সাময়িক অসুবিধার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দু:খিত। ব্লগের উন্নয়নের কাজ চলছে। অতিশীঘ্রই আমরা নতুনভাবে ব্লগকে উপস্থাপন করবো। ইনশাআল্লাহ।

মুক্তাদীর -blog


আমি সত্যান্বেষী।


 


এ কী ধরনের প্রশাসন: বিধর্মীদের সাথে বন্ধুত্ব, মুসলমানদের বিরোধিতা!


পৃথিবীর প্রায় প্রতিটি দেশেই লক্ষ্য করলে দেখা যাচ্ছে, মুসলমানগণের ফরয আমল তথা পর্দার বিরোধিতা, পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মানহানি করা, মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মানহানি করা, মুসলমানগণের পবিত্র মসজিদ তৈরিতে



হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের আগমন এবং বিদায় উভয় দিনই উম্মতের জন্য ঈদের দিন


অনেকে বলে থাকে- নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যেদিন আগমন করেছেন আবার সেই দিন বিদায়ও নিয়েছেন। তাই আমরা কি করে এ দিন খুশি প্রকাশ করতে পারি। মূলত, তারা না জানার কারণে তা বলে থাকে। পবিত্র হাদীছ



যারা যাকাত দেয়না তাদের নামায কবুল হয় না


তাফসীরে কুরতুবী, তাফসীরে রুহুল বয়ান, তাফসীরে কবীরসহ আরো অনেক বিশ্বখ্যাত ও নির্ভরযোগ্য তাফসীরগ্রন্থ ও অন্যান্য কিতাবে বর্ণিত রয়েছে- عن حضرت عبد الله بن مسعود رضى الله تعالى عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم امرتم بالصلوة والزكوة فمن لم



সম্মানিত শরীয়ত উনার ফায়ছালা মতে কুলাঙ্গার ইয়াযীদ লা’নাতুল্লাহি আলাইহি কাট্টা কাফির ও চিরজাহান্নামী


পাপিষ্ঠ ইয়াযীদ লা’নাতুল্লাহি আলাইহি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম অর্থাৎ পবিত্র বংশের অবমাননা করেছে। উনাদের নির্দয়ভাবে উৎপীড়ন করেছে। উনাদেরকে শহীদ করেছে। নাঊযুবিল্লাহ! এর চেয়ে বড় কুফরী আর কি হতে পারে?



সাইয়্যিদুশ শুহাদা সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বেমেছাল শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান


মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, عَنْ حَضْرَتْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ كُنَّا نُصَلِّي مَعَ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْعِشَاءَ فَإِذَا سَجَدَ وَثَبَ الْحَسَنُ وَالْحُسَيْنُ عَلَى ظَهْرِهِ فَإِذَا رَفَعَ رَأْسَهُ أَخَذَهُمَا بِيَدِهِ مِنْ خَلْفِهِ أَخْذًا رَفِيقًا



সাইয়্যিদুনা হযরত উছমান যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার বেমেছাল শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত সম্পর্কে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি


মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا عَنْ حَضْرَتْ أُمِّ كُلْثُومٍ عليها السلام بِنْتِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهَا قَالَتْ يَا رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم زَوْجِي خَيْرٌ أَو زَوْجُ



সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল খমিস মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খিলাফত প্রাপ্তি


“খিলাফত” শব্দের অর্থ- প্রতিনিধিত্ব গ্রহণ করা, কোন একটি কাজের দায়িত্ব গ্রহণ করা, কেহ ইন্তিকাল করলে তার গদ্দিনসীন হওয়া। (লুগাতে হীরা-৩৯৬) দ্বীন প্রতিষ্ঠা করার ব্যাপারে মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতিনিধিত্ব করাকেও খিলাফত বলে। ৯৪



হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের সম্মানিত পরিচিতি মুবারক এবং বেমেছাল শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক


সম্মানিত পরিচিতি মুবারক اُمَّهَاتٌ (উম্মাহাত) শব্দ মুবারকখানা اُمٌّ (উম্মুন) শব্দ মুবারক উনার বহুবচন। অর্থ মাতাগণ। আর الْمُؤْمِنِيْنَ (আল মু’মিনীন) শব্দ মুবারকখানা الْمُؤْمِن (আল মু’মিন) শব্দ মুবারক উনার বহুবচন। অর্থ মু’মিনগণ। আর الْمُؤْمِنِيْنَ (আল মু’মিনীন) শব্দ মুবারক উনার শুরুতে যে ال (আলিফ



আল ইমামুল আউওয়াল সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার ইলমী যোগ্যতা ও পবিত্র শাহাদাতী শান মুবারক প্রকাশ


সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আউওয়াল মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ছিলেন নববী খান্দানের সদস্য। তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে শিক্ষা মুবারক লাভ করেন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি



কানজুস: যারা নিজেদের মূলই ফউত করে ফেলে


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “বখিল মহান আল্লাহ পাক উনার শত্রু, যদিও সে আবিদ হোক না কেন। আর ছখী মহান আল্লাহ পাক উনার বন্ধু যদিও সে ফাসিক হোক না কেন।” এই পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার ব্যাখ্যায় হযরত মুহাদ্দিসীনে



নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুহব্বত ও অনুসরণই হচ্ছে সমস্ত কামিয়াবী অর্জনের মূল


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে দুআ মুবারক শিক্ষা দিয়েছেন যে, ইহকালীন ও পরকালীন কামিয়াবী হাছিলের জন্য কিভাবে দুআ মুবারক করতে হবে। মহান আল্লাহ পাক উনার শেখানো দুআ মুবারক উনার নিয়ম অনুযায়ী আমরা মহান আল্লাহ



ইমামুল আউওয়াল সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি ব্যাপক ইলম মুবারক উনার অধিকারী


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি সর্বপ্রকার নাজ নিয়ামতের মালিক বানিয়েছেন নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সমস্ত নিয়ামতের মালিক এবং মহাসম্মানিত বণ্টনকারী। তিনি যাবতীয় নিয়ামত