মহানন্দা -blog


...


মহানন্দা
 


মুক্তিযুদ্ধে ভারতীয় সেনা বাহিনীর লুটপাটের ইতিহাস ও সাহায্যের স্বরূপ


(সঙ্কলিত পোস্ট)- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে বীর মুক্তি বাহিনী যখন দেশের ৯৫-৯৯ শতাংশ অঞ্চল মুক্ত করে ফেলেছিল, ঠিক তখন ৩রা ডিসেম্বর ভারতীয় আরদালী বাহিনী লুটপাট করার জন্য বাংলাদেশে প্রবেশ করে। তারা ১৬ ডিসেম্বরের পর বাংলাদেশ জুড়ে নজির বিহীন লুটপাট চালিয়েছিলো। ৯৩ হাজার



গণতন্ত্রের বাজেট অকল্পনীয় একটা ধোঁকাবাজি।


গণতন্ত্রের বাজেট অকল্পনীয় একটা ধোঁকাবাজি। এই মাত্র ৪ লাখ ২৬৬ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা হলো আর এতেই এক শ্রেণীর জাহেল লোক ও দালাল মিডিয়া চেঁচামেচি করে যে- ঘাটতির বাজেট, উচ্চাভিলাষী বাজেট, বাস্তবায়ন সম্ভব নয় ইত্যাদি ইত্যাদি। হ্যাঁ, ধোঁকাবাজ গণতন্ত্রীরা বাজেটে কিছু



মেকি নয়, খাঁটি দেশপ্রেমিক হলে সঠিক জবাব দিবেন; সত্য গোপন করে জ্ঞানপাপী হবেন না——-


ঢাবি’র তাবৎ ছাত্র-শিক্ষকের কাছে প্রশ্ন- যে রবীন্দ্র ঢাবি (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়) প্রতিষ্ঠার বিরোধী, সে-ই ঢাবি’তে রবীন্দ্রপূজা হয় কেন? রবীন্দ্রবন্দনা হয় কেন? ঢাবি’তে রবীন্দ্রকে নিয়ে এত মাতামাতি কেন? যারা ঢাবি (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়) প্রতিষ্ঠার বিরোধিতাকারী রবীন্দ্রকে নিয়ে মাতামাতি করে , রবীন্দ্রপূজা করে , রবীন্দ্র



বেঈমান মুনাফিক আর কাকে বলে?


বন্ধু বলে কথা; ক্ষমতাধর বন্ধু আরেক ছোট বন্ধুর (দালাল, চামচা) পাছা মারবে এটাই গণতন্ত্র ও ধর্ম নিরপেক্ষতার অমোঘ ও মহান বাণী । আর ছোট বন্ধুকে (দালাল, চামচা) ক্ষমতার মোহে পাছা মারতে দিতে হবে। বন্ধু বলে কথা না? বাংলাদেশের আ’লীগ সরকারের অকৃত্রিম



আপন জুয়েলার্সের স্বর্ণ জব্দ ও এর দৃশ্যমান কারণের পোস্টমার্টেম


আপন জুয়েলার্সের মালিক ও মালিকপুত্র খুব খারাপ বলে মিডিয়া চেঁচামেচি করছে। এটা তাদের ব্যবসার জন্য মানে পত্রিকার কাটতির জন্য করছে বলে আমার নিখাঁদ মূল্যায়ন। আর দুষ্টু মিডিয়ার চেঁচামেচির সাথে সুর মিলিয়ে সরকারি প্রশাসনও খুব তৎপর। যেটা হাটে হাড়ি ভাঙার মতো চোখে



পবিত্র খইরুল কুরূনে পবিত্র মক্কা শরীফে অর্থাৎ মসজিদুল হারাম শরীফে পবিত্র লাইলাতুল বরাতে সারা রাত ইবাদত-বন্দেগী হতো


