Naaj Fouara -blog


...


 


দুনিয়া থেকে বাঁচতে দুনিয়ার মানুষের সাথে কম মেশার বিকল্প নেই!


“মৃত্যু আসার পূর্বেই মৃত্যুবরণ কর “— একখানা হাদীস শরীফ। আসলেই কেউ যদি দুনিয়াদারীতে ডুবে যেতে না চায় তবে তার জন্য খুব জরুরী দুনিয়ার মানুষের সাথে একেবারেই না পারতে মেশা। অর্থাৎ যতটুকু প্রয়োজন শুধুমাত্র ততটুকুই কথা বলা। এর অতিরিক্ত বলতে গেলেই বিপদ



বিয়ের বয়স নির্দিষ্ট করা হারাম,কুফরী।


বাল্যবিবাহের বিরোধিতা করা, তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করা মানেই হচ্ছে সম্মানিত সুন্নত মুবারক উনাকে ইহানত তথা অবজ্ঞা করা। নাঊযুবিল্লাহ! যা কুফরী!!! কারো জন্য জায়েজ হবে না, মহান আল্লাহ পাক এবং হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের কৃত ফায়ছালা উনার উপর মত পেশ



মহিলাদের জন্য অনুসরণীয় কে?


মহিলারা কার ফতওয়া গ্রহণ করবে? হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের। আর সে কারণেই হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ মুবারক করেছেন মহিলারা যেন অর্ধেক ইলিম হযরত হুমায়রা আলাইহাস সালাম উনার থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে।অর্থাৎ মহিলাদের বিষয়ক মাসয়ালা তথা দ্বীনী



“লজ্জা ঈমানের অংগ”-মানে কি?


সামাজিক সমস্যার মূল কারণ কি???এক কথায় উত্তর হচ্ছে দ্বীনী ইলিমের চর্চার অভাব! এখনকার দিনের ম্যাক্সিমাম মানুষেরই ধারণা যে,ঘরে বসে একটু নামায,রোযা করলেই দায়িত্ব শেষ!দ্বীনী ইলিম শুধু মাদ্রাসার ছেলেপেলেরাই শিখুক! এই যে “মাদ্রাসার ছেলেমেয়ে” আলাদা করে দেয়া হলো,এটা মানুষ কিভাবে করলো?কোথায় আছে



আপনার স্ত্রীকে সাধ্যানুযায়ী হাতখরচ দিন…


#আমারই একফ্রেন্ড,সংসার ভালোই চলছে,একটা মেয়ে নিয়ে ছোট্ট সংসার তার-এখনকার সুখী পরিবার।দেখুন, সুখ বিষয়টা কেনা যায় না!এক মেয়ে থাকলেই সুখ হয় ,দশ ছেলেমেয়েতে সুখ হয় না বিষয়টা তা না।সুখ সৃষ্টি করে নিতে হয় এবং সৃষ্টি হয় নিজের কর্মের মাধ্যমেই।পরিবার যতজন নিয়েই হোক



দিনশেষে সে একজন মেয়ে-ই!


একদা ট্রেনে করে গ্রামের বাড়ি যাচ্ছিলাম ফ্যামিলির বেশ কয়েকজন মিলে।আমাদের পাশেই এক মেয়ে বসেছিল মোটামুটি লম্বা-ই শ্যামলা গড়নের।অনেকক্ষণ পর মেয়েটাই প্রথম কথা বললো আমার বোনের সাথে।যাত্রা দীর্ঘই ছিলো প্রায়, এতোটা সময়ে মেয়েটার সাথে অনেক কথা বলতে বলতে মোটামুটি এ বিষয়টা জানা



দান-সদকা করার ফযীলত


কেউ যদি চায় মহান আল্লাহ্‌ পাক উনার বন্ধু হতে সে যেন বেশি বেশি করে দান করে।কেননা, মহান আল্লাহ্‌ পাক ইরশাদ মুবারক করেছেন,”সখী বা দানশীল ব্যক্তি আমার বন্ধু।দানকারীদেরকে কবর বা কিয়ামতের কোনো আযাবই করা হবে না।” সুবহানাল্লাহ্‌ অপরদিকে কৃপণ ব্যক্তি মহান আল্লাহ্‌



“তোমরা অত্যাচার করো না এবং অত্যাচারিতও হয়োনা।”


পবিত্র হাদীস শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে,“কোনো মুসলমানকে কষ্ট দেয়া কুফরী।” বেশিরভাগক্ষেত্রেই দেখা যায় স্ত্রীরা তাদের স্বামীদের পক্ষ থেকে নানাভাবে কষ্ট পেয়ে থাকে-কথাবার্তায়,আচার-আচরণে।অনেকেই পান থেকে চুন খসলেই স্ত্রীর উপর নির্যাতন শুরু করে।সম্মানিত দ্বীন ইসলাম মহিলাদেরকে অত্যন্ত সম্মান দান করেছেন।স্বামীদের উচিত



মু’মিন ব্যক্তিদের কষ্ট দেয়া প্রসংগে


মু’মিনদেরকে কষ্ট দেয়া নিষেধ। মু’মিনদের সিনার (বক্ষের) মধ্যে ৭০টি পর্দা রয়েছে এবং প্রতিটি পর্দার উপর একজন করে ফেরেশতা আলাইহিস সালাম অবস্থান করছেন। যে ব্যক্তি কোনো মু’মিন-মুসলমানকে দু:খ দেয় প্রথমত সে যেন কোনো ফেরেশতা আলাইহিস সালাম উনাকে কষ্ট দেয় অর্থাৎ যন্ত্রণা প্রথমে



আপনার স্ত্রীর সাথে সদ্ব্যবহার করুন


অসম শক্তিসম্পন্ন জীবের সাথে লড়াই করে নিজেকে বীরপুরুষ মনে করতে নেই।যারা স্ত্রী পিটিয়ে নিজের শক্তি জাহির করে পুরুষত্ব জাহির করতে চায় তারা মুলত কাপুরুষই। স্ত্রী দাসী না,স্ত্রী সংগী-ভুলে যাবেন না।তার উপর আপনার যতটুকু হক্ব রয়েছে,তারো কিন্তু আপনার উপর ততটুকুই হক্ব রয়েছে।আপনি



সুন্নত মুবারক অনুসরণ করা মহান আল্লাহ্‌ পাক উনারই নির্দেশ মুবারক।


হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে অনুসরণ তথা উনার সম্মানিত সুন্নত মুবারক অনুসরণ করতে হবে হায়াত থেকে মউত পর্যন্ত । অর্থাৎ একজন মানুষ তার চলা ফেরা , উঠা-বসা ,খাওয়া-দাওয়া,ঘুম সব সময় সবক্ষেত্রে সুন্নত মুতাবিক তথা হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া



প্রসঙ্গঃ শাওওয়াল মাসের ৬ রোযা


আপনি কি চান,সারা বছর রোযা না রেখেও সারা বছরের রোযা রাখার সওয়াব আপনার আমল নামায় যুক্ত হোক!?! মহান আল্লাহ্‌ পাক উনার অসীম করুণা যে- উম্মতে হাবীবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা কিন্তু খুব সহজেই এই অশেষ নেকী হাছিল করতে পারেন রমযান