Naaj Fouara -blog


...


 


হক্বের পথে অটল থাকলে কামিয়াবী একদিন অবশ্যই আসবে…


ত্যাগ স্বীকার না করে,কষ্ট না করে কেউ হক্ব পথে আসতে পারে না… হক্ব পথে আসতে প্রচন্ড বাধা-বিপত্তি আসেই! শক্ত করে যদি হক্বের উপর, হক্ব পথে অবস্থান করা যায় তবেই বাধা-বিপত্তির অবসান ঘটে। গায়িবী মদদ হয়। কামিয়াব হতে প্রচন্ড ধৈর্য লাগে… সেই



যারাই থার্টি ফার্স্ট নাইটে বেল্লেল্লাপনা করে তারাই সুন্নতী বাল্যবিবাহের বিরোধীতা করে!


১লা ফাল্গুন, ১লা বৈশাখ,১লা জানু,৩১শে ডিসেম্বর নাইট,১৪ ফেব্রুয়ারি সবই ভ্যালেন্টাইন্স ডে এর রূপভেদ! বেহায়াপনা-বেলেল্লাপনা করার দিন! স্বাভাবিক প্রকৃতি বিকৃত করার দিন! আর বিশেষভাবে থার্টি ফার্স্ট নাইট তো বেহায়াপনার চরম উৎকর্ষ লাভের দিন,রাত! যারা বাল্যবিবাহের বিরোধীতা করে তারা কি উক্ত দিনগুলোতে সৃষ্ট



এখনি হিসেব করুন…


মানুষ যত বৃদ্ধ হয় বেচে থাকার ইচ্ছা ততো প্রবল হয়… আশা বাড়ে… পাওয়া -না পাওয়ার হিসেব কষতে গিয়ে হতাশাও আসে ব্যাপক। সব হিসাবই দুনিয়াবী হিসাব…আমলনামার হিসাব করার চিন্তাটা আসে কয়জনের?!? নেকী জীবনে অনেক হতে পারে…অনেক! কিন্তু নেকীর বিনিময়ে একটু জান্নাতের বাতাসও



নিজের সম্মান বৃদ্ধির এক শ্রেষ্ঠতম মাধ্যম


কিছু আজিব টাইপ জীব বলে থাকে, “মানুষ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রশংসা করতে করতে আল্লাহ্‌ পাকের চাইতে বেশি করে ফেলে!” আবার এটাও বলে, “এতো প্রশংসা করতে হয় না” নাউযুবিল্লাহ!!! এ দুটো বক্তব্যের কোনোটিই শুদ্ধ নয়।কেননা,কায়িনাতের কারো পক্ষে কস্মিনকালেও



প্রত্যেকেরই আলাদা আলাদা হক্ব রয়েছে


ভার্সিটি পড়ুয়া একটা কিউট আপুকে তার বিয়ের পর জিজ্ঞেস করা হয়েছিলো,“আপু আপনার শ্বাশুড়ী কেমন?” তার উত্তর ছিলো,“শ্বাশুড়ী আবার কেমন!শ্বাশুড়ী শ্বাশুড়ীর মতোই” অর্থাৎ শ্বাশুড়ী কে সাধারণ মেয়ে হিসেবে নেয়া যাচ্ছে না।একজন বালিকা,বউ,মা এদের বৈশিষ্ট্য যেমন আলাদা,শ্বাশুড়ীও আলাদা বৈশিষ্ট্যের অধিকারী! আমারই এক ফ্রেন্ডের



যিনি সম্মানিত উনার সাথে সংশ্লিষ্ট সবই সম্মানিত


সাধারণভাবে একটা কাগজের টুকরা তা মানুষ ফেলে দিবে নাকি সযত্নে রেখে দিবে তা নির্ভর করে কাগজে লিখিত বিষয়বস্তুর উপর।কাগজে যখন হাবিজাবি কিছু একটা লেখা থাকে অর্থাৎ গুরুত্বহীন এমন কিছু তখন মানুষ সেটা ছুঁড়ে ফেলে দেয়। আর যখন গুরুত্বপূর্ণ কিছু লেখা থাকে



