Naaj Fouara -blog


...


 


সমস্যা যখন সাধারণ তখন “তালাক্ব” সমাধান নয়!


সুখী দাম্পত্য জীবনের কারণে আহাল আহলিয়া যদি একে অন্যের কাছে উত্তম পরিগণিত হয় তাহলে তারাই তাদের জন্য নাযাতের উসীলা হয়ে যেতেও পারে… পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- “পূর্ণ ঈমানদার সেই ব্যক্তি, যার চরিত্র সবচেয়ে সুন্দর, আর তোমাদের মধ্যে



অর্থ,সম্পদ সবক্ষেত্রে সমৃদ্ধি ছিলো যে সময়ে


কাফিররাও স্বীকার করতে বাধ্য যে ১৪০০ বছর আগের যুগটিই ছিলো স্বর্ণ যুগ,সত্য ও ন্যায়ের যুগ। ইনসাফের নিদর্শন ছিল সে সভ্যতার প্রতিটি বিষয়ে। খিলাফত চলাকালীন সময়েও সাম্যই বিরাজমান ছিলো। ছিলো সমৃদ্ধি। আমীরুল মু’মিনীন,খলিফায়ে ছালিছ সাইয়্যিদুনা হযরত যুননূরাইন আলাইহিস সালাম উনার খিলাফতকালে মুসলমানগণ



ঈমানের সাথে সংশ্লিষ্ট একটি দিন…


সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহু আলাইহিস সালাম তিনি নবী খান্দানের অন্যতম সদস্য।তিনি হলেন সর্বসম্মতিক্রমে বালক উনাদের মধ্যে সর্বপ্রথম সম্মানিত দ্বীন ইসলাম কবুলকারী।তিনি খায়বরী বীর।তিনি “আশারায়ে মুবাশশিরার” অন্তর্ভুক্ত।তিনি আসাদুল্লাহ।তিনি খলীফা,তিনি হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার জামাতা। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক



পরকীয়ার পেছনের কথা…


অনেকদিন থেকেই লিখবো ভাবছিলাম…আজ সুযোগ হলো… সব মানুষই সুখের অন্বেষণে থাকে। কারো দুটো কথা আরেকজনের সাথে শেয়ার করার মধ্যেই সুখ, কারো আরেকজনের সাথে দিন কাটাতে সুখ, কারো গল্পে,আড্ডায় সুখ… এই মানুষগুলা যখন স্বাভাবিক জীবনের নানামুখী ব্যস্ততায় বিভিন্ন ধরণের অসুখী কর্মকান্ডের সম্মুখীন



রোযা রেখে ইঞ্জেকশন,ইনসুলিন,ইনহেলার নেয়া যাবে??


ডাক্তারের কাজ ডাক্তারী করা ফতওয়া দেয়া না! অথচ পান্ডিত্যের নিদর্শন রাখতে গিয়ে কিছু ডাক্তার মনগড়াভাবে ফতওয়া দেয় আর কিছু দুনিয়াদার আলিম তথা উলামায়ে ছু’ এতে মদদ দেয়! নাউযুবিল্লাহ! এরা সাধারণ লোকদেরকে বিভ্রান্ত করে এই বলে যে,রোযাবস্থায় ইঞ্জেকশন,ইনহেলার,ইনসুলিন ইত্যাদি নিলে রোযা ভংগ



বান্দা যেমনই হোক মহান আল্লাহ পাক রহমতে খাছ নাযিল করে কবুল করে নিবেন যদি বান্দা চায়


মহান আল্লাহ পাক চান বান্দাকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দিতে। এজন্য মহান আল্লাহ পাক নিজেই বান্দার জন্য উসীলা দেখেন, একেকজনকে একেক উসীলা দিয়ে মহান আল্লাহ পাক ক্ষমা করে দেন।এটা অবশ্যই মহান আল্লাহ পাক উনার অসীম অনুগ্রহ। বান্দা অনেক গুনাহগার হতে পারে,পাপের পরিমাণ



নফল আমলও ফেলনা না!


