করে জানিয়ে দিয়েছেন যে, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা যেরূপ ঈমান এনেছেন তদ্রƒপ অন্যান্য সকলকে



কুরবানী বিরোধীরা সাবধান! কুরবানীর বিরোধিতা করতে গিয়ে গৌড় গোবিন্দের করুণ পরিণতি


সনটি ছিলো ১৩৪৪ খৃ.। তৎকালীন বাংলাদেশের সিলেটে গৌড় গোবিন্দের এলাকার এক মহল্লায় ১৩টি মুসলিম পরিবার বাস করতেন। তারই একজন ছিলেন শেখ বুরহান উদ্দিন। তিনি যবন যালিম গোবিন্দের কারণে গোপনে ইবাদত-বন্দেগী করতেন। কারণ সেখানে প্রকাশ্যে মুসলমানদের জন্য ইবাদত-বন্দেগী করা নিষিদ্ধ ছিলো। কেউই



করোনায় আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি কান চিলে নিয়ে যাওয়ার ঘটনার মতই


এদেশের মানুষ হুজুগে মেতে উঠতে অভ্যস্ত। এজন্য হুজুগে বাঙাল বা হুজুগে বাঙ্গালী কথাটি বেশ পরিচিত। ঘটনা হচ্ছে, কোন এক ব্যক্তির পাশ দিয়ে চিল তার শিকারীকে ছোঁ মেরে উড়ে যাচ্ছিল আর উক্ত ব্যক্তির পাশে থাকা আরেক ব্যক্তি তাকে উদ্দেশ্য করে বলেছিলো যে,



সাইয়্যিদাতুন নিসা, ফক্বীহাতুন নিসা, রাহনুমায়ে দ্বীন, হাদীয়ে যামান, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার মহামূল্যবান নছীহত মুবারক


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা ফজর উনার ৩নং আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, وَالشَّفْعِ وَالْوَتْرِ অর্থ মুবারক: “কসম জোড় ও বিজোড়ের।” উপরোক্ত আয়াত শরীফ উনার মধ্যে وَالشَّفْعِ وَالْوَتْرِ অর্থাৎ জোড় ও বিজোড় বলতে কি বুঝানো হয়েছে সে সর্ম্পকে