মুস্তাফিজুর রহমান ফারুক -blog


প্রোফাইলে কি লিখবো ভাবছি.............. .............. ...................................... ......................................


 


ইসলামের সোনালী যুগ তথা খইরুল কুরুনে পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালিত হতো


খইরুল কুরুন হচ্ছে পর্যায়ক্রমে ছাহাবী, তাবিয়ী ও তাবি’ তাবিয়ীনগণের যুগ। আর উক্ত তিন যুগের প্রথম যুগই হচ্ছে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণ- উনাদের যুগ এবং সে যুগেই ‘ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’ উদযাপিত হয়েছে। সুবহানাল্লাহ! যেমন এ প্রসঙ্গে



সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ উপলক্ষে ওয়ালপেপার


কুল মুসলিমের ঘরে ঘরে, ঈদে আ’যম এলো ফিরে ॥ ঈদে আ’যমের নূরী আগমন, উজ্বাল করলো মোদের জীবন ॥



ইহুদী ইজরাইল ও মুশরিক ইন্ডিয়ার মধ্যে আশ্চর্যজনক মিল


মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন, ‘তোমরা ইহুদী-নাছারাদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করো না তারা একজন আরেক জনের বন্ধু, যারা তাদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করবে তারা তাদেরই দলভুক্ত বলে গণ্য হবে।’ আর ‘সূরা মায়িদায়’ প্রথমে ইহুদীদেরকে ও পরে মুশরিকদেরকে মুসলমানদের স্পষ্টভাবে সবচেয়ে বড়



আর মাত্র ১৮ দিন পর- কুল-কায়িনাতের শ্রেষ্ঠ ঈদ সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ তথা পবিত্র ১২ই রবিউল আউয়াল শরীফ


পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে- “হে মানব জাতি! অবশ্যই তোমাদের মধ্যে মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে এসেছেন মহান নছীহতকারী তোমাদের অন্তরের সকল ব্যাধিসমূহ দূরকারী। মহান হিদায়েতকারী ও ঈমানদারদের জন্য মহান রহমতস্বরূপ।” “হে হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি উম্মাহকে জানিয়ে



সউদী বাদশা, ঘোড়ার গাড়ী ও ব্যাকডেটেড কালচার!


মনে পড়ে দেশী বিদেশী সংবাদপত্র তথা মিডিয়াগুলোতে একবার দিনের পর দিন ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে ঐতিহ্য বজায় রাখার প্রসংশা করে ধন্যবাদ জানিয়ে ব্যাপক লেখালেখি আলোচনা করা হয়। বিষয়টি বিশ্ব কাপানো বা মহাকাশ এর গুঢ়তত্ত্ব আবিষ্কার এর সাথে সংশ্লিষ্ট বিশ্ব জাগানো কিছু



কোমল পানীয়র নামে কি খাচ্ছে মানুষ?


ইংরেজী Soft Drinks -এর বাংলা করা হয়েছে কোমল পানীয়। ইংরেজী ভাষাভাষী অঞ্চলে বস্তুত গোটা ইউরোপে আবহাওয়া, সামাজিক রীতি ও ঐতিহ্য অনুযায়ী অ্যালকোহল সমৃদ্ধ আরও এক ধরনের পানীয় প্রচলিত আছে যাকে ওরা বলে থাকে Hard Drinks । ওই Hard Drinks-এর বিপরীত অর্থবোধক



ডারউইনের বিবর্তনবাদ মিথ্যা প্রমাণ করল পশ্চিমা গবেষকরা


জাহাজে চাকুরীর সুবাদে দেশ বিদেশে ঘুরে বেড়াবার একটা সুযোগ হয়েছিল মি. ডারউইনের। তিনি সখের বশে পুরান দিনের হাড় হাড্ডি আর কিছু মাথার খুলি সংগ্রহ করলেন। এই সংগ্রহের উপর নির্ভর করে বলে দিলেন বানর থেকে মানুষের আগমন। অর্থাৎ বানর মানুষের পূর্বসূরী। এক



মুসলিম জাতিসত্ত্বার বিকাশে আরবী হিজরী বর্ষের গুরুত্ব প্রসঙ্গে


বিশ্বব্যাপী সর্ব ক্ষেত্রে বর্তমানে সাময়িকভাবে ইহুদী নাসারাদের বাহ্যিক যে প্রাধান্যতা চলছে তা ভালভাবে টের পাওয়া যায় যখন ইংরেজী বর্ষ পরিক্রমা শেষ কিংবা শুরু হয়। অর্থাৎ অন্যান্য অনেক বিষয়ের মতই পৃথিবীর প্রায় সর্বত্রই ইংরেজী বর্ষানূযায়ী তারিখ অনুসরণ করতে হয় এবং সে মোতাবেকই



বাংলাদেশে ইসলাম ॥ ৬৯ হিজরীতে লালমনিরহাটে নির্মিত হয় মসজিদ


সাধারণভাবে এটা ধরে নেয়া হয় যে, ১২০৩ খ্রীষ্টাব্দে ইখতিয়ার উদ্দীন মুহম্মদ বিন বখতিয়ার খলজীর বাংলা বিজয়ের পর থেকেই এ অঞ্চলে মুসলমানদের বসতি শুরু হয়। অধিকাংশ ঐতিহাসিক মনে করেন বখতিয়ারের বাংলা বিজয়ের বহু পূর্বেই কিছু সংখ্যক আরব বণিক চট্রগ্রামে বসতি স্থাপন করেছিলেন।



নারী মুক্তি আন্দোলনের একটি করুণ চিত্র ও প্রসঙ্গ কথা


বেশ অনেকদিন আগে পত্রিকায় একটা ঘটনা উঠেছিল। স্বামী-স্ত্রী দুজনেই দুটি প্রতিষ্ঠানে চাকুরী করতো। অবশ্য এমন না যে শুধুমাত্র স্বামীর রোজগার দ্বারাই সংসার-এর ব্যয়ভার পরিচালনা করা অসম্ভব হয়ে পড়েছিল। তবে উভয়ে সারাদিন কর্মক্ষেত্রে সময় দেয়ার কারণে তাহলে সাংসারিক কাজ কর্মে সময় দান



সবুজ বাংলার সবুজ রূপ


যারা শহরে বাস করে সাধারণত তারা সবুজ বাংলার প্রকৃতির রূপ দেখতে পায় না। আমাদের বাংলার চির সবুজের দৃশ্য মোড়ানো প্রকৃতি যে কত সুন্দর, প্রাণ জুড়ানো শহরে থেকে বোঝা যায় না। গ্রাম বাংলার প্রকৃতি দেখে প্রাণ সজীব, সতেজ হয়ে যায়। আলাদা একটা



ওরা মাদ্রাসায় পড়ে, তবে মুসলমান নয় হিন্দু


খবরটি ২০০৯ সালে ইরান বাংলা রেডিও ও প্রথম আলো পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিলো। খবরটি আপনাদের সাথে শেয়ার করছি। ….. ….. …..