Naaj Fouara -blog


...


 


কাকে অনুসরণ করবেন???


ধর্মীয় বিষয়ে কাউকে অনুসরণ করতে চাইলে তাকে প্রথমেই যাচাই করে নিতে হয়। ব্যক্তিগত দৃষ্টিকোণ থেকে নয় কষ্টি পাথর দিয়ে। আর সেই কষ্টি পাথর হচ্ছে সম্মানিত শরীয়ত তথা কুরয়ান শরীফ,হাদীস শরীফ,ইজমা শরীফ ও ক্বিয়াস শরীফ- এই চারটি উসূলের ভিত্তিতেই যাচাই করতে হয়।



বান্দার কোন বিষয়টি মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট সবচেয়ে পছন্দনীয়?


হযরত কালীমুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনি মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে জানতে চেয়েছিলেন বান্দার কোন বিষয়টি মহান আল্লাহ পাক বেশি পছন্দ করেন। তখন মহান আল্লাহ পাক জানিয়েছিলেন, বান্দার বিনয় মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে সবচেয়ে পছন্দনীয়। সুবহানাল্লাহ। সুতরাং বিনয়ী হতে হবে। মহান



…জাহান্নামের বর্ণনা…


মহান আল্লাহ পাক হযরত মুসা কালিমুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার নিকট দোজখের বর্ণনা দিতে যেয়ে বললেন, “হে হযরত কালিমুল্লাহ আলাইহিস সালাম, দোযখের মধ্যে ‘হাবীয়া’ নামে একটা ঘর তৈরি করা হয়েছে এবং এই হাবীয়াই হলো দোযখের মধ্যে সবচেয়ে কঠিন শাস্তির স্থান,সেখানকার অন্ধকারের সামনে



কুরয়ান শরীফ তিলাওয়াতের ফযীলত


‘জামেউল হেকায়েত’ কিতাবে বর্ণিত আছে… ফেলে আসা দিনগুলোর কোনো একসময়ে এক লোক দুশ্চরিত্রের কর্ণধার ছিলো। মুসলমানগণ তার দুশ্চরিত্রের জন্য তাকে ঘৃণা করতো এবং সবসময়ই সংশোধন হওয়ার জন্য উপদেশ দিতো। কিন্তু সে কোনো উপদেশই মানতো না। সে মারা গেলে লোকগণ তাকে স্বপ্ন



::ঘুমানোর পূর্বে রাতের কিছু সময় ইলিম চর্চা করুন::


কেউ জানেনা ৬০ বছর বাঁচবে কিনা! যদি কেউ ৬০ বছর হায়াত পায় তার ৬০ বছরই কি ইবাদতে কাটবে??? কেউ যদি ৬০ বছর ইবাদতও করে সে বলতে পারবে না তার ইবাদত কবুল হলো কিনা!!! কিন্তু মহান আল্লাহ পাক উনার মহান নিয়ামত,এ উম্মত



তাক্বওয়া অর্জন করা ছাড়া মহান আল্লাহ পাক উনার সাহায্য মিলবে কি?!?!


“যমীনে পানিতে যত ফিৎনা ফাসাদ সব মানুষের হাতের কামাই। ” তাই বন্যা, ভুমিকম্প, ঘূর্ণিঝর,দাবানল এসব যেমন মানুষেরই কৃত অপকর্মের ফল।ঠিক একইভাবে পারিপার্শ্বিক অস্থিতিশীলতা, বিশৃংখলা,রাহাজানি, লুটতরাজ,হত্যা এসবও মানুষেরই কৃতকর্মের ফসল!!! দিন যত যাচ্ছে ততই এসবের পরিমাণ আশংকাজনক হারে বাড়ছে। সুতরাং বুঝাই যাচ্ছে



:::::::লাইলাতুল ক্বদর:::::::


১০০০বছর ইবাদত না করলে আবেদ হিসেবে স্বীকৃত হতো না বনী ইসরাইলীগণ। সে সময়ে ১০০০বছর রোযা রেখে জিহাদ করার ঘটনাও বর্ণিত আছে। তাদের হায়াত বেশি ছিলো তাই চাইলে বন্দেগীও বেশি করতে পেরেছে। কিন্তু উম্মতে হাবীবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের তথা আমাদের



সব কাফিরেরা মিলে এক ধর্ম!


হিঁদু, বুদ্ধু আর খ্রিশটান ঐক্যপরিষদ কতটা অসাম্প্রদায়িক(!) তা তাদের সংগঠনের নামেই বুঝা যায়! রসুনের গোড়া যে একজায়গায়ই তাই প্রমাণ হয় এদের দ্বারা। অর্থাৎ সমস্ত কাফিররা মিলে এক ধর্ম। প্রত্যেকেই যার যার মত আলাদা মতের পথের থাকলেও,নিজেদের মধ্যে বিরোধিতা থাকলেও মুসলমানদের ক্ষতিসাধন



কন্যাসন্তান এর মর্যাদা


কন্যাসন্তান আল্লাহ পাক উনার নিকট হতে বান্দাদের জন্য রহমতস্বরূপ। প্রত্যেকের উচিত কন্যা সন্তানকে মর্যাদা দেয়া। যে ব্যক্তি কন্যাদের মর্যাদা রক্ষা করে আল্লাহ তায়ালা তাকে সুখ-শান্তিতে রাখেন। যার ঘরে দুটো কন্যা সন্তান আছে এবং সে তাতে সন্তুষ্ট থাকলে ৮০টি হজ্বের সওয়াব তাকে



:::::::মৃত আত্মীয়স্বজনদের জন্য দোয়া করুন,দান,সদকা করুন,তাদের নাজাতের ব্যবস্থা করুন::::::::::


একজন পানিতে ডুবন্ত ব্যক্তি বাচার জন্য যখন অনেক চেষ্টা করে তখন সে পানিতে ভাসমান খড়কুটো দেখলে তা আকড়ে ধরেও বাঁচতে চায়,যদিও সে জানে যে এটা ধরে তার কোনো উপায় হবে না!!! মৃত ব্যক্তিরাও পানিতে ডুবন্ত ব্যক্তির ন্যায়। অর্থাৎ কঠিন মুসিবত এর



গুনাহসমূহ ক্ষমা করিয়ে নেয়ার মাস শেষ হয়ে যাচ্ছে…


“সমস্ত আদম সন্তান গুনাহগার,তন্মধ্ যে উত্তম ঐ ব্যক্তি যে বেশি বেশি ইস্তেগফার করে।” . “গুনাহ হতে তওবাকারী ঐ ব্যক্তির ন্যায় যার কোনো গুনাহই নেই।” সুবহানাল্লাহ। . “তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো। নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক অতিশয় ক্ষমাশীল



ময়লা অন্তর—সে তো ইবলিশের আবাসস্থল!


রোগটা যখন অন্তরের ঔষধ তখন যিকির। আর চিকিৎসক হচ্ছেন ওলীয়ে মুর্শিদ বা ওলীআল্লাহ। সমস্ত জিনিসই পরিষ্কার করার যন্ত্র আছে। ময়লা অন্তর পরিষ্কার করার যন্ত্র যিকরুল্লাহ। যিকির ব্যতীত অন্তরের ময়লা দূর হবে না। চিকিৎসক এর পরামর্শ ছাড়া যিকির তো রাস্তার ভিখারীও করে,