মেঘমালা -blog


...


 


দেশের প্রতিটি সেক্টরেই হিন্দুরা দেশের ৯৮ ভাগ মুসলমানদের কষ্ট দিয়ে যাচ্ছে, দেশ ও জাতির স্বার্থেই তাদের দেশ থেকে বিতাড়িত


ইন্টারনেটে ইসলামবিদ্বেষী কর্মকাণ্ডে, সম্মানিত দ্বীন ইসলাম এবং উনার পবিত্র বিষয়সমূহ নিয়ে প্রতিনিয়ত কটূক্তি, ব্যঙ্গ-বিদ্রƒপ করে দেশের ৯৮ ভাগ অধিবাসী মুসলমানের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের পর আঘাত করে রক্তক্ষরণ করে যাচ্ছে যবন, ম্লেচ্ছ, অস্পৃশ্য, নাপাক, অচ্ছুত জাত হিন্দু মালউনরা। এই কুলাঙ্গারদের মধ্যে আছে



আক্বল সমঝ বিনষ্ট হলে যা হয়! পবিত্র ফাতিহায়ে ইয়াযদাহম শরীফ উনার বিরোধিতায় দেওবন্দী উলামায়ে ‘সূ’র অপতৎপরতা


জনৈক দেওবন্দী ওহাবী মুফতে ‘পবিত্র ফাতিহায়ে ইয়াযদাহম’ শরীফ উনার বিরোধিতা করতে গিয়ে বলেছে, ‘ইসলামী শরীয়ত উনার বিধান সবগুলো আরবী ভাষায় ব্যবহৃত। এ কথা স্বতঃসিদ্ধ অথচ বর্তমান মুসলিম সমাজে ফারসী পরিভাষায় নানা রসম প্রচলিত রয়েছে। এ থেকেই তো স্পষ্ট যে, পবিত্র দ্বীন



আন্তর্জাতিক ঋণ শোধ করা সম্ভব হবে না : গ্রিস


ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর কাছ থেকে নেয়া ঋণ পুরোপুরি শোধ করা সম্ভব হবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে গ্রিসের নতুন সরকার। গত ইয়াওমুল আহাদ (রবিবার) নির্বাচনে বিজয়ী সিরিজা পার্টির অর্থনীতি বিষয়ক প্রধান মুখপাত্র ইউক্লিড সাকালোটোস বলেছে, বিশাল ঋণের পুরোটা গ্রিস পরিশোধ করবে,



ষষ্ঠ হিজরী শতাব্দীর মহান মুজাদ্দিদ, সাইয়্যিদুল আউলিয়া, মাহবুবে সুবহানী, গউছুল আ’যম হযরত বড়পীর ছাহিব রহমতুল্লাহি আলাইহি


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ঘোষিত মহান মুজাদ্দিদগণ উনাদের আগমনের ধারাবাহিকতায় হিজরী ষষ্ঠ শতাব্দীর মহান মুজাদ্দিদরূপে মিল্লাতে মুসলিমে প্রেরিত হন- সাইয়্যিদুল আউলিয়া, মাহবুবে সুবহানী, গউছুল আ’যম হযরত শায়েখ মুহিউদ্দিন আব্দুল ক্বাদির জিলানী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি। হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম



রাজনৈতিক কর্মসূচিতে কথিত ‘লাখো জনতার ঢল’ একটি গণতান্ত্রিক ধোঁকা॥ এ ঢল কি সাধারণ মানুষের, নাকি দলীয় আর ভাড়াটে লোকদের?


গণতান্ত্রিক রাজনীতির একটি বড় হাতিয়ার হচ্ছে মিডিয়া (গণমাধ্যম)। মিডিয়ায় প্রচারণার মাধ্যমে গণতন্ত্রের রাজনৈতিক দলগুলো জনগণের চিন্তা জগতে তাদের পক্ষে অনুভূতি সৃষ্টি করে। দৃষ্টান্তস্বরূপ উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার (২৭/১/২০১৫ ঈসায়ী) বায়তুল মোকাররম মসজিদে অনেক লোকের অংশগ্রহণে খালেদা জিয়ার ছোট ছেলের জানাযা অনুষ্ঠিত হয়।



৯৮ ভাগ মুসলমানদের দেশে কোনো হিন্দু ব্যক্তি প্রধান বিচারক হতে পারে না


মহান আল্লাহ পাক তিনি কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন,“তোমরা তোমাদের সবচেয়ে বড় শত্রু হিসেবে পাবে ইহুদী অতঃপর মুশরিকদেরকে।” (পবিত্র সূরা মায়িদা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৮২) মহান আল্লাহ পাক তিনি অন্যত্র ইরশাদ মুবারক করেন, “আহলে কিতাব তথা ইহুদী-নাছারাদের অধিকাংশই



