মেঘমালা -blog


...


 


ব্যক্তির জন্যই রাষ্ট্র; কিন্তু রাষ্ট্রের জন্য ব্যক্তি নয়। আর দ্বীনদার বা ধর্মপ্রাণ ব্যক্তির জন্য দ্বীন বা ধর্মটাই সবচেয়ে বড়।


পবিত্র ‘ইসলাম’ শব্দের অর্থ হচ্ছে শান্তি। পবিত্র ‘ইসলাম’ই পেরেছে এবং পারে যমীনে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে। পবিত্র ইসলাম উনার বাইরে কোথাও শান্তি পাওয়া যায়নি এবং যাবেও না। কাজেই শরয়ী পর্দা পালনই শান্তি স্থাপন করতে পারবে। শরয়ী পর্দার অভাবেই আজ সবদিকেই শুধু অশান্তি



যারা বিনা হিসাবে জান্নাত লাভ করতে চায়; তাদের জন্য ফরয হচ্ছে ‘পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ’ পালন করা


প্রত্যেক মুসলমান মাত্রই সম্মানিত জান্নাত প্রত্যাশী। আর তা সম্ভব কেবল পবিত্র ঈমান উনার সাথে দুনিয়া থেকে বিদায় নিতে পারলেই। অতএব, যারা চায় তাদের দুনিয়া থেকে বিদায়টা হোক পবিত্র ঈমান উনার সাথে, তাদের জন্য বিশেষ খোশ সংবাদ হচ্ছে, আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত



অনুসরণীয় চার মাযহাব উনাদের ফতওয়া মুতাবিক সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন, রহমাতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্পর্কে, উনার সম্মানিত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম অর্থাৎ উনার সম্মানিত আব্বা-আম্মা আলাইহিমাস সালাম উনাদের সম্পর্কে, উনার সম্মানিতা আওয়াজে মুত্বহহারাত হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের সম্পর্কে এবং উনার সম্মানিত আওলাদ



নাজাতের সহজ পদ্ধতি হচ্ছে- পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করা


সাধ্য-সামর্থ্য অনুযায়ী খরচ করে প্রত্যেক মুসলমানই নাজাত চায়, মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের মুবারক সন্তুষ্টি চায়, রহমত চায়। আর পবিত্র নাজাত, মুবারক সন্তুষ্টির সহজ মাধ্যম হচ্ছে- মহান আল্লাহ পাক



সাবধান! আপনার সন্তানকেও দূরে রাখুন- পূজার মূর্তিগুলো দেখলে মুসলিম সন্তানের ঈমানের উপর বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে


হিন্দুরা এক সময় তাদের নির্দিষ্ট মন্দিরে পূজা করলেও ইদানীং তাদেরকে বিভিন্ন রাস্তাঘাটে অলিগলিতে, স্কুল-কলেজের মাঠে ও বাজারে প্রকাশ্যে পূজামন্ডপ করতে দেখা যায়। যে কারণে দেখা যায় ইচ্ছা-অনিচ্ছায় মুসলমানদের অনেকেই সে সব পুজামন্ডপে যায়। এমনকি অনেকে তাদের শিশুদেরও সেখানে নিয়ে যায়। অথবা



কাফিরদের প্রবর্তিত দিবস নয়, শান্তি পেতে হলে সর্বোচ্চ ফযীলতপূর্ণ দিবস পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করতে হবে


মুসলমানদের আজ এতো করুণ অবস্থা কেন? তারা শান্তির পথ ছেড়ে অশান্তির পথে চলছে অর্থাৎ রহমতের পথ ছেড়ে গযবের পথ ধরেছে। নাউযুবিল্লাহ! অথচ মহান আল্লাহ পাক তিনি মানব জাতির প্রকৃত শান্তি ও কামিয়াবীর সবচেয়ে সহজ পথ দেখিয়ে দিয়েছেন। আর তা হলো রহমতপূর্ণ,



