মেঘমালা -blog


...


 


বাশীরা, নাজীরা হযরত শাহযাদীয়ে ছানী আলাইহাস সালাম তিনি মহান আল্লাহ পাক উনার কুদরত এবং হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহ


যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার বেমেছাল কুদরত মুবারক এবং নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহ ওয়া সাল্লাম উনার বেমেছোল মুজিযা শরীফ উনাদের অনুপম বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে ক্বায়িম-মক্বামে হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম, ক্বায়িম-মাক্বামে সাইয়্যিদাতুন নিসা ফিল জান্নাহ, সাইয়্যিদাতুন নিসা,



প্রত্যেক জাতিই তার নিজ শত্রুকে চিনে অথচ তথাকথিত মুসলমানরা তাদের শত্রু চিনে না


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি মুসলমানদের শত্রু কারা তা সরাসরি বলে দিয়েছেন। আর নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনিও তা মুসলমানদেরকে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু আজ সারাবিশ্বে মুসলমানদেরকে নিয়ে যে কুটকৌশল ও ষড়যন্ত্র চলছে তা



মুসলিম সাংবাদিকের চোখে সন্ত্রাসী বা ধর্মব্যবসায়ীদের বইকে ‘জিহাদী বই’ লেখা প্রসঙ্গে


“গতকাল রাজধানীর একটি মেস থেকে ককটেল, চাপাতি, দেশীয় অস্ত্রসহ বিপুল পরিমাণ জিহাদী বই উদ্ধার করেছে র‌্যাব” -আমাদের দেশসহ বিশ্বজুড়ে সকল সাংবাদিক, দৈনিক পত্রিকাসহ সমস্ত মিডিয়াগুলোর খুব স্বাভাবিক ভাষা এরকমই। আর এ ধরনের ভাষায় সংবাদ পড়তে আমরাও অভ্যস্ত। কিন্তু এই সংবাদের মধ্যেই



কোন্ স্থান বা কোন্ দেশ থেকে প্রথম চাঁদ দেখা যাবে?


একমাত্র অমাবস্যার সময় সূর্য, চন্দ্র, পৃথিবী মোটামোটিভাবে একই রেখা বরাবর অবস্থান করে। পৃথিবীর চারদিকে চাঁদের ঘূর্ণন গতির দরুন চাঁদ তার অবস্থান থেকে দূরে সরে যেতে থাকে। পৃথিবী পৃষ্ঠের একজন দর্শক যদি তার চোখ থেকে সূর্যে এবং চাঁদে দুটো রেখা কল্পনা করে



কোন্ স্থান বা কোন্ দেশ থেকে প্রথম চাঁদ দেখা যাবে? (১)


চাঁদ দেখতে আসলে কি দরকার? শুধু কি খুব ভালো চোখ? নাকি শুধু পরিষ্কার আকাশ। নাকি খুব ভালো চোখ আর পরিষ্কার আকাশ- এ দুটো থাকলেই চাঁদ দেখা যাবে। না তাও না । চাঁদ দেখতে সাধারণভাবে দরকার ১) চাঁদের প্রয়োজনীয় পরিমাণ প্রতিফলিত আলো



দেশের প্রতিটি সেক্টরেই হিন্দুরা দেশের ৯৮ ভাগ মুসলমানদের কষ্ট দিয়ে যাচ্ছে, দেশ ও জাতির স্বার্থেই তাদের দেশ থেকে বিতাড়িত


ইন্টারনেটে ইসলামবিদ্বেষী কর্মকাণ্ডে, সম্মানিত দ্বীন ইসলাম এবং উনার পবিত্র বিষয়সমূহ নিয়ে প্রতিনিয়ত কটূক্তি, ব্যঙ্গ-বিদ্রƒপ করে দেশের ৯৮ ভাগ অধিবাসী মুসলমানের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের পর আঘাত করে রক্তক্ষরণ করে যাচ্ছে যবন, ম্লেচ্ছ, অস্পৃশ্য, নাপাক, অচ্ছুত জাত হিন্দু মালউনরা। এই কুলাঙ্গারদের মধ্যে আছে



আক্বল সমঝ বিনষ্ট হলে যা হয়! পবিত্র ফাতিহায়ে ইয়াযদাহম শরীফ উনার বিরোধিতায় দেওবন্দী উলামায়ে ‘সূ’র অপতৎপরতা