আমাদের খুশি প্রকাশ হবে উম্মত হিসেবে…


…কোনো কাফির কোনো নেক কাজ করলে মুসলমানগণ কি সে নেক কাজ ছেড়ে দিবে?? …ইহুদী মহিলা রমাদ্বান মাসকে সম্মান করার কারণে ঈমান লাভ করে জান্নাতী হলো ,একজন ইহুদী রমাদ্বান মাসকে সম্মান করলো বলে কি মুসলমানগণ রমাদ্বান মাসকে সম্মান করবে না??? …ইহুদীরা আশুরার



সব বিষয় সবার দ্বারা সম্পাদিত হয় না!


কোন্‌ বিষয়ে খুশি হবে আর কোন্‌ বিষয়ে অখুশি হবে এটা নির্ভর করে বিষয়টির সাথে ব্যক্তির সম্পর্কের উপর। পাশাপাশি দুটি বাসার একটি বাসায় যদি কারো বিয়ে হয় আর অপর বাসায় যদি কারো মৃত্যু হয়-তবে দুটি বাসার পরিবেশ কিন্তু সম্পূর্ণ বিপরীত হয়। যে



সর্বশ্রেষ্ঠ ইবাদত কি?


মহান আল্লাহ পাক ইবাদত বন্দেগীর মুহতাজ না। তিনিই সৃষ্টিকর্তা,সমগ্র সৃষ্টিই উনার মুহতাজ,সমগ্র সৃষ্টিরাজিই উনার বন্দেগী করে, শয়তান এবং তার দোসররা ব্যতীত। তারপরো মহান আল্লাহ পাক ছলা্‌ত, সালাম পাঠ করেন উনার যিনি প্রিয়তম হাবীব নূরে মুজাসসাম ,হাবীবুল্লাহ ,হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া



বঙ্গানুবাদ পড়েই সবটা বুঝা যায় না…


এই লোকগুলা কি বুঝবে একটা আয়াত শরীফে কতো মর্মার্থ লুকায়িত থাকে!!! তাদের তো সেই মাপের মাথা না! মানুষ বাহ্যিক অর্থ দেখে বিভ্রান্ত হয়,নাস্তিক হয়,গোমরাহ হয় এবং চোখ,কান,অন্তর তালাবদ্ধ হয়ে যায়…..শুধুমাত্র আক্ষরিক অনুবাদের কারণে,অন্তর্নিহিত ভাব না বুঝার কারণে! পূর্ববর্তী সমস্ত আসমানী কিতাব,১০০খানা



মুহব্বতই মূল,মুহব্বতেই সব


হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে হাক্বীক্বীভাবে মুহব্বত মুবারক করতে পেরেছিলেন বলেই উনারাই প্রকৃত সত্য পথ প্রাপ্ত হয়েছিলেন এবং মহান আল্লাহ পাকের হাক্বীক্বী সন্তুষ্টি মুবারক হাছিল করতে পেরেছিলেন।সুবহানাল্লাহ! যার কারণে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম



অধিকাংশই মুসলমান হওয়ার পরও মুশরিক!!!


….মুসলমানের মত মুসলমান হওয়া আসলেই কষ্ট এবং কঠিন।কত মানুষ আছে সারাজীবন মুসলিম বেশেই থাকে,সে হয়তো নিজেও জানতে পারে না সে মুসলিম আর নেই!নামে মুসলিম হয়ে কাফিরদের অনুকরনে ধূতি পড়ে,কোর্ট টাই পড়ে,শাখা,সিঁদুর দেয়…আবার রোযা,নামাযও করে ভাবে,আমার দুটাই চললো।দ্বীনও চললো,দুনিয়াদারীও চললো!এতোই সহজ!!?!!সহজ নয়,দুই