সর্বকালের সর্বযুগের সর্বশ্রেষ্ঠ মুজাদ্দিদ, সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালাম পাক উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন- وَلِلّٰـهِ الْعِزَّةُ وَلِرَسُوْلِهٖ وَلِلْمُؤْمِنِيْنَ وَلٰكِنَّ الْمُنَافِقِيْنَ لَا يَعْلَمُوْنَ অর্থ: “সমস্ত ইজ্জত-সম্মানের অধিকারী মহান আল্লাহ তিনি এবং উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি, আর



পবিত্র কারবালা উনার হাক্বীক্বী ঘটনা এবং শিক্ষা: মুজাদ্দিদে আ’যম উনার ছোহবত মুবারক ব্যতীত অর্জন সম্ভব নয়


পবিত্র আশূরা মিনাল মুহররম শরীফ যেমন বরকতময় দিন তেমনি পবিত্র কারবালা ময়দানের ইতিহাস হৃদয় বিদারক ঘটনার দিন। মুসলমানগণ এই দিন এবং পবিত্র কারবালা উনার ঘটনা কম-বেশি সকলেই জানে। যারা টুকটাক জানে, তারা ভ্রান্ত আক্বীদাসম্পন্ন, শিয়া মতাবলম্বী মীর মুশাররফ হোসেনের বই পড়ে



হিদায়েত ও নছীহতের নিরূপমা দিশারী, নাজাতের কান্ডারী, জান্নাতী মেহমান, হযরত সাইয়্যিদাতুল উমাম আছ ছালিছা আলাইহাস সালাম তিনি সাইয়্যিদুনা হযরত


আন নি’মাতুল কুবরা আলাল আলাম, সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদে আ’যম, হুজ্জাতুল ইসলাম, ছাহিবু সুলত্বানিন্ নাছির, জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বউইয়্যুউল আউওয়াল, আওলাদে রসূল, আস্ সাফফাহ সাইয়্যিদুনা মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা কা’বা আলাইহিস সালাম এবং উনার ছাহিবাতুল মুকাররামা, ওলীয়ে মাদারযাদ, আওলাদে রসূল, ক্বায়িম-মাক্বামে হযরত উম্মুল মু’মিনীন



বদ আক্বীদা ও বদ আমলকারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানে পবিত্র কুরবানী পশুর চামড়া কিংবা চামড়া বিক্রির অর্থ প্রদান করা জায়িয


পবিত্র কুরবানী করার জন্য কুরবানী উনার পশু যেমন বিভিন্ন শরয়ী খুঁতমুক্ত হতে হয় তেমনি কুরবানী পশুর চামড়া বা চামড়া বিক্রির অর্থও শরয়ী খুঁতমুক্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানে প্রদান করতে হয়, নতুবা কুরবানী কবুল হবে না। কেননা মহান আল্লাহ পাক তিনি নির্দেশ মুবারক



পবিত্র হজ্জ করার সময় ছবি তোলা বন্ধ করুন


পবিত্র হজ্জ উনার সময় নাফরমানীমূলক কাজ থেকে বিরত থাকা ব্যতীত মকবুল পবিত্র হজ্জ বা খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সন্তুষ্টি মুবারক নেই। সেটাই মহান আল্লাহ পাক



সউদী ওহাবী সরকারের অমাবস্যার রাতে চাঁদ দেখার ঘোষণা কোটি কোটি হাজী সাহেবের পবিত্র হজ্জ নষ্ট করার পাঁয়তারা


ইহুদীর বংশধর সউদী ওহাবী মুনাফিক সরকার একবার পবিত্র যিলহজ্জ মাস উনার চাঁদ দেখার ঘোষণা দিয়েছিল, সেদিন ছিলো অমাবস্যার সন্ধ্যা। অর্থাৎ চাঁদ ছিলো মাত্র আধা ডিগ্রি উপরে। অথচ চাঁদ দৃশ্যমান হওয়ার জন্য কমপক্ষে ৮ ডিগ্রি উচ্চতায় চাঁদের অবস্থান থাকতে হবে। অমাবস্যার রাতে