মেঘমালা -blog


...


 


স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক তিনি নিজেই সাক্ষ্য দিচ্ছেন- মুসলমানদের চিরশত্রু বেদ্বীন-বদদ্বীনরা মুসলমানদের প্রকাশ্যে ও গোপনে ক্ষতিসাধনে লিপ্ত


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, يٰاَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لا تَتَّخِذُوا بِطَانَةً مِّن دُونِكُمْ لا يَأْلُونَكُمْ خَبَالا وَدُّوا مَا عَنِتُّمْ قَدْ بَدَتِ الْبَغْضَاءُ مِنْ أَفْوَاهِهِمْ وَمَا تُخْفِي صُدُورُهُمْ أَكْبَرُ قَدْ بَيَّنَّا لَكُمُ الْآيَاتِ إِن كُنتُمْ تَعْقِلُونَ অর্থ: হে মু’মিনগণ! আপনারা



তোমরা চাঁদ দেখে পবিত্র রোযা শুরু করো এবং চাঁদ দেখে ঈদ করো।


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা চাঁদ দেখে পবিত্র রোযা শুরু করো এবং চাঁদ দেখে ঈদ করো। যদি কোনো কারণে ২৯শে শা’বান শরীফ চাঁদ দেখা না যায়, তবে শা’বান শরীফ মাস ত্রিশ দিন



নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম এবং আওলাদ আলাইহিমুস


নূরে মুজাসসাম হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- اَلْقَاضِىْ لَـهُمْ حَوَائِجَهُمْ অর্থ: “যারা আমার বংশধর সম্মানিত আওলাদ ও সম্মানিত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মাল দিয়ে, সম্পদ দিয়ে খিদমত মুবারকের আঞ্জাম দিবে তাদেরকে আমি ক্বিয়ামতের দিন



পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার বিপরীত বক্তব্য প্রদানকারী ও বিশ্বাসকারী কেউই ঈমানদার নয়


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, কোন রোগই ছোঁয়াছে বা সংক্রমণ নয়। উক্ত পবিত্র হাদীছ শরীফখানা বুখারী শরীফ কিতাব, মুসলিম শরীফ কিতাব



যে ব্যক্তি যে সম্প্রদায়ের সাথে মিল-মুহব্বত বা বন্ধুত্ব রাখবে সে ব্যক্তি সেই সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত বলে গণ্য হবে।


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘হে ঈমানদাররা! তোমরা ইহুদী-নাছারা তথা বিধর্মীদের বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করো না। তারা একজন আরেকজনের বন্ধু। মু’মিনদের মধ্যে যে ব্যক্তি বিধর্মীদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করবে সে তাদের দলভুক্ত বলেই গণ্য হবে।’ নাউযুবিল্লাহ! নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ



মুসলমানদের উচিত সপ্তাহের বারসমূহের নাম পবিত্র হাদীছ শরীফ অনুযায়ী উচ্চারণ করা


একজন বয়োঃপ্রাপ্ত ও সুস্থ বিবেকসম্পন্ন মুসলমান পুরুষ-মহিলার জন্য দৈনিক ৫ ওয়াক্ত নামায আদায় করতে হয়। এ পাঁচ ওয়াক্ত নামাযের নামকরণ পবিত্র হাদীছ শরীফ দ্বারাই হয়েছে। যেমন ফজর, যুহর, আছর, মাগরিব ও ‘ইশা। আজ পর্যন্ত কোন মুসলমান এই পাঁচ ওয়াক্ত নামাযকে ওয়াক্তের



পবিত্র রজবুল হারাম শরীফ মাস সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা


রজবুল হারাম মাস উনার নামকরণ: পবিত্র রজব মাসের নাম রজব হওয়ার ব্যাপার নানারূপ মতো রয়েছে। মূলত, রজব শব্দটি ‘তারজীব’ শব্দ হতে নির্গত। তারজীব শব্দের অর্থ কোনো জিনিস তৈরি করা বা অগ্রসর হওয়া। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম



বাল্যবিবাহের বিরোধী যেই হোক ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী তারা কেউই মুসলমান নয়


দেশের জনগণের শাসনভার ন্যস্ত হয়েছে জনপ্রতিনিধিদের উপর। এখানকার মোট জনসংখ্যার ৯৮% জনগণ হচ্ছেন মুসলমান। উনাদের অনুসরণীয় বিধান হচ্ছেন সম্মানিত দ্বীন ইসলাম। অর্থাৎ পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ মুতাবিক আক্বীদা পোষণ করা ও আমল করা মুসলমানদের জন্য ফরয। আমলের ক্ষেত্রে



ইতিহাসে বলছে- যে সকল মুসলিম নামধারী শাসকরা বিধর্মীদের প্রাধান্য দিয়েছে তাদের হাত ধরেই পরাধীনতাগুলো এসেছে


ভারতবর্ষের হাজার বছরের মুসলিম শাসনের ইতিহাসে সর্বশ্রেষ্ঠ শাসক হচ্ছেন হযরত আওরঙ্গজেব আলমগীর রহমতুল্লাহি আলাইহি। বলা হয়, উনার বিছালী শান মুবারক গ্রহণের পরপরই ভারতবর্ষে মুসলিম শাসনের অবক্ষয় ও পতন শুরু হয়। কারণ হযরত আওরঙ্গজেব আলমগীর রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পরবর্তী শাসকগণ ইসলামী আদর্শ



ইবলিস শয়তানের প্রধান তিনটি ধোঁকা থেকে বেঁচে থাকুন


ইবলিস শয়তান মানুষের জন্য প্রধান ও প্রকাশ্য শত্রু। সে চায় সবসময় মানুষকে ধোঁকা দিয়ে গোমরাহ বানাতে। তাই তার ধোঁকা থেকে বেঁচে থাকতে হবে। ইবলিসের প্রধান তিনটি ধোঁকা- ১. মহান আল্লাহ পাক উনার মুবারক যিকির থেকে গাফিল রাখা। ২. হযরত আওলিয়ায়ে কিরাম



নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত থাকুন


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘প্রত্যেক নফসকে মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে।” আর হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “মৃত্যু তোমাদেরকে এমনভাবে তালাশ করে যেভাবে রিযিক তোমাদেরকে তালাশ করে।” মানুষ মরণশীল। প্রত্যেকের এক দিন না একদিন সবকিছু ত্যাগ



উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত হাদিয়া আশার আলাইহাস সালাম উনার বিভিন্ন বিষয়ে উম্মতদেরকে তা’লীম প্রদান


মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র শরীয়ত মুবারক উনার বিষয়ে উম্মত উনাদেরকে তা’লীম প্রদান: এ সম্পর্কে ‘বুখারী শরীফ’-এ বর্ণিত রয়েছে, عَنْ زَيْنَبَ بِنْتِ أَبِي سَلَمَةَ قَالَتْ لَمَّا جَاءَ نَعْيُ أَبِي سُفْيَانَ مِنَ الشَّأْمِ، دَعَتْ أُمُّ حَبِيبَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا بِصُفْرَةٍ فِي اليَوْمِ الثَّالِثِ فَمَسَحَتْ