গাজায় মুসলমানদের হত্যা করার জন্য সেনাদের পুরস্কার দেবে সন্ত্রাসী ইসরাইল


ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় বর্বর আগ্রাসন চালানো এবং টানা ৫০ দিন যুদ্ধ করার জন্য সেনাদের পুরস্কার দেবে ইহুদিবাদী ইসরাইল। গত জুলাইয়ের প্রথম দিকে শুরু হয়ে ওই যুদ্ধ ৫০ দিন স্থায়ী হয় এবং তাতে অন্তত ২,১০০ ফিলিস্তিনি শহীদ ও প্রায় ১২,০০০ আহত



ইলম ছাড়া কোনো ব্যক্তি বা জাতি উন্নতি করতে পারে না। আর ইলমের ভাণ্ডার হলেন ‘পবিত্র কুরআন শরীফ’


ইলম হলো আমলের ইমাম। তাহলে ইলমের গুরুত্বটা কতটুকু? ইলম ছাড়া কি কোনো আমল হতে পারে? এজন্য নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইলম অর্জনের উপর এতো তাগিদ দিয়েছেন। ইলমকে করেছেন মর্যাদায় অধিষ্ঠিত। নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাকম



বৌদ্ধ ভিক্ষু কর্তৃক প্রতিনিধিকে ‘পতিতা’ বলায় জাতিসংঘের নিন্দা


জাতিসংঘের একজন প্রতিনিধিকে ‘দুশ্চরিত্রা’ ও ‘পতিতা’ বলায় এক বৌদ্ধ ভিক্ষুকে নিন্দা জানাতে মিয়ানমারের প্রতি আহ্বান জানিয়ছে সংস্থাটির মানবাধিকার বিষয়ক প্রধান। আশিন উইরাথু নামের ওই বৌদ্ধ ভিক্ষুর মন্তব্যকে ‘অপমানজনক’ ও ‘যৌনতা সম্পর্কিত’ বলে বর্ণনা করেছে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক প্রধান। জাতিসংঘের দক্ষিণ কোরিয়া



সর্বত্র ধর্মনিরপেক্ষতার নামে হিন্দুত্বকরণের গভীর ষড়যন্ত্র! পূজায় পূজায় ছেয়ে যাচ্ছে দেশ; বাদ যায়নি অফিসার্স ক্লাবও!


১৯৬৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ঢাকা অফিসার্স ক্লাব। কালপ্রবাহে এটি প্রজাতন্ত্রের সিনিয়র অফিসারদের মিলনস্থল হয়ে উঠেছে। এছাড়া ব্যাংক, বীমা এবং সরকারি, আধাসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারাও এর সদস্য হতে পারে। সাড়ে চার একর জমির উপর অফিসার্স ক্লাব প্রতিষ্ঠিত। একটি নির্বাহী কমিটি ক্লাবটি



দেওবন্দী মালানারাই পাপাত্মা গান্ধীকে ‘মহাত্মা’ উপাধি দিয়েছিল, পাপাত্মা গান্ধীকে তুষ্ট করতে গরু কুরবানীর বিরুদ্ধে কুফরী ফতোয়া জারি করেছিল।


দেওবন্দী মালানারাই পাপাত্মা গান্ধীকে ‘মহাত্মা’ উপাধি দিয়েছিল, পাপাত্মা গান্ধীকে তুষ্ট করতে গরু কুরবানীর বিরুদ্ধে কুফরী ফতোয়া জারি করেছিল। শুধু তাই নয়, দেওবন্দীরা এটিও ঘোষণা দিয়েছিল যে, “হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পরই পাপাত্মা গান্ধীর স্থান।” নাউযুবিল্লাহ মিন যালিক! উলামায়ে



মহান আল্লাহ পাক উনার ওলীগণ উনাদেরকে মুহব্বত করো, কেননা উনারা কবুলকৃত আর উনাদের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করো না, কেননা


মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন উনার ওলী তথা বন্ধু উনারা মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট মনোনীত ও মকবুলকৃত। ওলীআল্লাহগণ উনাদের পরিচয় মুবারক হলো- উনারা মহান আল্লাহ পাক উনাকে অধিক ভয় করেন। উনারা কখনো সম্মানিত শরীয়ত উনার বিরোধী কোনো কাজ করেন না,