মুহিউদ্দীন -blog


...


 


সরকার কর্তৃক নির্ধারিত স্থানে নয়, বরং নিজ বাড়িতেই মুসলমানদের কুরবানী করতে দিতে হবে


সেই শুরু থেকেই বাংলাদেশের মুসলমানরা নিজ বাড়িতে কুরবানী করে থাকে। নিজ ও পরিবারের সব সদস্য মিলে গোশত কাটে, কুরবানী ঈদে এটাই যেন সবচেয়ে বড় আনন্দের বিষয়। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, বাংলাদেশ প্রশাসন বলছে- নিজ বাড়িতে আর কুরবানী করা যাবে না। পশুকে



আওলাদে রসূল সাইয়্যিদুনা হযরত সাইয়্যিদুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মবারক প্রকাশ দিবস হলো- কায়িনাতের জন্য সবচেয়ে


  মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার পবিত্র কালাম কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন- “তোমরা বিশেষ দিনসমূহ স্মরণ করো। নিশ্চয়ই এই দিনের মধ্যে ধৈর্যশীল ও শোকরগুজার বান্দাদের জন্য রয়েছে বিশেষ নিয়ামত মুবারক।” (পবিত্র সূরা ইবরাহীম শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ



পাশ্চাত্যের মধ্যে যখন বিবাহ বন্ধন শেষ হয়ে আসছে; তখন পশুদের বিবাহ দিয়ে আনন্দ ভোগ


শরীরের কোনো অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ রোগে আক্রান্ত হলেই আমরা সেই অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ নিয়ে ভাবি, ডাক্তারের কাছে যাই, ওষুধ খাই ইত্যাদি ইত্যাদি। কিন্তু যতোদিন ওই অঙ্গ-প্রত্যঙ্গটি সুস্থ থাকে ততদিনকে খবর রাখে কার? পৃথিবী থেকে যখন ভালোবাসা উঠে গেছে তখনই শোনা যাচ্ছে ভালোবাসা নিয়ে যতোসব আয়োজন।



ফাক্বীহা, মাশুকাহ, গফীরাহ, নাছিবাহ, রহীমাহ হযরত শাহযাদীয়ে ছানী আলাইহাস সালাম উনার লক্বব মুবারক অসংখ্য-অগণিত


যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহ ওয়া সাল্লাম উনারা নিজে অসংখ্য লক্বব মুবারক ব্যবহার এবং প্রকাশ করে বান্দা-বান্দী ও উম্মতকে লক্বব মুবারক ব্যবহার এবং প্রকাশ করার আদত শিক্ষা দিয়েছেন। যার জন্য



উগ্র হিন্দুরা বাংলাদেশের মুসলমানদের ধর্মান্তরিত করতে কত কৌশল করছে আপনি কি সে খবর রাখেন?


বাংলাদেশ ৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত দেশ হওয়ার পরেও উগ্র হিন্দুরা তাদের হিন্দুয়ানী কার্যক্রম এদেশের মুসলমানদের উপর প্রয়োগ করার উদ্ধত প্রকাশ করছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে অনুষ্ঠান করে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে বানোয়াট ধর্মগ্রন্থ ভগবদগীতা চ্যাম্পিয়নশিপ কুইজ প্রতিযোগীর রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম চলছে। ২৪



পবিত্র মসজিদ শরীফ উনার মধ্যে নামায পড়ার নামে টুল বা চেয়ারে বসা বিদয়াত


ইদানীং বিশেষ করে বেশ কয়েক বৎসর যাবৎ দেখা যাচ্ছে- খালিক মালিক্ব রব মহান আল্লাহ পাক উনার ঘর পবিত্র মসজিদ শরীফ উনার মধ্যে নামায পড়ার নামে কতিপয় মুসল্লী বিশেষ করে সমাজের প্রভাবশালী ব্যক্তি ও মসজিদ কমিটির লোকজনের কেউ কেউ টুল কিংবা চেয়ারে



৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত দেশে মুসলমানের সংজ্ঞা কতজন মুসলমান জানে? প্রকৃত মুসলমান না হয়ে শুধু বাহ্যিক মুসলমান দাবি কী


সরকারি হিসেবে দেশের মুসলমানের সংখ্যা নব্বইভাগ বলা হলেও প্রকৃতপক্ষে মুসলমানের সংখ্যা কমপক্ষে ৯৮ ভাগ। অর্থাৎ ২০ কোটি জনসংখ্যার দেশে সাড়ে ঊনিশ কোটির বেশি লোক মুসলমান। তারা ঈদ পালন করেন। মুসলমান নাম ধারণ করেন। মুসলমান হিসেবে বাঁচেন। কিন্তু মুসলমানের অনুভূতি তাদের মধ্যে



সম্মানিত ছফর মাস উনাকে অশুভ বা কুলক্ষণে মনে করা কুফরী


আইয়ামে জাহিলিয়াত বা অন্ধকার যুগে সম্মানিত ছফর মাস উনাকে অশুভ বা কুলক্ষণে মনে করা হতো। অদ্যাবধি কিছু মানুষের মাঝে এই বদধারণার প্রচলন আছে। অথচ নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তাদের এই ভ্রান্ত ধারণা, আক্বীদা বিশ্বাসের মূলোৎপাটন



সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে-শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা, পিতা-মাতা, উস্তাদ অর্থাৎ সম্মানিত দ্বীনদার পরহেযগার ব্যক্তি উনাদের ক্বদমবুছী বা পদচুম্বন


  ‘ক্বদম’ শব্দের অর্থ হলো ‘পা’। আর ‘বুছী’ শব্দটি ফার্সী যার অর্থ হলো চুম্বন করা। সুতরাং ক্বদমবুছীর অর্থ দাঁড়ায় পা চুম্বন বা পদ চুম্বন করা। হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুগণ উনারা সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক



পবিত্র ১৪ই যিলহজ্জ শরীফ দিনটিও ‘আইয়্যামিল্লাহ’ উনার অন্তর্ভুক্ত অর্থাৎ পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ!


ايام الله (আইয়্যামিল্লাহ) অর্থ মহান আল্লাহ পাক উনার দিনসমূহ। এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার কালাম পাক উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, وذكرهم بايام الله ان فى ذلك لايات لكل صبار شكور. অর্থ: “তাদেরকে মহান আল্লাহ পাক উনার দিনসমূহের কথা



ইসলাম ও মুসলিমবিদ্বেষীদের নীলনকশা: পাঠ্যপুস্তকগুলোর প্রতিটি পরতে পরতে ছড়িয়ে আছে প্রচণ্ড ইসলাম ও মুসলিম বিদ্বেষ


কতটুকু গাফেল ও বেখবর হয়ে গেছে এই বাংলার কোটি কোটি মুসলমান! সেই ১৭৫৭ সালের পূর্ব থেকে যেভাবে পরিকল্পিতভাবে ব্রিটিশ লুটতরাজ খ্রিস্টান কাফিররা এই উপমহাদেশকে দখল করেছিলো হুবহু সেভাবেই আরো একবার এই বাংলাদেশও হিন্দু-মুশরিক, নাস্তিক-মুরতাদদের করায়ত্তে যাওয়ার সমস্ত পরিকল্পনাই বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রশাসনের



জেনে নিন খেজুরের ঔষধিগুণ !


রোজা-রমজান এলেই আমাদের খেজু্র খাওয়ার পরিমান কিছুটা বেড়ে যায়। খেজুর খুবি পুষ্টিকর একটি ফল। পুষ্টিমানে যেমন এটি সমৃদ্ধ তেমনি অসাধারণ এর ঔষধিগুণ। রোজা রেখে ইফতারে হয়তো অনেকেই খেজুর খাই। তারপর সারা বছর আর খেজুরের খোঁজ রাখি না। বলা যায়, খেজুর খাওয়া