Naaj Fouara -blog


...


 


হিনমন্যতা নয়,আপনি যে শ্রেষ্ঠ তা প্রকাশ করুন…


“শুভ জন্মাষ্টমী”/ “হ্যাপি দিওয়ালী/দেওয়ালী(ঠিক জানি না কি!)” এই ধরনের পোস্টে মুসলমান যদি নিঃসংকোচে লাইক দিতে পারে,তবে দ্বীনী পোস্টে তাদের সংকোচ হয় কেনো?? আচ্ছা,বুঝলাম,হয়তোবা তারা সব দ্বীনী বিষয়ক পোস্ট মেনে নিতে পারে না,কিন্তু কাফিরদের দিবস কি তারা মেনে নেয়?বিশ্বাস করে??? এতো আনইজি



কোন পথে আছেন?খেয়াল করেছেন কি?!?


নূ্রে মুজাসসাম,হাবীবুল্লাহ ,হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হচ্ছেন সাখাওয়াতীর (দানশীলতার) শহর এবং আফদ্বালুন নাস বা’দাল আম্বিয়া হযরত ছিদ্দীকে আকবর আলাইহিস সালাম সেই শহরের দরজা। সুবহানাল্লাহ!!! অর্থাৎ এতো বেমেছাল দান উনি করেছেন যা নজিরবিহীন। আর সেই বিষয়টিই দিবালোকের ন্যায় প্রস্ফুটিত



“আমি” বাদ দেয়া গেলেই যথার্থ বান্দা হওয়া যাবে।


“নিশ্চয়ই আল্লাহ পাক মু’মিনদের থেকে তাদের জান ও মাল বেহেশতের বিনিময়ে খরিদ করে নিয়েছেন।” (পবিত্র সূরা তওবা শরীফ : ১১১) এ আয়াত শরীফ থেকে বুঝার তো বিষয় আছে লক্ষ কোটি! কিন্তু আপাতদৃষ্টিতে কতটুকু বুঝা যায় চলুন দেখি… ১. মু’মিনদের জান এবং



আপনি মুসলমান? মুসলমান হলে আপনার দায়িত্ব কি জানা আছে?


মুসলমান হলেই আপনা আপনি আপনার আমার উপর কিছু দায় দায়িত্ব এসে যায়। কি সে দায় দায়িত্ব!?! দায়িত্ব হচ্ছে সৎ কাজের আদেশ দেয়া এবং অসৎ কাজের নিষেধ করা। শুধু দায়িত্ব বললে ভুল হবে,বরং এটা ফরয। কেননা মহান আল্লাহ পাক যা নির্দেশ মুবারক



ঈদের রাতটিও দোয়া কবুলের রাত


অন্তর একটাই,অথচ মুহব্বত ভাগ হয়ে যায় জনে জনে!!! ছোট অবস্থায় মুহব্বত থাকে শুধু পিতা মাতাতে,ভাই বোনে,বিয়ে হয়ে গেলে অংশীদার বাড়ে…সেই একটাই অন্তর মুহব্বতের কাট ছাট করে স্বামী/ স্ত্রীতে সংযোজিত হয়। অত:পর তাও আরো ভাগ হয়,আগের মুহব্বতের ব্যক্তিদের প্রতি মুহব্বত কমে গিয়ে



কুরবানীর পশুর অবমাননা /অসম্মান করবেন না!


কুরবানী মহান আল্লাহ পাক উনার নিদর্শন।কুরবানীর পশু একারণে সম্মানিত। নিদর্শনসমূহকে সম্মান করা ফরয হেতু কুরবানীর পশুকে ও সম্মান করা ফরয। একেক বিষয়ের সম্মান প্রদর্শনের বিষয় একেক রকম তবে প্রত্যকেটি বিষয়ের ক্ষেত্রে মূল যে বিষয় তা হচ্ছে আদব রক্ষা করা। এ যুগে



সুষ্ঠুভাবে, শান্তিপূর্ণ উপায়ে যদি কুরবানী করা যায় তবে গোলমালের কি প্রয়োজন!!!


