মুহিউদ্দীন -blog


...


 


আজ সুমহান বরকতময় মহাপবিত্র ২৪শে মাহে ছফর শরীফ। সুবহানাল্লাহ! যা নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম


আজ সুমহান বরকতময় মহাপবিত্র ২৪শে মাহে ছফর শরীফ। সুবহানাল্লাহ! যা নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে উম্মুল মুমিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আছ ছানিয়াহ আশার আলাইহাস সালাম উনাদের নিসবাতুল আযীম শরীফ দিবস। গোটা উম্মাহ ও মুসলিম বিশ্বের প্রত্যেক



কথিত ‘নারী অধিকার’ যখন ভয়ঙ্কর!


কথিত নারী অধিকারের স্লোগান যারা দেয় তাদের কথাবার্তা শুনলে এটা স্পষ্ট যে- তারা ইনিয়ে বিনিয়ে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনাকেই নারীদের প্রধান শত্রু বানানোর অপচেষ্টায় রত। আর তাদের দ্বিতীয় শত্রু হলো পুরুষ; মানে স্বামী। কথায় কথায় ইউরোপ-আমেরিকার অমুসলিমদের উদাহরণ টানতেই কথিত নারীবাদীরা



মহাসম্মানিত সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ অর্থাৎ ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপলক্ষে বাংলাদেশের মুসলমানদের ১২টি দাবী


সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ জিন্দাবাদ!! জারি থাকুক আবাদুল আবাদ!! সকাল সন্ধ্যা প্রতিদিন, অনন্তকাল ব্যাপী চিরদিন!! হাক্বীকীভাবে সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করার কোশেশে মশগুল থাকার তাওফীক দিন!! মহাসম্মানিত সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ অর্থাৎ ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপলক্ষে বাংলাদেশের মুসলমানদের ১২টি দাবী-



মুসলমানদের ইসলামচ্যুত হওয়ার পেছনে বড় কারণ ইতিহাস বিমুখতা


সম্মানিত রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি ইতিহাস নিয়ে নিয়মিত আলোচনা করে থাকেন। বিশেষ করে হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মুবারক যমীনে আগমন ও সম্মানিত বিছাল শরীফ গ্রহণ উনাদের মুবারক দিন-তারিখসমূহ ও সংশ্লিষ্ট ইতিহাস ইহুদি-খ্রিস্টানরা



পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের আলোকে সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ, সাইয়্যিদে ঈদে


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- قُلْ هَاتُوْا بُرْهَانَكُمْ اِنْ كُنْتُمْ صَادِقِيْـنَ অর্থ: আপনি বলুন: সত্যবাদী হলে দলীল পেশ কর। (পবিত্র সূরা বাক্বারা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১১১) বিখ্যাত মুহাদ্দিছ, মুফাসসির, ফক্বীহ, ইমাম, আল্লামা আবু সাঈদ মুল্লা জিউন রহমতুল্লাহি আলাইহি



বিশ্বের বৃহত্তম শ্রমশক্তির দেশ বাংলাদেশ এখন গুরুত্বহীন খেলাধুলায় আসক্ত


বাংলাদেশের বিশাল জনসম্পদের কারণে বিশ্বে এখন এ দেশ অন্যতম বৃহত্তম শ্রমশক্তির দেশ হিসেবে পরিচিত। খোদায়ী রহমতে পরিপূর্ণ এ বিশাল জনশক্তি কখনো হ্রাস পায়নি; বরং দিনে দিনে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাংলাদেশে প্রতিবছর ক্রমবর্ধমান হারে শ্রমশক্তি বৃদ্ধি পাচ্ছে। বলাবাহুল্য, এ বিশাল কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর হাতেই



দ্বীন ইসলাম উনার অন্যতম শিয়ার পবিত্র মসজিদ উচ্ছেদ ও ভাঙার ষড়যন্ত্রকারীরা দ্বীন ইসলাম উনার শত্রু


বর্তমানে ইহুদী-খ্রিস্টান, কাফির-মুশরিক ও তাদের এজেন্ট মুনাফিক্বরা একাত্ম হয়েছে পৃথিবীর বুক থেকে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম ও সম্মানিত মুসলমান উনাদের নাম নিশানা মুছে দেয়ার জন্য। না‘ঊযুবিল্লাহ! তাই তারা তাদের সে অভিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছার জন্য একের পর এক সর্বঘৃণ্য ও সর্বনিকৃষ্ট ষড়যন্ত্র করে



পহেলা বৈশাখে যে সকল শরীয়তবিরোধী কাজ হয়।


সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার ফায়ছালা মুবারক অনুযায়ী পহেলা বৈশাখ বা বাংলা নববর্ষ সংক্রান্ত যাবতীয় অনুষ্ঠান সম্পূর্ণ হারাম। আর তা এজন্য যে এতে অনেকগুলি সম্মানিত দ্বীন ইসলাম বিরোধী বিষয় রয়েছে, তান্মোধ্য কতিপয় বিষয় হলো: ১. শিরকপূর্ণ অনুষ্ঠানাদি, ২. হারাম চিন্তাধারা, ৩. গান



পবিত্র যাকাত আদায়ের বিষয়ে চু-চেরা করা ঈমানদারের লক্ষণ নয়


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মাঝে একটি ঘটনা বর্ণিত আছে। ঘটনাটি পর্দার হুকুম নাযিল হওয়ার পূর্বের ঘটনা। যখন মহিলা ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নছীহত মুবারক শুনতে সরাসরি আসতেন। সেই সময়



যারা বাল্যবিবাহ বন্ধ চায়, তারা কি সমাজকে নষ্ট করতে চায়?


সম্প্রতি কিছু এনজিও দালাল বাল্যবিবাহ বন্ধ করতে উঠেপড়ে লেগেছে। অথচ যখন ১৮ বছরের নিচের ছেলে-মেয়েরা অনৈতিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ছে, বাবা-মার অমতে পালিয়ে বিয়ে করছে, লিভটুগেদার করছে, পর্নোগ্রাফিতে আসক্ত হচ্ছে, গর্ভপাত করছে তখন এই দালালরা মুখ খুলছে না, কথা বলছে না। প্রকৃতপক্ষে



শরীয়ত বিরোধী ইজতিহাদ করা ইবলিসের খাছলত ও সুস্পষ্ট গোমরাহী 


  আবুল বাশার হযরত ছফিউল্লাহ আলাইহিস সালাম উনাকে সিজদা না করার কারণে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইবলীসকে জিজ্ঞাসা করলেন, مَا مَنَعَكَ أَلَّا تَسْجُدَ إِذْ أَمَرْتُكَ অর্থ:- “(হে ইবলীস) কোন জিনিস সিজদা করা থেকে তোকে বিরত রাখলো।” (পবিত্র সূরা আরাফ শরীফ, পবিত্র



সন্ত্রাসী উপজাতিদের এ দেশ থেকে বিতাড়িত করলেই পাহাড়ে শান্তি ফিরে আসবে


বাংলাদেশের স্বাধীনতার পূর্ব থেকেই বার্মা, নেপাল, ভারত প্রভৃতি দেশ থেকে আসা উপজাতিরা বাংলাদেশের পাহাড়গুলোতে খুঁটি গেড়েছিল। তৎকালীন সরকারের উচিত ছিল এগুলোকে আশ্রয় না দিয়ে বিতাড়িত করা। কিন্তু সেটা না করায় আজ অবধি এর যন্ত্রণার ফল ভোগ করছে দেশের সরকার ও জনগণ।