মেঘমালা -blog


...


 


আয়-বৈষম্য দূরীকরণের জন্য প্রধান ২টি কার্যক্রমই যথেষ্ট


আয়-বৈষম্য দূরীকরণের জন্য প্রধান ২টি কার্যক্রমই যথেষ্ট। ১) যাকাত ব্যবস্থা ও ২) সুদবিহীন অর্থনীতি। বাংলাদেশে বর্তমানে হাজার কোটি টাকা ব্যালেন্স আছে, এমন লোকের সংখ্যাও হয়ত কয়েক দশকের ঘরে রয়েছে। আর শত কোটি টাকাওয়ালার সংখ্যা শতকের ঘরে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। এবার দেখুন, যার



সম্মানীত শরীয়ত উনার সাথে সাংঘর্ষিক ও হারাম প্রতিটি বিষয়ই ক্ষতিকর, যার জাজ্বল্য উদাহরণ কথিত ‘গণতন্ত্র’


গণতন্ত্র একদিক থেকে যেমন দেশ ও জাতির অনিষ্টকারী দুরারোগ, তদ্রুপ এর দ্বারা সম্মানিত দ্বীন ইসলাম ও মুসলমানদের ক্ষতিসাধনও কম হয় না। বরং প্রকৃতপক্ষে এটি দ্বীন ইসলাম উনারই বেশি ক্ষতিসাধন করেছে। আব্রাহাম লিঙ্কন প্রবর্তিত গণতন্ত্র সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার সাথে কতোটা সাংঘর্ষিক



ইবলীসের প্রকৃত অনুসারী এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী উরফে লা’নাতুল্লাহ নারবাসী


ইবলীস সে জিন জাতীর অর্ন্তভুক্ত। সে আবিদ, আলিম ও ওয়ায়িজই শুধু ছিল না উপরন্তু সে ছিল মুয়াল্লিমুল মালাকূত অর্থাৎ হযরত ফেরেশ্তা আলাইহিমুস সালাম উনাদের শিক্ষক। এরপরও সে কিন্তু মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত নবী ও রসূল হযরত আবুল বাশার আদম ছফিউল্লাহ



পৃথিবীর ইতিহাসে একমাত্র ব্যক্তিত্ব যিনি ……………………..


=>পৃথিবীর ইতিহাসে উল্লেখযোগ্য একমাত্র ব্যক্তিত্ব যিনি এ যামানায় সম্ভব সকল সুন্নত পালন করে থাকেন। => পৃথিবীর ইতিহাসে একমাত্র ব্যক্তিত্ব যিনি ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে “সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ ” তথা সর্বশ্রেষ্ঠ ঈদ বলে ঘোষনা দেন। => পৃথিবীর ইতিহাসে একমাত্র ব্যক্তিত্ব যিনি



সুমহান বরকতময় ২৮শে জুমাদাল উলা শরীফ। সুবহানাল্লাহ! আফদ্বালুন নাস বা’দাল আম্বিয়া, খলীফাতু রসূলিল্লাহ সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম


নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘আমি মহান আল্লাহ পাক উনাকে ব্যতীত যদি অন্য কাউকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করতাম তাহলে হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম উনাকেই বন্ধুরূপে গ্রহণ করতাম।’ সুবহানাল্লাহ! সুমহান বরকতময় ২৮শে জুমাদাল উলা



হযরত শায়খ আলাইহিস সালাম উনার প্রতি মুরিদের আদব 


  সম্মানিত তাছাউফ উনার পুরাটাই আদব উনার অন্তর্ভুক্ত। মুরিদের আদব হচ্ছে হযরত শায়খ আলাইহিস সালাম উনার প্রতি পরিপূর্ণ হুসনে যন রাখা, উনাকে যথাযথ তা’যীম-তাকরীম করার সাথে সাথে উনার সম্মানিত আওলাদ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকেও শায়খ আলাইহিস সালাম উনার ন্যায় সম্মান করা। কেননা,



