মেঠোপথ -blog


...


মেঠোপথ
 


সুমহান পবিত্র ১৪ই যিলক্বদ শরীফে: এক মহান নূর মুবারক উনার তাশরীফ


১৪ই যিলক্বদ শরীফ সেই মহান নূরে মুবারক উনার তাশরীফ; যেই নূর মুবারক ছিলেন খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার কুদরত মুবারক উনার মধ্যে। যেই নূর মুবারক রসূল পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বংশ মুবারক থেকে প্রকাশিত। সেই নূর



মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আইয়্যামুল্লাহ শরীফ উনাদের সম্মানিত পরিচিতি মুবারক


اَيَّامٌ (আইয়্যাম) শব্দ মুবারকখানা يَوْمٌ (ইয়াওম্) শব্দ মুবারক উনার বহুবচন। অর্থ দিনসমূহ। আর শব্দ মুবারকখানা লফযে আল্লাহ (اللهُ শব্দ মুবারক) উনার সাথে ইযাফত হয়ে হয়েছেন- اَيَّامُ اللهِ (আইয়্যামুল্লাহ্)। সুবহানাল্লাহ! اَيَّامُ اللهِ (আইয়্যামুল্লাহ্) উনার অর্থ হচ্ছেন যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ



সংবিধানে মহান আল্লাহ পাক উনার প্রতি ‘পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস’ পুনঃস্থাপন করে জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনুন


আওয়ামী লীগ নাকি হিন্দুর দল, নাস্তিকের দল। এটা কিন্তু এক সময় সবার মুখে মুখে প্রচলিত ছিল। কিন্তু নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিতে শেখ হাসিনা যখন বললেন, “আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় গেলে পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ বিরোধী কোনো আইন পাশ হবে না” এ



পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের মধ্যে আছে বলেই কথিত জাতীয় সঙ্গীত বন্ধে রিট মামলা দায়ের করা


পবিত্র কুরআন শরীফ মহান আল্লাহ পাক উনার কালাম। আর পবিত্র হাদীছ শরীফ যিনি সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন, রহমাতুল্লিল আলামীন, খাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ক্বওল, ফে’ল ও তাকরীর অর্থাৎ কথা মুবারক, কাজ মুবারক ও



ভারতীয় আগ্রাসন আর কত তীব্র হলে সরকারের হুঁশ হবে?


বাংলাদেশ একটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশ। কিন্তু ভারতের আগ্রাসনে ক্ষতবিক্ষত দেশ। এমন কোনো দিক নেই, যেদিকে ভারত বাংলাদেশের উপর আগ্রাসী মনোভাব প্রকাশ করছে না। যার উদাহরণ ভূরিভূরি- (১). বাংলাদেশের ন্যায্য পাওনা পানি পাওয়ার কথা থাকলেও ভারত একতরফাভাবে পানি লুণ্ঠন করছে। (২). বাংলাদেশের



নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি সাইয়্যিদু কুরাইশ, সাইয়্যিদুন নাস, মালিকুল জান্নাহ সাইয়্যিদুনা হযরত


পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, وَتَقَلُّبَكَ فِي السَّاجِدِينَ অর্থ: “(হে আমার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আপনার স্থানান্তরিত হওয়ার বিষয়টি ছিলো সম্মানিত সিজদাকারীগণ উনাদের মাধ্যমে” (পবিত্র সূরা শুয়ারা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ



এক নজরে সাইয়্যিদুন নাস, সাইয়্যিদু কুরাইশ, সাইয়্যিদুল আরব ওয়াল আজম, আল ফাইয়্যায, যুল মাজদি ওয়াস সু’দাদ, মুত্ব‘ইমুল ইন্সি ওয়াল


সাইয়্যিদুন নাস, সাইয়্যিদু কুরাইশ, সাইয়্যিদুল আরব ওয়াল আজম, আল ফাইয়্যায, যুল মাজদি ওয়াস সু’দাদ, মুত্ব‘ইমুল ইন্সি ওয়াল ওয়াহ্শি ওয়াত ত্বইর, সাইয়্যিদুল বাত্বহা’, আবুল বাত্বহা’, আবূ যাবীহিল্লাহ আলাইহিস সালাম সাইয়্যিদুনা হযরত জাদ্দু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সবচেয়ে বড় পরিচয় মুবারক



খায়রুল কুরুনে পবিত্র ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালনের দলীল দেখে নিন। খলীফা হারুনুর রশীদের যামানায় মীলাদ শরীফ


আল্লামা সাইয়্যিদ আবু বকর মক্কী আদ দিময়াতী আশ শাফেয়ী রহমতুল্লাহি আলাইহি (১৩০২ হিজরী) উনার বিখ্যাত কিতাব “ইয়নাতুল ত্বলেবীনে” বর্ণনা করেন, أنه كان في زمان أمير المؤمنين هارون الرشيد شاب في البصرة مسرف على نفسه وكان أهل البلد ينظرون إليه بعين التحقير



জাহান্নামের আমল ততটুকু করুন যতটুকু শাস্তি আপনি সহ্য করতে পারবেন


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যে ব্যক্তি এক জাররা পরিমাণ নেকী করবে, তার বদলা সে পাবে। আবার এক জাররা পরিমাণ পাপ কাজ করবে, তার শাস্তিও সে পাবে।” (পবিত্র সূরাতুল যিলযাল শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ-৭, ৮) নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর



নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আগমন উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করে আবু লাহাব ফায়দা পেলে মু’মিন


বিশ্বখ্যাত ঐতিহাসিক আল্লামা হযরত ইয়াকুব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার ‘তারীখে ইয়াকুবী’ গ্রন্থের ১ম খন্ড ৩৩০ পৃষ্ঠায় লিখেন- قال رسول الله، بعد ما بعثه الله: رأيت أبا لهب في النار يصيح العطش العطش فيسقي في نقر إبهامه. فقلت: بم هذا؟ فقال: بعتقي ثويبة



সিবতু মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম, ইমামু আহলি বাইত, ক্বায়িম-মাক্বামে ইমামুছ ছানী আলাইহিস সালাম সাইয়্যিদুনা হযরত সাইয়্যিদুল উমাম আলাইহিস সালাম


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, اِنَّـمَا يُرِيْدُ اللهُ لِيُذْهِبَ عَنْكُمُ الرِّجْسَ اَهْلَ الْبَيْتِ وَيُـطَـهِّـرَكُمْ تَطْهِيْرًا. অর্থ: “হে মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম, নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি চান আপনাদের থেকে সমস্ত প্রকার অপবিত্রতা দূর করে আপনাদেরকে পবিত্র



কাফির-মুশরিকরা ধ্বংস হবেই হবে। ইনশাআল্লাহ!


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘যদি তোমরা অর্থাৎ মুসলমানগণ পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের উপর ইস্তিকামত থাকো এবং হাক্বীক্বী মুত্তাক্বী হও, তবে কাফির-মুশরিক অর্থাৎ বিধর্মীদের কোনো ষড়যন্ত্রই তোমাদের কোনো ক্ষতি করতে পারবে না।’ সুবহানাল্লাহ! বর্তমানে মুসলমানগণ