মুক্তাদীর -blog


আমি সত্যান্বেষী।


 


মোদি সরকারের অর্থায়নে ঢাকার চারপাশে মসজিদ-মাদ্রাসা ভাঙ্গার তালিকা


সম্প্রতি ভারতের মোদি সরকারের অর্থায়নে ঢাকার চারপাশে নদী তীরবর্তী বিভিন্ন ইসলাম ধর্মীয় স্থাপনা ভাঙ্গার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এর মধ্যে আছে ৬০টি জামে মসজিদ, ২টি নামাজঘর, ৫টি মাজার-দরবার, ১৩টি মাদ্রাসা, ১টি ঈদগাহ, ৪টি কবরস্থান এবং ১টি মৃতদের গোসলের স্থান আছে। (মোট ৮৬টি)



মহাগুরুত্বপূর্ণ পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ নামক বিশেষ দিনটি সম্পর্কে খুব কম সংখ্যক লোকই অবহিত


আরবী মাসের দ্বিতীয় মাস ‘ছফর’। ফযীলত, বুযূর্গী, তাৎপর্য ও মাহাত্ম্যের দিক থেকে এ মাসটি এক বিশেষ স্থান দখল করে আছে। আর এ মাসের মধ্যে মহাগুরুত্বপূর্ণ পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ নামক বিশেষ দিনটি অন্তর্ভুক্ত আছে। আখিরী চাহার শোম্বাহর শরীফ উনার অর্থ:



পবিত্র মীলাদ শরীফ ক্বিয়াম শরীফ পাঠ কমে যাওয়ার কারণেই মানুষ রহমত বরকত থেকে বঞ্চিত হচ্ছে


মুসলিম সমাজে পবিত্র মীলাদ শরীফ ক্বিয়াম শরীফ উপলক্ষে সমবেত হওয়া, দুরূদ শরীফ এবং সালাম শরীফ উনাদের মাহফিল করা সেই সালফে সালেহীন রহমাতুল্লাহি আলাইহিম উনাদেরও আগে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের যামানা হতেই চলে আসছে। সুবহানাল্লাহ! সেই ধারাবাহিকতায় আমাদের দেশের



শরয়ী পর্দাভিত্তিক আল মুতমাইন্নাহ মা ও শিশু হাসপাতালের প্রয়োজনীয়তা


সম্প্রতি রাজধানীতে ইউনাইটেড হাসপাতাল নামক এক হাসপাতালে এক নারী রোগীর শ্লীলতাহানীর খবর ফাঁস হয়েছে। অপারেশনের পর রোগীকে অজ্ঞান অবস্থায় পেয়ে অসৎ উদ্দেশ্যে হস্ত সঞ্চালন করে ওই হাসপাতালের সাইফুল নামের এক স্টাফ নার্স। স্পর্শকাতর জায়গায় অনুভূতি পেয়ে জ্ঞান ফিরে আসার পর রোগী



বাংলার আকাশে বহুজাতিক শকুনের ছায়া। প্রসঙ্গ: গোল্ডেন রাইস


পুর্বেই বলা হয়েছে যে, Syngenta Ges Monsanto কোম্পানী USAID এর সাথে মিলে গোল্ডেন রাইসের প্রচার-প্রসার করে। এখন আমরা আলোচনা করবো যে, বাংলাদেশে এর কিরুপ প্রভাব পড়বে। National Security Study Memorandum 200 এর মধ্যে হেনরী কিসিঞ্জার কয়েকটি দেশের নাম উল্লেখ করেছিলো যেগুলোর



সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার মুবারক মজলিস হচ্ছে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের তা’লীমী মজলিসের হাক্বীক্বী


যিকির-ফিকির, রিয়াযত-মাশাক্কাত করে কখনো মুজাদ্দিদে আ’যম হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিতা যাওজাহ হওয়া সম্ভব নয়। এই বিষয়টি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের কর্তৃক মনোনীত।



পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ তথা ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালনকারীদের জন্য শাফায়াত মুবারক এবং নাজাত সুনিশ্চিত।


পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ (ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর বিরুধীতাকারীরা বলে থাকে “পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালনের আগে নাকি নামায, রোযা, হজ্জ, যাকাত ঠিকমত আদায় করতে হবে।কিয়ামতের ময়দানে নাকি এসবের হিসেব নেওয়া হবে, পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ



দরূদ শরীফ উনার ফাযায়িল-ফযিলত


দরূদ শরীফ পাঠের অনেক ফাযায়িল-ফযীলত আছে যা পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত আছে। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ১ বার পবিত্র দরূদ শরীফ পাঠ করলে মহান আল্লাহ পাক তিনি ১০টি রহমত মুবারক



এ কী ধরনের প্রশাসন: বিধর্মীদের সাথে বন্ধুত্ব, মুসলমানদের বিরোধিতা!


পৃথিবীর প্রায় প্রতিটি দেশেই লক্ষ্য করলে দেখা যাচ্ছে, মুসলমানগণের ফরয আমল তথা পর্দার বিরোধিতা, পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মানহানি করা, মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মানহানি করা, মুসলমানগণের পবিত্র মসজিদ তৈরিতে



হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের আগমন এবং বিদায় উভয় দিনই উম্মতের জন্য ঈদের দিন


অনেকে বলে থাকে- নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যেদিন আগমন করেছেন আবার সেই দিন বিদায়ও নিয়েছেন। তাই আমরা কি করে এ দিন খুশি প্রকাশ করতে পারি। মূলত, তারা না জানার কারণে তা বলে থাকে। পবিত্র হাদীছ



যারা যাকাত দেয়না তাদের নামায কবুল হয় না


তাফসীরে কুরতুবী, তাফসীরে রুহুল বয়ান, তাফসীরে কবীরসহ আরো অনেক বিশ্বখ্যাত ও নির্ভরযোগ্য তাফসীরগ্রন্থ ও অন্যান্য কিতাবে বর্ণিত রয়েছে- عن حضرت عبد الله بن مسعود رضى الله تعالى عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم امرتم بالصلوة والزكوة فمن لم



সম্মানিত শরীয়ত উনার ফায়ছালা মতে কুলাঙ্গার ইয়াযীদ লা’নাতুল্লাহি আলাইহি কাট্টা কাফির ও চিরজাহান্নামী


পাপিষ্ঠ ইয়াযীদ লা’নাতুল্লাহি আলাইহি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম অর্থাৎ পবিত্র বংশের অবমাননা করেছে। উনাদের নির্দয়ভাবে উৎপীড়ন করেছে। উনাদেরকে শহীদ করেছে। নাঊযুবিল্লাহ! এর চেয়ে বড় কুফরী আর কি হতে পারে?