ভুলতে পারি না! প্রতি বছর পবিত্র শবে মিরাজ আসলেই মনে পরে।ভালো ঝারাঝারির মধ্যে পরতে হয়েছিলো…ঝারাঝারি একপক্ষ থেকেই হয়েছিল অবশ্য! ঘাবড়ে গিয়েছিলাম খুব।পরিস্থিতি এতো প্রতিকূল বুঝতেই পারি নাই! ঘটনা হচ্ছে,একজনকে জিজ্ঞেস করেছিলাম,”শবে মিরাজ তো,রোযা রাখবেন না?” প্রশ্ন করা মাত্রই ব্যক্তি ভয়ানক ক্ষেপে



…একটি গুপ্ত শিরক…


কয়েক বছর আগে টানা কিছুদিন  হাঁসের ডিম খাওয়ার কিছুদিন পর একব্যক্তি কিছুটা মুটিয়ে গিয়ে বলছিলো, “একমাত্র হাঁসের ডিমই আমাকে মোটা করতে পারলো!” তখন সামনে উপস্থিত আরেকজন তাকে বললো, “তুমি কি বলছো তুমি খেয়াল করো” সে তখন বললো,কেনো কি হয়েছে!? সেই ব্যক্তি



ভিন্ন সুরে যৌতুক লাভের বাসনার প্রকাশ….


” আমরা মানুষের মতো লোক ঠকাবো না।বিয়েতে মেয়ের সাথে যা দেয়া প্রয়োজন সব দিবো!” সাউন্ড কেমন??? মানুষের কথার মধ্যেও বিভিন্ন সুর থাকে!!! একটা মেয়ের বিয়ের সময় তারা বাবা-মা যদি সব না দেয় তবে কি সেই বাবা-মা পাত্রপক্ষকে ঠকালো!!!?????? উল্লেখ্য,”সব” বলতে কি



বাল্যবিবাহ রোধ নীতির বিপক্ষে আছি


গান- ভালোবাসাময় সিনেমা- ভালোবাসাময় নাটক-ভালোবাসাময় কবিতা- ভালোবাসাময় উপন্যাস-ভালোবাসাময় গল্প- ভালোবাসাময় এতো ভালোবাসাময় জিনিসপত্রে চারদিক জর্জরিত! তার উপর পোলাপান ছেড়ে দেয়া হয়েছে সহ-শিক্ষাব্যবস্থার মধ্যে! তার উপর বেপর্দা! আছে মোবাইলে বিভিন্ন অপারেটরে রাত ১২টার পর বিশেষ কল রেট!!! কলেজ এড়িয়ায় রাস্তার মোড় না



তওবা করার সুযোগ আছে মৃত্যুর পূর্ব মুহুর্ত পর্যন্ত।


সেদিন কারো কোনো ক্ষমতা কোনো কাজে আসবে না! মানুষ গায়ের জোর,মুখের জোর,গলার জোর,টাকার জোর,মামার জোরে অনেক কিছুই করে থাকে,বলে থাকে,জুলুম করে থাকে… কিন্তু যেহেতু পৃথীবী এবং এর সাথে সমস্ত সৃষ্টিই ধ্বংসশীল তাই এজাতীয় পাওয়ারেরও শেষ আছে,শেষ আসবে। আপনি বিদ্বান,যথেষ্ট যুক্তি তর্ক



হক্বের পথে অটল থাকলে কামিয়াবী একদিন অবশ্যই আসবে…


ত্যাগ স্বীকার না করে,কষ্ট না করে কেউ হক্ব পথে আসতে পারে না… হক্ব পথে আসতে প্রচন্ড বাধা-বিপত্তি আসেই! শক্ত করে যদি হক্বের উপর, হক্ব পথে অবস্থান করা যায় তবেই বাধা-বিপত্তির অবসান ঘটে। গায়িবী মদদ হয়। কামিয়াব হতে প্রচন্ড ধৈর্য লাগে… সেই