Naaj Fouara -blog


...


 


ছবির ফিৎনা থেকে বেচে থাকুন,ঈমান হেফাযত করুন


মুসলমানের ঘরেই মূর্তি!!! সম্মানিত দ্বীন ইসলামে প্রতিকৃতি তৈরি করা হারাম। তা ছবি হোক,মূর্তি হোক, ভাস্কর্য হোক। আর স্পষ্ট ভাবে তো বলে দেয়াই হয়েছে,প্রত্যেক ছবি তুলনেওয়ালা জাহান্নামী! নাঊযুবিল্লাহ!!! তারপরো দেখা যায় মানুষ কারণে অকারণে ছবি তুলতেই থাকে! নাঊযুবিল্লাহ! তারা মহান আল্লাহ পাক



মাখনের মতই হওয়া উচিত!


গণতন্ত্রও আর গণতন্ত্র নাই! সবই ভুয়া! জনগণের সরকার হয়ে গিয়েছে সরকারের জনগণ। যেখানে সংখ্যাগরিষ্ঠের মত নেয়ার কথা সেখানে মাত্র এএএএএএএকটা মন্দিরের জন্য হাজার হাজার মানুষের মতকে উপেক্ষা করে তাদের বাড়িঘর,জায়গা থেকে উচ্ছেদ করা!!! যেখানে জনগণই নাকি সব ক্ষমতার অধিকারী বলা হয়



:::::::এমন তাক্বওয়া, পরহেজগারী কয়জনের মধ্যে আছে!?!:::::::


হযরত উমর ইবনুল আব্দুল আজীজ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার খাদিম একদিন উনাকে বললেন, “হে আমীরুল মু’মিনীন! আমি এক বিস্ময়কর স্বপ্ন দেখেছি। তিনি স্বপ্নের কথা ব্যক্ত করতে বললেন। খাদিম বললেন, আমি দেখলাম জাহান্নামের আগুন প্রজ্জলিত করত: তার উপর পুলছিরাতকে স্থাপন করা হয়েছে। হযরত



সকলের জন্যই শিক্ষণীয়


হে ভাই! কখনো মানুষের মধ্য দুনিয়াবী খেয়াল আসলে তৎক্ষণাতই দুনিয়া কামাইয়ে মশগুল হয়ে যায়। এ অবস্থায় সে দুনিয়াবী কাজে অধিক পরিমাণে মজাও পেয়ে থাকে। তখন সে হয়রান পেরেশান হয়ে দুনিয়া প্রত্যাশীদের প্রতিও আকৃষ্ট হয়। মূলত: দুনিয়ার আশিক ও মাশুক উভয়ই লাঞ্ছিত



সোহবতের গুরুত্ব


একটা কুকুর জান্নাতে যাবে…আর এক দরবেশ জাহান্নামে!!! একটাই কারণে! সঙ্গ বা সোহবতের কারণে… হযরত নূহ আলাইহিস সালাম উনার ছেলে কেনান নবুওয়াতী খান্দান হারিয়ে কাফির হলো! সেই একই কারণে! সোহবত।। হযরত ওয়ায়েস আল কারনী রহমতুল্লাহি আলাইহি ,যিনি খইরুত তাবেয়ী। অথচ ছিলেন হুযুর



ধর্মব্যবসায়ীদের বৈশিষ্ট্য…


উলামায়ে ছু’ অর্থাৎ দুনিয়াদার আলিম। যারা ধর্মব্যবসায়ী। এদের অনেকগুলো বৈশিষ্ট্য রয়েছে। তার মধ্যে কিছু উল্লেখ করছি… ১। এরা মিথ্যাবাদী। শরীয়তের দোহাই দিয়ে মিথ্যা ফতোয়া দিয়ে থাকে। হালালকে হারাম আর হারাম কে হালাল বলে থাকে। নাঊযুবিল্লাহ! ২। এরা সত্যটা চুপিয়ে রাখে। সম্মানিত



ওলী আল্লাহ তো আমরাও হতে পারি….


আপনি আমি তো সুদখোরও না,শরাবখোরও তো না! তবে আমরা কেনো চেষ্টা করি না ওলী আল্লাহ হতে???!!! আমাদের তো ওলী আল্লাহ হতে কোনো বাধা নেই। আর মহান আল্লাহ পাক তো চানই যেন আমরা আল্লাহওয়ালা হই। সেজন্যই তো মহান আল্লাহ পাক ইরশাদ মুবারক



“রিযিকের পিছনে ছুটো না,রিযিকই তোমার পিছনে ছুটবে”


যার রিযিক যতটুকু বরাদ্দ করা হয়েছে ততটুকু না পাওয়া পর্যন্ত কেউ মৃত্যুবরণ করবে না। রিযিক তার কাছে পৌঁছবেই,সে যেই মুল্লুকেই থাকুক! এজন্যই বলা হয় রিযিকের পিছনে ছুটো না,রিযিকই তোমার পিছনে ছুটবে। যার মৃত্যু কপালে আছে সে যেখানেই থাকুক মৃত্যু যেমন তাকে



সন্তানদেরকে ছোটবেলা থেকেই ওলী আল্লাহ উনাদের নিকট পাঠাতে হবে।


আলো আর অন্ধকার একসাথে থাকতে পারে না। অন্ধকার হচ্ছে আলোকের অনুপস্থিতি। একটা শিশু বেয়াদব হয়ে জন্মায় না। আজকে যে লোকটা বেয়াদব বা যে ছেলে/ মেয়ে বেয়াদব তাকে আদব শিক্ষা দেয়া হয়নি বলেই সে আজ বেয়াদব। আর বেয়াদব মহান আল্লাহ পাক উনার



বদস্বভাব জাহান্নামী হওয়ার কারণ!


আসলে ইলমে তাসাউফ চর্চা করা ব্যতীত নাযাত লাভ করা কঠিন! মানুষের অন্তরে নেক স্বভাব ৪৪টি এবং বদ স্বভাব ৩৮ টি রয়েছে। কিন্তু দেখা যায় কামিল শায়েখ উনার কাছে বায়াত গ্রহণ করে যিকির ফিকির না করার কারণে বদস্বভাবগুলো দূর করা যায় না।তাই



আউলিয়ায়ে কিরাম আলাইহিমুস সালাম উনাদের মাযার শরীফ নিয়েও চু চেরা করা বেয়াদবী!


নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের একখানা বৈশিষ্ট্য উনাদের মুযিজা শরীফ। কিন্তু নবী উনাকে যাচাই করতে বা চিনতে মুযিজা দেখা শর্ত না। একইভাবে কারামত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের বৈশিষ্ট্য মুবারক। অর্থাৎ উনাদের কারামত থাকবেই।কিন্তু কারামত আউলিয়ায়ে কিরাম উনাদের চিনার মাপকাঠি না! আজমীর



মুসলমান উনাদের উচিত পুরোপুরিভাবে মুসলমান হয়ে যাওয়া


লর্ড মিকলে বলেছিলো,তারা এদেশ থেকে চলে যাবে ঠিকই তবে তারা যে জাতি রেখে যাচ্ছে তারা বাঙালী হলেও অনুসরণ করবে তাদেরই! অর্থাৎ তাদের মন মগজে,চাল-চলনে থাকবে পাশ্চাত্যরীতি! সেটাই কিন্তু দেখা যাচ্ছে। আজকাল মানুষ দেখলে, ছিরত-ছূরত দেখলে বুঝার উপায় নাই সে মুসলমান না