বাতিল ফিরকারা বলে থাকে- পবিত্র লাইলাতুল বরাত বিদয়াত। খইরুল কুরূনে কেউ পবিত্র লাইলাতুল বরাত পালন করেন নাই। নাউযুবিল্লাহ! কেউ এ রাতে ইবাদত-বন্দেগী করেন নাই। নাউযুবিল্লাহ! অথচ ইতিহাস সাক্ষী- খাইরুল কুরুনে পবিত্র লাইলাতুল বরাত পালন হয়েছে। আজ থেকে প্রায় ১২শ বছর আগে



বাংলাদেশ যদি গরিব হয়, তাহলে গৃহীত বিদেশী ঋণ চক্রবৃদ্ধি হারে উচ্চ সুদসহ পরিশোধ করে কিভাবে?


৪৫ বছরে সহায়তার নামে বাংলাদেশের ঋণগ্রস্ত অর্থগ্রহণের পরিমাণ ১৫ হাজার মিলিয়ন মার্কিন ডলার। সহায়তার নামে দেশে বৈদেশিক ঋণ আসছে সাম্রাজ্যবাদী পুঁজির সুদের মহাজনী কারবারের বিনিয়োগ হিসেবে। সরকারের উচিত- বৈদেশিক ঋণ বর্জন করে দেশের অর্থনীতিকে পরিপূর্ণ স্বাধীন করা এবং স্বনির্ভর হওয়া। দেশে



যখন যা বলা সুন্নত


চলতে-ফিরতে আমরা কত কি-ই না বলে থাকি। ভালো-মন্দ কত কিছুই উচ্চারিত হয় আমাদের জবানে। অথচ একটু খেয়াল করে নিয়ত ঠিক করলেই অর্জিত হয় অসংখ্য ছওয়াব। স্থান-কাল বুঝে মাত্র কয়েকটি শব্দ উচ্চারণেই হাছিল হয় অমূল্য নেকী ও সন্তুষ্টি। নিচে কয়েকটি ধারায় এমন



এই বাড়ি মহা বড় ধন্য!!!!


সাইয়্যিদুনা মুজাদ্দিদে আজম আলাইহিস সালাম তিনি ভোলাহাট ছফরে এসে মাটির তৈরি এই বাড়িতে অবস্থান করেন।সুবহানাল্লাহ! ধন্য ধন্য ধন্য – এই বাড়ি মহা বড় ধন্য!!!!  



শিবনারায়ণ দাস ছিল স্রেফ আঁকিয়ে, তাকে খোদ জাতীয় পতাকার ডিজাইনার বানিয়ে দেয়াটা মূর্খতা বৈ কিছুই নয়।


শিবনারায়ণ দাস ছিল স্রেফ আঁকিয়ে, তাকে খোদ জাতীয় পতাকার ডিজাইনার বানিয়ে দেয়াটা মূর্খতা বৈ কিছুই নয়। সম্প্রতি জয়ধ্বনি সাংস্কৃতির সংগঠন নামক একটি অখ্যাত সংগঠন দাবি করেছে, বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার হলো শিবনারায়ণ দাস, যাকে নাকি তার প্রাপ্য ‘কৃতিত্ব’ দেয়া হচ্ছে না।



প্রকৃত পবিত্র মসজিদুল আকছা শরীফ দেখুন


মহাপবিত্র মি’রাজ শরীফ-এর স্মৃতিজড়িত পবিত্র মসজিদুল আকছা শরীফ (বাইতুল মুকাদ্দাস শরীফ, ফিলিস্তিন)। (নিচের চিত্রে দেখুন)  



মুবারক হো লাইলাতুল মি’রাজ শরীফ!


পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত চারটি হারাম বা সম্মানিত মাস উনাদের মধ্যে একটি মাস হলো- ‘পবিত্র রজবুল হারাম শরীফ’। যে আশ্চর্যজনক ঘটনা পবিত্র রজবুল হারাম মাস উনার তাৎপর্য ও গুরুত্বকে বহুগুণ বৃদ্ধি করেছে, তা হচ্ছে পবিত্র মি’রাজ শরীফ। পবিত্র মি’রাজ