Naaj Fouara -blog


...


 


গযব এসে পড়লে তার থেকে বাঁচা যাবে না,বাঁচতে হলে আগেই তওবা করে হক্ব পথে পুরোপুরিই প্রবেশ করতে হবে…


হযরত নূহ আলাইহিস সালাম দ্বীনের দাওয়াত দিয়েছিলেন প্রায় ৯৫০ বছর!!!ভাবা আমাদের জন্য কষ্টকরই!১ দিন ২ দিন তো নয়! অথচ উনার দাওয়াত গ্রহণ করেছিলেন কতজন???১০০ জনও তো নয়!!!প্রায় ৮০ জন দাওয়াত কবুল করেছিলেন।এবং শেষ পর্যন্ত এই অল্প সংখ্যক লোকই নাজাত লাভ করতে



কম শাস্তিই যদি কঠিন হয় তবে কঠিন শাস্তি কতই না ভয়াবহ!!!


১। “নিশ্চয় ক্বিয়ামতের দিন ঐ ব্যক্তির কঠিন শাস্তি হবে ,যে ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাকের সৃষ্টির সাদৃশ্য কোনো প্রাণীর ছুরত তৈরি করবে।” (মিশকাত শরীফ পৃঃ৩৮৫) ২। আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বর্ণনা করেন,হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেন,ক্বিয়ামতের দিন



বাল্যবিবাহ নয়,বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের বিরোধিতা করুন!


পবিত্র দ্বীন ইসলামের বিষয়টিই এমন যে,নিয়মমতো চলতে পারলে যেমন পরকালীন ফায়দা রয়েছে তেমনি আবার দুনিয়াবী ফায়দাও রয়েছে,প্রতিটি ক্ষেত্রে্ই।আর দ্বীনি কাজগুলোই যদি দুনিয়াবী উদ্দেশ্য পূরণের জন্যই হয় তবে শুধু সেই উদ্দেশ্যই পূরণ হবে। তেমনি একটি বিষয় হচ্ছে বিয়ে।বিয়ে করা একদিকে যেমন ইবাদত



অপছন্দনীয় হালাল !


”আল্লাহ পাক-এর নিকট হালালের মধ্যে সবচেয়ে অপছন্দনীয় হালাল হচ্ছে তালাক দেয়া”।(মিশকাত শরীফ)



কোনো অবস্থাতেই মুশরিকদের অনুসরণ নয়!


সর্বদাই কাফির মুশরিকদের ব্যতিক্রম করতে হবে,এদের নিয়ম নীতি কোনোভাবেই গ্রহণ করা যাবে না। যে যার সাথে মিল রাখবে,যে ধর্মের নিয়ম নীতি গ্রহণ করবে তাদের সাথেই তার হাশর নশর হবে। তাই কাফিরদের প্রবর্তিত দিবস পালনকারীগণ কাফির হিসেবেই সাব্যস্ত হবে,না জেনে করলে আলাদা



আমরা কি ধ্বংস থেকে রক্ষা পাবার চেষ্টা করবো না?


মুখলিছ তথা ইখলাছ অর্জনকারী কারা? -যারা ইহসানের দুটি স্তরের মধ্যে অন্তত একটি স্তরে পৌঁছতে পেরেছেন। ইহসানের দুটি স্তর সম্পর্কে কম বেশি সকলেরই ধারণা আছে।স্তর দুটি হচ্ছে ১) মহান আল্লাহ পাক উনাকে দেখে দেখে ইবাদত করা ২)মহান আল্লাহ পাক দেখছেন এ ধারণা



মুসলিম ব্যক্তি কাফিরদের সাথে বন্ধুত্ব করতে পারে না!


শত্রুর কাজতো শত্রুতাই করা এবং করেও তাই।যেমন মহান আল্লাহ পাক যখন কালামুল্লাহ শরীফে জানিয়ে দিলেন “শয়তান তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু” তখন কারোই অজানা থেকে না যে শয়তানের ওয়াসওয়াসায় যা করা হবে সবই ক্ষতির কারণ হবে!!!এখন যেটা বলার বিষয় সেটা হচ্ছে,শয়তান লা’নতগ্রস্ত,জাহান্নামী,যার কারণে



হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত পিতামাতা আলাইহিমুস সালাম উনারা জান্নাতী নন,বলাটা কুফরী!


আজ ২রা মুহররমুল হারাম শরীফ। মুসলিম উম্মাহর জন্য এবিশেষ দিনটিও সম্মানিত এবং বরকতময়। কেনো??? এ পবিত্র দিনে যিনি নূরে মুজাসসাম,হাবীবুল্লাহ,হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত পিতা হযরত আবদুল্লাহ যবীহুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। তিনি



চলুন নেককাজেই বেশি মনোযোগী হই!


কোনো ব্যক্তি কোনো ভালো কাজ/কারো জন্য ভালো কাজ করলো সে যেন তার নিজের জন্যই করলো। আর কারো জন্য /কোনো বদ কাজ বা খারাপ কাজ করলো সেটাও তার নিজের জন্যই করলো! অর্থাৎ সে তার নিজের আমলনামাকেই ক্ষতিগ্রস্ত করলো। আপাতদৃষ্টিতে কারো ক্ষতি করাটা



সারাবিশ্বের শাসকবর্গের জন্য অনুসরণীয় কে?


আসমানে এমন কোনো ফেরেশতা নেই যে হযরত ফারূকে আযম আলাইহিস সালাম উনাকে সম্মান করে না,আর যমীনে এমন কোনো শয়তান নেই যে হযরত ফারূকে আযম আলাইহিস সালাম উনাকে ভয় করে না।সুবহানাল্লাহ্‌! আজ যেহেতু উনার সম্মানিত শাহাদাতী শান মুবারক প্রকাশের দিবস অতিবাহিত হলো



একমাত্র কাফিররাই উনার বিরোধীতা করে!!!


আজ সেই দিবস যে দিবসে সম্মানিত ইলিমের ১০ভাগের ৯ ভাগ গায়েব হয়ে গিয়েছে ,আমীরুল মু’মিনীন হযরত ফারূকে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার শাহাদাতী শান মুবারক প্রকাশ করার মাধ্যমে। উনি সম্মানিত সাহাবী,সম্মানিত দ্বীন ইসলামের ২য় খলীফা,উম্মুল মু’মিনীন হযরত হাফসা আলাইহাস সালাম উনার সম্মানিত



উদ্দেশ্য তবে একটাই হোক…


যে ব্যক্তি সব উদ্দেশ্যকে এক উদ্দেশ্যে পরিণত করতে পারবে তার সমস্ত কিছুর জন্য মহান আল্লাহ পাক তিনিই যথেষ্ট হয়ে যাবেন। সুবহানাল্লাহ্‌! অর্থাৎ যেকোনো কাজেই উদ্দেশ্য হবে পরকালীন সফলতা হাছিল করা। ইমামে আ’যম আবু হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে কাজী,মুফতি,রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণে পদে