মেঘমালা -blog


...


 


জনগণ গণতন্ত্রের রঙ্গিন চশমায় শুধু ঘুঘু দেখে কিন্তু ঘুঘুর ফাঁদ দেখে না


সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে প্রতিশ্রুতি ছিলো, ‘দেশে পবিত্র কুরআন-সুন্নাহ বিরোধী কোনো আইন পাশ হবে না।’ অর্থাৎ দ্বীন ইসলাম উনার বিরুদ্ধে কোনো কিছু এদেশে চলবে না। দেশের ৯৮ ভাগ মুসলিম জনগোষ্ঠীর দ্বীনি সেন্টিমেন্টকে পুঁজি করে এসব মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এসে এখন একের



কাফির-মুশরিকদের অনুসরণের কারণেই মহান আল্লাহ পাক উনার গায়েবী মদদ থেকে বঞ্চিত মুসলিম


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “হে ঈমানদারগণ! তোমরা আমার শত্রু এবং তোমাদের শত্রুকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করো না।” (পবিত্র সূরা মুমতাহিনাহ শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১) পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে কাফির-মুশরিকরা মুসলমানদের শত্রু একথা বারবার স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেয়ার



সাইয়্যিদাতুনা হযরত দাদী হুযূর ক্বিবলা আলাইহাস সালাম উনার বেমেছাল কারামত মুবারক


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক রব্বুল ইজ্জত তিনি কালাম পাক উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “সাবধান! যারা খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার ওলী, উনাদের কোনো ভয় নেই, চিন্তাও নেই।” মূলত, খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার মাহবুব



অশালীন বিলবোর্ড রাস্তায় দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ!


একবার এক মন্ত্রী এক সভার ভাষণে বলেন, “সুন্দরী মেয়েদের বিল বোর্ড এর কারণে রাস্তায় দুর্ঘটনা ঘটে, আমাদের চালক ভাইরা তারা সুন্দরী মেয়েদের বিলবোর্ডের দিকে তাকান এর ফলে দুর্ঘটনা ঘটে, তবে তারাও মানুষ”। বাস্তবতা সেটাই আমরা দেখতে পাই- শুধু সুন্দরী মেয়ে নয়,



বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন প্রণয়নকারীরা কি নিজেদের পিতা-মাতাকে অপদস্তকারী নয়?


প্রধানমন্ত্রীর নিজের লিখিত বই “শেখ মুজিব আমার পিতা” এর ২৭ পৃষ্ঠায় উল্লেখ রয়েছে- “আব্বার যখন দশ (১০) বছর তখন তাঁর বিয়ে হয়। আমার মায়ের বয়স ছিল মাত্র তিন (৩) বছর। আমার মা পিতৃহারা হওয়ার পর তাঁর দাদা এই বিয়ে দিয়ে সমস্ত



স্বয়ং যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি নিজে আফদ্বলুন নিসা বা’দা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, উম্মুল


বনী মুছত্বলিক্বের জিহাদ থেকে প্রত্যাবর্তনের সময় আফদ্বলুন নিসা বা’দা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ হযরত ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র শান মুবারক উনার খিলাফ মিথ্যা অপবাদ রটনা করে মুনাফিক্ব সর্দার উবাই ইবনে সুলূল (যার মূল



সাইয়্যিদুনা মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি নানাজান হওয়ার ক্ষেত্রেও সুন্নত মুবারক আদায়


আখিরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অত্যন্ত আদরের আওলাদ হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার দু’জন আওলাদ হযরত ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং হযরত ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি



সম্মানিত শরীয়ত মুতাবিক বাল্য বিবাহ খাস সুন্নত উনার অন্তর্ভুক্ত, বাল্য বিবাহের বিরোধীতা করা হারাম ও কাট্টা কুফরীর অন্তর্ভুক্ত


উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার ৬ বছর বয়স মুবারকে আক্বদ বা নিসবাতুল আযীম মুবারক হওয়ার বিষয়টি যারা অস্বীকার করে তারা অসংখ্য ছহীহ পবিত্র হাদীছ শরীফ অস্বীকার করার কারণে কাফির! উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বা



আয়-বৈষম্য দূরীকরণের জন্য প্রধান ২টি কার্যক্রমই যথেষ্ট


আয়-বৈষম্য দূরীকরণের জন্য প্রধান ২টি কার্যক্রমই যথেষ্ট। ১) যাকাত ব্যবস্থা ও ২) সুদবিহীন অর্থনীতি। বাংলাদেশে বর্তমানে হাজার কোটি টাকা ব্যালেন্স আছে, এমন লোকের সংখ্যাও হয়ত কয়েক দশকের ঘরে রয়েছে। আর শত কোটি টাকাওয়ালার সংখ্যা শতকের ঘরে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। এবার দেখুন, যার



সম্মানীত শরীয়ত উনার সাথে সাংঘর্ষিক ও হারাম প্রতিটি বিষয়ই ক্ষতিকর, যার জাজ্বল্য উদাহরণ কথিত ‘গণতন্ত্র’


গণতন্ত্র একদিক থেকে যেমন দেশ ও জাতির অনিষ্টকারী দুরারোগ, তদ্রুপ এর দ্বারা সম্মানিত দ্বীন ইসলাম ও মুসলমানদের ক্ষতিসাধনও কম হয় না। বরং প্রকৃতপক্ষে এটি দ্বীন ইসলাম উনারই বেশি ক্ষতিসাধন করেছে। আব্রাহাম লিঙ্কন প্রবর্তিত গণতন্ত্র সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার সাথে কতোটা সাংঘর্ষিক



ইবলীসের প্রকৃত অনুসারী এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী উরফে লা’নাতুল্লাহ নারবাসী


ইবলীস সে জিন জাতীর অর্ন্তভুক্ত। সে আবিদ, আলিম ও ওয়ায়িজই শুধু ছিল না উপরন্তু সে ছিল মুয়াল্লিমুল মালাকূত অর্থাৎ হযরত ফেরেশ্তা আলাইহিমুস সালাম উনাদের শিক্ষক। এরপরও সে কিন্তু মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত নবী ও রসূল হযরত আবুল বাশার আদম ছফিউল্লাহ



পৃথিবীর ইতিহাসে একমাত্র ব্যক্তিত্ব যিনি ……………………..


=>পৃথিবীর ইতিহাসে উল্লেখযোগ্য একমাত্র ব্যক্তিত্ব যিনি এ যামানায় সম্ভব সকল সুন্নত পালন করে থাকেন। => পৃথিবীর ইতিহাসে একমাত্র ব্যক্তিত্ব যিনি ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে “সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ ” তথা সর্বশ্রেষ্ঠ ঈদ বলে ঘোষনা দেন। => পৃথিবীর ইতিহাসে একমাত্র ব্যক্তিত্ব যিনি