মেঘমালা -blog


...


 


নূরুল কায়িনাত, আন নূরুল মুত্বহ্হারহ, নূরুল্লাহ, নূরুল উমাম, আন নূরুল মুকাররামহ, উম্মু আবীহা, আন নূরুর রবি‘য়াহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা


মুজাদ্দিদে আ’যম মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিছ ছলাতু ওয়াস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মানিত নুবুওওয়াত ও রিসালত মুবারক প্রকাশ পাওয়ার পর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তা সর্বপ্রথম উম্মুল



আন নূরুর রবি‘য়াহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার কতিপয় খাছ গুণাবলী মুবারক


সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ তথা জান্নাতী মহিলা উনাদের সাইয়্যিদা হচ্ছেন উম্মু আবীহা আন নূরুর রবি‘য়াহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম তিনি। উনার লক্বব মুবারক বা গুণাবলী মুবারক অগণিত। তন্মধ্যে কয়েকটি হলো- এক. উম্মু আবীহা : অর্থাৎ তিনি উনার পিতা সাইয়্যিদুনা রসূলুল্লাহ



সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে আহলু বাইতি


মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সম্মানিত শান মুবারক-এ আখাচ্ছুল খাছ বিশেষ তিনখানা সম্মানিত ও পবিত্র হাদীছ শরীফ, যেই সম্মানিত ও পবিত্র হাদীছ শরীফসমূহ মুজাদ্দিদে আ’যম মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিছ ছলাতু ওয়াস সালাম



ভ্যালেন্টাইন ডে থেকে মুসলমানদের অবশ্যই মুক্ত হতে হবে


নতুন নতুন ফাঁদে ফেলে মুসলমানদেরকে বিপদগামী করার জন্য ইহুদী-মুশরিক, নাছারা তথা সকল বিধর্মীদের কু-পরিকল্পনার অন্তঃ নেই। বিভিন্ন বিচিত্র ধরণের উপায়ে, কৌশলে তারা বিভিন্ন দিবস চালু করেছে। আর এর জন্য তারা ব্যবহার করছে মিডিয়া বা সংবাদ মাধ্যমগুলোকে। মুসলমানদের আকর্ষিত করার জন্য তারা



পিতা-মাতা উনাদের প্রতি সন্তানের কর্তব্য


মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার পবিত্র কালাম পাক উনার পবিত্র সূরা বনী ইসরাইল শরীফ উনার ২৩ নম্বর পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমাদের রব তায়ালা তিনি আদেশ মুবারক দিয়েছেন যে, তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার ব্যতীত কারো ইবাদত



আকরামুল আউওয়ালীন ওয়াল আখিরীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং উনার মহাসম্মানিত হযরত আহলু


কারো অন্তরে সম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের প্রতি বিদ্বেষ থাকে, তাহলে তার নামায, রোযা, হজ্জ, যাকাতসহ সমস্ত আমল বরবাদ হয়ে সে চিরজাহান্নামী হয়ে যাবে। না‘ঊযুবিল্লাহ! এই সম্পর্কে সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- اَلَا وَمَنْ مَاتَ



শিক্ষানীতির নীতিই যখন প্রশ্নবিদ্ধ: পাঠ্যপুস্তক, নাকি অমুসলিম-বিধর্মীদের ‘প্রশংসা-পুস্তক’?


বেখবর বাংলার কোটি কোটি মুসলমান! মুশরিক ও নাস্তিক-মুরতাদদের প্লানগুলো একে একে বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে স্তরে হিন্দুকরণ ও নাস্তিকদের পদায়নের পর এখন এ দেশের স্কুল, কলেজ, মাদরাসাসহ সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাঠ্যপুস্তকগুলোকে সেই নীলনকশা বাস্তবায়নের আয়ত্তে আনা হয়েছে এবং হচ্ছে। ক্লাস ওয়ান



সুমহান ১৯শে রবীউছ ছানী: পবিত্র ঈদে বিলাদতে সাইয়্যিদাতুনা হযরত নিবরাসাতুল উমাম আলাইহাস সালাম


সমস্ত প্রশংসা, ছলাত ও সালাম, বেশুমার শুকরিয়া মহান ইমামুল উমাম, খলীফাতুল্লাহ, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, হাবীবুল্লাহ, আওলাদে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার প্রতি। যিনি হচ্ছেন আমাদের জন্য সবচেয়ে বড় নিয়ামত এবং রহমত। উনার লক্ষ-কোটি দয়া



আল হাদিউ, আলুল্লাহি, আকরামুল উম্মাতি, ছালিছুল ক্বওমী, খলীফায়ে ছালিছ, আমীরুল মু’মিনীন হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার সুমহান শান-মান


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “ইজ্জত ও সম্মান হচ্ছে কেবলমাত্র মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন উনার জন্য এবং উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার জন্য আর যারা ঈমানদার



সউদী ওহাবী ইহুদী সরকার চাঁদ দেখে পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস ঘোষণা করলো কিনা এ ব্যাপারে সকলকেই সজাগ দৃষ্টি রাখতে


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, صوموا لرؤيته وافطروا لرؤيته অর্থাৎ- “তোমরা চাঁদ দেখে রোযা রাখো, চাঁদ দেখে ঈদ করো।” এ পবিত্র হাদীছ শরীফ দ্বারা সাব্যস্ত হয় যে, প্রতি আরবী মাসের ২৯ তারিখে চাঁদ তালাশ করা ওয়াজিবে কিফায়া। অর্থাৎ



স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক উনার বিধান পবিত্র কুরবানী ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সর্ম্পকে সরকারের নয়


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “হে হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! অতএব, আপনি আপনার রব উনার সন্তুটি মুবারক উনার জন্য নামায পড়ৃন এবং কুরবানী করুন। (পবিত্র সূরা কাউছার শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ-২) উল্লেখ্য, এখানে



বাল্য বিবাহের বিরোধীতা করে সমাজের ছেলে ও মেয়েদের ঠেলে দেয়া হচ্ছে অসামাজিক কাজে।


বাল্য বিবাহ বিরোধী অনেক প্রচারনা শোনা যায় কিন্তু এসব ছেলে মেয়েরা যখন অসামাজিক কর্মে লিপ্ত হয় সেটা নিয়ে কেউ কথা বলে না। সংবাদপত্র সমূহে প্রতিনিয়ত এমন সব সংবাদ আসছে সেগুলো দেখলে সবাই বুঝবেন বাল্য বিবাহের বিরোধীতার কুফল কিভাবে সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে