মুসলমান -blog


...


 


ভারত সম্ভ্রমহানির দেশ হয়েছে মুশরিকদের কথিত বীরদের (!) অনুপ্রেরণায়


মুশরিকদের তথাকথিত এক বীরপুরুষের নাম হলো শিবাজি। এই দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী শিবাজির অধীনস্থ মারাঠা দস্যু বাহিনী বাংলায় ব্যাপক লুটতরাজ চালিয়েছিল, যা বাংলার ইতিহাসে ‘বর্গী হামলা’ নামে মশহুর। ‘খোকা ঘুমালো পাড়া জুড়ালো, বর্গী এলো দেশে’ ছড়াটি এখনো বর্গীদের নৃশংসতার সাক্ষর বহন করছে। মুশরিক



নিজের মন মত নয় বরং শরীয়ত মুতাবিক ঈমান-আমল হতে হবে


যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার কালাম পবিত্র কুরআন শরীফ সূরা বাক্বারা শরীফ ১৩নং পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করে জানিয়ে দিয়েছেন যে, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা যেরূপ ঈমান এনেছেন তদ্রƒপ অন্যান্য সকলকে



নওরোজ বা নববর্ষ তথা কথিত বাংলা প্রকৃতপক্ষে ফসলী নববর্ষ বা পহেলা বৈশাখ মজুসী-মুশরিকদের পূজার অংশ এবং তর্জ-তরীক্বা। নাউযুবিল্লাহ!


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা মূর্তির অপবিত্রতা এবং মিথ্যা কথা তথা পূজা সংশ্লিষ্ট যাবতীয় কার্যক্রম হতে বিরত থাকো।” নওরোজ বা নববর্ষ তথা কথিত বাংলা প্রকৃতপক্ষে ফসলী নববর্ষ বা পহেলা বৈশাখ মজুসী-মুশরিকদের পূজার অংশ এবং তর্জ-তরীক্বা। নাউযুবিল্লাহ! কাজেই, পহেলা



বর্তমান শাসকগোষ্ঠি যদি সর্বপ্রথম খলীফা ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম উনার অনুসরন অনুকরন করতো তাহলে উনার সাথেই জান্নাতে যেতে পারতো!


বর্তমান শাসকগোষ্ঠি যদি সর্বপ্রথম খলীফা ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম উনার অনুসরন অনুকরন করতো তাহলে উনার সাথেই জান্নাতে যেতে পারতো! পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে, “হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু



দেশের শিক্ষাব্যবস্থার পরিবর্তন অত্যন্ত জরুরী! পাঠ্যবইগুলোর কারণেই সন্তানরা ইসলামবিমুখ হচ্ছে


বর্তমানে আমাদের দেশের পাঠ্যবইগুলোর বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য হলো- -বইগুলোতে মুশরিক কবি-সাহিত্যিকদের লেখা কবিতা, গল্প, রচনাকে গুরুত্বসহকারে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে -তাছাড়া নামধারী মুসলিম যেসব লেখক রয়েছে তারাও কেউ নাস্তিক, কেউ নাট্যকার-অভিনেতা, কেউ ছবি-মূর্তির শিল্পী। অর্থাৎ যারা ইসলামবিমুখ তাদের লেখাকেই সিলেবাসে গুরুত্ব সহকারে



ধর্মব্যবসায়ী ও বেদ্বীন-বদদ্বীন হতে সাবধান!!


প্রত্যেক মু’মিন মুসলমানদের একান্ত কর্তব্য যে, প্রকৃত হাদী, প্রকৃত পীর-মুর্শিদ গ্রহণ করার ব্যাপারে সতর্কতা অবলম্বন করা। নতুবা বেদয়াতী, বেশরা গুমরাহদের পাল্লায় পড়লে দ্বীন ও ঈমান উভয়ই বরবাদ হয়ে যাবে। অনেকে নিজেদেরকে হাদী, পীর-মুর্শিদ পরিচয় দিয়ে সরল প্রাণ মুসলমানদেরকে গুমরাহ করছে। তাদের



বিশ্বের সবচাইতে বেশি নারী নির্যাতন এবং নারী অধিকার খর্ব হয় যেখানে…


১. সম্ভ্রমহরণ ও শ্লীলতাহানি হয়রানি: যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি ৪৫ সেকেন্ডে সম্ভ্রমহরণের শিকার হয় একজন নারী আর বছরে এই সংখ্যা গিয়ে দাঁড়ায় সাড়ে ৭ লাখে। (সূত্র: দি আগলি ট্রুথ, লেখক মাইকেল প্যারেন্টি)। আর ব্রিটেনে প্রতি ২০ জনের মধ্যে একজন নারী ধর্ষিত হয়। ২.



সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করা মুসলমানদের ঈমানী দায়িত্ব। আর পালন না করলে তার জন্য জবাবদিহি করতে হবে।


সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন নাবিইয়ীন, শাফিয়ুল মুজনেবীন, রহমতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম- যিনি সৃষ্টির মূল, যিনি মহান আল্লাহ পাক উনার রুবুবিয়াত প্রকাশের মাধ্যম, যিনি খলীলুল্লাহ হযরত ইবরাহীম আলাইহিস সালাম উনার মুবারক ফখর, যিনি মহান



হাক্বীক্বী পর্দা করা ফরয, অথচ এ সম্পর্কে মুসলিম জাতি বড়ই বেখবর


অনেক মহিলা এমন আছে, পাঁচ ওয়াক্ত নামায পড়ে রোযা রাখে এমনকি অনেক নফল ইবাদত করে থাকে, কিন্তু পর্দাকে কোন গুরুত্ব দেয় না। এর মধ্যে অনেকে বোরকা পরেনা, অনেকে বোরকা পরেও বোরকা না পরার সমান। কারণ এই বোরকাতে তাদের দেহের আকৃতি সম্পূর্ণ



ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঈদ হলে এই ঈদে নামাজ কত রাকাত?


ঈদ হলে তার সাথে নামাজ থাকতে হবে এমন শর্ত শরীয়তে কোথায় আছে? সহীহ হাদীস শরীফ থেকে প্রমানিত জুমুয়ার দিন ঈদের দিন। আমি প্রশ্ন করবো এই ঈদে নামাজ কত রাকাত? চালাকী করে হয়তো বলতে পারেন জুমুয়ার নামাজই হচ্ছে ঈদের নামাজ। এই চালাকীর



চালু করুন যাকাত ইনকাম ট্যাক্স নয়


প্রিয় পাঠক! আপনারা একটু ফিকির করে দেখুন- ইনকাম ট্যাক্সের কারণে মানুষদের ফরয যাকাতের গুরুত্ব নষ্ট হচ্ছে। অথচ আমরা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম উনার জীবনী মুবারক পড়লে জানতে পারি- যাকাতের কত গুরুত্ব ও তাৎপর্য রয়েছে। হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম তিনি



তৃতীয় বিশ্বের নেতৃত্ব বনাম বৈচা চিংড়ি


যে কোন প্রজ্ঞাসম্পন্ন দক্ষ গাড়ি চালক জানে যে, রাস্তা পারাপাররত যে কোন পশু (গরু, ছাগল, ভেড়া ইত্যাদি) হঠাৎ হর্ন শুনে হতচকিত হয়ে সে সম্মুখে ঝাঁপ দেয়। কিন্তু মানুষ সেক্ষেত্রে ব্যতিক্রম, মানুষ ঘাবড়ে গিয়ে হঠাৎ করে স্থান পরিবর্তন করার সময় পিছনের দিকে