বিকেন্দ্রীকরণই একমাত্র সমাধান 


ঢাকায় চাকার গতি ১০ বছর আগে ছিল ঘণ্টায় ২১ কিলোমিটার, আর বর্তমানে তা প্রায় ৪ কিলোমিটারে নেমে আসছে। মানুষের হাঁটার গতির মান ঘণ্টায় গড়ে পাঁচ কিলোমিটারের মতো। এর মানে কী? গাড়িগুলো কি হেঁটে যাচ্ছে। ‘ঘোড়ায় চড়িয়া মর্দ হাঁটিয়া চলিল’ দশাই কি



পথহারা, বেদিশা ও পথভ্রষ্টদের বলছি… 


মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করে বান্দা-বান্দীকে দোয়া শিক্ষা দেন, ‘ইয়া আল্লাহ পাক, আমাদেরকে দুনিয়া এবং আখিরাত উভয় জাহানে কল্যাণ দান করুন এবং জাহান্নামের আযাব থেকে পানাহ দান করুন। আপনারা সবাই এ পবিত্র



প্রসঙ্গ: সীমান্তে সন্ত্রাসী বিএসএফ কর্তৃক বাংলাদেশী হত্যা 


ভারতের সীমান্ত বাহিনী হানাদার বিএসএফ বাংলাদেশ সীমান্তে অনেক দিন ধরে বাংলাদেশীদের উপর গুলি চালিয়ে আসছে; যাতে নিহত হয়েছেন বহু বাংলাদেশী। এমন কোনো দিন নেই যেদিন হানাদার বিএসএফ সীমান্তে বাংলাদেশীদের উপর নির্যাতন চালায় না। কিন্তু কি সরকার, কি জনগণ কেউ-ই প্রতিবাদ জানায়



বিধর্মী বিজাতীদের বিপরীত আমল করার শিক্ষা ‘পবিত্র ইফতারী’


আজকাল অনেকে বলে থাকে, সর্বক্ষেত্রে কি ইহুদী-নাছারাদের সাথে মিল না রেখে, তাল না মিলিয়ে চলা যাবে? নাউযুবিল্লাহ! অথচ পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- “যে ব্যক্তি যে জাতি বা কওমের সাথে মিল-মুহব্বত রাখবে, ক্বিয়ামতের ময়দানে তার হাশর-নশর তাদের সাথেই



প্রথম আলোর কাঁধ থেকে শয়তান কি কখনো নামবে না?


সুযোগ পেলেই ইসলাম বিদ্বেষী পরিচয়টা দিতে ভুল করেনা। দূর পরবাস =>আমেরিকা সেকশনে “বান্ধবী বনাম বউ ” প্রবন্ধে পবিত্র হাদীছ শরীফ নিয়ে কটাক্ষ করে। মূল লিংকঃhttp://archive.is/qMNA8 পরবর্তীতে অনেক পাঠকের প্রতিবাদে তা ফেসবুক থেকে ডিলিট করে দেয় এবং মূল লিংক থেকে এডিট করে



ব্যক্তির জন্যই রাষ্ট্র; কিন্তু রাষ্ট্রের জন্য ব্যক্তি নয়। আর দ্বীনদার বা ধর্মপ্রাণ ব্যক্তির জন্য দ্বীন বা ধর্মটাই সবচেয়ে বড়।


পবিত্র ‘ইসলাম’ শব্দের অর্থ হচ্ছে শান্তি। পবিত্র ‘ইসলাম’ই পেরেছে এবং পারে যমীনে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে। পবিত্র ইসলাম উনার বাইরে কোথাও শান্তি পাওয়া যায়নি এবং যাবেও না। কাজেই শরয়ী পর্দা পালনই শান্তি স্থাপন করতে পারবে। শরয়ী পর্দার অভাবেই আজ সবদিকেই শুধু অশান্তি