সমগ্র বাংলাদেশে প্রায় ২-৩ কোটি কুরবানী হয়ে থাকে। ঢাকা শহরেই কুরবানী হয় প্রায় ৩০লাখ।সুবহানাল্ লাহ!!! এখন কথা হচ্ছে,কুরবানী করার জায়গা নির্দিষ্ট করে দিলে এতো লাখ লাখ গরু, এক লাখ গরুর সাথে প্রায় ৫/৭লাখ মানুষ জায়গা দেয়ার জায়গা ঢাকা শহরের কোন প্রান্তে



কুরবানী সংক্রান্ত চক্রান্তের প্রতিবাদ করুন


গোশত খাওয়ার জন্যই ঈদুল আযহা দেয়া হয় নাই… পবিত্র ঈদুল আযহা মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে বান্দার জন্য নিয়ামত প্রাপ্তির বিশেষ দিন,তাক্বওয়া হাছিলের,সন্তুষ্টি হাছিলের বিশেষ উপলক্ষ। সুবহানাল্লাহ!!! সুতরাং এ দিবস আমাদের জন্য নিয়ামতপূর্ণ। তাই কোনোভাবেই হেলাফেলা করা,কুরবানী নিয়ে অপপ্রচার করা,কুরবানীর



জান্নাতে যাওয়ার সহজ উপায়…!


সম্মানিত কুরবানীতে কোনো দূষণ সৃষ্টিকারী বস্তু তৈরি হয় না। কুরবানীর পশুগুলো মহান আল্লাহ পাক উনার নিদর্শন এবং কুরবানীদাতার পুলসিরাতের বাহন। সুবহানাল্লাহ!!! আমাদের দেশ মুসলিম দেশ বলেই এদেশে প্রতি বছর কুরবানীও করা হয় অনেক। পবিত্র কুরবানী থেকে সৃষ্ট বর্জ্যও বিভিন্নভাবে কাজে লাগিয়ে



নাযাত পাওয়া যতটা সহজ ঠিক ততটাই কঠিন!!!


মানুষ নেক কাজ করবে।ঠিকই আছে। কিন্তু তার কৃত নেককাজ তার জন্য ফায়দাদায়ক হবে কখন????? আল্লাহ পাক বলেছেন “নামায কায়েম কর” আবার আল্লাহ পাক উনিই ইরশাদ মুবারক করেছেন, “নামাযীরা ধ্বংস” কি কারণ??? মানুষ এখন অধিক আমলমুখী।ভালো! কিন্তু আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি মুবারক



ইলিম অর্জন কারা করবে? কেনো করবে? কতক্ষণ করবে?


যে ইলিম ত্বলব করতে বের হয়ে গেলো সে ছোট হোক বড় হোক- ফিরে আসা পর্যন্ত মহান আল্লাহ পাক উনার পথেই থাকলো। সুবহানাল্লাহ! .কতক্ষণ সময় ইলিম অর্জন করতে হবে? -দোলনা থেকে কবর পর্যন্ত। অর্থাৎ সমস্ত জিন্দেগীই ইলিম অর্জন করতে হবে। .ইলিম অর্জনের



সম্মানিত শরীয়তে উনার যেকোনো বিষয় নিয়ে চু-চেরা করা ঈমানহানীর কারণ!


সম্মানিত শরীয়তের যে বিষয়ে যেভাবে বিশ্বাস স্থাপন করতে বলা হয়েছে ক্বিয়ামত পর্যন্ত সেভাবেই বিশ্বাস স্থাপন করতে হবে,আমল করতে হবে। ব্যতিক্রম করা যাবে না। এজন্যই ১৪০০ বছর আগে যেভাবে নির্দেশ মুবারক এসেছে,১৪০০ বছর পরও সেই নির্দেশ সেভাবেই বলবৎ থাকবে।কেউ মানুক বা না