জনৈক দেওবন্দী ওহাবী মুফতে ‘পবিত্র ফাতিহায়ে ইয়াযদাহম’ শরীফ উনার বিরোধিতা করতে গিয়ে বলেছে, ‘ইসলামী শরীয়ত উনার বিধান সবগুলো আরবী ভাষায় ব্যবহৃত। এ কথা স্বতঃসিদ্ধ অথচ বর্তমান মুসলিম সমাজে ফারসী পরিভাষায় নানা রসম প্রচলিত রয়েছে। এ থেকেই তো স্পষ্ট যে, পবিত্র দ্বীন



আন্তর্জাতিক ঋণ শোধ করা সম্ভব হবে না : গ্রিস


ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর কাছ থেকে নেয়া ঋণ পুরোপুরি শোধ করা সম্ভব হবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে গ্রিসের নতুন সরকার। গত ইয়াওমুল আহাদ (রবিবার) নির্বাচনে বিজয়ী সিরিজা পার্টির অর্থনীতি বিষয়ক প্রধান মুখপাত্র ইউক্লিড সাকালোটোস বলেছে, বিশাল ঋণের পুরোটা গ্রিস পরিশোধ করবে,



ষষ্ঠ হিজরী শতাব্দীর মহান মুজাদ্দিদ, সাইয়্যিদুল আউলিয়া, মাহবুবে সুবহানী, গউছুল আ’যম হযরত বড়পীর ছাহিব রহমতুল্লাহি আলাইহি


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ঘোষিত মহান মুজাদ্দিদগণ উনাদের আগমনের ধারাবাহিকতায় হিজরী ষষ্ঠ শতাব্দীর মহান মুজাদ্দিদরূপে মিল্লাতে মুসলিমে প্রেরিত হন- সাইয়্যিদুল আউলিয়া, মাহবুবে সুবহানী, গউছুল আ’যম হযরত শায়েখ মুহিউদ্দিন আব্দুল ক্বাদির জিলানী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি। হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম



রাজনৈতিক কর্মসূচিতে কথিত ‘লাখো জনতার ঢল’ একটি গণতান্ত্রিক ধোঁকা॥ এ ঢল কি সাধারণ মানুষের, নাকি দলীয় আর ভাড়াটে লোকদের?


গণতান্ত্রিক রাজনীতির একটি বড় হাতিয়ার হচ্ছে মিডিয়া (গণমাধ্যম)। মিডিয়ায় প্রচারণার মাধ্যমে গণতন্ত্রের রাজনৈতিক দলগুলো জনগণের চিন্তা জগতে তাদের পক্ষে অনুভূতি সৃষ্টি করে। দৃষ্টান্তস্বরূপ উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার (২৭/১/২০১৫ ঈসায়ী) বায়তুল মোকাররম মসজিদে অনেক লোকের অংশগ্রহণে খালেদা জিয়ার ছোট ছেলের জানাযা অনুষ্ঠিত হয়।



৯৮ ভাগ মুসলমানদের দেশে কোনো হিন্দু ব্যক্তি প্রধান বিচারক হতে পারে না


মহান আল্লাহ পাক তিনি কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন,“তোমরা তোমাদের সবচেয়ে বড় শত্রু হিসেবে পাবে ইহুদী অতঃপর মুশরিকদেরকে।” (পবিত্র সূরা মায়িদা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৮২) মহান আল্লাহ পাক তিনি অন্যত্র ইরশাদ মুবারক করেন, “আহলে কিতাব তথা ইহুদী-নাছারাদের অধিকাংশই



গাজায় মুসলমানদের হত্যা করার জন্য সেনাদের পুরস্কার দেবে সন্ত্রাসী ইসরাইল


ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় বর্বর আগ্রাসন চালানো এবং টানা ৫০ দিন যুদ্ধ করার জন্য সেনাদের পুরস্কার দেবে ইহুদিবাদী ইসরাইল। গত জুলাইয়ের প্রথম দিকে শুরু হয়ে ওই যুদ্ধ ৫০ দিন স্থায়ী হয় এবং তাতে অন্তত ২,১০০ ফিলিস্তিনি শহীদ ও প্রায় ১২,০০০ আহত