মুহিউদ্দীন -blog


...


 


কতিপয় সম্মাানিত সুন্নতী আমল মুবারক, যা জানা থাকলে সহজেই আমল করা যায়


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অনুসরণ করো, অবশ্যই তোমরা রহমত মুবারক প্রাপ্ত হবে। সুবহানাল্লাহ! (পবিত্র সূরা আন নূর শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ- ৫৬)



আজ সুমহান বরকতময় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস উনার ২০ তারিখ। সুবহানাল্লাহ!


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘আমার সম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মুহব্বত করো আমার সন্তুষ্টি মুবারক লাভের জন্য।’ সুবহানাল্লাহ! আজ সুমহান বরকতময় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আসইয়াদ শরীফ, সাইয়্যিদু



মহাপবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ নতুন কোনো বিষয় নয়।


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি পবিত্র ছলাত শরীফ পাঠ করেন। ’ মহাপবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ নতুন



ঐতিহাসিক পবিত্র ২৮শে ছফর শরীফ। সুবহানাল্লাহ! হাদ্বিনাতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মী বা’দা উম্মী আলাইহাস সালাম


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘আমার সম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে যারা মুহব্বত করবে আমার শাফায়াত মুবারক তাদের জন্য ওয়াজিব হবে।’ সুবহানাল্লাহ! সুমহান বরকতময় ঐতিহাসিক পবিত্র ২৮শে ছফর শরীফ। সুবহানাল্লাহ!



মহান আল্লাহ পাক উনার সবচেয়ে বড় সম্মানিত শি‘য়ার বা নিদর্শন মুবারক হচ্ছেন সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ


মহান আল্লাহ পাক উনার কায়িনাতে প্রত্যেকটি সম্মানিত ও পবিত্র বিষয়ই হচ্ছেন ‘শা‘য়ায়িরুল্লাহ’ তথা মহান আল্লাহ পাক সম্মানিত শি‘য়ার বা নিদর্শন মুবারক উনাদের অন্তর্ভুক্ত। সুবহানাল্লাহ! ‘শা‘য়ায়িরুল্লাহ’ তথা মহান আল্লাহ পাক সম্মানিত শি‘য়ার বা নিদর্শন মুবারকসমূহ তিন ভাগে বিভক্ত। ১. নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ



সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি ‘আলাল ‘আলামীন,


প্রথম শাদী মুবারক: সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত খিদমত মুবারক-এ আসার পূর্বে উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আল হাদিয়াহ্ ‘আশার আলাইহাস সালাম উনার শাদী মুবারক হয়েছিলো ‘উবাইদুল্লাহ ইবনে জাহাশের সাথে। তখন ‘সাইয়্যিদাতুনা



পবিত্র আশুরা উনার অন্যতম একটি নছিহত


পবিত্র আশুরা উপলক্ষে দু‘টি রোজা রাখা সুন্নত। যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি যে ব্যক্তি পবিত্র মুহররম মাসকে সম্মান করবেন, তা’যীম-তাকরীম করবেন এবং পবিত্র আশুরা উপলক্ষে রোজা রাখবেন তাঁদের জন্য অনেক নিয়ামত মওজুদ রেখেছেন। মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব



সম্মানিত সুন্নত মুবারক অনুযায়ী আমল করলে কামিয়াবী হাছিল হয়


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “অবশ্যই তোমাদের সকলের জন্য নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মধ্যেই উত্তম আদর্শ মুবারক রয়েছে।” সুবহানাল্লাহ! (পবিত্র সূরা আহযাব শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ২১) অর্থাৎ প্রত্যেক মুসলমানদের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে,



নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ওছীয়ত মুবারক পালন করা প্রত্যেক উম্মতের জন্য ফরয।


ইমামুল আউওয়াল মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি বলেন- ‘নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আমাকে ওয়াছীয়ত মুবারক অর্থাৎ আদেশ মুবারক করেছেন আমি যেন উনার পক্ষ থেকে পবিত্র



এক অনন্য বেমেছাল অভুতপূর্ব চির বিস্ময়কর মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র তাজদীদ মুবারক


সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আল মুত্বহ্হার, আল মুত্বহ্হির, মুজাদ্দিদে আ’যম মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত



ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী- ছোঁয়াচে রোগ বা সংক্রামক রোগ বলতে কিছু নেই: স্বয়ং নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক


স্বয়ং যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি নিজেই ঘোষণা মুবারক দিয়েছেন ‘ছোঁয়াচে বলতে কোন রোগ নেই’: যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, لَيْسَ عَلَى الْأَعْمَى حَرَجٌ وَلَا عَلَى الْأَعْرَجِ حَرَجٌ وَلَا عَلَى الْمَرِيضِ حَرَجٌ



নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে নিজেদের মতো ‘বাশার’ বা মানুষ বলা কাট্টা কুফরী


মহান আল্লাহ পাক উনার অসংখ্য অগণিত ছিফত বা গুণের মধ্যে একটি হচ্ছে (صا بر) ‘ছাবির’ অর্থাৎ ধৈর্যশীল। আর আল্লাহ পাক উনার বান্দাদের মধ্যেও অনেকের নাম রয়েছে ছাবির। এখন কেউ কি একথা বলবে বা দাবি করবে যে, ছাবির নামের ব্যক্তিরা তারা আল্লাহ